


বলেন্দ্রনাথের পুরী ভ্রমণের শতাধিক বছর পরেও কতকটা এমনই সুর বাজতে দেখা যায় সাহিত্যিক নারায়ণ সান্যালের বিবরণে– ‘জাত্যাভিমানের সঙ্কীর্ণতা ভারত-সংস্কৃতিকে ভরাডুবি করাতে বসেছিল। পুরী-মন্দির তার বলিষ্ঠ প্রতিবাদ। … ধর্মান্ধ বর্ণহিন্দু কিছুতেই তার গোঁড়ামিকে ত্যাগ করেনি। কবীর-দাদু-শ্রীচৈতন্য-গুরুনানক থেকে রামমোহন-বিবেকানন্দ-গান্ধীজি পর্যন্ত যুক্তি দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে যে গোঁড়ামিকে বিতাড়িত করতে পারেননি, জগন্নাথ নিজ মহিমায় তা অনায়াসে পেরেছেন। … শ্রীক্ষেত্রে জাতিভেদ নেই– মহাপ্রসাদ উচ্ছিষ্ট হয় না– জল-অচল জাতের হাত থেকে মহাপ্রসাদ গ্রহণ করে নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ তা সানন্দে আহার করেন।’
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ১৩১২ বঙ্গাব্দে, অর্থাৎ ১৯০৫-এ ‘মুকুল’ পত্রিকার কয়েকটি সংখ্যা জুড়ে পুরী ভ্রমণের বর্ণনা লিখেছিলেন। সেই বর্ণনার শুরুতেই উপেন্দ্রকিশোরকে বলতে শোনা যায়: ‘আজকাল রেল হইয়া পুরী যাইবার বেশ সুবিধা হইয়াছে, তাই এখন অনেকেই শখ করিয়া সেখানে গিয়া থাকেন।’
পুরী যাওয়া এখনকার দিনে শখের ব্যাপার তো বটেই, আর রথ দেখা ও কলা বেচা অর্থাৎ এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো অর্থের বহু-ব্যবহৃত বাগধারাটিও পুরী সম্পর্কে মোক্ষমভাবে প্রযোজ্য। রথ দেখা তো যায়ই পুরীতে, কিন্তু অন্য সময়েও মন্দির এবং সমুদ্র– দুইয়ে মিলে একইসঙ্গে তীর্থযাত্রা আর সাগরবেলায় প্রমোদ ভ্রমণ, দুটো উদ্দেশ্যই সাধিত হয় পুরীতে একবার গিয়ে পড়তে পারলে। অবশ্য ব্যক্তিবিশেষে পছন্দের হেরফের তো ঘটেই। কেউ ব্যস্ত হয় পুণ্যার্জনে, কেউ সি-রিসর্টের ফুর্তিতে আনন্দ লাভ করে।

উপেন্দ্রকিশোর যে ‘শখ করিয়া’ পুরী যাওয়ার কথা বলেছিলেন, তার আগে বেশিরভাগ মানুষ পুরী যেতেন পুণ্য অর্জনের তাগিদে। ইহকালের ফুর্তি নয়, তাঁদের কাছে পুরীর প্রয়োজনীয়তা ছিল পরকালে যাতে আত্মার একটা গতি হয়, তার ব্যবস্থা করার জন্য। বিখ্যাত বাঙালিদের পুরী ভ্রমণের প্রসঙ্গে প্রথমেই যাঁর নাম মনে পড়ে, তিনি হলেন শ্রীচৈতন্যদেব। ৫০০ বছরেরও বেশি সময় আগে তিনি পুরী গিয়েছিলেন সমুদ্র নয়, জগন্নাথদেবের দর্শন পেতে। কবি লোচনদাস ‘শ্রীশ্রীচৈতন্যমঙ্গল’-এ লিখেছেন:
‘সম্ভ্রমে উঠিলা জগন্নাথ দেখিবারে।
ক্রমে ক্রমে উত্তরিলা গিয়া সিংহদ্বারে।।’
উপেন্দ্রকিশোরের সেবারের পুরী ভ্রমণের ৫০ বা ৬০ বছর পরে বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি রচয়িতা সুবোধকুমার মুখোপাধ্যায় ওই একই প্রসঙ্গে লিখলেন, ‘পুরী যাতায়াতের ব্যবস্থা ভালো। রাত্রে খেয়ে দেয়ে ট্রেনে চাপতে হয়। সকালবেলায় পুরী।’
তবে পুরীর ট্রেন সম্পর্কে সরল এবং সহজতম মন্তব্যটি করেছিল নবারুণ ভট্টাচার্যের উপন্যাসের নায়ক হারবার্ট ওরফে হারু। তার নিজের রচনা দ্বিপদী পদ্যে সে বলেছিল–
‘বাংলার পরে আছে উড়েদের দেশ
রোজ রাতে যায় তথা পুরী এক্সপ্রেস।’

পুরী পৌঁছনোর পর সমুদ্রের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ একটা অবিস্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকে অনেকের জীবনে। বিখ্যাত লেখকরা পুরী গিয়েও এই আশ্চর্য বিষয়টি লক্ষ করেছেন এবং অভিভূত হয়েছেন। সেই ঘটনার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে তাঁদের রচনা করা সাহিত্যে। ১৮৯৩-এর ফেব্রুয়ারি মাসে ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে পুরী থেকে পাঠানো চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন সমুদ্র দর্শনের বর্ণনা। তাঁরা চলেছিলেন কটক থেকে ঘোড়ার গাড়িতে। একটা বিলের মতো বিশাল জলাশয়ের ওপারে গাছপালার মাথার উপর দিয়ে মন্দিরের চূড়া দেখতে পেয়েছিলেন তাঁরা। তারপরেই ‘হঠাৎ এক জায়গায় গাছপালার মধ্যে থেকে বেরিয়ে পড়েই সুবিস্তীর্ণ বালির তীর এবং ঘন নীল সমুদ্রের রেখা দেখতে পাওয়া গেল।’
রবীন্দ্রনাথকেও প্রভাবিত করা সেই ‘নীল’ আবিষ্ট করেছে আরও অনেক লেখককে। ছেলেবেলায় প্রথমবার পু্রী গিয়ে ঘোড়ার গাড়িতে তাঁদের নির্দিষ্ট বাসস্থানের দিকে চলেছিলেন কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়– ‘দুদিকে ছোটো বড়ো বাড়ি দৌড়ে পিছনে পালাচ্ছে। এভাবে যেতে যেতে এক সময় নীল একটা গলি সামনে মুখ বাড়িয়ে দাঁড়াল। সে যে কি অসহ্য নীল, ভাবা যায় না। কখনো মনে হল গলির শেষে নীল পর্দা ঝুলিয়ে দিয়েছে কেউ।… পরে মুখোমুখি সমুদ্র দেখে বুঝতে পেরেছি, সেদিনের ওই নীল পর্দা বা গলি যাই বলো, সে ছিল সমুদ্রেরই একটা টুকরো।’

সমরেশ বসুর ছোটদের জন্য লেখা গল্পের নায়ক গোগোলের প্রথম সমুদ্র দেখার অনুভূতিতেও নীল রং হাজির। সেই নীল সাগরের জলের এবং আকাশের– ‘শুধু জল আর জল। আর জলের রঙ যে এমন নীল হয়, আর জল যে একেবারে সেই দূরে আকাশের গায়ে গিয়ে মিশে যায়, ছবি দেখেও গোগোল তা কল্পনা করতে পারেনি।’
জলের নীল রং দেখতে পেলেও আর এক সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর দৃষ্টি কিন্তু আকর্ষণ করেছিল সমুদ্রবেলার বালির রং। তাঁর লেখা ছোটগল্প ‘স্বর’-এর কথক চরিত্রটির দেখা সকালবেলার দৃশ্যে পাওয়া যায় বালির রঙের এক আশ্চর্য উপমা– ‘যুবক সকালের চোখ ঝলসানো রোদে নীল জলরাশি সাদা ফেনার ভেঙে পড়া গুঁড়ো সমেত প্রচণ্ড শব্দে আছড়ে পড়েছে বেদুইন মেয়ের বুকের রঙের মতো বাদামি বেলাভূমিতে।’

এসব অবশ্য শুধু সমুদ্র বেলাভূমি আর তার উপর নেমে আসা আকাশ দেখার অনুভূতি। দর্শকের মনে পুরীর সমুদ্র কেমন অভিঘাত রেখে দেয় তার বর্ণনাও বাংলা সাহিত্যে বা বিখ্যাত মানুষদের অভিজ্ঞতায় কিছু কম ধরা পড়েনি। পুরী পৌঁছনোর দিনকতক পরে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন– ‘পুরীতে এসে পৌঁছে সামনে অহর্নিশি সমুদ্র দেখছি, সেই আমার সমস্ত মন হরণ করে রেখেছে, আমাদের দীর্ঘ ভ্রমণপথের দিকে পশ্চাৎ ফিরে চাইবার আর অবসর পাওয়া যাচ্ছে না।’
১৯৩৭-এ ‘শনিবারের চিঠি’র একটি সংখ্যায় প্রকাশিত নিবন্ধে পণ্ডিতপ্রবর নির্মলকুমার বসু লিখেছিলেন– ‘সংসারের দ্বন্দ্বে ও সংগ্রামে আমার চিত্ত পরিশ্রান্ত হইয়া পড়িয়াছিল, তাই জনবিরল সমুদ্রের উপকূলে শুধু ঊর্মিমালার দিকে চাহিয়া থাকিতে আজ এত ভালো লাগিতেছে।’
ঠিক এইরকম ধারণা সত্যজিৎ রায়েরও ছিল। না হলে কেন তিনি ‘হত্যাপুরী’ উপন্যাসে ফেলুদাকে দিয়ে বলাবেন, ‘ভোরের সমুদ্রের দিকে চাইলেই একটা টনিকের কাজ দেয়।’ এই ‘টনিকের কাজ’ দেওয়া সত্যজিৎ দেখিয়েছিলেন ‘ভক্ত’ গল্পে– ‘অন্ধকারে অনেকক্ষণ ধরে একদৃষ্টে সমুদ্রের দিকে চেয়ে থেকে তাঁর মনে হল যে ষোলো বছরের চাকরি জীবনের অনেকখানি অবসাদ যেন দূর হয়ে গেল।’

মনের ক্লান্তি জুড়িয়ে দেওয়া সমুদ্রের ভয়াল রূপও কখনও ধরা পড়ে সমঝদার এবং ভাবুক দর্শকের চোখে। ‘সমুদ্র’ গল্পে জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী যেমন দেখাতে চেষ্টা করেছিলেন সাগরের সেই চেহারা– ‘হাওয়ার বেগ বাড়ছে, সমুদ্র উত্তাল হয়েছে; সফেদ তরঙ্গ ক্রুদ্ধ গর্জন করে তীরের দিকে ছুটে আসছে। একটা এল ভাঙল, আবার একটা; আবার, আবার, আবার… কত কোটি বছর ধরে তরঙ্গের পর তরঙ্গ এভাবে ছুটে আসছে, গর্জন করছে, হাসছে, ভেঙে গুঁড়িয়ে রেণু রেণু হয়ে আবার মিলিয়ে যাচ্ছে অতল অন্ধকারে।’
সাগরের ঢেউ ভাঙার মধ্যে তীর আর তরঙ্গের খেলা দেখতে পেয়েছিলেন কালকূট সমরেশ বসু। মানুষ আর প্রকৃতির সম্পর্কের সীমাহীনতার আন্দাজ পেয়ে তিনি উপলব্ধি করেছিলেন ব্যক্তির তুচ্ছতা– ‘প্রকাণ্ড ঢেউ আবার প্রচণ্ড গর্জনে ফেটে পড়ল। ছুটে এল, স্পর্শ করল। যেন আমাকে ডাক দিল। এই যে, এই যে আমি। দেখলাম, কলকল্লোল মাতাল। হাসিতে তার ফেনা পুঞ্জ পুঞ্জ। আমার আচ্ছন্নতাকে দিলে ঘা। চোখের সুমুখে আর কোনো ঘোর নেই। সীমাহীন স্পন্দিত নিরন্তর। সে ভাসিয়ে নিয়ে গেল সকল সংশয়, অসংশয়, বিশ্বাস অবিশ্বাস।’

পুরী শুধু সমুদ্রের নয়, পুরী জগন্নাথেরও। আধুনিক যুগেও পুরীতে যত মানুষ আসেন দেশের বা বিদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে, তাঁদের সিংহভাগ কিন্তু আসেন জগন্নাথদেব ও শ্রীমন্দিরের আকর্ষণে।
‘সাধনা’ পত্রিকার ১৩০০ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যায় প্রকাশিত ‘উড়িষ্যার দেবক্ষেত্র’ নিবন্ধে বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন– ‘ভারতবর্ষের বহু দূর প্রান্ত হইতে বহু সহস্র যাত্রী– বৈষ্ণব, শাক্ত, শৈব, সৌর, গাণপত্য, নানা বিভিন্ন সম্প্রদায়– এই সকল প্রাচীন প্রাচীন মন্দিরের দ্বারে আসিয়া নিত্য পুণ্য অর্জন করিয়া যায়। বৈতরণী পার হইয়াই তাহারা মনে মনে যেন কোন পুণ্যলোকে উপনীত হয়– এখানে ব্রাহ্মণ নাই, শূদ্র নাই, উচ্চ নাই, নীচ নাই; ক্ষুদ্র জাতি, ক্ষুদ্র মান, ক্ষুদ্র গর্ব এ রাজ্যের নয়।’

আবার বলেন্দ্রনাথের পুরী ভ্রমণের শতাধিক বছর পরেও কতকটা এমনই সুর বাজতে দেখা যায় সাহিত্যিক নারায়ণ সান্যালের বিবরণে– ‘জাত্যাভিমানের সঙ্কীর্ণতা ভারত-সংস্কৃতিকে ভরাডুবি করাতে বসেছিল। পুরী-মন্দির তার বলিষ্ঠ প্রতিবাদ।… ধর্মান্ধ বর্ণহিন্দু কিছুতেই তার গোঁড়ামিকে ত্যাগ করেনি। কবীর-দাদু-শ্রীচৈতন্য-গুরুনানক থেকে রামমোহন-বিবেকানন্দ-গান্ধীজি পর্যন্ত যুক্তি দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে যে গোঁড়ামিকে বিতাড়িত করতে পারেননি, জগন্নাথ নিজ মহিমায় তা অনায়াসে পেরেছেন।… শ্রীক্ষেত্রে জাতিভেদ নেই– মহাপ্রসাদ উচ্ছিষ্ট হয় না– জল-অচল জাতের হাত থেকে মহাপ্রসাদ গ্রহণ করে নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ তা সানন্দে আহার করেন।’
অবশ্য এই মন্দির যে শুধু জগন্নাথের একার, তাও তো বলা যায় না। মন্দিরের ভিতর ছড়িয়ে রয়েছে অজস্র ক্ষুদ্রতর মন্দির এবং তীর্থ হিসেবে গণ্য ক্ষেত্র বা অংশ। এই প্রসঙ্গে প্রত্নবিদ এবং ইতিহাসবিদ গুরুদাস সরকার ‘মন্দিরের কথা’ বইতে বললেন– “পুরুষোত্তমে জগন্নাথদেবের শ্রীমন্দিরপ্রাঙ্গণে প্রধান প্রধান হিন্দু দেবদেবীর অন্যুন পঞ্চাশটি ক্ষুদ্রতর মন্দির আছে। তাহার মধ্যে পাতালেশ্বর, সূর্যনারায়ণ, লক্ষ্মী, ভদ্রকালী, নীলমাধব, বিমলা, গণেশ, ক্ষেত্রপাল, মার্কণ্ডেয়, ইন্দ্রাণী, বটকৃষ্ণ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। উৎকল খণ্ডের চতুর্থ অধ্যায়ে রৌহিণকুণ্ড ও কল্পবটবৃক্ষের সহিত জগন্মাতা লক্ষ্মী, ধর্মরাজ, ক্ষেত্রপাল, শিব ও ব্রহ্মস্বরূপ নৃসিংহদেব পুরুষোত্তমক্ষেত্রস্থ প্রধান বিগ্রহগুলির উল্লেখ দেখা যায়।

পুরী এক আশ্চর্য জায়গা। সি-রিসর্ট হিসেবে বা তীর্থক্ষেত্র হিসেবে, যেভাবেই পুরী প্রতিভাত হোক একবার গিয়ে কয়েকদিন থেকে পুরী দেখা পুরোপুরি কারও পক্ষে সম্ভব হয়েছে বলে জানা যায় না। তাই একবার পুরী গিয়েই পুরোপুরি পুরী দেখার চেষ্টায় ক্ষান্ত হয়ে ওমুখো হয় না কিছু পর্যটক। অন্য একদল, তারাই সংখ্যায় বেশি, আবার বারবার ফিরে আসে পুরীতে। তাদের কেউ আসে জগন্নাথদেবের টানে। কেউ সমুদ্রের ঝোঁকে। কারও আবার পছন্দ পুরীতে লভ্য বিশেষ কিছু খাবার। কেউ মন্দিরে পুজো দিয়ে সমুদ্রস্নানে তুমুল দামালপনা করে। কারও মুক্তি আবার সাগরের হাওয়ায় খেয়েদেয়ে বিশ্রাম নেওয়ায়। পুরী এমন সবকিছু, হয়তো আরও অনেক কিছু নিয়েও ধরা দেয় পর্যটক বা তীর্থযাত্রীর কাছে। আর আশ্চর্যের ব্যাপার হল পুরীর এমন প্রতিটি বিষয় ধরা আছে বাংলা সাহিত্যের পাতায় আর বিখ্যাত বাঙালিদের স্মৃতিচারণে বা প্রতিবেদনে, নিদেনপক্ষে তাঁদের লেখা গল্প-উপন্যাসের অনুষঙ্গ হয়ে। পুরীর বিভিন্ন দিক, যাকে ইংরেজিতে বলে ‘অ্যাসপেক্ট’, এক শৌখিন কবির চার লাইনের পদ্যে যেমন ধরা পড়েছিল, তার উল্লেখ এখানে না করলেই নয়–
‘কেউ খোঁজে খাজা আর কেউ ছানাপোড়া
মার্কেটে গিন্নির দাপে কর্তার চোখ ছানাবড়া।
কালিয়াকে পুজো দিয়ে কেউ খায় মালপো,
কেউ ভাবে ঘরে গিয়ে ঢোঁক-দুই ঢালবো।’
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved