Robbar

SIR

প্রেতশিলায় লিখা

আমি তমালের দিকে চেয়ে হাসলাম। কিছুটা বোকা হাসি। কী বলব, ঠিক বুঝতে পারছি না। আমার সব ইনফরমেশন লোকটার কাছে আছে। শুধু যেটা মিলছে না, কখনও মিলবেও না, সেটা হল আমার মৃত্যু তারিখ। আমি পান্ডেজির দিকে তাকালাম। বললাম, ‘ভালো। কী আর করা যাবে? আপনাদের খাতায় থাকুক– আমি মৃত।’

→

বহুত্বের স্বীকৃতিতে আর কি চেনা যাবে ভারতকে?

ঘৃণার বসতি গড়ে সহনাগরিককে, বলা ভালো পাশের মানুষটিকে দূরে ঠেলে দিয়ে, এক টুকরো কাগজে তার পরিচয় খুঁজে, আমরা কি এক ভয়ংকর ইতিহাস-বিস্মৃতির দিকে এগচ্ছি না?

→

নিবিড় সংশোধন ভুলিয়ে দিচ্ছে– মানুষ মানুষের জন্য

আমাদেরও তো খইরুল, আমিনাদের পাশে দাঁড়িয়ে, আব্দুল হালিমের সাংকেতিক ভাষাকে নির্বাচন কমিশনের কানে তোলার দায়িত্ব ছিল, আমরা কি তা করলাম?

→

গম্ভীর যে পৃথিবীকে জয় করলেন গৌতম

ট্রফির সঙ্গে বিদ্বেষের এই পৃথিবীকেও জিতে নিয়েছেন গম্ভীর। এমন সাফল্যবানকে ধোনির মতো ব্যক্তিত্ব কুর্নিশ জানাবেন, সেটাই কাম্য। যুদ্ধের বিষবাষ্পে দুই হাস্যোজ্জ্বল মহারথীর ‘দোস্তি’ রক্তকরবী হয়ে ফুটলে ক্ষতি কি!

→

ভিটে হারানোর স্মৃতি, সত্তা, ভবিষ্যৎ

এসআইআর কেবল একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়– খুঁচিয়ে তোলা এক হৃদয়বিদীর্ণ করা ক্ষত, যা নিয়ে আসে ভয়ংকর মানসিক ঝড়। মনোবিদরা একে বলবেন, ‘রি-অ্যাকটিভেশন অফ অ্যাটাচমেনট ইনজিওরি’, সম্বন্ধজনিত আঘাতের পুনঃসক্রিয়তা।

→

গড় হিন্দু বাঙালির বাংলাদেশ ঘৃণা ভোটের আবহে কব্জা করতে চাইছে হিন্দুত্ববাদীরা

নিপুণ রাজনৈতিক কৌশলে বাঙালি আর বাংলাদেশী, পরিযায়ী শ্রমিক আর উদ্বাস্তু, বাংলাদেশী আর অনুপ্রবেশকারী, এসআইআর আর নাগরিকত্ব– প্রত্যেকটা বিষয়কে একেবারে ঘুলিয়ে-ঝালিয়ে একসা করে দেওয়া হল, যার নিট ফল– মানুষ দিশেহারা, বিভ্রান্ত, আতঙ্কিত। এই ‘আতঙ্ক’-ই ভোটের বাক্সে কেরামতি দেখাবে বলে বিজেপির বিশ্বাস?

→

বিরোধিতার সহজপাঠ

আজকের কোনও তরুণ-তরুণী, যাঁরা নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে প্রবেশ করতে চলেছেন, বা এমন কেউ যাঁরা যুব রাজনীতি করেন এখনই, এমনকী, যাঁরা দীর্ঘকাল পার্টিজীবী, তাঁদের কাছে বিরোধিতার ‘সহজপাঠ’ তৈরি করলেন এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। যে সহজ পাঠের একটাই ভাষা– আপন করে নেওয়ার।

→

পুরনো-নতুনের কথোপকথন

বছর যায়। বছর আসে। ব্যাপারস্যাপার হরে-দরে একই থাকে। কেমন হত, যদি মানুষের মতোই, দুটো বছর একে-অপরের সঙ্গে কথা বলত? কী বলত তারা? সারা বছরের ভালো-মন্দ থেকে কী বেছে নিত? আগামী বছর কি বিগত বছরকে দোষারোপ করে? নতুন বছরের থেকে কি বিগত বছর আশা করে কিছু? রইল দুই বছরের সংলাপ।

→

মানসিক রোগী, যৌনকর্মীদের তাড়া করছে বেনাগরিক সাব্যস্ত হবার আতঙ্ক

এতদিন লড়াই করে যে মানুষগুলো সমাজের মূলস্রোতে ফিরে আসার চেষ্টা করেছেন, সেই কাজটাই তো বৃথা হয়ে যায়, যদি একজন মানুষ যদি একদিন সকালে উঠে দেখেন, তিনি সরকারের খাতায় বেনাগরিক হয়ে গেছেন। তখন তাঁর মনের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে?

→

পাড়া স্টুডিওর ক্ষণিকের নবজাগরণ

হইহই কাণ্ড। রইরই ব্যাপার। এই যে অনেককাল ধরে, পাড়ার নানা প্রকার ‘কল্পনা’, ‘ছবিঘর’, ‘পিয়ালি স্টুডিও’ গোছের নানা স্টুডিও ছিল ফোটো তোলার, তারা ঝিমিয়ে পড়েছিল। হঠাৎ জেগে উঠেছে। গত দশ বছরে এহেন কাজের চাপে পড়েছে কি না, সন্দেহ! আজ ছবি তুললে, ডেলিভারি নাকি সাত দিন বাদে! বোঝো কাণ্ড! পাড়ার স্টুডিওর এই ক্ষণিকের নবজাগরণে পুরনো-নতুন দিনের স্মৃতি মিলেমিশে আজকের ককটেল।

→