

আবিশ্ব এই পাল্টে যাওয়া ফুটবল সংস্কৃতিকে স্টেফান লরেন্স এবং গেরি ক্রফর্ডের মতো গবেষকেরা অভিহিত করেছেন ‘ডিজিটাল ফুটবল কালচারস’ নামে। এখন বাঙালিও তার অংশীদার। না-ছুঁতে পারা ভৌগোলিক দূরত্ব সে মিটিয়ে নিয়েছে সমাজমাধ্যমে।
প্রায় ৪০০ কোটি ডলার বাজেটের বিপুল আয়োজন, চূড়ান্ত আনন্দ-উল্লাস এবং নানা দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের জৌলুসের উন্মাদনায় সকলে যখন মোহিত, তখন কেউ কি কল্পনা করতে পারছেন যে, ২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপই ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দূষণকারী আসর হতে চলেছে!
মেসির ভারত সফরে শুধুমাত্র যুবভারতীর বিশৃঙ্খলা ছিল না। অগোচরে আরও একটা জিনিস প্রবলভাবে ছিল। ক্ষমতা-অর্থের যৌথ উচ্ছৃঙ্খলতা।
এক লহমার জন্য হলেও সমস্ত বিদ্বেষ-ক্রোধ-প্রতিহিংসা-হাহাকারকে ভুলিয়ে দিয়েছিল সিআর নামের এক স্বর্গদূতের স্বর্গীয় ন’শো গোলের পারিজাত।
জর্জিয়ার ফুটবল রূপকথায় কাভারাস্কেইয়ারা অমরত্ব লাভ করুক, ক্ষতি নেই। কিন্তু সেই রূপকথায় রোনাল্ডোর অবদান অনস্বীকার্য, তা ভুললে চলবে না।
আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রখ্যাত উপন্যাস-চরিত্রের মতো রোনাল্ডোও এখন ফুটবল সমুদ্রে নেমে পড়েছেন, শেষ বড় মাছকে বঁড়শিতে গাঁথতে।
আলু। আমরা সবাই খাই। যুগ-যুগ ধরে। অথচ জালিম এই সমাজ আজও তার কদর বুঝল না। ‘বিশ্ব আলু দিবস’-এ আলু নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ।
সিআর সেভেন আসলে ফুটবলবিশ্বে অবিনশ্বর-চেতনার জীবন্ত বিগ্রহ।
ইউরোপের উন্নাসিকতাকে সিধে করে দেবে সে একদিন, ফুটবলের নতুন উপকূল খুলে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved