

শহরের মানুষ যতই সবজির আকৃতি বুঝে চপ বানিয়ে খাক, সব জায়গার মাটির মানুষের কাছে স্বাদই শেষ কথা– ঠান্ডা হোক বা গরম, তৃপ্তি দিয়েই খাবার হজম করে নেয়।
জগন্নাথ মন্দির চত্বরে সেবার তেমন ভিড় নেই। দিব্যি স্কেচ হল।
২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি চলে গিয়েছেন শাঁওলী মিত্র। রোববার.ইন-এর ‘তর্পণ’ সিরিজের তৃতীয় লেখা।
আমাদের দেশে বাড়ি, সমাজ, রাষ্ট্র হয়ে ওঠে নীতিপুলিশ। আর এর রোষানলে পড়তে হয় শুধুই নারীদের।
উত্তর কলকাতার দুরুহ কোনও গলিতে যাবেন? অমুকদা বলে দেবে। মাধ্যমিকের সিট পড়েছে তমুক স্কুলে? দাদার কাছে গেলেই মুশকিল আসান। ঠিক কাকেশ্বর কুচকুচে যেমন বাতলে দিয়েছিল তিব্বতে যাওয়ার পথ।
সাম্যবাদী সমাজের প্রতীক হিসেবে টিকে থাকা কিববুজের মতো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজও জঙ্গিদের নিশানায় চলে আসা যন্ত্রণার।
পুরনো কলকাতার ছাপোষা উচ্চারণে অচিরেই থিয়েটার রোড হয়ে যায় সেক্সপিয়ার সরণি।
আসলে ২০০৫ সালের আগে যে সমস্ত নোট বাজারে ছিল, তার নিরাপত্তা সংক্রান্ত তেমন কোনও শক্তপোক্ত বাঁধন ছিল না। জাল হত যথেষ্ট পরিমাণে। তাই দেশের সর্বোচ্চ ব্যাঙ্ক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০০০ টাকার নোট তুলে নেওয়ার।
‘সমরেশ গোষ্ঠী’ বলে কিছুই ছিল না, তবু তাঁর পাঠক অগণন। ৮ মে, ২০২৩ প্রয়াত হয়েছেন সমরেশ মজুমদার। আজ ‘তর্পণ’ সিরিজের তৃতীয় লেখা।
এবারের দুর্গোৎসবে অশ্রুময়ী মা আসছেন। কত মানুষের কাজ নেই, ভাত নেই। মা রাধারানি দেখেছিলেন তেতাল্লিশের মন্বন্তর। সেও মহামারী। সেইকথাও শুনেছি আমি মায়েরই মুখে। এখন আরেক মা দেখছেন আরেক মহামারী।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved