Robbar

সুরানিলয়ের টেবিল থেকেই জন্ম নিয়েছিল উপন্যাসের ভাবনা

উত্তর-আধুনিক ইউরোপিয়ান উপন্যাসের ইতিহাসে এই উপন্যাস নিঃসন্দেহে একটা সরণিফলক। জগৎ-বিখ্যাত উপন্যাস। যার লেখক এক বর্ণময় ভাবমূর্তির এবং বিশ্বব্যাপী প্রসিদ্ধির নির্বাসিত নিঃসঙ্গ মানুষ। আরও একটু বলি, তার লেখার টেবিলের রং ছিল কালো। আর তিনি ছিলেন প্যারিসবাসী। ভালোবেসে ছিলেন এই পরবাসের নিজবাস! তাঁর ভাবনার টেবিল ছিল বাড়ির কাছেই এক সুরানিলয়ে।

→

একবিন্দু আত্মকরুণা নেই অঞ্জনের আত্মজীবনীতে

অঞ্জনের ‘অঞ্জন নিয়ে’ এমন এক আত্মস্মৃতি, যেখানে কিছু এমন ভাঙচুর হয়েছে, যা ঘটানো অঞ্জন ছাড়া কারও পক্ষে সম্ভব নয়।

→

বিয়ে এখন ক্লেশ নয়, ক্লিশে

স্বামী বিয়ের বাইরে পা ফেলে অন্য নারীর আঁচ পোয়াবে স্ত্রীকে জানিয়ে। স্ত্রী বিয়ের গণ্ডির বাইরে ভিন্ন পুরুষের ওম পোয়াবে স্বামীকে অবগত রেখে। যেমন এক রান্না রোজ খাওয়া যায় না। স্বাদ বদলের প্রয়োজন আছে। তেমনই আর কী! এতে কোনও অন্যায় নেই। এইটুকু মেনে নিতে পারলে বিয়েটা সহনীয় হয়ে উঠতেও পারে।

→

অ্যানির ‘দ্য ইয়ার্স’ শেখায় অন্তহীন ইরোটিসিজম-ই জীবনের পরমপ্রাপ্তি

এই উপন্যাসের শেষে কিন্তু নেই কোনও মৃত্যু ও বিদায়। কেননা কোনও জীবন কখনও শেষ হয় না। অ্যানি এরনো বিশ্বাস করেন, প্রতিটি জীবনের অন্তহীনতায়। আর বিশ্বাস করেন, জীবনের পরম প্রাপ্তি ‘eroticism’: যৌন উদ্দীপনা এবং রাগমোচনের সেই বহু ঈপ্সিত শীর্ষ সেকেন্ড!

→

তপন সিন্হা‌র তাচ্ছিল্য আমার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল

তপন সিংহ, আপনার ঘৃণা, তাচ্ছিল্য, অপভাষার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। না-হলে সাগরদা, সুনীলদা, পূর্ণেন্দুদাকে আমি অমন দাত্রী নৈকট্যে কাছে পেতাম না।

→

জয় গোস্বামীর সাজেশনে মুগ্ধতা জাগাল ‘সিম্পল প্যাশন’

একদিকে অবৈধ সম্পর্কের তীব্রতা এবং আনন্দ। অন্যদিকে সেই সম্পর্কের যন্ত্রণা, দহন। সেই সম্পর্কে অপমানের অন্তর-স্রোত এবং অসহনীয় আঘাত। অ্যানি এরনো সেটাই স্পষ্টভাবে বলেছেন।

→

যে নারীর শেষপাতা পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি লেখক

এই মেয়ের শরীর এমন এক মুদ্রিত বিবরণী, যার সমস্তটা তালিকাভুক্ত করা যায় না। এই নারীর শরীর এক অন্তহীন তথ্যপঞ্জি, যার শেষ পাতায় বেচারা রিচার্ড কোনও দিন পৌঁছতে পারবে না।

→

সেই তরুণীর জন্য বেঁচে আছে বোকা মনকেমন!

আমার তরুণ বয়সকে মাতিয়ে ছিলেন তিনি! এখনও জীবনপ্রান্তে সেই তরুণী আমার অনিরুদ্ধ অভিযান!

→

জ্যোতির্ময় দত্ত আমাদের ‘কোমল ক্যাকটাস’

জ্যোতি জুতো পরে না। জ্যোতি নিরামিষ খায়। জ্যোতি খালি পায়ে ঘুরে বেড়ায় সারা কলকাতা। আমি কখনও গরম পিচে পা রাখি। কখনও পরম গোবরে। দুটোই সমান সহনীয়। কিংবা সুন্দর। বলল একদিন জ্যোতি। এই জুতোহীন উদ্বেল প্রেমিককে আনন্দবাজারের বরুণ সেনগুপ্ত ‘খালিপদ’ নামেও ছড়িয়ে দিয়েছেন বাঙালির ঘরে ঘরে।

→

কাফকার ভয়-ধরানো প্রেমপত্র!

পেয়েছেন কি আপনারা কেউ এমন ভালোবাসার চিঠি কখনও, কারও কাছে?

→