Robbar

Lata Mangeshkar

মায়ের বহু গান হিন্দিতে আশাজিকে দিয়ে গাইয়েছিলেন বাবা

আশাজির সঙ্গে বাবার প্রথম রেকর্ডিং ‘বাগ মে কলি খিলি’। ‘চান্দ অউর সুরজ’ নামে একটা ছবির গান। এর মূল গানটা মায়ের গাওয়া একটা বাংলা গান। ‘যা রে যা আমার আশার ফুল ভেসে যা’। মায়ের বেশ কিছু বাংলা গানের হিন্দি ভার্সন, বাবা, আশাজিকে দিয়ে গাইয়েছিলেন।

→

আপামর জনতার ভিড়ে তিনি শুধু ‘আশা’

আজ, এই মুহূর্তে, মনে হয়– তিনি মৃত্যুকে পেরিয়ে গেছেন অনেক আগেই। আজ নয়, অনেক আগেই তাঁর অমর জীবন শুরু হয়েছিল– যখন প্রথম কোনও রাতজাগা মানুষ একলা বসে তাঁর গান শুনে বলেছিল– ‘এ গানটা আমার।’

→

সলিল চৌধুরীর সুর বাতিল করতে চেয়েছিলেন রাজ কাপুর!

একটা প্রাইভেট স্ক্রিনিংয়ে ডাকা হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রির সমস্ত তাবড় তাবড় মানুষজনকে। ‘মধুমতী’ ছবি সবাই দেখলেন। দেখার পরে সবাই সবার ভালোলাগা তাঁদের মতো করে বলছিলেন। হঠাৎ বিমল রায়কে ডেকে রাজ কাপুর বললেন, ‘এই গানগুলো চলবে না।’

→

শ্যামল গাঙ্গুলির দেখা একেকটা বাজার আসলে একেকখানা উপন্যাস

এ এক অন্য অনন্য গ্রন্থ। পড়তে পড়তে কেবলই মনে হয়, বাজার শুধু কেনা-বেচার জায়গা নয়। বাজার একজন জবরদস্ত হেডমাস্টার। আপনাকে মানুষ চেনায়। রুচি শেখায়। মানুষে মানুষে সম্পর্ক বোঝায়। সহানুভূতিশীল করে তোলে।

→

স্বাধীনতা সংগ্রামের উত্তাল কলকাতায় এক ফেরিওয়ালার থেকে বাঁশি বানানোর পাঠ নিয়েছিলেন পান্নালাল ঘোষ

‘বসন্ত বাহার’ (১৯৫৬) সিনেমা ভীমসেন যোশির প্রথম (সম্ভবত শেষও) সিনে-প্লেব‌্যাক হিসেবে বিখ‌্যাত হয়ে আছে বটে, কিন্তু অনেকেরই অজানা– এই সিনেমার একেকটা গানে যতটুকু বাঁশি শোনা যায়, সেই সবই পণ্ডিত পান্নালাল ঘোষের পুনরুত্থান কাব্য।

→

কিশোরকুমার বলেছিলেন, ওঁকে ‘অনুকরণ’ না করে ‘অনুসরণ’ করতে

‘কিশােরকুমারের ছায়া’ এই পরিচয়টিকে তিনি ছায়া নয়, আলো হিসেবেই দেখেন। ‘কিশোরকণ্ঠী’ গৌতম ঘোষ কীভাবে সারাজীবন নিয়ে চললেন তাঁর গুরুকে, তাঁর কণ্ঠে? বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে পড়ে ফেলুন এই সাক্ষাৎকার।

→

নিছক অবিচুয়ারি নয়, দূরদর্শনে লতা মঙ্গেশকর-স্মরণ ছিল তাঁর গান ও জীবনের উদযাপন

অনুষ্ঠান শেষ করেছিলাম এই বলে যে,‘যতদিন পৃথিবীতে সুর থাকবে ততদিন লতা মঙ্গেশকর থাকবেন’।

→