Robbar

Death

সত্যজিতের অন্ধভক্ত বললেও কম বলা হয়

দিনকয়েক আগেও আমার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল অনীকের। আমার কাছে আসবে, দেখা করবে, এমনটাই বলেছিল। কী কথা, ফোনে কি বলা যায়? জিজ্ঞেস করাতে বলেছিল, ‘না, না। সামনাসামনি গিয়ে কথা বলব।’ দুর্ভাগ্য, সেই বসাটাও হল না, কী কথা যে ওর বলার ছিল, সেটাও আর জানার কোনও উপায় রইল না।

→

প্রদীপ নিভে গেলে

তা দেখতে এখনও সুন্দর তরুলতাকে। বছর ৪২ বয়স হল তরুলতার, চেহারাটাকে এখন ছিপছিপে রেখেছে কচি মেয়েদের মতো। গায়ের রং ফরসা, চোখ-মুখে টান আছে। আর আছে ভদ্র ও রুচিশীল ব্যবহার। অন্য মেয়েদের মতো খদ্দেরদের দিকে সে তেড়ে যায় না বা গালিগালাজ করে না। প্রথম দিনেই তার সঙ্গে জমে গেল রবীন্দ্রর।

→

প্রেতশিলায় লিখা

আমি তমালের দিকে চেয়ে হাসলাম। কিছুটা বোকা হাসি। কী বলব, ঠিক বুঝতে পারছি না। আমার সব ইনফরমেশন লোকটার কাছে আছে। শুধু যেটা মিলছে না, কখনও মিলবেও না, সেটা হল আমার মৃত্যু তারিখ। আমি পান্ডেজির দিকে তাকালাম। বললাম, ‘ভালো। কী আর করা যাবে? আপনাদের খাতায় থাকুক– আমি মৃত।’

→

অস্তরাগের অরুণোদয়

কোন‌ও কোন‌ও বিয়োগব্যথা অনুভবের অতীত। সংবেদনশীল মন সেই মৃত্যুচেতনাকে অতিক্রম করতে পারে না একজীবনে। যত‌ই তা জীবনের অনিবার্য, শান্ত ও দার্শনিক পরিণতি হোক, আক্ষেপের দিগন্তে তাই তোমাকে নিয়ে ‘সহজ কথা’ ফুরবে না, রাহুলদা।

→

ব্রেকিং ‘শোকসংবাদ’

‘আমার কাছে খবর আছে’– বলতে বলতে এই প্যাটার্নে অনেকেই মৃত্যুসংবাদ আগে জেনে এবং জাঁকজমক সহকারে ফোনে বা পাড়ার মোড়ে বলে অকারণ এক আজব গুরুত্ব পেতে চায়। এটা একটা সামাজিক ক্ষমতা দেখানোর বিচিত্ বহিঃপ্রকাশ।

→