Robbar

Library

ধ্বংসস্তূপে এক লাইব্রেরি

ভেঙে যাওয়া শহরের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে যখন শুধু নিজের প্রাণটুকুই আছে, বাকি সব জিনিস হারিয়ে গিয়েছে, তখন এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় পালাতে পালাতে দুই যুবক উদ্ধার করছেন অসংখ্য বই! ধুলো-পাথরের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে উদ্ধার করছেন, তাঁদের সভ্যতার ইতিহাস।

→

পুস্তকপ্রেমী বইক্রেতার সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী, তবে লাইব্রেরিগুলির কেন বেহাল দশা?

তখন পাড়ার বেকার যুবকরাই সপ্তাহে একদিন করে লাইব্রেরি খোলার দায়িত্ব নিতেন। মফস্‌সলে একটি-দু’টি সরকারি লাইব্রেরির পাশাপাশি এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি স্থানীয় অনেক বেসরকারি লাইব্রেরি ছিল। খুব বৈচিত্র না থাকলেও, বইমেলার নতুন বই না-থাকলেও, সেইসব লাইব্রেরি পাঠক তৈরিতে কোনও কার্পণ্য করেনি।

→

যিনি লাইব্রেরিতে ঢুকতে দেন, বই নিতে দেন– তিনি সর্বশক্তিমান

এই জগতের প্রবেশদ্বার খুলে দিয়েছিলেন সেই দু’জন মানুষ– জীবনে একমাত্র যাঁকে আমি মাস্টারমশাই বলেছি, যদিও প্রত্যক্ষ ছাত্রী ছিলাম না তাঁর, আর অমলদা, পুরুলিয়া জেলা গ্রন্থাগারের অমলদা। কোনও দিন জানার কথা মনেও পড়েনি অমলদার পদাধিকার। কোনও দিন জানতে পারিনি যে আমার নিজের কার্ডে আমি বই পাই একটা আর মায়ের কার্ড থাকলে আরও একটা। বাকিগুলো অমলদা নিজের কার্ডে ইস্যু করে দেন!

→

চারপেয়ে গ্রন্থাগার, পাহাড়ে আলো দেখাচ্ছে

কুমায়ূনের পাহাড় বেয়ে উঠছে একটি ঘোড়া। তার পিঠভর্তি বই। লিখছেন কিশোর ঘোষ।

→