

ঠাট্টার ছলে চেহারা নিয়ে হুল ফোটানো এক ধরনের মানসিক বিকৃতি।
যাত্রাপালা দেখার সময় যখন আমি আলোর কারিগরকে দেখতাম ডিমার দিয়ে আলো-ছায়া তৈরি করতে, সে-ই আলোকেই আমি সঙ্গে নিয়ে চলছি।
প্যারিসের প্রদর্শনীতে শুভ্র পোশাকে রবীন্দ্রনাথ প্রবেশ করতেই দর্শকের মুখ থেকে একটা শব্দ যেন অজান্তে বেরিয়ে এসেছিল– ‘প্রোফেট’।
১৯৬৮ সালে ‘প্লেবয়’ পত্রিকা তাঁর একটি গল্প ছাপে। পত্রিকার তরফে তাঁকে জানানো হয়েছিল, উরসুলা নামটি না রেখে ‘U. K. Le Guin’ রাখা হচ্ছে। লেগুইন পরে বলেছিলেন, এত হাস্যকর এবং কুৎসিত ভাবনা দেখে তিনি তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন।
আমাদের শৈশবে অনেক বাবাই সদ্যোজাত বাচ্চার জন্য রাত জেগেছেন, কাঁথা পাল্টেছেন, তেল মালিশ করেছেন, বড় হলে জুতোর ফিতে বাঁধার মতো সমান দক্ষতায় বিনুনিও বেঁধে দিয়েছেন। লিঙ্গসাম্য বা ‘শেয়ার্ড রেস্পন্সিবিলিটি’র মতো গেরেম্ভারি শব্দ না জেনেও এসব তাঁরা করেছেন স্নেহ বুভুক্ষায়।
সন্তানেরা কি পিটপিট চোখে বাবার অকর্মণ্যতা মাপে?
দান আর ব্যয়ের পার্থক্যের কথা মনে করেছেন রবীন্দ্রনাথ।
৩০০ বছরের ভুল জন্মদিনের কলকাতাকে উপলক্ষ করেই আমার একখানা ছবি তোলা হয়েছিল, তাও মকবুল ফিদা হুসেনের।
এই বুদ্ধি আর মেধার একেবারে প্রাথমিক স্তর কী জানেন? গভীর এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যবেক্ষণ। সেখানে ছোটদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া খুব কঠিন কিন্তু।
কেন ছোটদের জন্য আলাদা করে লেখক উঠে আসছে না বাংলা সাহিত্যে?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved