Robbar

ডানা মেলা স্বপ্ন

Published by: Robbar Digital
  • Posted:June 20, 2026 3:02 pm
  • Updated:June 20, 2026 3:02 pm  

অন্ধকার হয়ে এসেছিল। মনে হল, আমার পাশে বসে অমৃত কেন জানি আপাদমস্তক কাঁপছে। একটু স্থির হয়ে আমার হাতের ওপর হাত রেখে সে শ্বাসের গভীরে কম্পিত স্বরে বলে উঠল, ‘আমি আর এভাবে একা একা চলতে পারছি না, সতী! তুমি কি আমার ঘরে এসে আমার মতো একটা একলা ছন্নছাড়া মানুষের দায়িত্ব নেবে?’

সন্মাত্রানন্দ

১০.

জীবনের গল্প সরল হয় না। জটিল হয়। কেননা জীবন সরল ব্যাপার নয়। জটিল ব্যাপার। জড়ের ওপর চৈতন্যের আধিপত্যের নামই জীবন। আর সেই আধিপত্য কিংবা আধিপত্যলাভের চেষ্টা কোনও সরল প্রক্রিয়া নয়। সেই প্রক্রিয়া আবার ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন। যেহেতু প্রত্যেকের মানসিক প্রবণতা বা সংস্কার ভিন্ন। তাই একের জীবনের গল্প অন্যের শুনতে নাও ভালো লাগতে পারে। এসব কারণেই আমি আমার জীবনের গল্প কাউকে কখনও বলিনি। তুমি এত পীড়াপীড়ি করলে বলেই মুখ খুলেছি। তাও কিন্তু সব বলা যাচ্ছে না। অনেক খই, মুড়কি, ফেনি বাতাসা, তালশাঁস, চিনির মঠের কথা বাদ দিয়ে শুধু ধান-চাল-ভাতের গল্পটুকুই বলছি তোমাকে। অনেক উপনদী, শাখানদী বাদ দিয়ে শুধু মূল স্রোতের রূপরেখাটুকু।

মেলা সাঙ্গ হলে দোকানিরা চলে গেল একে একে। ভেবেছিলাম, অমৃতও অন্যদের মতোই চলে গিয়েছে। কিন্তু মেলাশেষের দু’-একদিন পরে ফুলিপুকুরের ধার দিয়ে দেখি সে একটা আমের চারা হাতে আসছে। একগাল হেসে বলল, সে এখনও আমতলি ছেড়ে যেতে পারেনি। অনেক বাকিতে কারবার করেছে এ গাঁয়ে, পাওনাগণ্ডা উসুল হতে লাগবে নাকি আরও কয়েকটা দিন। আপাতত সে তার বোনের বাড়িতেই আছে। বাকি টাকা আদায় হয়ে গেলেই চলে যাবে সে। এই সব কথার মাঝে আমার দিকে একবার অপাঙ্গদৃষ্টিতে চেয়ে জিজ্ঞেস করল মৃদু স্বরে, ‘তুমি ভালো আছ, সতী?’

আর কোনও কথা হল না। আরও দিন সাতেক পরে খবর পেলাম, সে চলে গিয়েছে। হয়তো এ গাঁয়ে কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে তার।

কিন্তু চলে গিয়েও বারবার এ গাঁয়ে ফিরে আসতে লাগল অমৃত। ওর বোন স্বপ্নার বাড়িতে। এক-দু’মাস অন্তর অন্তর। যখনই আমতলিতে আসে সে, কোনও-না-কোনওভাবে আমাদের দেখা হয়। কথা হয়। এভাবেই কেটে যায় আরও দেড় বছর, আমাদের দু’জনের অনেক দেখাশোনা কথাগল্প নিয়ে। কখনও মুকুরটিলার বনের ধারে, কখনও মজা নদীর বাঁকের পাশে, কখনও কীর্তনতলার তমালের ছায়ায়, কখনও ধূ-ধূ করা মাঠের পথে। নারায়ণকাকুকে বাদ দিলে, সেই কাল অবধি, অমৃতের মতো আর কাউকে এমন করে আমার ব্যাপারে আগ্রহী হতে দেখিনি। আমি কেমন আছি, ও ছাড়া আর কি কেউ কখনও জানতে চেয়েছিল? এর পরে কীভাবে চলবে আমার, কী করব, তা নিয়ে অমৃত ছাড়া তখনও অবধি ভেবেছিল কি কেউ?

শিল্পী: স্যমন্তক চট্টোপাধ্যায়

ভালোবাসা ব্যাপারটাই অদ্ভুত। কখন সে আসে, ঠিক কখন থেকে দু’জন মানুষের মধ্যে ভালোবাসা আরম্ভ হয়, সেই মুহূর্তটা নিখুঁতভাবে নিরূপণই করা যায় না। অজান্তেই আসে, অজান্তেই কখন যেন আরম্ভ হয়ে যায়, টের পাওয়া যায় না। ভালোবাসা যে এসেছে, সেটা বুঝতে বুঝতে মানুষ তার প্রিয় মানুষের সঙ্গে ততক্ষণে কয়েক-পা হেঁটে ফেলেছে। এই জন্যই ভালোবাসা যখন আসে তপ্তদিনের শেষে, দূরাগত শীতল বাতাসের মতো হঠাৎ, ঠিক তখন– তখনই এটা বিচার করে বলা যায় না যে, এই সম্পর্ক ভালো কি মন্দ, এর পরিণতি কী হতে পারে, কতখানি বিপন্ন হতে হবে এর জন্য। ভেবেচিন্তে ভালোবাসা কোনও ভালোবাসাই নয়। আর পাঁচটা নৈসর্গিক ঘটনার মতোই, বৈশাখী ঝড়ের মতো, বৃষ্টির মতো, হঠাৎ এ ঘটে যায়। কেউ জানতে পারে না। যারা ভালোবাসছে, তারাও নয়।

আর আমার সেই ১৬-১৭ বছরের মন! সে এমনিতেই কোথায় কখন থাকে, তার হদিশ রাখা ভার, আর এ তো কূল-হারানো ভালোবাসা! কখনও কারও ভালোবাসা পাইনি; মায়ের না, বাপের না, মামা-মামি ভাইবন্ধু আত্মীয়স্বজন কারও না, পেয়েছি শুধু তাড়না, লাঞ্ছনা আর দেখেছি পুরুষের চোখে অসংযত লালসা। একমাত্র নারায়ণ কবিরাজই আমাকে স্নেহ করতেন, তিনিই একমাত্র আমার কল্যাণেচ্ছু ছিলেন। কিন্তু অমৃতের সঙ্গে আমার বন্ধুত্বের অনুভব স্নেহ বা সহানুভূতি পেরিয়েও কোন অজানা একটা রহস্যময় জগতের রংমহলের দরজা খুলে আমাকে ডাক দিল: আয়, আয়! আমি বুঝতেই পারিনি, কখন যেন অমৃতকে আমি ভালোবাসতে আরম্ভ করেছি।

কথায় কথায় একদিন অমৃত আমাকে জিজ্ঞেস করল, ‘তোমার নার্সিং পড়তে যাওয়ার কী হল?’

আমি বললাম, ‘সে হবে না।’

ভুরু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল অমৃত, ‘হবে না কেন?’

‘আমি তো মোটে ক্লাস ফোর অবধি পড়েছি। নারায়ণকাকু বললেন, টুয়েলভ পাশ না করলে নার্সিং-এ ভর্তি নেয় না।’

‘সে-ভাবনা আমার’, একটু যেন রেগে উঠল অমৃত। তারপরই হঠাৎ শান্ত হয়ে গিয়ে আমার কাঁধ ছুঁয়ে বলল, ‘শোনো! আমি গৌহাটির যে-নার্সিং কলেজের কথা বলেছি, সেটা খ্রিশ্চান মিশনারিরা চালায়। ওই একই প্রতিষ্ঠান আবার অরফ্যানদের জন্য স্কুলও চালায় একটা। ওদের ম্যানেজিং কমিটির সেক্রেটারি আমার বিশেষ পরিচিত। আমি বলে দিলে ওরা তোমাকে একটু উঁচু ক্লাসে ভর্তি করে নিয়ে বিশেষভাবে কোচিং দিয়ে প্রাইভেটে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক দেওয়ার ব্যবস্থাও করে দিতে পারবে। পরীক্ষা দিলে পাশও করে যাবে তুমি, আমার বিশ্বাস। ওদের অরফ্যানেজেই থাকবে। ধরো, ক্লাস এইটে ভর্তি নিল। তাহলে পাঁচটা তো বছর। তারপর তুমি ওদেরই নার্সিং কলেজ থেকে ট্রেনিং নিতে পারবে।’

সূর্য অস্ত যাচ্ছিল মুকুরটিলার ওধারে তখন। দিনান্তের অস্তরাগ আকাশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল বসন্তের বর্ণিল গুলালের মতো। আমার মনও রাঙা হয়ে উঠছিল অজানিত দিনের স্বপ্নে। যেন কত অন্ধকার রাত্রির পরে আমার জীবনে ঘনিয়ে উঠছে আরক্তসুন্দর সূর্যোদয়। অথচ, তখন তো ছিল সূর্যাস্তের কাল!

সেদিন ওইটুকুই কথা হল। তবে কথাটা মাঝেমাঝেই উঠত আমাদের মধ্যে নানা কথার ফাঁকে। ততদিনে অমৃতের জীবনেরও অনেক কথা জেনে ফেলেছি আমি।

অমৃত আমারই মতো পিতৃমাতৃহীন। তবে আমার মতো অল্প বয়সে সে মা-বাবাকে হারায়নি। অমৃতের মা মারা গিয়েছেন, যখন ও ক্লাস নাইনের ছাত্র। আর ওর বাবা চলে গিয়েছেন, যখন ও বিএ পরীক্ষা দিচ্ছে। দু’জনেই মারা গিয়েছেন আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে। অমৃত ওর মা-বাবার একমাত্র সন্তান। গ্র্যাজুয়েশন করেও কোনও চাকরি জোটাতে পারেনি অমৃত। ওর বাবা ওর জন্য যা রেখে গিয়েছিলেন, তা দিয়ে গৌহাটির ফ্যান্সিবাজারে কাপড়ের দোকান দেয়। প্রচুর খেটেখুটে সে ব্যবসাটা দাঁড় করিয়েছে এই ক’-বছরে।

একদিন আবার অমৃত আমাকে বলল, ‘তুমি গৌহাটিতে গিয়ে স্কুলে ভর্তি হওয়ার ব্যাপারে আর তো কিছু বললে না?’

আমি খিন্ন স্বরে উত্তর দিলাম, ‘আমার মামা-মামি রাজি হবে না, অমৃত!’

আমার উত্তর শুনে উত্তেজিত হয়ে উঠল সে। বলল, ‘আচ্ছা, সমস্ত কাজ তোমাকে একাই করতে হবে, এমন মাথার দিব্বি কে দিয়েছে, বলো তো? আমি তো তোমাকে আগেই বলে রেখেছি, তোমার মামা-মামিকে রাজি করানোর দায় আমার!’

আমি বললাম, ‘তুমি অমন চটে উঠছ কেন গো? একটা বাস্তব কথা ভেবে দেখো। আমি তোমাকে যতটা চিনি, আমার মামা বা মামি কি তোমাকে ততটা চেনে? তুমি ওই প্রস্তাব নিয়ে গেলে, তারা তোমার ওপর বিশ্বাস রাখতে পারবে কীভাবে?’

কী যেন চট করে ভেবে নিল অমৃত। তারপর খুব দৃঢ়তার সঙ্গে বলল, ‘ঠিক আছে। যাতে ওঁরা আমাকে বিশ্বাস করেন, সেই কাজই আমি আগে করব। সেই প্রস্তাবই তাহলে আমি আগে নিয়ে যাব। নিশ্চয়ই আমার বোন স্বপ্নার সূত্রে আমার কথা, আমাদের পরিবারের কথা, আমার ব্যবসাপাতি বা রোজগারপাতির কথা তোমার মামা-মামি ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন!’

আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী বলতে চাইছ?’

অন্ধকার হয়ে এসেছিল। মনে হল, আমার পাশে বসে অমৃত কেন জানি আপাদমস্তক কাঁপছে। একটু স্থির হয়ে আমার হাতের ওপর হাত রেখে সে শ্বাসের গভীরে কম্পিত স্বরে বলে উঠল, ‘আমি আর এভাবে একা একা চলতে পারছি না, সতী! তুমি কি আমার ঘরে এসে আমার মতো একটা একলা ছন্নছাড়া মানুষের দায়িত্ব নেবে?’

সে-কথার সরাসরি কোনও উত্তর দিতে পারলাম না আমি মুখ ফুটে। শুধু কীর্তনতলার অন্ধকারে তমালের ঝুপসি হয়ে ওঠা উদ্বাহু ডালপালাগুলো সেদিন সন্ধ্যায় যেন আরও বেশি ঝাপসা হয়ে উঠছিল।

পরের দিনই আমাদের বাড়ি এসে আমার মামাকে কথাটা বলল অমৃত। সে আমাকে বিয়ে করে গৌহাটি নিয়ে যেতে চায়। বিয়ের পরে সে আমাকে স্কুলে পড়াবে। নার্সিং কলেজেও ভর্তি করে দেবে। সব কিছুই খুলে বলল অমৃত মামাকে।

শিল্পী: স্যমন্তক চট্টোপাধ্যায়

ভেবেছিলাম, অমৃতের প্রস্তাব শুনে মামা হাতে চাঁদ পাবে। কিন্তু ফল হল বিপরীত। আমাকে অবাক করে দিয়ে মামা বলল, “তুমি সতীকে বিয়ে করতে চাইছ, সে বেশ ভালো কথাই। কিন্তু আগে বিয়ে, পরে পড়ানো নয়। আগে পড়াও, তারপর বিয়ে করো। বিয়ের পক্ষে সতীর বয়সটাও এখন কম। তাছাড়া এ-বিষয়ে আমারও তো একটা দায়িত্ব থেকে যায়। সতীর বাবা ওর জন্যে কাঠা দুয়েক জমি রেখে গিয়েছে। অরফ্যানেজই বলো আর যাই বলো, খরচ তো কিছু হবেই। আমি না হয় ওই দু’-কাঠা জমি বেচে দিয়ে সেই টাকা সতীর পড়াশোনার কাজে লাগাব। দেখো বাবু, আমরা গাঁয়ের লোক। তোমাকে আমরা অতটা ভালোও চিনি না। তোমার হাতে মেয়েকে ছেড়ে দিলে গাঁয়ে-ঘরে অনেক কথা হবে, বোঝোই তো! আমি যাব তোমাদের সঙ্গে গৌহাটি। সতীর স্কুলে ভর্তির ব্যাপারে কী করতে পারো, তুমি করো। আমি নিজের চোখে সব দেখে সতীকে বোর্ডিং-এ রেখে আসব!”

কথাটা শুনে সেদিন বেশ রাগ হয়েছিল আমার। কিন্তু আজ পরিণত বয়সের বুদ্ধি দিয়ে ভেবে দেখি, আমার মামা সেদিন যা বলেছিলেন, সেটা কতখানি খাঁটি কথা ছিল। একথা ঠিক যে, মামা আমার সঙ্গে কোনওদিন একটা কথাও ভালো করে বলেনি। শুধুই তর্জন-গর্জন, বকাঝকা। এও ঠিক যে, আমার মামা ছিল ঘোর বিষয়ী লোক। কিন্তু ওই বিষয়-বুদ্ধিটাই যদি প্রত্যেক মেয়ের অভিভাবক যথাসময়ে যথোপযুক্ত ব্যবহার করেন, তাহলে তাতে অশেষ কল্যাণই সাধিত হওয়ার সম্ভাবনা। আমার মতো মা-বাপহারা মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব শুনে যেকোনও অভিভাবকই আহ্লাদে আটখানা হয়ে যান। তাঁরা এটা বোঝেন না যে, একটি মেয়ের সবচেয়ে আগে দরকার অর্থনৈতিক নিরাপত্তা। আর সেই নিরাপত্তার জন্যে চাই শিক্ষা। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করার আগেই একটি মেয়েকে বিয়ে দিয়ে পরগোত্র করে দেওয়া অনেক ক্ষেত্রেই তাকে যমের মুখে ঠেলে দেওয়ারই শামিল। আমার মামা সে-কথাটা সেদিন বুঝেছিল ভাগ্যিস। কিন্তু এটা যদি বুঝলই, তাহলে আগে কেন আমাকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে দিয়েছিল? বোধহয় তার জানাশোনা ছিলই না তেমন, আমাকে নিয়ে কী করা যায়, কোথায় পড়ানো যায়, এ সম্বন্ধে স্পষ্ট কোনও ধারণাই ছিল না মামার। তাই ঘরেই ফেলে রেখেছিল। তাছাড়া এতে আমার মামির ইন্ধনও যে ছিল, তাতে আর সন্দেহ কী?

যাই হোক, মামা আর অমৃতের সঙ্গে আমি যথাকালে ট্রেনে চেপে বসলাম। গৌহাটি পৌঁছে ব্যবস্থাও একে একে হতে লাগল। আমি ভর্তি হলাম অরফ্যানেজে অমৃতের ব্যবস্থাপনায়। এইটে নয়, ক্লাস সেভেনে ভর্তি নিল আমাকে। ক্লাসের মেয়েরা আমার মতোই বেশি বয়সের। হোস্টেলেও ভর্তি হলাম। মামা সব দেখেশুনে বাড়ি ফিরে গেল।

ধীরে ধীরে এই নতুন জীবনে আমি মানিয়ে নিতে লাগলাম। অমৃত মাঝে মাঝে আসত হোস্টেলে আমার সঙ্গে দেখা করতে। আমিও যেতাম ছুটিছাটায় ফ্যান্সিবাজারে ওর দোকানে। বছর কয়েকের মধ্যে দোকানের কর্মচারীরা, অমৃতের বন্ধুরা সকলের কাছেই আমি মুখচেনা হয়ে গেলাম। আমার সঙ্গে অমৃতের সম্পর্কের কথাও জানত ওর বন্ধুরা। অমৃত দোকানে না থাকলে অনেক সময় আমি দোকানের কাউন্টারেও বসতাম। ততদিনে আমি ১২ ক্লাস পাশ করে নার্সিং স্কুলে ভর্তি হয়েছি। অমৃতের সঙ্গে দেখা হচ্ছে প্রায় রোজই। নার্সিং শিখে নতুন আরেকটা জীবনপর্বের স্বপ্ন দেখছি দুজনে মিলে…

মানুষের মন, আহা, তাঁতঘর নিবিড় স্বপ্নের!

……………. আয়নার ওধারে-র অন্যান্য পর্ব …………….

১। ওধারে এক আগন্তুক

২। অন্ধকারে, মৃতদেহ কাঁধে 

৩। ধুলামলিন লাইব্রেরি

৪। সতীর সন্ধানে

৫। ডানায় মুক্তির গন্ধ

৬। স্বপ্ন কি সত্যি নয়?

৭। হাসে অন্তর্যামী

৮। হাসে অন্তর্যামী

৯। যে দিন ভেসে গেছে