

‘ফাইনালি ভালোবাসা’ (২০১৯) ছবিতে অঞ্জন বলা চলে আমাকে প্রায় ধরে-বেঁধে নিয়ে গিয়েছিল একটা সিন করাতে।
মানুষ বিস্মিত হয় সাধারণত নতুন কোনও জিনিস দেখলে। কিন্তু প্রায় ৩০-৩৫ বছর ধরে সুযোগ পেলেই নকুড়ের মিষ্টি খাওয়া বাবা ওই মিষ্টির বাক্সটা দেখেই বলত, ‘দেখি তো কেমন করেছে আজ!’ মনে হত, এই প্রথম সেই মিষ্টি বাবা নাগালে পেয়েছে।
যার জন্য হেমন্ত জিপে করে ঘুরে বেরিয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি রাস্তা।
নানা কথা বলছিলেন একেবারে ডায়লগ বলার মতো করে। যেমনটা সিনেমায় এতকাল দেখে এসেছি।
আমার কাছে আজও সৌম্যেন্দু রায়ের শ্রেষ্ঠ কাজ ‘গুপি গাইন বাঘা বাইন’।
অপর্ণা সেনের ফোটোগ্রাফির এগজিবিশন কি অদূরেই হওয়া সম্ভব?
আমার কাছে বিসমিল্লার তথ্যচিত্রটা খুবই জরুরি, কারণ সেই প্রথম কোনও ছবিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে আমার নাম গিয়েছিল।
১৯৮২ সালে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রথমবার দেখা হয়েছিল মৃণাল সেন ও মার্কেসের। দু’জনেই সেই বছর ছিলেন জুরি।
১৯ বৃন্দাবন বসাক স্ট্রিটের বাড়িটা আদিত্য বসাকের, ওই বাড়ির ছবি, দলিল দস্তাবেজ নিয়ে এগজিবিশনও করেছিলাম।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved