Robbar

Satyajit Ray

আজাদ হিন্দ হোটেল আর সুব্রত মিত্রর বাড়ির মধ্যে মিল কোথায়?

১০. আজাদ হিন্দ হোটেল আর সুব্রত মিত্রর বাড়ির মধ্যে মিল কোথায়? উত্তর– এম. এফ হুসেনের ম্যুরাল। হুসেন বন্ধু ছিলেন সুব্রত মিত্রর। সুব্রতদার বাড়ি ছিল ল্যান্ডসডাউনে। মোটরভিকেলস-এর অফিসের কাছে। আমি যেহেতু থাকতাম টালিগঞ্জে, ফলে যাতায়াতের পথেই পড়ত ওঁর বাড়ি। নানা কারণে-অকারণে…

→

সত্যজিৎ বলেছিলেন, তোমার আঁকায় সই লাগে না

নন্দলাল বসু আমাকে বলেছিলেন, ‘দেশকে জানতে হলে গ্রামে গ্রামে ঘোরো।’

→

‘মাকু’, ‘হলদে পাখির পালক’-এর চিত্রস্বত্ব পেতে লীলা মজুমদারকে চিঠি লিখেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ

ভাবলে বড় কৌতূহল হয়, ঋতুপর্ণ ঘোষ এই অসামান্য গল্পদু’টির চলচ্চিত্ররূপ কেমন দিতেন! যাই হোক, এই প্রসঙ্গে লীলার নিজেরই একটা কথা বলা যেতে পারে– ‘যা হয়েছিল, যা হলে ভালো হয়, যা হতে পারত, সব কিছুই এক।’ লীলা মজুমদারের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা।

→

বাংলায় কমিকসের ব্যাকরণ রূপ পেয়েছিল সুখলতা রাও-এর হাতে

সামগ্রিকভাবে আন্তর্জাতিক কমিকসের প্রেক্ষিতে খুঁজলে বাংলা কমিকসে মেয়েদের উপস্থিতি নগণ্য, উপস্থাপন ততোধিক একমাত্রিক।

→

‘সন্দেশ’ পত্রিকার বিজ্ঞাপনের ছড়া ভবানীপ্রসাদ মজুমদারকে দিয়ে লিখিয়ে নিতেন সত্যজিৎ রায়

সন্দেশ পত্রিকায় ভবানীপ্রসাদ মজুমদারের প্রথম ছড়া, সত্যজিৎ রায় এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে শুনেয়েছিলেন স্বয়ং লেখককেই!

→

সমস্ত লোকদেখানো আচ্ছাদন ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় সত্যজিতের সংলাপে

মন্দার বোস যখন বলবে ‘আমি যখন স্পেনে ছিলাম...’, দর্শকের মনে পড়বে সেই প্রবচন: ‘Building castles in Spain’.

→

চলচ্চিত্রের পর্দায় মন ও দর্শন মিশে যায়

এক উচ্চমধ্যবিত্ত নারীর কামনার আর্তি নিয়ে দৃশ্যটি বাংলা ছবিতে ব্যতিক্রম হয়ে আছে।

→

একটি পাখি কী করে মানুষের কথার চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে?

তখন চারু আর ভূপতি পৃথিবীর সব হতভাগ্য চারুরা আর ভূপতিরা হয়ে গেছে! আজ, দ্বিতীয় পর্ব।

→

সংলাপ স্বাভাবিক না হলে অভিনয় স্বাভাবিক হওয়া মুশকিল

কথার পরিবর্তে ইঙ্গিত ব‌্যবহার করতে চেয়েছেন সত্যজিৎ। আজ প্রথম পর্ব।

→

সত্যজিৎ রায় বলেছিলেন, গণেশ আদতে কর্মবিঘ্নের দেবতা

এই গণেশটি শুটিংয়ের জন্য চেয়ে নিয়ে এসেছিলেন বিশিষ্ট গণেশ সংগ্রাহক বসন্ত চৌধুরীর কাছ থেকে।

→