Robbar

রোজনামচা

আমি আর রাশিদ একসঙ্গে বড় হয়েছি, একসঙ্গে গানবাজনা করেছি আজীবন

শুধু এই কলকাতায় নয়, সারা বিশ্বের নানা প্রান্তে ওঁর সঙ্গে সংগীত চর্চায় আমি সঙ্গ দিয়েছি।

→

গোয়েন্দা মানেই ভদ্রলোক, বাংলা গোয়েন্দা-সাহিত্যের এই জোরালো বয়ান বদলে দেন আশাপূর্ণা দেবী

পকেটমারি ছেড়ে সৎ পথে চলার সিদ্ধান্ত নিয়ে পেশাদার গোয়েন্দা হয়ে উঠছে ‘মানিকজোড়’ ট্যাঁপা আর মদনা।

→

আঙ্গুরবালার জীবদ্দশায় তাঁর নাম লেখা শাড়ি পরত মানুষ!

আঙুরের মতো মিষ্টি কণ্ঠসুধা, তাই ‘আঙ্গুরবালা’। প্রভাবতী দেবী এই নামই আমৃত্যু বইলেন হাসিমুখে, সগর্বে।

→

ইরফানের মতো খুব কম মানুষ দেখেছি যাঁকে বলা যায়– ওয়ার্ক ইন প্রোগ্রেস

যদি একটা শব্দে ইরফান খানকে বর্ণনা করতে হয়, তাহলে এই ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করব– ‘Soaker’. হি ওয়াজ আ সোকার, সোকার অফ লাইফ।

→

ইলা মিত্র ও বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া তেভাগার কিছু নাম

আমরা সাধারণত ইলা মিত্র-র কথা জানি নাচোলে কৃষক অভ্যুত্থান ও পূর্ব-পাকিস্থান রাষ্ট্রের হেফাজতে যখন ছিলেন তিনি, সেই সময়ের কথা প্রসঙ্গে। কিন্তু তার আগে, ১৮ থেকে ২৩-২৪ বছরের মধ্যে পরিবার ও সমাজ আরোপিত অদৃশ্য বেড়িগুলো কীভাবে ইলা অসীম সাহস ও অনন্য কৌশলে খুলতে খুলতে গেছেন, তা নিয়ে খুব কমই কথা হয়।

→

পাথর ছুঁয়ে পাহাড় বুঝতে শিখিয়েছিল আমার দৃষ্টিহীন বন্ধু

৪ জানুয়ারি, বিশ্ব ব্রেইল দিবস উপলক্ষে বিশেষ লেখা!

→

গানে রবীন্দ্রনাথের ঋণ, তাই সাহিত্যচর্চায় নিজস্ব পথ তৈরি করতে চেয়েছিলেন সুচিত্রা মিত্র

সুচিত্রা মিত্র শুধু গানে নন, সাহিত্যেও নিজস্বতার ছাপ রেখেছেন। আজ তাঁর প্রয়াণ দিবস।

→

উত্তর কলকাতার গলিকে মহাদেশে পালটে ফেলেছিলেন মতি নন্দী

মতি নন্দীর স্মৃতির গলিতে উত্তর কলকাতার কত যে দগদগে নাম! কত রঞ্জন-রশ্মি! এদিকে হরি ঘোষ স্ট্রিট তো, ওদিকে দুর্গাচরণ মিত্র। সেদিকে দর্জিপাড়া তো অন্যদিকে কর্নওয়ালিস স্ট্রিট বা কাশী বোস লেন। উত্তর কলকাতার গলি মতির লেখায় শেষপর্যন্ত হয়ে উঠেছে এক একটি মহাদেশ।

→

সফদর মারা গেছে, কিন্তু ধমনীতে সে বেঁচে

সফদর হাসমির ঘরে দেওয়ালে টাঙানো ঋত্বিক ঘটকের ছবি। ছবিতে ক্যাপশন লেখা– ‘দি আনপ্যারালালড ফিল্ম জিনিয়াস’।

→

যৎসামান্য চাওয়াও যখন প্রার্থনা হয়ে ওঠে

কথিত আছে, ভালো বা মন্দ– যে যেমন চায়, কল্পতরু তাকে তাই-ই দেয়। শ্রীরামকৃষ্ণ কি তেমনটাই করেছিলেন ওইদিন?

→