Robbar

Sangbad Pratidin

রবীন্দ্রনাথের আঁকা ছবি সংরক্ষণ করা সহজ নয়

শিল্পীচিত্তের তাড়না মাঝে মাঝে এত জোরালো হয়ে উঠেছে যে, রং শুকোনোর তর সইতে পারতেন না। দ্রুত শুকোনোর জন্যে রঙের মধ্যে স্পিরিট ঢেলে দিতেন। ভারনিশ মাখিয়ে দিতেন। উপকরণের এমন বিচিত্র যোগসাজশে ছবির কাগজ দুর্বল এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

→

বাণী-শ্যামলীর প্লাস্টার অফ প্যারিসে ঢালাই হওয়া বন্ধুত্ব

তাঁদের সঙ্গে থাকত এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী, যাদের নিয়ে দিনের পর দিন মিটিং হত কখনও শ্যামলীদি, কখনও বাণীদির বাড়িতে। মনীষা-সজল-অহনা এবং আরও কয়েকজন ছিল এই দলে। শুধু মিটিং নয় অবশ্য, ছোটদের অনেক হুজুগকে প্রশ্রয় দেওয়াও ছিল শ্যামলীদি ও বাণীদির।

→

নব্বইয়ের শুরু থেকে আন্ডারওয়ার্ল্ড ঢাকা পড়ল বলিউডের তাজমহলে

'আখরি রাস্তা'-তে যে অমিতাভের রাস্তা ফুরোয়নি, তা প্রমাণ করল এই দশকের একেবারে শেষ বছরে মুক্তি পাওয়া ব্লকবাস্টার ছবি– 'অগ্নিপথ'‌।

→

তোমার কবিতার ঘোরগ্রস্ত খেলার পুতুল নই কেউ আমরা

সম্ভাবনার বহুরূপতাকে ধরেই এক কাল থেকে অন্য কালের মধ্যে সংযোগের সেতু গড়েন তিনি।

→

মেসে থাকতে গিয়ে বুঝেছিলাম বিছানা আর বেডের মধ্যে বিস্তর তফাত

বেডরুম আর ড্রয়িংরুমের মধ্যে এলিট ডিফারেন্স যাঁরা কোনওকালেই মানতে পারেন না, দেখবেন, তাঁদের বুকের বাঁদিকে একটুকরো মেস আছে।

→

সবুজ-মেরুন জনতা ধরেই নিয়েছে টুটুদারা ক্ষমতায় এলেই আমি ফিরে আসব মোহনবাগানে

যেদিন মোহনবাগান নির্বাচন, তার আগের দিন মুম্বই এসে মাহিন্দ্রার চুক্তিপত্রে সই করে মধ্যরাতেই ফিরে গেলাম ব্রাজিল। আর পরের দিন মোহনবাগান নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এলেন টুটু বোস-অঞ্জন মিত্ররা।

→

শাসন-সোহাগের দ্বন্দ্বসমাস

পরিবার হোক বা রাজনীতি, শাসন আর সোহাগ খুব দূরে-দূরে থাকে না। থাকে পিঠোপিঠি।

→

দূরদর্শনে মান্য চলিত ভাষার প্রবর্তক আমরাই

ছোটবেলায় রেডিওতে দুটি অনুষ্ঠান আমার খুব প্রিয় ছিল, ‘শিশু মহল’ আর ‘গল্প দাদুর আসর’।

→

বিয়ের ও আত্মহত্যার চিঠি– রবীন্দ্রনাথকে যা দান করেছিল লেখার টেবিল

রবীন্দ্রনাথ তাঁর লেখার টেবিলে বসে লিখলেন তাঁর ‘আত্মহত্যার চিঠি’, যে চিঠি তাঁর কৌতুকী বিয়ের চিঠি বলেই পরিচিত।

→

আমার আঁকা বাঁশগাছের ছবি আসলে সেলফ পোর্ট্রেট, এটা কোনও চমক নয়

ইদানীং আমার আঁকা বাঁশগাছের গোঁয়ারতুমি বেড়েছে। রক্তের অন্তর্গত ছটফটানি দেখা যাচ্ছে।

→