

তা দেখতে এখনও সুন্দর তরুলতাকে। বছর ৪২ বয়স হল তরুলতার, চেহারাটাকে এখন ছিপছিপে রেখেছে কচি মেয়েদের মতো। গায়ের রং ফরসা, চোখ-মুখে টান আছে। আর আছে ভদ্র ও রুচিশীল ব্যবহার। অন্য মেয়েদের মতো খদ্দেরদের দিকে সে তেড়ে যায় না বা গালিগালাজ করে না। প্রথম দিনেই তার সঙ্গে জমে গেল রবীন্দ্রর।
আমি তমালের দিকে চেয়ে হাসলাম। কিছুটা বোকা হাসি। কী বলব, ঠিক বুঝতে পারছি না। আমার সব ইনফরমেশন লোকটার কাছে আছে। শুধু যেটা মিলছে না, কখনও মিলবেও না, সেটা হল আমার মৃত্যু তারিখ। আমি পান্ডেজির দিকে তাকালাম। বললাম, ‘ভালো। কী আর করা যাবে? আপনাদের খাতায় থাকুক– আমি মৃত।’
সব রাজনৈতিক দলের ইশতেহারে উন্নত হাসপাতালকেন্দ্রিক চিকিৎসাব্যবস্থার কথাই বলা হয়েছে। অথচ স্বাস্থ্য তো শুধু রোগ নিরাময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
মনুর মতে, শাসককে বাতাসের মতো অদৃশ্য হয়ে সর্বত্র উপস্থিত থাকতে হবে। কোনও কিছুই গোপন থাকবে না। অথচ সাধারণ মানুষ বুঝতেও পারবে না, শাসক সব দেখছে।
অতীতের স্বদেশি আন্দোলন থেকে আজকের উত্তপ্ত রাজনৈতিক বাস্তবতা– সব ক্ষেত্রেই রবীন্দ্রনাথের গান আমাদের শিখিয়ে দেয়, সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, মানুষকে ভালোবাসা এবং বিবেককে জাগ্রত রাখাই প্রকৃত সাহস। তাই রবীন্দ্রসংগীত আজ শুধু সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নয়, আমাদের সামাজিক ও নৈতিক পুনর্জাগরণের এক অনির্বাণ শক্তি।
কেজরিওয়াল, সিসোদিয়া যদি নির্দোষই হন, তাহলে তাঁদের জেল-যন্ত্রণা সইতে হল কেন? কে ফিরিয়ে দেবে তাদের ভেসে যাওয়া দু’-দুটো বছর। যে দু’-বছরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রিত্ব হারাতে হয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। হারাতে হয়েছে নাম-যশ, সসম্মান।
দীর্ঘ সংগ্রামমুখর জীবনযাপনের পর অবশেষে ৩০ ডিসেম্বর সকাল ছ’টায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন বাংলাদেশের ‘আপসহীন নেত্রী’, প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। প্রতিকুল পরিস্থিতিতেও তিনি দেশ ছাড়েননি, দেশের মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। করলেনও। এ তাঁর রাজনৈতিক জীবনে অনেক বড় অর্জন।
ক্ষমতার চিরন্তন কৌশলই হল জনগণের ভাবনা, কল্পনা ও অন্তরঙ্গ মনস্তত্ত্ব পর্যন্ত নিখুঁত নকশায় ছকে ফেলা। ইংরেজ আমলে এই নিয়ন্ত্রণ ছিল প্রকাশ্য সাম্রাজ্যবাদী; এখন তার রূপ ভিন্ন। সরাসরি ঔপনিবেশিকতা নেই, রয়েছে ভাষিক জাতীয়তাবাদ– এক পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রকল্প।
আজ ৩ সেপ্টেম্বর। উত্তমকুমারের জন্মদিন। বাংলা ও বাঙালির মহানায়ক পা দিলেন জন্মশতবর্ষে। সেই উপলক্ষে এই অলীক-আড্ডা, ওপেন সিক্রেটে।
ভারতে পাইরেসির বাজার তৈরি হয়েছে ধীরে। ক্যাসেট ও ভিসিআর ভাড়া নিয়ে সিনেমা দেখার চল হয় সেই আটের শেষ, নয়ের দশকের শুরু থেকে। সিনেমাহল থেকে রেকর্ড করে নিয়ে সেই ক্যাসেট চড়া দামে রেপ্লিকা করে বাজারে ছাড়া শুরু হল। মধ্যবিত্তের হল-বিমুখ হবার সূত্রপাত সেই সময় থেকেই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved