

প্রথম তিনটি সংখ্যায় কোনও সম্পাদক ছিলেন না। বলা উচিত, থাকলেও ছিলেন নেপথ্যে, নামবিহীনভাবে। চতুর্থ সংখ্যা থেকে সম্পাদক হলেন গঙ্গাপদ বসু।
সেই কবে থেকে বাংলার বণিকেরা ভাগীরথী বেয়ে সমুদ্রযাত্রার কালে দেবী কালীর এই থানে পুজো দিয়ে যাত্রা সাফল্য কামনা করে যেতেন।
কাদম্বরীর উদ্দেশে এক আশ্চর্য গান লিখেছে রবি। এমন গান বাংলা ভাষায় এই প্রথম লেখা হল।
পাহাড় যে কোনও মানুষকেই একটা মর্যাল উচ্চতা দেয়। ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’য় নায়ক যেমন মুখের ওপর চাকরি প্রত্যাখ্যান করেছিল। হয়তো পাহাড় বলেই পেরেছিল।
আইএস মোকাবিলায় পুতিনের পদক্ষেপ কী হবে, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন বিশ্বের সামনে।
তাঁর শেষ বার্তা ছিল, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা একদিন কালো মানুষেরাই শাসন করবেন, এবং আজ যাঁরা নিজের জীবন উৎসর্গ করছেন, তাঁরা তা দেশের সেই অনাগত স্বাধীনতার জন্যেই করছেন।’
আন্দামান বা দণ্ডকারণ্যে বাঙালি উদ্বাস্তুদের পাঠানোর নীতি খুব একটা জনপ্রিয় বা সফল হয়নি।
কেউ কি ভাবাননি আমাকে? কেউই গড়ে তোলেননি যোগাযোগ?
দেব আনন্দকে উত্থান দিয়েছিল ১৯৫১ সালের ‘বাজি’। এই ছবি এমন এক ধারার জন্ম দিল ক্রমে ক্রমে, যাকে খোদ ‘বম্বে নয়্যার’ বলে ডাকা শুরু হল।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved