

১৯৭৭ সালের আফগানিস্তান। ১৯৭৬ সালেই সমকামী সম্পর্ককে নৈতিকতা বিরোধী বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমন উত্তাল সময়কে সামনে রেখে, প্রান্তিক যৌনতা বিষয়ে এমন সুস্পষ্ট এবং সামাজিক-রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর ও বিপজ্জনক সাহিত্য এর আগে কোনও আফগান সাহিত্যিককে সৃষ্টি করতে দেখা যায়নি।
সম্প্রতি একটি দু’-অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ বাংলার নিউজাকাশে প্রবল উৎসাহে উড়ে বেড়াচ্ছে। বিবিধ জ্ঞানসূত্র অনুযায়ী, তার মানে একটাই। পশ্চাদ্দেশ। অনেকের মতে, সেটি এসেছে ‘সত্য’ থেকে। সোজা ব্যাপার, জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এটি তাপ সংযোগের প্রক্রিয়া অর্থাৎ প্রয়োজনে ঘটি গরম রাখা হবে।
আজ থেকে বছর কুড়ি পূর্বে পূর্ণশশীর বাড়িটি যখন বিক্রয় হয়ে গেল তখন সেটি খালি করে দেওয়ার দায়িত্ব পড়েছিল আমার ওপরে। সেই বাড়ির একটি ঘরে দেখলাম কাদামাটি আর বর্ষার পচা জলের তলায় পড়ে আছে প্রচুর স্লেট-কাটিংয়ের নমুনা। পূর্ণশশীর উত্তরাধিকারীরা এই শিল্পকর্মের মর্যাদা বুঝেছিলেন বলে আমার মনে হয় না।
লোগো নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই একটা মজার ঘটনা ঘটে গেল পুরুষদের ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালীন সান ফ্রান্সিসকোর ‘বে এরিয়া’ স্টেডিয়ামে।
বৃক্ষ-উপাসনা অতি প্রাচীন এক ধর্মীয় ধারা। প্রাচীনকালে এই ধরনের বৃক্ষমন্দিরকে বলা হত চৈত্যবৃক্ষ বা যক্ষচৈত্য। চৈত্যবৃক্ষ আসলে বৃহৎ গাছ। মহাভারতে বলা হয়েছে, এ গাছ গ্রামের সম্পদ এবং সেই গাছ কাটা সর্বৈব নিষিদ্ধ। দেবতা অপদেবতা রাক্ষস সকল অতিপ্রাকৃত দৈবী শক্তির আধার। তিনি বৃক্ষদেবতা।
মৃত্যুর পাশে দীর্ঘ সময় কাটালে মানুষের ভিতরে অদ্ভুত পরিবর্তন আসে। প্রথমে ভয় লাগে। তারপর অভ্যেস হয়। তারপর একসময় মৃত্যু আর ভয়ের বিষয় থাকে না, বরং প্রশ্নের বিষয় হয়ে ওঠে। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই হয়তো আমি বারবার ফিরে গিয়েছি বেনারসে।
বঙ্কিমের অভিমত মেনে নিলে, অহেতুক সংস্কৃত-সজ্জা বাংলা ভাষাকে নীরস, শ্রীহীন, দুর্বল করে তুলবে। তাই বাড়ির বেড়ালের নাম, ‘মার্জার শিরোমণি’ রাখবেন না। ‘মিউপুসি’ বলে ডাকলে সে খুশি হবে। বাঙালি বাড়ির বেড়াল সংস্কৃত টোলে পড়ে না, পাড়ার বাংলা মিডিয়াম স্কুলেই পড়ে।
পুরুষদের ফুটবল বিশ্বকাপ ৪৮ দেশের। তার মধ্যেই চোখ টেনেছে এক পরিসংখ্যান। তাদের ‘ককরোচ ক্যাডার’ দিয়ে আর্জেন্টিনা সংখ্যায় টেক্কা দিয়েছে বাকি বিশ্বকে। কারা এই ‘ককরোচ ক্যাডার’?
সম্প্রতি এনসিইআরটি প্রকাশিত পাঠ্যপুস্তকে মহেঞ্জোদারোর নগ্ন নৃত্যরতা বালিকার ছবিটি, দেহের ঊর্ধ্বাংশ ছায়া দিয়ে আবৃত করে ছাপা হয়েছে। যাঁরা এ ছবি বিকৃতভাবে উপস্থাপিত করছেন, তাঁরা কি জানেন যে ‘শালীনতা’ বজায় রাখতে গিয়ে তাঁরা সিন্ধু সভ্যতার শিল্পকলা, জীবন, নান্দনিক বোধ তথা ইতিহাসের প্রতি অবিচার করছেন?
যে হেমন্ত ‘ছোট পঙ্কজ’ নামে খ্যাত ছিলেন, সেই হেমন্ত যখন ‘সঘন গহন রাত্রি’ গান, পঙ্কজ মল্লিকের গলায় সেই গান আর হেমন্তের গলায় গান– দুটো পাশাপাশি শুনলে বোঝা যায়, আমাদের দুঃখ আর প্রতাপ-শৈবালিনীতে আটকে নেই, দুঃখের বিস্তার বিমল করের গল্পের মধ্যে দিয়ে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved