Robbar

Buddhadeb Guha

লেখার বিরতিও আসলে লিখনপদ্ধতি

এক বছর কিছু লিখবেন না– এই মর্মে আনন্দমেলা সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি লিখেছিলেন বুদ্ধদেব গুহ। চিঠিটি কোনও বিদায়পত্র নয়, কোনও ক্লান্তির বিবরণও নয়। এটি যেন এক শিল্পীর আত্মার দিকে ফিরে তাকানোর মুহূর্ত। যেন তিনি বলছেন– আমি লিখতে জানি, তাই থামতেও জানি।

→

একা নব্বই, একাই একশো

আজ পরিণত বয়সে পৌঁছে, আমার বাড়ির দলিল ঠিক কোথায় রাখা আছে আমার খেয়ালও থাকে না, কিন্তু একটি-একটি করে পাওয়া কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর ১৪১টি চিঠির একটি সম্ভার ধীরে ধীরে আমার সর্বস্ব সম্পত্তি হয়ে উঠেছে– গত প্রায় চার দশক ধরে তার প্ৰতিটি শব্দে, যতিচিহ্নে, আঁকিবুঁকিতে, অক্ষরে, সাক্ষরে!

→

বুদ্ধদেব গুহ বাঙালির স্লো ট্যুরিজমের পথপ্রদর্শক

বু্দ্ধদেব গুহর লেখা ‘মাধুকরী’, ‘কোয়েলের কাছে’, ‘একটু উষ্ণতার জন্য’, ‘ঋজুদার সঙ্গে জঙ্গলে’, ‘বন জ্যোৎস্নায় সবুজ অন্ধকারে’,– এই উপন্যাসগুলো ভ্রমণের বাহ্যিক গল্প নয়, বরং স্থানের সঙ্গে গভীর আত্মিক সংলাপ।

→

পাঠকের চিঠি: ইতি কলেজ স্ট্রিট এমন এক স্মৃতিকথা, যা প্রকাশকদের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে

প্রতি রবিবার, ‘ইতি কলেজ স্ট্রিট’ প্রকাশিত হয় রোববার.ইন-এ। কলেজ স্ট্রিট, পুরনো কলকাতা, লেখক-প্রকাশকের চিঠি, প্রকাশকের চোখে দুরন্ত এক প্রকাশনা গড়ে তোলার স্বপ্ন– সব মিলিয়ে এই কলাম যেন এক মায়াবি ট্রাম, যা লেখকদের বাড়ির সামনে দিয়ে যাতায়াত করছে অনবরত। পাঠক সেই ধারাবাহিক পড়েই লিখেছেন আন্তরিক এক চিঠি।

→

চানঘরে গান-এ সত্যজিৎ রায়ের চিঠি থাকায় ব্যাপারটা গড়িয়েছিল কোর্ট কেস পর্যন্ত

বইটি বিক্রি এবং প্রকাশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সত্যজিৎ রায়-এর পরিবারের পক্ষ থেকে সিটি সিভিল কোর্টের ১৩ নম্বর বেঞ্চে একটি মামলা দায়ের করা হয়। আমার বাইশ বছরের প্রকাশক জীবনে এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

→

প্রকাশক-লেখকের কেজো সম্পর্কে বুদ্ধদেব গুহর বিশ্বাস ছিল না

বুদ্ধদেবদার কাছে শুনেছি তাঁর বাবা শুধু শিকার নয়, ফুটবলেও বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ময়দানে সবাই তাঁকে মনা গুহ নামে চিনত। বছর তিনেক মোহনবাগানের গোলকিপার ছিলেন। গোষ্ঠ পাল, উমাপতি কুমারদের সঙ্গে খেলেছেন।

→

পুজো সংখ্যায় না-বেরনো উপন্যাস বই আকারে সুপারহিট

পুজো সংখ্যায় না-বেরনো উপন্যাস বিক্রি হয় না, অন্তত পুজোর সময় তো হয়ই না, এই সংস্কার ভাঙতে পেরে বুদ্ধদেব গুহ খুব তৃপ্ত হয়েছিলেন।

→

সত্তরের উথাল-পাথাল রাজনৈতিক আবহাওয়ায় আমি প্রকাশনার স্বপ্ন দেখছিলাম

শুরুতে কিন্তু দে’জ-এর অতি পরিচিত লোগোটিও তৈরি হয়নি। তখনকার বইয়ের স্পাইনে অন্তত তিন রকমের লেটারিংয়ে “দে’জ” কথাটা লেখা হয়েছিল।

→

পুজোসংখ্যায় বাদ পড়েছিল, কিন্তু গ্রন্থাকারে সে উপন্যাস ৫০০০ কপি নিঃশেষিত হয় পুজোর আগেই

২৯ অগাস্ট বুদ্ধদেব গুহর মৃত্যুদিন। স্মৃতিচারণে প্রকাশক শুভঙ্কর দে।

→