
ভয়ের-ছবি বলতে মানুষ যে কেবল ক্ষণিকের আবেগ বুঝত, মনে করত সিনেমা হিসেবে দীর্ঘস্থায়ী কোনও প্রভাব এ-জাতীয় ছবির নেই, ‘ওয়েপন্স’ দেখলে দর্শকের সেই ধারণা ভাঙবে। হয়তো শেষ দৃশ্যের পাশবিকতা দর্শকের অমানবিক কিংবা অপ্রয়োজনীয় মনে হবে। কিন্তু ‘ওয়েপন্স’ কেবল দর্শকের স্মৃতিতে নয়, সিনেমার ইতিহাসেও রয়ে যাবে অনন্তকাল।
শনিবারের মিষ্টি সকাল। বাতাসে ছুটির আমেজ। মার্কাস মিলার (বেনেডিক্ট উয়ং) ও তাঁর স্বামী টেরি (ক্লেটান ফারিস) সারাটা দিন আনন্দে কাটাবেন বলে ধীর লয়ে দিনটা শুরু করেছেন। দুই চরিত্রের প্রেম ফুটে উঠছে দৃশ্যে। হঠাৎ সদর দরজায় টোকা। মার্কাস দরজা খুলে মারাত্মক অবাক হলেন। তাঁর স্কুলের অ্যালেক্স লিলি (ক্যারি ক্রিস্টোফার) নামক বাচ্চাটির এখনকার অভিভাবক বলে দাবি করা অদ্ভুত-দর্শন, কিম্ভূত সাজগোজের মহিলাটি বাইরে দাঁড়িয়ে! তাঁর নাম গ্ল্যাডিস (এমি ম্যাডিগান)। তিনি গতকাল স্কুলে এসেছিলেন এবং কী আশ্চর্য মিলারের একটি রিবন চুরি করে নিয়ে গিয়েছিলেন! এখন দরজায় দাঁড়িয়ে গ্ল্যাডিস এমন সব কথা বলছেন যে, মার্কাসের পুরো ব্যাপারটাই গড়বড় লাগছে। গ্ল্যাডিস নাকি বাসে উঠেছিলেন, সেই বাস গন্তব্য অবধি নিয়ে যায়নি, তিনি পুরো শহর ঘুরেছেন আর এখন মার্কাস-টেরির দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন! এখন তাঁর জলের প্রয়োজন। মার্কাস প্রায় গ্ল্যাডিসের মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু টেরি বাধা দিলেন। একটু জলই তো চেয়েছেন বয়স্ক মানুষটি! কিন্তু বাড়ির ভিতরে ঢুকে নানা আসবাবের প্রশংসা করতে করতে রান্নাঘরে প্রবেশ করে গ্ল্যাডিস জল চাইলেন একটি গামলায় এবং হঠাৎ একটা কাঁটাযুক্ত গাছের ছোট ডাঁটা-মতো জিনিস ব্যাগ থেকে বার করে আগের দিন চুরি-করা মার্কাসের রিবনটা তাতে জড়াতে শুরু করলেন! গ্ল্যাডিস এতেই থেমে থাকলেন না। সেই কাঁটাযুক্ত ডাঁটা দিয়ে নিজের হাতের তালু থেকে রক্ত বার করলেন। এ-দৃশ্যে সম্পূর্ণ ভ্যাবাচাকা খেয়ে যাওয়া টেরি গ্ল্যাডিসকে রক্ত মোছার জন্য একটা তোয়ালে দিতে গেলে গ্ল্যাডিস এক খাবলা চুল টেরির মাথা থেকে কেটে নিলেন বড় একটা কাঁচির সাহায্যে। তারপর সেই চুল ওই ডাঁটায় জড়িয়ে জলের গামলায় ফেললেন। মার্কাস পুলিশকে ফোন করতে উদ্যত হলে ব্যাগ থেকে একটা ছোট্ট ঘণ্টা বার করলেন গ্ল্যাডিস। একবার মাত্র শব্দ করলেন সেই ঘণ্টার, আর মার্কাস স্থির হয়ে গেলেন। ফোন গেল তাঁর হাত থেকে পড়ে। গ্ল্যাডিস এবার কাঁটাযুক্ত ডাঁটা শব্দ করে ভাঙলেন। আর সম্পূর্ণ ভাবলেশহীন মার্কাস টেরির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাঁর মুখে মারতে মারতে থেঁতলে মেরে ফেললেন প্রিয় স্বামী টেরিকে!

জাক ক্রেগার নির্মিত ‘ওয়েপন্স’ (২০২৫) সিনেমার এই দৃশ্যটি একই সঙ্গে ভয়, পরাবাস্তবতা ও অতিপ্রাকৃতকে একবিন্দুতে এনে ফেলেছে। পরিচালক আমেরিকায় তৈরি বিভিন্ন ভয়ের-ছবির নানা ঐতিহাসিক রেশ এ-ছবির কিছু পরতে লুকিয়ে রেখেছেন। কিন্তু পরিচালকের মুনশিয়ানায় ‘ওয়েপন্স’ স্বতন্ত্র এক নির্মাণ হয়ে উঠেছে। এ-ছবিতে ভয় মানে ভূত নয়। বরং, আমাদের প্রাত্যহিক অচেনা, অজানা সব ভীত-সন্ত্রস্ত অভিজ্ঞতার রসদ হয়ে উঠেছে ‘ওয়েপন্স’ ছবির উপজীব্য।

ভয়ের-ছবিতে এইরকম একটা ট্রেন্ড শুরু হয়েছিল গত ১০-১২ বছর আগে। আমেরিকার যে ভয়ের-ছবির প্রায় ৯৫ বছরের ঐতিহ্য, তা ধীরে ধীরে বাঁক-বদল করতে শুরু করেছিল। এর সূত্রপাত রবার্ট এগার্সের ‘দ্য উইচ’ (২০১৫) সিনেমাটির মধ্যে দিয়ে। ‘দ্য উইচ’-এর পর ‘গেট আউট’ (২০১৭), ‘হেরিডিটারি’ (২০১৮) এবং আরও দু’টি ছবি, যেগুলি আমেরিকার ছবি না-হলেও ভয়ের-ছবি হিসেবে অধুনা সব ফর্মুলা ভেঙে নতুন এক ভাষা তৈরি করেছে। সেই দু’টি ছবি হল– অস্ট্রেলিয়ার ‘দ্য বাবাডুক’ (২০১৪) এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ‘ট্রেন টু বুসান’ (২০১৬)।

এদিকে গত শতকের বিশ থেকে চারের দশক অবধি সাদা-কালো সিনেমার সেই সময় মূলত তৈরি হত ড্রাকুলা বা ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন জাতীয় ছবি। তখনকার যুগে দাঁড়িয়ে খুবই আধুনিক সব কৌশলের সাহায্য নিয়ে, নানা ধরনের স্টাইলাইজড সেট তৈরি করে সে-সব ছবি নির্মিত হত। রক্ত-খুন-জখমের থেকেও সেই সময় ভয়ের পরিবেশ কীভাবে গড়ে তোলা যায়, ছবি-নির্মাতারা তা নিয়ে চিন্তা করতেন।
পাঁচ-ছয়ের দশকে এসে ভয়ের-ছবির নির্মাণে একটা বড়সড় বদল আসে। নিউক্লিয়ার যুদ্ধ পৃথিবীজোড়া মানুষের মনে এমন ট্রমা সৃষ্টি করে যে, এক রকমের নতুন সিনেমা সেই ভিত্তিতে তৈরি হতে থাকে। নিউক্লিয়ার যুদ্ধের কল্পিত প্রভাব নিয়ে এমন সিনেমা তৈরি হয়, যেখানে নানা ধরনের প্রাণী বিরাট আকার ধারণ করছে, ভয়ংকর হয়ে উঠছে এবং সেটা দর্শক মনে ভীতির সঞ্চার করছে। যেমন, ‘দেম!’ (১৯৫৪) সিনেমাটি। কিন্তু এর মাঝে অ্যালফ্রেড হিচকক নিয়ে এলেন তাঁর বিখ্যাত ছবি ‘সাইকো’ (১৯৬০)। এক খুনির মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি কী হতে পারে, আর কীভাবেই-বা একটি তথাকথিত ‘ডিসফাংশনাল’ পরিবারে ঢুকে পড়ে খুনে মনোবৃত্তি, তার প্রকৃষ্ট কাল্পনিক উদাহরণ হিচককের এই নির্মাণ।

সাত-আটের দশকে আমেরিকার ভয়ের-ছবির দর্শন পুরোটাই বদলে গেল হিংসায়। সেটা খানিকটা ভয়ের শেষবিন্দু অবধি পৌঁছে যাওয়া। মনুষ্য শরীরের বীভৎস কাটাছেঁড়া, রক্তাক্ত হওয়া, খুন, ক্রিশ্চান মিথোলজির তথাকথিত ‘ডিমন’-এর ভর, সেই ভূত ছাড়ানো, অচেনা খুনির দ্বারা পর পর নৃশংস হত্যা– এমন সব গল্প শুধু সেই দশকে নয়, আগামী অনেক দশক আমেরিকার ভয়ের-ছবির মূল হয়ে থেকেছে। সব থেকে বেশি প্রভাবিত করেছে যে-ছবিটি, তা হল ‘দ্য এক্সর্সিস্ট’ (১৯৭৩)। বলা হয়, ‘দ্য এক্সর্সিস্ট’ থেকে আজও আমেরিকায় নির্মিত ভয়ের-ছবিরা সব অনুপ্রাণিত হয়ে থাকে। নয়ের দশক তার ব্যতিক্রম নয়। মানুষের জীবনে ভয় যেন নিজে থেকে আসে না, সেই চরিত্র কোনও অশরীরীকে অজানতে বিরক্ত করে এবং তারপর গণ্ডগোলটা শুরু হয়।

এসব ধরনের সিনেমায় প্রধান হয়ে ওঠে শব্দাবহ। ‘জাম্প স্কেয়ার’– অর্থাৎ, ভয়ের মুহূর্ত তৈরি হবে আর কান ফাটানো শব্দ সেই দৃশ্যের ভয় আরও বর্ধিত করবে– এইরকম ছবিগুলির একটা বিশেষ চরিত্র হয়ে উঠেছে বারবার। এখানে ‘দ্য সাইলেন্স অফ দ্য ল্যাম্বস’ (১৯৯১), ‘স্ক্রিম’ (১৯৯৪), ‘আই নো ওয়াট ইউ ডিড লাস্ট সামার’ (১৯৯৭), ‘স্লিপি হলো’ (১৯৯৯), এমনকী ‘জুরাসিক পার্ক’ (১৯৯৩) ও ‘অ্যানাকন্ডা’ (১৯৯৭) সিনেমাগুলি বিষয়বস্তুর দিক থেকে একে অপরের থেকে আলাদা ও বৈচিত্র্যপূর্ণ হলেও শব্দসংযোজন বিশেষত ‘জাম্প স্কেয়ার’-এর ব্যবহারে প্রায় প্রত্যেকে এক।
তবে ভয়ের-ছবি নির্মাণের ক্ষেত্রে এই যে নতুন ট্রেন্ড শুরু হওয়ার কথা হচ্ছিল গত ১০-১২ বছর আগে, তাতে অপ্রচলিত প্লট বা কাহিনিধারা, চরিত্রচিত্রণের ক্রমবিকাশ, ভূত বা তথাকথিত ভয়াবহ কোনও উপাদান না-থেকেও ভয়ের উদ্রেক, ‘জাম্প স্কেয়ার’-এর অনুপস্থিতি এবং তেমন কোনও পুরনো ফর্মুলা ব্যবহার না-করে উৎকৃষ্ট ভয়ের-ছবির নির্মাণের নতুন ঝোঁকে পরপর অনেকগুলি ছবি তৈরি হয়েছে আমেরিকায়। ‘ওয়েপন্স’ এই নতুন ঘরানার ভয়ের-ছবি।

ছবির শুরুই একটা অনন্যসাধারণ গল্পে। একটি শিশুর কণ্ঠে বর্ণিত হতে থাকে দু’-বছর আগের এক বুধবারে, পেনসিলভেনিয়ার মেব্রুকের ১৭টি বাচ্চা রাত ২:১৭ টায় তাদের বাড়ি থেকে ছুটে বেরিয়ে রাতের অন্ধকারে হারিয়ে যায়! লাপাতা হওয়া শিশুগুলি জাস্টিন গ্যান্ডি (জুলিয়া গার্নার) নামক এক প্রাথমিক স্কুলশিক্ষকের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সব। একটিমাত্র শিশু ওই ১৭ জনের ক্লাসে শুধু নিখোঁজ হয়নি– সে হল, সেই অ্যালেক্স লিলি। হারিয়ে-যাওয়া, খোঁজ না-পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকেরা আর কোনও উপায় না পেয়ে শেষে জাস্টিনের বিরুদ্ধে অকারণ অভিযোগ করে যে, এই নিখোঁজ হোক বা অপহরণ– তার জন্য জাস্টিনই দায়ী! খুব অন্যায়ভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষ জাস্টিনকে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠায়। জাস্টিন মদে ডুবে যায়, প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। সবাই যখন তাকে দোষারোপ করতে থাকে, তখন সে নিজের মতো করে তদন্ত শুরু করে। অ্যালেক্স লিলির পিছু করতে করতে জাস্টিন একদিন তার বাড়ি পৌঁছে যায় এবং সমস্ত দরজা-জানালা বন্ধ থাকা বাড়িটার পিছনের এক জানালা দিয়ে অদ্ভুত একটা গা-শিউরনো দৃশ্য দেখে ফেলে!

জাস্টিন লক্ষ করে, অ্যালেক্সের মা-বাবা সোফার ওপর প্রস্তরবৎ বসে আছে, যেন কেউ তাদের ওপর সম্মোহন প্রয়োগ করেছে! পুরো সিনেমা জুড়ে কাহিনি-সুতোর বুনন এমনভাবে চলতে থাকে, যা দর্শকদের যারপরনাই অবাক করে। কী হল সেই ১৭টি শিশুর? অ্যালেক্সের কিছু হল না কেন? অ্যালেক্সের বাড়ি জাস্টিন যাদের দেখেছিল, তারা কি সত্যিই ওর মা-বাবা? তাহলে গ্ল্যাডিস কে? তিনি এমন অদ্ভুত-দর্শন কেন? অ্যালেক্স কি কিছু লুকোচ্ছে? এ-সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে দর্শক যখন কাহিনির শীর্ষবিন্দুতে গিয়ে পৌঁছবে, তখন ‘ওয়েপন্স’ তথাকথিত ভয়ের-ছবি হয়ে থাকবে না; শিল্প যে, যে-কোনও রকম কাহিনির অঙ্গরাগ হয়ে উঠতে পারে পরিচালকের মুনশিয়ানায় এবং তার অপূর্ব উদাহরণ যে ‘ওয়েপন্স’, দর্শকের সে-উপলব্ধি হবে।

ভয়ের-ছবি বলতে মানুষ যে কেবল ক্ষণিকের আবেগ বুঝত, মনে করত সিনেমা হিসেবে দীর্ঘস্থায়ী কোনও প্রভাব এ-জাতীয় ছবির নেই, ‘ওয়েপন্স’ দেখলে দর্শকের সেই ধারণা ভাঙবে। হয়তো শেষ দৃশ্যের পাশবিকতা দর্শকের অমানবিক কিংবা অপ্রয়োজনীয় মনে হবে। কিন্তু ‘ওয়েপন্স’ কেবল দর্শকের স্মৃতিতে নয়, সিনেমার ইতিহাসেও রয়ে যাবে অনন্তকাল।
সিনেমাটির এমন প্রভাবের জন্য অবশ্য অনেকটা দায়ী ‘গ্ল্যাডিস’ চরিত্রে এমি ম্যাডিগানের অবাক-করা অভিনয়। এমনিতে ৪০ বছরের ব্যবধানে শ্রেষ্ঠ সহ-অভিনেত্রী বিভাগে অস্কার মনোনয়ন পেয়ে এমি ইতিহাস গড়েছেন। পুরস্কারটি জিতেছেনও এ-বছর, কিন্তু ভয়ের-ছবিতে অভিনয় করে অস্কার-প্রাপ্তি ঘটেছে যতগুলি অভিনেত্রীর, তাঁদের মধ্যেও আলোচকেরা বলছেন এমি ম্যাডিগানের অভিনয় এখনও অবধি সর্বশ্রেষ্ঠ।

ভয়ের-ছবিতে অভিনয় করে অস্কার পেয়েছেন রুথ গর্ডন (রোজমেরিজ বেবি/১৯৬৮), ক্যাথি বেটস (মিসারি/১৯৯০), নাতালি পোর্টম্যান (ব্ল্যাক সোয়ান/২০১০) এবং আরও অনেকে। তবে এই তিনজন সরাসরি ভয়াবহ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু এমি ম্যাডিগানের গ্ল্যাডিস চরিত্রের সঙ্গে কারও তুলনা চলে না। গ্ল্যাডিস কোনও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত, তাঁর মাথার চুল নেই, তিনি বারবার পোশাক আর মেকআপ পরিবর্তন করেন, কণ্ঠস্বরের মডিউলেশন অসাধারণ আর ডাকিনীবিদ্যা প্রয়োগের সময় ওই যে তীক্ষ্ণ চোখ আর গম্ভীর দৃষ্টি– এমন অভিনয় খুব বড় অভিনেতা ছাড়া সম্ভব ছিল না।
মেথড-অ্যাক্টিংয়ে পারদর্শী এমি ম্যাডিগান ৭৪ বছর বয়সে, কীরকমভাবে ওই গ্ল্যাডিস চরিত্রের জন্য শরীরটা ভেঙেছেন, মেকআপ নিয়েছেন, তা ভাবলে ভীষণ রকম অবাক হতে হয়। একাডেমি কর্তৃপক্ষ তাঁকে অস্কার দিয়ে নিজেরা ধন্য হয়েছেন।

যাঁরা ভয়ের-ছবির নিয়মিত দর্শক, যাঁরা এ-জাতীয় ছবি নিয়ে চর্চা করেন, তাঁদের তো বটেই জাক ক্রেগারের ‘ওয়েপন্স’ ভাবাবে সাধারণ দর্শকদেরও। একক পরিচালক-চিত্রনাট্যকার হিসেবে ‘ওয়েপন্স’ জাকের দ্বিতীয় ছবি মাত্র। তিনি সবে ৪০-এ পা দিয়েছেন। আমরা তাঁর পরবর্তী ছবির অপেক্ষায় থাকব।
……………………..
রোববার.ইন-এ পড়ুন ভাস্কর মজুমদার-এর অন্যান্য লেখা
……………………..
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved