Robbar

ম্যাডান থেকে ইন্দ্রপুরী

ভারতীয় চলচ্চিত্রের আদিযুগে সিনেমার মক্কা-মদিনা ছিল কলকাতা। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির পূর্বসূরিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বম্বের এক পারসি ব্যবসায়ী, জামশেদজি ফ্রামজি ম্যাডান; যাঁর হাতে গোড়াপত্তন হয়েছিল অধুনা ‘টলিউড’-এর।

→

দৃশ্য-ধ্যানের কবি

উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস, অ্যালেন গিনসবার্গের দেখায় এনে দিয়েছিলেন সেই ভাবনার ছাপ যা বৌদ্ধ-দর্শনের সঙ্গে দ্বিরালাপে আরও ঋদ্ধ হল। তাঁকে নিয়ে গেল তাৎক্ষণিক দেখার কবিতা জগতে। গীতল নয়, বরং নিজের ভিতরকার অন্ধকার থেকে ঠিকরে বেরিয়ে দুনিয়ার অন্ধকারের সঙ্গে একাত্ম হওয়া।

→

জটলার মাঝে করতালি

আমাদের ‘চাচা’ বলে এক বন্ধু ছিল। গাঁজা খেত। শ্মশানে গিয়ে। আমিও তার সঙ্গে শ্মশানে যেতাম। চাচা একটু গোল গোল নেশা-জড়ানো স্বরে বলত, মাজমাওয়ালা গোপাল। চাচা কেন গোপালকে ‘মাজমাওয়ালা’ বলত, আর ওই কথাটার কী মানে, সে আমি আজও জানি না।

→

সংস্কৃতির গুরুচণ্ডালী

যে বেমানান শব্দগুলো পাশাপাশি সহ্য করা যেত না আগে, আজকাল সেটাকে আর অত অসহ্য লাগে না অনেকের। যাকে আমরা বলি ‘গুরুচণ্ডালী’ দোষ। অনেকদিন আগে, অর্থাৎ ব্যাকরণে আমাদের মাথাটা যখন অনেকটাই ঠান্ডা ছিল, তখন এই গুরুচণ্ডালী ব্যাপারটা, নিজের মতো করে ছাত্র-শিক্ষকের মধ্যে বোঝাপড়ার আয়োজন করেছিলেন শিবরাম চক্রবর্তী।

→

কেবলই ‘ছবি’ নয়

পোর্ট্রেট তুলতেন কম, অধিকাংশই ওয়াইড ফ্রেমের ক্যানডিড। ২৪-৭০ বা ২৮-৭০ এই লেন্সই উনি ব্যবহার করতেন। বেশিরভাগ ছবিই ওয়াইড ফ্রেম, লং লেন্স নিয়ে ঘুরতেনই না। সবসময় একটাই লেন্স দিয়ে সব কাজ করে সময় সাশ্রয় করতেন।

→

আড্ডা আর সরষে ইলিশের জন্যই কলকাতাকে ভালোবেসে ফেললাম

২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর, রঘু রাইয়ের ৮০তম জন্মদিনে ‘রোববার’ পত্রিকা ‌তাঁকে নিয়ে সংখ্যা করে ‘রাই আমাদের’। সেই সংখ্যায় চিরাচরিত ‘অকিঞ্চিৎ’ লেখেননি রোববার সম্পাদক অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। অকিঞ্চিৎ-এর চারপাতা জুড়ে ছাপা হয়েছিল রঘু রাইয়ের ছবি আর এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার। রঘু রাইয়ের মৃত্যুদিনে সেই সাক্ষাৎকারটির পুনর্মুদ্রণ রইল।

→

ভারত ফোটোগ্রাফারদের স্বর্গ, বিশ্বাস করতেন রঘু রাই

নব্বই সালের আশপাশে ওঁর একটা কলকাতার ওপর বই বেরয়। পরে আবারও আরেকটা! তখন আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘আবার কলকাতা?’ বলেছিলেন, ‘কলকাতা আশ্চর্য শহর। সবার পরিবর্তন হয়। এ শহরের পরিবর্তন হয় না।’

→

রঘু রাইয়ের কলকাতা

কখনও শেখানোর চেষ্টা করতেন না রঘু রাই। উপদেশও দিতেন না। খালি বলতেন, ছবি তুলে যাও, ছবি তুলে যাও। আজ রঘু রাই চলে গেলেন। কলকাতার প্রতি অপূর্ব প্রেম নিয়ে চলে গেলেন। ওঁর কলকাতা সিরিজ থেকে গেল।

→

রঘুর ছবি, আমার লেখা

রঘু রাইদের মতো মানুষ যে সময়টায় এসেছিলেন, আসলে দুঃখের বিষয় হল, এঁদের সঙ্গে সঙ্গে সেই সময়টারও ক্রমশ মৃত্যু হয়ে চলেছে। সকলেই ওঁর ছবির কথা বলেন, বলবেন। কিন্তু এমন অসাধারণ একজন মানুষ, তাঁর জীবনের কথাও বলা উচিত।

→

বাঙালিনীর মৎস্য পুরাণ

বাঙালি মেয়ের সঙ্গে মাছের সম্পর্ক বেশ পুরনো। কোটা-রাঁধা-বাড়া কিংবা বেচাকেনা– দুই ক্ষেত্রেই মাছের সঙ্গে মেয়েদের সম্পর্ক নানাভাবে নানা স্তরে, আজও রয়েছে। আর তার সাক্ষ্য ধরা আছে মেয়েদের নিজস্ব গানে। মেয়েদের মৎস্যপুরাণ তাই অন্দর-বাহিরের নানা জানলা খুলে দেয়।

→