

বিশাল তিনটি রথ থেকে শুরু করে শ্রীজগন্নাথের অনসরকালের পটচিত্র, রথের অলংকরণ, কাঠের বিগ্রহ, মুখোশ, খেলনা, তালপাতার সূক্ষ্ম খোদাই এবং পাথরের ভাস্কর্য– পুরীর শিল্প একটি সাংস্কৃতিক পরম্পরা। এর গভীরে রয়েছে শ্রীজগন্নাথ সংস্কৃতির ধর্মীয় দর্শন, মন্দির-কেন্দ্রিক সেবাপরম্পরা, তীর্থযাত্রার ইতিহাস এবং বংশপরম্পরায় শিল্পচর্চার এক দীর্ঘ ঐতিহ্য।
আর্টসি ক্যাফে কফি অ্যান্ড কালচারে চলছে দেবদত্ত গুপ্তর প্রদর্শনী ‘আই লার্নড দ্য রিভার বিফোর আই স ইট’। বাংলার নদীকেন্দ্রিক সংস্কৃতির আবেগ তাঁর ছবির মধ্যে লক্ষ করা যায়। সেখানে কোথাও পাঁচপীরের গল্প, কোথাও মনসামঙ্গলের ছায়া।
আজ যখন হকনির মৃত্যুসংবাদ পৃথিবীজুড়ে শিল্পপ্রেমীদের বিষণ্ণ করে তুলেছে, তখন মনে পড়ে তাঁর শিল্পদর্শনের সেই মৌলিক শিক্ষা– পৃথিবীকে ভালোবাসতে হলে আগে তাকে দেখতে শিখতে হবে। শিল্প কোনও অলৌকিক জাদু নয়; শিল্প হল মনোযোগের চর্চা।
দুই শিল্পী, যারা শুধু জানে সৃজনের আনন্দ। যে আনন্দের তুল্য কিছু নেই। কিন্তু সেই আনন্দের উৎসার অন্যায় ও পাপ থেকে। এবং তারা মরছেও সেই দু’টি অসুখে, যাকে সমাজ-সংসার বলে পাপের শাস্তি। পঙ্ক থেকেই জন্মাচ্ছে সৃষ্টির পদ্ম।
গোটা প্রদর্শনীকক্ষে একাকী বেশ খানিকটা সময় কাটালে এই আর্কাইভগুলো জীবন্ত হয়ে কানের কাছে বোধহয় ফিসফিসিয়ে ওঠে, দর্শককে একটা খুব হালকা ধাক্কায় আরামদায়ক জায়গার থেকে সরিয়ে কেমন যেন একটা অস্বস্তির মধ্যে টেনে আনে।
মৌলিক শিল্পকর্ম এবং অন্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত শিল্পকর্ম, কিংবা অন্যের কাজ চুরি আর সরাসরি জালিয়াতির মধ্যে সীমারেখাটি কোথায় টানবেন? কোন নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে?
এলোমেলো অবিন্যস্ত খসড়ার ধরনই লেওনার্দোর নোট্সের নান্দনিক ভিত্তি। আর ঐতিহাসিক ভিত্তিটি অবশ্যই রেনেসাঁসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তা খানিকটা সমসাময়িককে অতিক্রম করে যাওয়ায়– শিল্প, বিজ্ঞান, দর্শন– প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই; খানিকটা মানুষ ও প্রকৃতির আন্তঃসম্পর্ককে দেখার প্রেক্ষিত বদলে; আর খানিকটা ‘শিল্পী’-কে ‘কারিগর’ থেকে ‘দার্শনিক’-এ উন্নীত করায়।
গগনেন্দ্রনাথের পছন্দ হয়েছিল সুনয়নীর ছবির সরল-সুন্দর রীতি। অবনীন্দ্রনাথকে অনুরোধ করেছিলেন ‘সার্টিফিকেট’ লিখে দেওয়ার জন্য। উত্তরে অবনীন্দ্রনাথ বলেছিলেন– ‘ও যে ধারায় ছবি আঁকছে তার জন্যে আমায় আর সার্টিফিকেট লিখে দিতে হবে না। পরে দেশের লোকের কাছ থেকে ও নিজেই সার্টিফিকেট আদায় করে নেবে।’
মানুষ-গাছ-জন্তু-পাখি-নদী-পাহাড়-সূর্য-তারা– এ সমস্ত নানান জিনিসের একটা প্রতীকী মোটিফ মানে একটা সিম্বল থাকে অস্ট্রেলিয়ান অ্যাবরিজিনাল আর্টে। সেগুলো বেশিরভাগই ডট, মানে ফুটকি দিয়ে করা। ছবির পটে কাজটা শেষ হয়ে গেলে ওরা যেটা করে সেটাই রহস্য।
একসময় পাবলো পিকাসোও নাকি তাঁর মেয়ের মল দিয়ে ছবি এঁকেছেন। শিল্পীর উজ্জ্বল বাদামি রঙের সে এক রহস্য। পেজ সিক্সের রিপোর্ট অনুসারে, ‘পু-ক্যাসো’ সম্পর্কে খবরটি শিল্পীর নাতনি ডায়ানা উইডমায়ার পিকাসোর কাছ থেকে এসেছে এবং এটা ছিল অনেকদিনের পারিবারিক গোপনীয়তা। ১৯৩৮ সালের স্টিল-লাইফ সিরিজে ওঁর সেইসব ছবি প্রদর্শিত হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved