

শুনলাম, আমার কথাতেই নাকি পোর্টাল থেকে লেখা নামানো হয়েছে। সারা জীবন যা নিয়ে লড়ে গেলাম, ভুক্তভোগী হলাম, কোনও দলদাস হলাম না, সেই সেন্সর করার অনুরোধ আমি কাউকে করব?
পোড়া ধ্বংসস্তূপে খুঁজে পাওয়া গেল হিবা কামাল সালেহ্ আবু নাদার লাশ। আর তাঁর কবিতার খাতাটিও।
আনন্দ আর গনাদারাই সেই সময়ের পাড়া মাতিয়ে রেখেছিল, অথবা নীরবে নিয়ে নিয়েছিল ভুবনের ভার।
রুপোলি পর্দার মোহিনী আড়াল থেকে দর্শকদের পুজো পাওয়ার লোভ এবং মোহ অনায়াসে ছেড়ে দিয়ে প্রচণ্ড ভাবে সুরক্ষিত প্রিভেসির আড়ালে সমাজ-বিচ্ছিন্ন সাধারণীর জীবন কাটানোর মতো মনের জোর তো গ্রেটা গার্বো আর সুচিত্রা সেন ছাড়া কারুর দেখিনি।
মমতাশঙ্করের কুৎসিত মন্তব্য সেই ওয়েব পোর্টালে রইল, কিন্তু আমার প্রতিবাদ রইল না, চমৎকার আধিপত্য বিস্তার।
সুচিত্রা সেনের জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ লেখা।
ইয়াকুবু যেন কোনও মতেই ‘ফ্রি’ না থাকতে পারে, এটাই ছিল লক্ষ্য!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved