

মারির সঙ্গে পিকাসোর জীবন সান্ধ্যপ্রদীপের মতো শান্ত। অনন্য নারীদের সঙ্গে যেমন তার ঝোড়ো সম্পর্ক, তীব্র প্রেম ও তীব্র ঘৃণায় তোলপাড় সম্পর্ক, মারির সঙ্গে তা নয়। মারির সঙ্গে পিকাসোর সম্পর্ক তাঁর কবিতাগুচ্ছের মতো। গভীর অন্তরাল। প্রচারের আলোর বাইরে।
রেনেসাঁর সার্থক উত্তরসূরি বলেই হয়তো এক মাধ্যমে বেশিদিন আটকে থাকা না-পসন্দ ছিল হকনির। সেকালের দা ভিঞ্চির রীতি মেনেই শিল্প মাধ্যমের ব্যবহারে তুমুল হইহল্লা বাধিয়ে দিলেন হকনি। মানুষের চোখ যা দেখে, স্মৃতি সেই দৃশ্যেরই সম্পাদক। ছবি আঁকার মধ্যে সেই স্মৃতির সঞ্চয় একে একে সেলাই করে এক সুবিশাল দৃশ্যের অবতারণা করতে চাইলেন।
একটি ঘোড়া। যেন ধারালো বর্ষার আঘাতে আহত। ঘোড়ার মাথার নিচে মাটিতে এক সৈনিক। এক হাতে ভাঙা অস্ত্র। গের্নিকায় বোমা পড়ার পরে পৃথিবী জুড়ে হাজার মানুষের প্রতিবাদী মিছিল, কাগজে কাগজে রিপোর্টিংয়ের চেয়ে একটি ছবিই যেন সারা পৃথিবীর যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষ, জীবজন্তু ও ভাঙাচোরা বাড়ি ঘরের অস্তিত্বকে জীবন্ত করে তুলেছিল।
বিশ্বে এবং ভারতে বেশ কিছু জনপ্রিয় ‘ঘুমের প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত হয়। তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন ভিন্ন। ‘ওয়েকফিট স্লিপ ইন্টার্নশিপ’ এমন একটি জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা। এখানে নির্বাচিত ইন্টার্নদের ১০০ দিন ধরে দিনে ৯ ঘণ্টা করে ঘুমনোর জন্য মোটা অঙ্কের টাকা (কখনও ১ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত) দেওয়া হয়।
শেষপর্যন্ত তাঁর গোলাপ– কনসুয়েলোকেই ভালোবেসেছিলেন আঁতোয়া দ্য স্যাঁত একজুপেরি। ‘মেমোয়ার দ্য লা রোজ’ হল অনন্য এক দম্পতির কাহিনি, যাতে পুরুষটি ছিলেন মহিলার জীবনের একমাত্র জাদুকর এবং মহিলা সেই পুরুষটির রোমাঞ্চকর যাপনের নিয়ত অনুপ্রেরণা।
এখন এই প্রেমের মাসে, গ্রেট ইন্ডিয়ান মেটিং সিজনে, কোটি মানুষের বিয়ে হচ্ছে, এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটা মেয়েটির অনিচ্ছায়, মুখ্যত সামাজিক চাপে। আর অনেক ক্ষেত্রে সামাজিকভাবে অনুমোদিত যৌনতার জন্য। এখানেই সন্দেহ হয় কামসূত্র সত্যি আমাদের দেশে লেখা হয়েছিল? আর কতকাল আমরা কামনা-প্রেম গুলিয়ে ঘুলিয়ে বেঁচে থাকব?
প্রেমের দৃশ্যায়নে দেখলাম ‘চুম্বন’-এর আধিক্য। চুম্বন দীর্ঘদিন ধরেই ভালোবাসা, আবেগ এবং ঘনিষ্ঠতার প্রতীক। ইতিহাস জুড়ে শিল্পীরা তাঁদের কাজে এই মুহূর্তগুলিকে ধারণ করেছেন। কোমল আলিঙ্গন থেকে শুরু করে আবেগপূর্ণ অধরে চুম্বন।
এর আগে ফরাসি দেশে বা প্যারিতে শুধু পাবলিক লাইব্রেরি ছিল। সেখানে একমাত্র বসে বই পড়া যেত বলে, বিশ শতকের সভ্যতা এসে গেলেও কোনও সময়ই মহিলারা ঠিক সাহিত্যের পাঠক হয়ে উঠতে পারেননি। আদ্রিয়েঁ তাঁর দোকান-কাম-লাইব্রেরিতে বহু সংখ্যক ফরাসি মহিলাকে শুধু বই নিতে ও ফেরত দিতে জড়ো করে ফেলেছিলেন।
সালোঁ মজলিশ ও বাইরে সালোঁ প্রদর্শনীতে খুবই খোলাখুলিভাবে চলতে থাকে মাতিস ও পিকাসোর মধ্যে রেষারেষি। শোনা যায়, পিকাসোপন্থী বোহেমিয়ানরা মাতিসের ছবি তাক করে মিছিমিছি ডার্ট গেম খেলার অভিনয় করতেন।
একসময় পাবলো পিকাসোও নাকি তাঁর মেয়ের মল দিয়ে ছবি এঁকেছেন। শিল্পীর উজ্জ্বল বাদামি রঙের সে এক রহস্য। পেজ সিক্সের রিপোর্ট অনুসারে, ‘পু-ক্যাসো’ সম্পর্কে খবরটি শিল্পীর নাতনি ডায়ানা উইডমায়ার পিকাসোর কাছ থেকে এসেছে এবং এটা ছিল অনেকদিনের পারিবারিক গোপনীয়তা। ১৯৩৮ সালের স্টিল-লাইফ সিরিজে ওঁর সেইসব ছবি প্রদর্শিত হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved