Robbar

Hemanta Mukhopadhyay

আমার দিদি কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

সকলের ছোট হওয়ায় দিদির ভালোবাসা আমি বরাবরই একটু বেশি পেয়েছি। ছোটবেলা থেকেই সকলে আমাকে ডাকত ‘ছোট্ট মোহর’। আমিও নিজেকে তাই ভাবতাম। দিদির মুখে শুনেছি, কেউ আমাকে নাম জিজ্ঞেস করলেই, আমি নাকি বলতাম– ‘আমার নাম কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়’।

→

শ্যামল গাঙ্গুলির দেখা একেকটা বাজার আসলে একেকখানা উপন্যাস

এ এক অন্য অনন্য গ্রন্থ। পড়তে পড়তে কেবলই মনে হয়, বাজার শুধু কেনা-বেচার জায়গা নয়। বাজার একজন জবরদস্ত হেডমাস্টার। আপনাকে মানুষ চেনায়। রুচি শেখায়। মানুষে মানুষে সম্পর্ক বোঝায়। সহানুভূতিশীল করে তোলে।

→

হেমন্তের আপত্তি মানেননি ভি বালসারা

‘ভুল সবই ভুল’– গানটা পর্দায় এল, এক গভীর আবেগের দৃশ্য, হেমন্তবাবুর সুর তরঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ল, ভি বালসারার অর্কেস্ট্রা গলির মোড় থেকেও যেন শোনা গেল, আর তার মাঝেই সুজাতা চক্রবর্তীর কণ্ঠ শ্রোতাদের বুকের ভিতর কোনও নরম, শব্দহীন জায়গায় গিয়ে বসে রইল।

→

সৎ প্রকাশক কম, বেশিরভাগই আলুপটলের কারবারি, বলেছিলেন প্রফুল্ল রায়!

‘‘আপনার নিজস্ব কোনও চারচাকা বাহন নেই কেন প্রফুল্লদা? এতগুলো বই, রমরম করে লোকে কিনছে। ‘এখানে পিঞ্জর’– কতগুলো সংস্করণ হয়ে গেল।’’ প্রফুল্লদা উত্তর দিয়েছিলেন, ‘‘ওরা দেয়। কিন্তু বেশিরভাগই মেরে দেয় টাকা। উল্টোপাল্টা যা হোক হিসেব দেয়। মেরে কেটে গোটা তিনেক পাবলিশার অনেস্ট, বাকিরা সব আলু-পটলের কারবারি।’’

→

একবার সুন্দরের পানে চেয়ে, একবার বেদনার পানে

গুরু দত্ত নিজে কবি ছিলেন। আর কবি হিসাবে তিনি যখন আলোর সঙ্গে খেলা করেন, তখন আলো আর ছায়ায় ঈশ্বর নিজেকে মর্তভূমিতে আনেন, তা চিনতে আমাদের ভুল হয় না।

→