
বাংলায় রামচন্দ্রের যোদ্ধা রূপের চেয়ে তাঁকে করুণ রসের নায়ক রূপে বন্দনা করেছেন দ্বাদশ শতাব্দীর বাঙালি কবি জয়দেব তাঁর গীতগোবিন্দ কাব্যে– ‘ধৃত রামশরীর জয় জগদীশ হরে’। জয়দেব শ্রীকৃষ্ণের দশটি অবতারকে দশ প্রকার রসের অধিষ্ঠাতৃ রূপে ব্যাখ্যা করেছেন কাব্যে। যেমন মীন রূপ অবতার বীভৎস রস, কূর্মরূপ হল অদ্ভুত রস, তেমন রামচন্দ্র হলেন করুণ রসের অধিষ্ঠাতা। এখান থেকেই শুরু হয়েছে রামের প্রকৃত বাঙালিয়ানা। কৃত্তিবাসের কাব্যে এই করুণ রসের সঙ্গে ভক্তিরস গাঢ় হয়ে উঠেছে।
২৫.
মহাকাব্যের নায়ক থেকে অবতার রামচন্দ্র। তাঁকে কেন্দ্র করে বাংলায় রামপূজা ও রামায়ণ সংস্কৃতির সূচনা ঠিক কখন থেকে হয়েছিল তা নিয়ে বিতর্ক আছে। রামায়ণের বিভিন্ন কাহিনি, বিশেষ করে ‘রাবণ বধ’ টেরাকোটা মন্দিরের অন্যতম মোটিফ। তার ইতিহাস আঠেরো-উনিশ শতকের। বাংলায় রামের প্রাচীন মন্দিরের কোনও হদিশ বা উল্লেখও মেলে না। নেই কোনও প্রাচীন মূর্তি।
বলাবাহুল্য রামচন্দ্র নিয়ে এইসব আলোচনা বা বক্তব্য একপেশে ও অনুমান নির্ভর। রামচন্দ্রের মূর্তিপুজো অবতারবাদের ধারণা প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছিল নিঃসন্দেহে। অগ্নিপুরাণে ৫১/৬ শ্লোকে রামাবতারের চতুর্ভুজ অথবা দ্বিভুজ মূর্তি গঠনের কথা বলা হয়েছে। রামচন্দ্রের চার হাতে থাকবে ধনুর্বাণ শঙ্খ চক্র; কিংবা দ্বিভুজ মূর্তিতে থাকবে ধনুর্বাণ।

‘শারদাতিলক’ গ্রন্থের ১৫/৮৪ শ্লোক বা তন্ত্রসারেও রামমূর্তির নির্মাণের কথা পাওয়া যায়। বাংলাদেশে প্রচুর বিষ্ণুমূর্তি যেমন পাওয়া গিয়েছে, তেমনই মিলেছে বিষ্ণুর অবতার মূর্তি; সংখ্যায় কম হলেও বরাহ নৃসিংহ মূর্তি– উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। বিষ্ণুর অবতাররূপী একক কৃষ্ণের মূর্তি অনেক পরে দেখা যায়। এগুলি ‘গোপীনাথ’ নামে সুপরিচিত। যার অধিকাংশই চৈতন্যোত্তর যুগের।
কিন্তু অবতার রামচন্দ্রের প্রাচীন মূর্তি নেই বলেই গবেষকরা দাবি করেছেন। ‘মধ্যযুগের বাংলা ও বাঙালী’ গ্রন্থে (পৃ. ৪৮) সুকুমার সেন লিখেছেন– ‘ত্রয়োদশ শতাব্দীর আগে রামপূজার প্রচলনের কিছুমাত্র প্রমাণ নেই। রামের কীর্তি কাব্যগাথায় প্রসিদ্ধ ছিল এবং পরবর্তীকালে মন্দির ভিত্তির অলংকরণে সমাকৃত হয়েছিল কিন্তু রামের কোনও প্রস্তর বা ধাতু প্রতিমা মেলেনি।’

কিন্তু এই উক্তি আংশিক সত্য। কেননা বাংলাদেশে বিষ্ণুর অবতার-মূর্তি নয়, বিষ্ণুমূর্তির পুজো হত সর্বাধিক। বিপুল বিষ্ণুমূর্তির আধিক্য এই প্রসঙ্গে স্মরণীয়। বিষ্ণুর অবতার কৃষ্ণের মূর্তি প্রাক-চৈতন্যযুগে নগণ্যই বলা যেতে পারে।

রামমূর্তি যে প্রাক-চৈতন্যযুগে একেবারেই পূজিত হত না– এই তথ্য একেবারেই ঠিক নয়। যেমন পাল-সেন আমলের প্রাচীন রামবিগ্রহের প্রস্তরমূর্তি আজও পূজিত হচ্ছে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে। মূর্তির উচ্চতা প্রায় আড়াই ফুট। রথাকৃতি পাদপীঠের পদ্মবেদিকার মাঝে ঈষৎ কটি হেলিয়ে দণ্ডায়মান রামচন্দ্র। অগ্নিপুরাণ অনুসারে রামচন্দ্র দ্বিভুজ। দুই হাতে ধরে রয়েছেন তীরধনুক। বিষ্ণুমূর্তির মতো রামের বগল থেকে পা অবধি দু’ পাশের পাথর কেটে ত্রিমাত্রিক রূপ দেওয়া হয়েছে।
রামের বক্ষদেশ অনাবৃত। গলায় শোভিত বিষ্ণুর মতো বনমালা। পরিধানে সূক্ষ্ম বস্ত্র। নানা অলংকার শোভিত। মাথায় কিরীট মুকুট। রামের বামে সীতা। সীতার ডান হাতে চামর। বাম হাতে কিছু একটা ধরে আছেন। রামের ডান দিকে তীরধনুক হাতে দাঁড়িয়ে আছেন অনুজ লক্ষ্মণ।

প্রশ্ন উঠতে পারে, তীরধনুক হাতে এই মূর্তি কামদেবেরও হতে পারে। কিন্তু এই মূর্তিতে কামদেবের কোনও অস্তিত্ব নেই। পাদপীঠে দেখা যায় ভক্তের ভূমিকায় হাঁটু গেড়ে বসে আছে হনুমান, জাম্বুবান কিংবা সুগ্রীব। সুতরাং এই মূর্তি রাম-লক্ষ্মণ-সীতার।
মাথার চালি আয়তকার। চালির দু’পাশে একজোড়া করে মাল্য হাতে উড্ডীন বিদ্যাধর-বিদ্যাধরী। এ মূর্তির গঠনশৈলী শুধু পাল-সেন আমলের শিল্পরীতির নয়, পাল-সেন সময় পর্বের, নিঃসন্দেহে।
সুতরাং অবতারবাদ উদ্ভবের সঙ্গে সঙ্গে যে রামচন্দ্রের মূর্তি বাংলায় সংখ্যায় কম হলেও পূজিত হত তাতে কোনও সন্দেহ নেই। রামচন্দ্রের মূর্তির পুজো চালু থাকলে রামচন্দ্রের মন্দির থাকা স্বাভাবিক। হুগলী জেলার ত্রিবেণীর জাফর খাঁর আস্তানায় প্রচুর হিন্দু ভাস্কর্য ও আয়তাকার প্রস্তরখণ্ডে কয়েকটি লেখমালার সন্ধান পাওয়া গেছে। তার মধ্যে রয়েছে রামায়ণ-কেন্দ্রিক ‘শ্রীসীতানির্বাসঃ’, ‘শ্রীরামাভিষেকঃ’, ‘শ্রীরামেণ রাবণবধঃ’ ইত্যাদি। এই ফলকগুলি নিঃসন্দেহে বিষ্ণু বা কৃষ্ণ কিংবা রামচন্দ্রের মন্দিরের হওয়াই সম্ভব।

রায়বাহাদুর কে এন দিক্ষিতের লেখা ‘Excavation at Paharpur Bengal’ আকরগ্রন্থ থেকে জানা যায়, পাহাড়পুরের মন্দিরগাত্রে কৃষ্ণলীলা ও বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তিফলকের পাশাপাশি রামায়ণের কিছু উপাখ্যান প্রতিফলিত হয়েছিল– বানরসেনা কর্তৃক সেতুবন্ধন, বালী ও সুগ্রীবের যুদ্ধ ইত্যাদি। এগুলি প্রস্তর ফলকের দৃষ্টান্ত। গবেষকদের মতে প্রস্তর ফলকগুলি মৃৎফলকের চেয়েও পুরাতন। সম্ভবত গুপ্তোত্তর পর্বের। পাহাড়পুরের ফলক থেকে ধারণা করা যায় গুপ্ত বা গুপ্তোত্তর পর্ব থেকে রামচন্দ্র ও রামায়ণ বাংলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

বাংলায় রামচন্দ্রের যোদ্ধা রূপের চেয়ে তাঁকে করুণ রসের নায়ক রূপে বন্দনা করেছেন দ্বাদশ শতাব্দীর বাঙালি কবি জয়দেব তাঁর গীতগোবিন্দ কাব্যে– ‘ধৃত রামশরীর জয় জগদীশ হরে’। জয়দেব শ্রীকৃষ্ণের দশটি অবতারকে দশ প্রকার রসের অধিষ্ঠাতৃ রূপে ব্যাখ্যা করেছেন কাব্যে। যেমন মীন রূপ অবতার বীভৎস রস, কূর্মরূপ হল অদ্ভুত রস, তেমন রামচন্দ্র হলেন করুণ রসের অধিষ্ঠাতা। এখান থেকেই শুরু হয়েছে রামের প্রকৃত বাঙালিয়ানা। কৃত্তিবাসের কাব্যে এই করুণ রসের সঙ্গে ভক্তিরস গাঢ় হয়ে উঠেছে।

ষোল শতক থেকে মঙ্গলকাব্য ধারার একাধিক কবি তাঁদের কাব্যে রাম বন্দনাও করেছেন। মুকুন্দরাম লিখেছেন–
প্রথমে বন্দিব রাম। মুক্তিপ্রদ যাঁর নামঃ
প্রভু রাম কমললোচন।।
অযোধ্যার পতি রাম। বন্দো দূর্ব্বাদল-শ্যামঃ
প্রণমহ কৌশল্যানন্দন।।
রূপরাম তাঁর ধর্মমঙ্গলকাব্যের দিগবন্দনায় রামবন্দনাও করেছেন–
রামসীতা লক্ষণ বন্দিব অযোধ্যায়।
যার গুণে বনের পশু রামনাম গায়।।

কবি ঘনরাম চক্রবর্তী ছিলেন রামভক্ত কবি। তাঁর ধর্মমঙ্গল কাব্যের ভণিতায় বারবার রামের কথা লিখেছেন– ‘ঘনরাম ভণে যার নাথ রঘুবীর’ কিংবা–
রামচন্দ্র পদদ্বন্ধে বন্দিয়া ত্রিপদীছন্দে
আনন্দ হৃদয়ে ঘনরাম।।
মন্দির বা সাহিত্য ছাড়াও রামায়ণ-নাটপালা বা রামযাত্রার জনপ্রিয়তা যে প্রাক-চৈতন্যযুগেই তৈরি হয়েছিল তা চৈতন্যভাগবত পড়লেই বোঝা যায়। এক ভাবুক অভিনেতা দশরথের ভূমিকায় অভিনয় করতে গিয়ে মঞ্চেই প্রাণত্যাগ করেছিলেন। সেটা নিয়ে তৈরি হয়েছিল লোকপ্রবাদ। প্রবাদ বাক্যটি উল্লেখ করেছেন বৃন্দাবন দাস–
পূর্বে দশরথ ভাবে এক নটবর।
রাম বনবাসী শুনি এড়েন কলেবর।।
রামযাত্রা মুসলমান জনমানসেও যে সমান জনপ্রিয় ছিল তার কথাও বলেছেন বৃন্দাবন দাস–
যবনেও যাঁর কীর্তি শ্রদ্ধা করি শুনে।
ভজোঁ হেন রাঘবেন্দ্র প্রভুর চরণে।।
(অন্ত্যখণ্ড, অধ্যায় ৪)

রাম দীক্ষায় দীক্ষিত হয়েছিলেন একাধিক বাঙালি। চৈতন্যপরিকর মুরারি গুপ্ত রামভক্ত ছিলেন। তিনি ‘রামাষ্টক’ রচনা করেছিলেন। সেই রামাষ্টক শুনে শ্রীচৈতন্যদেব অত্যন্ত প্রীত হয়েছিলেন।
চৈতন্যমঙ্গল রচয়িতা জয়ানন্দের পরিবারও রামভক্ত ছিলেন। কেতুগ্রামের মহাকবি চণ্ডীদাসও ছিলেন রামভক্ত। তাঁদের পরিবার পূজিত রঘুনাথশীলা এখনও পূজিত হচ্ছে। ষোল শতকের প্রথমার্ধের কবি চূড়ামণি দাস তাঁর গৌরাঙ্গ বিজয় কাব্যে উষ্মা প্রকাশ করে লিখেছেন, সেকালে অনেক রামভক্ত ছিলেন এবং তাঁরা ভাগবত বিরোধী ছিলেন।
আর কেহ অনাচারে রামমন্ত্র জপি।
ভাগবত নিন্দা করে কোন কোন পাপি।।

ওয়ার্ড সাহেবের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দি হিন্দু’ উনিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে প্রকাশিত হয়েছিল শ্রীরামপুর মিশনারি প্রেস থেকে। প্রথম খণ্ডে আঠেরো শতকের বাংলায় রামপূজা নিয়ে তথ্যনিষ্ঠ বিবরণ রয়েছে। ওয়ার্ড সাহেব জানিয়েছেন, রামনবমীতে বাংলায় প্রচুর রামের মৃৎমূর্তি পূজিত হত।
রামনবমীর দিনে বণিকরা হালখাতা করতেন। কৃষ্ণের মতো রামের দোল উৎসব পালিত হত সাড়ম্বরে। নিষ্ঠাবান হিন্দুদের মারা যাওয়ার আগে অন্তর্জলীর সময় মুমূর্ষু মানুষটির কপালে ও বুকে রামনাম লিখে দিতেন আত্মীয়স্বজনেরা। তিনি আরও জানিয়েছেন বাংলাদেশে অনেক প্রাচীন রামমন্দির ছিল।
‘…on the ninth of the increase of the Moon in Chaitra, on which day Ram was born, an annual festival is held, when multitudes of clay images are worshipped. The Dola festival also is observed in honor of this God, on this day … on the birth day of this God, the Hindoo merchants in general begin their new years accounts. At the time of death, many Hindoos write the name of Ram on breast and forehead of the dying persons, with earth taken from the banks of the Ganges…’ (পৃ. ১৭২)

চৈতন্যদেবের অমোঘ প্রভাবে অনেক রামভক্ত নিঃসন্দেহে কৃষ্ণভক্তে পরিণত হয়েছিলেন। গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মে রামভক্তিকে আত্মীকরণ করেছিলেন স্বয়ং মহাপ্রভু। শ্রীচৈতন্যদেবের নামসংকীর্তনে রামনামকেও গ্রহণ করা হয়েছে। ভক্তের চোখে শ্রীচৈতন্যদেব শুধু শ্রীকৃষ্ণই ছিলেন না, তিনি ছিলেন রামের সাক্ষাৎ বিগ্রহ। বৃন্দাবন দাসের চৈতন্যভাগবতে বাসুদেব সার্বভৌম শ্রীচৈতন্যদেবের ষড়ভুজ মূর্তি দেখেছিলেন–
অপূর্ব ষড়ভুজ মূর্তি কোটি সূর্য্যময়।
দেখি মুর্ছা গেলা সার্বভৌম মহাশয়।।
(অন্ত্যখণ্ড, তৃতীয় অধ্যায়)

রামের পুজো একসময় লুপ্তপ্রায় হলেও, রাঢ় অঞ্চলের ধর্মরাজ পুজো কিংবা ক্ষীরগ্রামের দেবী যোগাদ্যার সঙ্গেও রামায়ণের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। মহিলা বার-ব্রতেও আজও রামায়ণ সংস্কৃতি ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে। ব্রত, এমনিতে প্রাগার্য সংস্কৃতির ফসল। দু’টি মেয়েলি কুমারীব্রতে এর সন্ধান মেলে। বৈশাখ মাসে দশপুতুল কুমারী ব্রতে এবং কার্তিক মাসে সেঁজুতে ব্রতে রামায়ণ প্রসঙ্গ লক্ষণীয় দৃষ্টান্ত। দশ পুতুল ব্রতে কুমারী মেয়েরা পিটুলিগোলা দিয়ে অঙ্গনে দশটি পুতুল এঁকে ফুল-দূর্বা দিয়ে পুজো করে মন্ত্র বলে–
এবার মরে মানুষ হব– রামের মতো পতি পাব।
এবার মরে মানুষ হব– সীতার মতো সতী হব।।
এবার মরে মানুষ হব– লক্ষ্মণের মতো দেবর পাব।
এবার মরে মানুষ হব– দশরথের মতো শ্বশুর পাব।
এবার মরে মানুষ হব– কৌশল্যার মতো শাশুড়ি পাব।।

রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘প্রাচীন সাহিত্য’-এ ‘রামায়ণ’ প্রবন্ধে যথার্থই লিখেছেন– ‘রামায়ণের প্রধান বিশেষত্ব এই যে, তাহা ঘরের কথাকেই অত্যন্ত বৃহৎ করিয়া দেখাইয়াছে। পিতাপুত্রে, ভ্রাতায় ভ্রাতায়, স্বামী স্ত্রীতে যে ধর্মের বন্ধন, যে প্রীতি-ভক্তির সম্বন্ধ রামায়ণ তাহাকে এত মহৎ করিয়া তুলিয়াছে যে, তাহা অতি সহজেই মহাকাব্যের উপযুক্ত হইয়াছে।’
…………. পড়ুন ঠাকুরদার ঝুলির অন্যান্য পর্ব ………….
পর্ব ২৪: অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ নিয়ে কৃষ্ণচন্দ্র-নবকৃষ্ণের মামলা লন্ডন অবধি গড়িয়েছিল
পর্ব ২৩: কিম্ভূত-কিমাকার মূর্তির নাম কেন ‘কাকতাড়ুয়া’?
পর্ব ২২: দেড় ফুটের ল্যাংচাভোগ ছাড়া রং খেলেন না মদনমোহন
পর্ব ২১: মায়া মমতায় গড়া বাংলা বিয়ের ছড়া
পর্ব ২০: মাদারি কা খেল
পর্ব ১৯: কোনও পসরাই অবিক্রিত পড়ে থাকে না বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলায়
পর্ব ১৮: সুর নয়, আদিতে সুরার সঙ্গেই অধিক যোগাযোগ ছিল সরস্বতীর
পর্ব ১৭: পৌষপার্বণের সঙ্গে মিশে গেছে টুসু, সোদরব্রত কিংবা কুড়মালি আইখানযাত্রা
পর্ব ১৬: বাংলার মনসা ও চণ্ডীপুজোর ধারা এসে জগৎগৌরীতে মিলেছে
পর্ব ১৫: রাঢ়ের কবিগানের পালায় হিঁদু হলেন চাঁদ মুহম্মদ, কাশীনাথ মুসলিম
পর্ব ১৪: খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধো মন
পর্ব ১৩: বৈদিক যুগের ‘স্থালী’-ই আজকের প্লেট, ‘উখ্য’-ই ফ্রাইং প্যান
পর্ব ১২: লোকখেলার মধ্যে মিশে রয়েছে হাজার বছরের ফেলে আসা জীবনের স্মৃতি
পর্ব ১১: অঘ্রানের নবান্ন মূলত নববর্ষেরই উৎসব ছিল
পর্ব ১০: বারবণিতাদের আরাধনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছিল কাটোয়ার কার্তিক লড়াই
পর্ব ৯: শিশুঘাতক থেকে কেন শিশুরক্ষক দেবতা হয়ে উঠলেন কার্তিক?
পর্ব ৮: তেনাদের পুজো, তেনাদের মেলা-মোচ্ছব
পর্ব ৭: প্রেত মানেই ভূত বা অতীত, কিন্তু সকল প্রেতই ভূত নয়!
পর্ব ৬: কেবল কালী নন, লৌকিক লক্ষ্মী ঠাকরুনও দাঁড়ান স্বামী নারায়ণের বুকে পা রেখেই
পর্ব ৫: মহিষাসুরমর্দিনী নন, কৃষিপ্রধান বাংলায় আদিপূজিতা ছিলেন শস্যদেবী নবপত্রিকা
পর্ব ৪: পুকুরের দেবতা পুকুরের ভূত
পর্ব ৩: পুকুরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে লোককথা আর লোকবিশ্বাস
পর্ব ২: পৌরাণিক হিন্দু ও বৌদ্ধ সাহিত্যে দেবতা অথবা মানুষের বন্ধু হিসেবেই স্থান পেয়েছে কুকুর
পর্ব ১: সেকালের ডাকাতির গপ্প
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved