Robbar

কলাম

চ্যালেঞ্জের বশেই লেখা হয়েছিল পৃথিবী প্রথম কল্পবিজ্ঞান কাহিনি, লিখেছিলেন একজন নারীই

মেরি শেলি তাঁর অনবধানেই রচে ফেলেন পৃথিবীর প্রথম সাই-ফাই নভেলটি। যেখানে বিজ্ঞানকে মানুষের উপকারার্থে ব্যবহার করতে গিয়েও শেষাবধি ভয়াল এক ডিসটোপিয়ায় গিয়ে শেষ হয় সবটা।

→

‘খানিক-রবীন্দ্রনাথ-পড়া’ প্রৌঢ়ের কথায় রবীন্দ্রনাথের প্রেম চেনা যাবে না

বন্ধুত্বের পরিসরের বাইরে আলাদা করে প্রেমকে সুভদ্র, শুচিশীল হিসেবে দেখতে চাইতেন রবীন্দ্রনাথ।

→

রাজার প্রশ্ন শুনে দূত পেটে হাত রেখে বলে, ক্ষুধা আর তৃষ্ণা আমায় পাঠিয়েছে!

দূত বিনা বাক্য ব্যয়ে ডান হাত বাড়িয়ে সে রাজার থালা থেকে এক খাবলা ভাত তুলে মুখে পুরলো।

→

ইউনিটে একটা চাপা উত্তেজনা, কারণ মিঠুন চক্রবর্তীর আসার সময় হয়ে গিয়েছে

ঋতুদা যাকে ‘রীণাদি’ বলে ডাকে, কে জানত কোনও একদিন আমিও সেই নামেই ডাকার সুযোগ পাব মানুষটাকে।

→

জ্ঞানদা প্রথম মা হল একটি মৃত সন্তান প্রসব করে!

পুতুলের ঘরে কাদম্বরী আর রবি সংসার পেতেছে– ভালোবাসার ডলস হাউস!

→

ছায়ার মৃত্যুর খবর গেল শঙ্করের কাছে

শঙ্করের চোখ জলে ভরছে। ঠোঁট কাঁপছে।

→

সাধারণের সরণিতে না হাঁটলে অসাধারণ হতে পারতেন না উৎপল

সাধারণের কিছু থাক না থাক, একটা জিনিস প্রখর থাকে– আত্মসম্মান।

→

সুকুমার রায় যে অর্থে শিশু-কিশোরদের মনোরঞ্জন করতে পারতেন, রবীন্দ্রনাথ তা পারেননি

রবীন্দ্রনাথ নানারকম– কখনও স্তবময় বিশ্বাসী, কখনও সময় হারা চপল– তাঁকে প্রাণ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করেছিলেন সুকুমার।

→

দিনের পর দিন, মাসের পর মাস বিচারসভা ফাঁকা, প্রজা সুখে রয়েছে না আস্থা হারাচ্ছে– রাজা বিচলিত

বোধিসত্ত্ব সেই জন্মে ব্রহ্মদত্তের জ্যেষ্ঠ পুত্র ব্রহ্মদত্ত-কুমার। তাঁর শীলাচার তো মৌলিক হবেই।

→