

রণেন আয়ন দত্তর ছবিতে একটা ইতিহাস মিশে থাকত। মাথার তেলের বিজ্ঞাপন ‘কেশরঞ্জন’-এ দেখবেন কীভাবে তেল তৈরি হচ্ছিল, সে ব্যাপারটা তিনি ধরে রেখেছেন একটা ছবিতেই।
মহেশ ভাট কি উদাসকে বেছে নেওয়ার সময় বাড়তি ভেবেছিলেন? নাকি ’৮৬-তে সেসব ভাবনার অবকাশ বা দরকারই ছিল না!
সদ্যপ্রয়াত কুমার সাহানি বিশ্বাস করতেন, সিনেমা বানানো ও সিনেমা নিয়ে চর্চা– সমাজের অন্যান্য জীবিকার মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।
যদিও ‘এক্সট্রা টাইম’ কথাটা ফুটবলের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তা সত্ত্বেও সেই একচ্ছত্র ‘এক্সট্রা’ অধিকারে ভাগ বসিয়েছে ক্রিকেটও। কীভাবে?
আজকের ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি’-র দুনিয়ায় ফাউ সরে গিয়েছে দূরে। এখন তা হয়ে উঠেছে নির্বাচনী হাতিয়ার।
ছোট্টবেলায় ফুচকার ফাউ বা ‘এক্সট্রা’ পাওয়ার মধ্যে যে বাড়তি খুশির হাতেখড়ি, তার সুদ আজীবন গুনতে হবে।
ভাবলে বড় কৌতূহল হয়, ঋতুপর্ণ ঘোষ এই অসামান্য গল্পদু’টির চলচ্চিত্ররূপ কেমন দিতেন! যাই হোক, এই প্রসঙ্গে লীলার নিজেরই একটা কথা বলা যেতে পারে– ‘যা হয়েছিল, যা হলে ভালো হয়, যা হতে পারত, সব কিছুই এক।’ লীলা মজুমদারের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা।
কে জি সুব্রহ্মণ্যন-এর শতবর্ষ এ বছর। রইল তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved