


ইদানীং সাব-অল্টার্নের দুঃখে কাতর হয়ে কুমিরের কান্না কাঁদার যে রেওয়াজ চালু হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে, তা সাংগীতিক ক্ষেত্রে ওঁকে কোনওদিনও করতে হয়নি। ওঁর সমসাময়িক বাঘ-সিংহের বাচ্চাদের কাউকেই করতে হয়নি। তাই হেমন্ত যখন গান ‘কেন চোখের জলে ভিজিয়ে দিলেম না শুকনো ধুলো যত, কে জানিত আসবে তুমি গো অনাহুতের মতো’– আমাদের গলা ধরে আসে। আমরা রবীন্দ্রনাথে বিশ্বাস রাখি, হেমন্তে বিশ্বাস রাখি। যার জন্য চোখের জল ফেলিনি বলে আক্ষেপ করি, তার প্রতিও আমাদের আস্থা অটল থাকে। পথের দুঃখ দিতে ইচ্ছে করে না আর।
অবলম্বন, সম্বল কথাগুলো খুব আপেক্ষিক। কিন্তু তাহলেও তার জন্যে কিছু আলোচনা বরাদ্দ থাকে। হেমন্ত মুখার্জি এই আলোচনার উপজীব্য। শব্দ, বাক্য এগুলোর প্রাথমিক পরিচয় সূত্রে এই নামটার সঙ্গে পরিচয়। ফলে যা হবার তাই হয়েছে। অবলম্বন কেন বলছি একবার গুছিয়ে বলা ভালো। মায়ের মুখে শোনা– যখন না কি ছোটবেলায় খাওয়াতে পারত না, হেমন্তের গলায় ‘ধিন কেটে ধিন ধিন কেটে ধিন বাজে ঝড়ের ঢাক’ গানটা রেকর্ড প্লেয়ারে চললেই মায়ের কাজটা সোজা হয়ে যেত। এইটুকু ঘুষই যে বাচ্চার খুশির সূচক, তার কাছে হেমন্ত মুখার্জি সম্বল না হয়ে কি অম্বল হবে! হেমন্ত মুখার্জি আমাদের গুষ্টিতে একরকম ত্রাতার মতো ছিলেন।

শুনলে কেউ রে-রে করে তেড়ে আসলেও এটা সত্যি যে, রবীন্দ্রনাথের গান প্রথম এবং শেষ পছন্দ হেমন্তর গলাতেই। ‘তুমি মোর পাও নাই পরিচয়’ গানটা হেমন্ত যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, ওখান থেকে ঝাঁপ দিতেই ভয় লাগে। তারপর একটা পিয়ানো যে কী কুক্ষণে সম্ভবত ভি বালসারা বাজিয়েছিলেন, কার মাথার ঠিক থাকে শুনলে! যে সময়ে নাক টিপলে দুধ বেরয়, সে সময়ে শুনছি ওঁর গলায়– ‘মনে কী দ্বিধা রেখে গেলে চলে’। এইটা আবার ‘ছায়া সূর্য’ সিনেমায় চিন্ময় চট্টোপাধ্যায় গেয়েছিলেন। আর ‘এসো এসো আমার ঘরে এসো’ চিন্ময় বেসিক ডিস্কে রেকর্ড করেছিলেন, সিনেমাটায় হেমন্ত গেয়েছিলেন।
ডানদিক-বাঁদিক দিয়ে শুনছি পঙ্কজ মল্লিক গাইছেন ‘এমন দিনে তারে বলা যায়’, দেবব্রত বিশ্বাস গাইছেন ‘শুধু যাওয়া আসা, শুধু স্রোতে ভাসা’। সবই শুনছি, কিন্তু ভেতর থেকে গাইতে বললে কেউ গাইছি ‘ঝরাপাতা গো, আমি তোমারই দলে’– ঐ হেমন্তর গলায় শোনা গান। যাঁদের রবীন্দ্রনাথের গানে দীক্ষা আছে, তাঁরা শুরু করেন দেবব্রত বিশ্বাস, মায়া সেন, সুচিত্রা মিত্র, কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এঁদের দিয়ে। আমার শুরু হচ্ছে– সেই আগে হত না, পাড়ার যে ছেলেটা বাংলা-ইংরেজি পড়ায়, নিম্নবিত্ত বাড়ি, তার কাছেই ইতিহাস পড়ানোর আবদার নিয়ে যেত বাড়ির মায়েরা। হেমন্ত শুনছি, ‘কোনদিন বলাকারা অত দূরে যেত কি ঐ আকাশ না ডাকলে’ গাইছেন, আবার শুনছি ‘আহা কৃষ্ণ কালো আঁধার কালো’ গাইছেন, এই লোকটার কাছেই ‘অরূপ, তোমার বাণী’ নিয়ে গেলাম। আমার এক দিদি গান শিখত, সে রুলটানা খাতায় ‘আমরা সবাই রাজা আমাদেরই রাজার রাজত্বে’ গানটা লিখে দিয়েছিল। বোধয় ১৩-১৪ বছর বয়স অবধি ওই পৃষ্ঠাটা মাথার কাছে ছিল। তবলাও কিনে দিয়েছিল পিসি। সে তবলা ভেঙে ফেলেছিলাম। ট্র্যাজেডি অব এরর এই যে, অনেক পরে রাধাকান্ত নন্দীর নাম যখন সম্যকভাবে জানি, বঙ্কিমচন্দ্রকে বেঁকিয়ে বলেছিলাম, এই নন্দী আমার প্রাণেশ্বর।

হেমন্তের গলা শুনেই মনে হয় ইনি সব্বার জন্য গান। ভারিক্কি চালে বললে সাম্যাবস্থা, প্রয়োগের দিক থেকে বললে রেশনের চাল। না হলে একটু ভেবে দেখলেই বোঝা যায় যে, ওইরকম একটা গম্ভীর গলা কোনও বাচ্চার মনে দাগ কাটে কেন? হতে পারে, ছোটবয়সে ভালো লেগে গেল কোনও কারণ ছাড়াই, ভালো লাগা ছুটে যেতেও পারত? গেল না কেন? আজকে বুঝতে পারি, ঐ গাম্ভীর্যে কোনও ফাঁকি ছিল না। গাম্ভীর্য কখনওই ভারিক্কি চালে কাউকে তেড়ে যায়নি। ঐ গাম্ভীর্য কোনওদিন বোঝা হয়নি। কিংবা ইদানীং সাব-অল্টার্নের দুঃখে কাতর হয়ে কুমিরের কান্না কাঁদার যে রেওয়াজ চালু হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে, তা সাংগীতিক ক্ষেত্রে ওঁকে কোনওদিনও করতে হয়নি। ওঁর সমসাময়িক বাঘ-সিংহের বাচ্চাদের কাউকেই করতে হয়নি। তাই হেমন্ত যখন গান ‘কেন চোখের জলে ভিজিয়ে দিলেম না শুকনো ধুলো যত, কে জানিত আসবে তুমি গো অনাহুতের মতো’– আমাদের গলা ধরে আসে। আমরা রবীন্দ্রনাথে বিশ্বাস রাখি, হেমন্তে বিশ্বাস রাখি। যার জন্য চোখের জল ফেলিনি বলে আক্ষেপ করি, তার প্রতিও আমাদের আস্থা অটল থাকে। পথের দুঃখ দিতে ইচ্ছে করে না আর।
ছোটবেলায় যখন গান শুনছি, ‘চাঁদ কহে চামেলি গো, হে নিরুপমা’– হিমাংশু দত্তকে চিনি না, সুবোধ পুরকায়স্থকে চিনি না, অথচ বর্ণপরিচয়ের কল্যাণে নামগুলো গুলে খাওয়া হচ্ছে আস্তে আস্তে। এই গুলে খাওয়ার সুবাদে প্রফিট লস, প্রজেক্ট এইসব কথাগুলোর মধ্যে যখন হাঁফ ধরে, তখন ঐ নামগুলো আউড়ে নেওয়া যায়। শুধু জানি ‘চাঁদ কহে চামেলি গো, হে নিরুপমা’ গানটা হেমন্তর গলায় শুনলে একবার দাঁড়িয়ে যেতে হয়। ‘নিরুপমা’ নামটা আবার যেন হেমন্তর কোন গানটায় পেলাম– ‘হে নিরুপমা, হে নিরুপমা, গানে যদি লাগে বিহ্বল তান করিও ক্ষমা’। এরকম ভাবতে ভাবতে রবীন্দ্রনাথ হেমন্ত একসঙ্গে ঢুকছে। রবীন্দ্রনাথের গান রবীন্দ্রনাথের ভেবে যত না শুনেছি, শুনেছি ‘হেমন্তর গান’ সেই ভেবে।

একটু আগে ‘মনে কি দ্বিধা রেখে গেলে চলে’ গানটার কথা হচ্ছিল। ভালো স্পিকারে যদি গানটা হেমন্তের গলায় শোনা যায়, দেখা যাবে গম গম করছে গলাটা। কিন্তু ওরই ভেতরে একটা সূক্ষ্ম দুঃখবোধ আছে গানটায়, হেমন্ত সেটাকে বয়ে নিয়ে গেলেন শেষ পর্যন্ত। কোথাও গলাটা ঐ দুঃখবোধটাকে ছুঁতে বাধা হয়ে দাঁড়াল না। হেমন্ত গাইছেন, ‘আকাশে উড়িছে বকপাতি, বেদনা আমার তারই সাথী’। এই দুঃখবোধে একটা সফিস্টিকেসি আছে। যেন ‘ক্ষণিকের অতিথি’-র রুমা গুহঠাকুরতা আর নির্মল কুমার। হেমন্তর সমসাময়িক দিকপালেরা অনেকেই এই গানটা গেয়েছেন, পরেও অনেকে গেয়েছেন, কিন্তু সত্যি বলতে হেমন্তর মতো লাগেনি আর কারও গলায়। হেমন্ত যখন গান শুরু করছেন, তখন ব্রিটিশ যাব যাব করছে। হেমন্ত যখন শেষ করছেন, তখন রাজ্যে বাম সরকার। এই দুটো ঘটনার মধ্যে কত যে পাওয়া আর না-পাওয়া এই দেশ দেখেছে। এরই মধ্যে হেমন্তকে ‘হেমন্ত’ হতে গিয়ে যুগোপযোগী হতে হয়েছে। যে হেমন্ত ‘ছোট পঙ্কজ’ নামে খ্যাত ছিলেন, সেই হেমন্ত যখন ‘সঘন গহন রাত্রি’ গান, পঙ্কজ মল্লিকের গলায় সেই গান আর হেমন্তের গলায় গান– দুটো পাশাপাশি শুনলে বোঝা যায়, আমাদের দুঃখ আর প্রতাপ-শৈবালিনীতে আটকে নেই, দুঃখের বিস্তার বিমল করের গল্পের মধ্যে দিয়ে।
হেমন্ত যখন গান ‘জাগিবে একাকী, তব করুণ আঁখি’, হেমন্ত উচ্চারণ করছেন– ‘একাকী’টা ‘অ্যাকাকী’, ‘একা’ থেকে ‘অ্যাকাকী’। তাঁর সমসাময়িক আর এক বিরাট শিল্পী, যাঁর গান শুনে জীবন ধন্য হয়ে যায়, তিনি উচ্চারণ করছেন– ‘একাকী’, এ-টাকে এ-এর মতোই। ফলে ওখানেই কানে খটকা লাগছে। আমরা ’৬২-’৬৫ সালে কি ‘অ্যাকা’ উচ্চারণ করব, না ‘একা’– বানান যা-ই থাক, লিখি তো ‘স্মরণ’, বলি তো ‘সরণ’। লিখি তো ‘স্মৃতি’, বলি তো ‘সৃতি’।

বাঙালি তখন কোর্ট-প্যান্ট ধরেছে, রায় বাহাদুরেরা বিগত, বাঙালির হাতে ইংরেজের ফেলে যাওয়া পিলসুজ, তখন হেমন্ত গাইছেন– ‘তুই ফেলে এসেছিস কারে মন মন রে আমার’। ঠিক পরের লাইন, ‘তাই জনম গেল শান্তি পেলি না রে’, এই লাইনটা দু’বার গাওয়া। দু’বারের একবারও ‘শান্তি’ কথাটাতে একটা ফোঁটা বাড়তি ঝোঁক নেই। গায়কিতে বোঝানো নেই যে, শান্তি পেলি না রে, তাই তোর শান্তির প্রতি ব্যাকুলতা। ‘শান্তি’ কথাটা উচ্চারণ করলেন হেমন্ত একেবারে বার্তার মতো। কী পেলি না– শান্তি। ব্যস, চুকে গেল।
‘প্রিয়ার প্রেমের লিপি লেখনি তরে’ যে সময়ে যে বয়সে গাইছেন, আর যে বয়সে ‘আষাঢ় সন্ধ্যা ঘনিয়ে এল’ গাইছেন– দুটো বয়সের ব্যবধান মেরেকেটে দু’-তিনবছর। ওরই মধ্যে একটা লোকের গায়কির একেবারে প্যারাডাইম শিফট করছে। ’৫০-’৫২ সাল নাগাদ এটা। ওই একেবারে ১৯৫০-’৫১ নাগাদই ‘রানার’ আর ‘পালকির গান’, ওই সময়েই ‘লিখিনু যে লিপিখানি’। হেমন্ত যে সময়টা মেরে বেরিয়ে গেলেন শ্রোতাদের– সেটা ওই যখন ‘কুহক’-এর গানগুলো গাইছেন, ‘গরীবের মেয়ে’-তে ‘পৃথিবীর গান আকাশ কি মনে রাখে’, ‘শাপমোচন’-এর গান। আধুনিক গান ‘ও আকাশপ্রদীপ জ্বেলো না’ গাইছেন। অদ্ভুত একটা সময়। কখনও কখনও মনে হয়, সময় ভালো-খারাপ যেমন হোক, সময় অদ্ভুত হয়। ১৯৬০। স্বাধীনতা সবে ১৩ বছরের কিশোর। সাধ মিটল না তাতে, একাত্তর সাল আসছে। যুদ্ধ হলে জিনিসপাতির দাম বাড়ে, তাছাড়া মোটামুটি নিস্তরঙ্গ জীবন। গড় মানুষের চাওয়া-পাওয়া মোটামুটি একটা মোটা সুতোয় বাঁধা। আসমুদ্র হিমাচল একটা ক্লিকে বিখ্যাত হবার যে আকাঙ্ক্ষা জন্মাবে, তার বাপ-মায়ের বিয়ে দূরস্থান, জন্মই হয়নি। ফড়ে-দালাল কবেই নিশ্চিহ্ন ছিল! সংখ্যায় কম ছিল এই রক্ষা। মতি নন্দীর বৃত্তাবদ্ধ উত্তর কলকাতা, শ্যামল গাঙ্গুলির দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, সমরেশ বসুর আখ্যান-পীড়া তখন তুঙ্গে। আস্তে আস্তে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবনানন্দের সময় থেকে সূর্য মুখ ফেরাচ্ছে। হেমন্তের সমসাময়িক আলি আকবর খান, রবিশঙ্কর নিজের নিজের জায়গা পাকা করে নিচ্ছেন– বাবা আলাউদ্দিন খাঁ-র কাছে শিখে। হেমন্ত চোখের সামনে দেখছেন, শ্যামল-মানবেন্দ্র-সন্ধ্যা মুখার্জিরা উঠে আসছেন। কলকাতা শহরে তখন রাধাপ্রসাদ গুপ্তদের রাজ। এই সময়ে একদল মানুষ, যাঁদের না কি একটু ক্ষমতা ছিল– তাঁরা ঘরে রেডিও কিনে আনতেন, রেকর্ড প্লেয়ার আনতেন, একটু ভালো চা আনতেন। সপ্তাহে একবার মাংস কেনা যেত, ৮০০ টাকা কিলো হয়নি। এঁদের একটু করে বিত্তের উত্তরণ, নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে– এঁদের এই সময়টা তো হেমন্তর নিজেরই সময়।

নিজের চেনা সময়ে হাঁটতে হেমন্ত এবং হেমন্ত-র সমসাময়িক কাউকেই বেগ পেতে হয়নি। ‘ঠগিনী’তে যখন অনুপ কুমার বাসরঘরে সন্ধ্যা রায়-কে নিয়ে গিয়ে রেকর্ডে গান চালাবেন, ‘যৌবন সরসী নীরে’, হেমন্তের গলায়; বলে উঠবেন, ‘হেমন্ত মাই ফেভারিট’। হেমন্ত শুধু অনুপ কুমারের নন, ওঁদের সবার ফেভারিট। যেটুকু জানা যায়, হেমন্ত বারবার সোজা সহজ গানের প্রতি পক্ষপাত দেখিয়ে এসেছেন। এটা তার খানিক পক্ষপাত, নিজের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতনতাও বটে। সবাইকে বলেছেন সোজা গান যেন তাঁকে দেওয়া হয়। এইটা পরবর্তীতে স্টাইলই হয়ে গেল। অথচ নিজে অবলীলায় গেয়েছেন ‘জাগ দর্দ-এ-ইশক্ জাগ’ এবং আরও অজস্র কঠিন গান। কিন্তু ঝোঁকটা ছিল ওই দিকেই, একটা সারল্যের দিকে, বলা ভালো সহজতার দিকে। সাদা চোখেই দেখা যায়– ‘এই রাত তোমার আমার’ গানটার কথায় এমন কিছুই নেই যে মনে রাখবার মতো; কিন্তু সুর আর গাওয়ার ভঙ্গি মনে এমন দাগ কাটে যে, কথায় গভীরতা আছে কি না আছে মনেই থাকে না। হেমন্ত মুখার্জি নিজের যে সময় সেটাকে হাতের তালুর মতো চিনতেন। চিনতেন বলেই, যখন গাইছেন ‘শ্রান্তি লাগে পায়ে পায়ে শ্রান্তি লাগে, বসি পথের তরুছায়ে’– ‘শ্রান্তি’ কথাটা স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। এই স্পষ্টতা আসলে দিনের আলোর মতো সহজ, এই শ্রান্তি থাকলেও গ্লানি নেই। আমাদের কল্পিত স্বর্গ-নরকের নিরিখে, বলা ভালো, ওঁর গান কত মানুষের স্বর্গের পথ প্রশস্ত করেছে জানা যায় না; তবে বিশ্বাস হয়, বহু মানুষের নরকের পথ সংকীর্ণ হয়েছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved