Robbar

Lata Mangeshkar

নীরব দীপ্তির শিল্পী

সুমন আজ আমাদের মধ্যে নেই, গত ৩১ মে, রবিবার তাঁর আন্ধেরি, লোখান্ডওয়ালার বাসভবনেই দেহ রেখেছেন। কিন্তু সন্ধ্যার নিস্তব্ধতায়, পুরোনো রেডিওর মৃদু শব্দে, কিংবা কোনও সংগীতপ্রেমীর স্মৃতির অলিন্দে তাঁর কণ্ঠ এখনও ভেসে আসে। সেই কণ্ঠে আছে প্রেমের মাধুর্য, ভক্তির নিবেদন, বেদনার কোমলতা এবং জীবনের সৌন্দর্যের প্রতি এক গভীর আস্থা।

→

সব কাঁটা কি বাছতে পারে মানুষ?

কিছু কাঁটা বেঁধে গলায়। কিছু পায়ে। চোরকাঁটার মতো কিছু লেগে থাকে গায়ে। তাকে যতই ঝাড়া হোক, যায় না।

→

সমর্পণ নয়, ব্যাড গার্লের প্রতিস্পর্ধা

১৯৫৮। আমার জীবনে ওপি এল, তোলপাড়! অসামান্য সুন্দরী নায়িকা মধুবালার ঠোঁটে আমি গাইলাম ওপির সুরে ‘আইয়ে মেহেরবান’। রাতারাতি ভারত জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল আমার কণ্ঠের রতিস্নান। আমি বুঝলাম এই গানের সবটুকু, সব মায়া ও মাদক, আমার কণ্ঠের জন্য রচনা করেছে ওপি।

→

অবাধ্য মেয়েটাকেই ভালোবাসতে চেয়েছি চিরকাল

ছয়ের দশকের সময় থেকে ভারতীয় নারীসমাজও নিজস্ব স্বর ফিরে পাচ্ছিল। মহানগরের আরতি চাকরি করতে বেরল, পরিবারের শত ভ্রূকুটি সত্ত্বেও। এক নব্যনারী প্রজন্মের উত্থান ঘটল, ঠাকুরঘর পেরিয়ে যারা পাবে বসল হাতে সিগারেট নিয়ে। স্বরবদলের এই সন্ধিক্ষণে আশা নতুনভাবে উঠে এলেন। বেলবটম নারীর হাতিয়ার হল, আশার গান।

→

কিছু আশা রয়ে গেল

‘যে গান তোমায় আমি শোনাতে চেয়েছি বারেবার’, এত দরদ দিয়ে গাওয়া গানটা, কে বলবে এই ভদ্রমহিলাই ফিসফিস করে ‘রাত আকেলি হ্যায়’ বলতে বলতে আচমকা বাঘের কামড়ের মতো ‘চুপ কিউ রহিয়ে’-তে পৌঁছে গিয়েছিলেন। মাইকেল হোল্ডিং-কে ‘হুইসপারিং ডেথ’ বলা হত, আশাকেও বোধহয় এক্ষেত্রে তাই বলা উচিত।

→

মায়ের বহু গান হিন্দিতে আশাজিকে দিয়ে গাইয়েছিলেন বাবা

আশাজির সঙ্গে বাবার প্রথম রেকর্ডিং ‘বাগ মে কলি খিলি’। ‘চান্দ অউর সুরজ’ নামে একটা ছবির গান। এর মূল গানটা মায়ের গাওয়া একটা বাংলা গান। ‘যা রে যা আমার আশার ফুল ভেসে যা’। মায়ের বেশ কিছু বাংলা গানের হিন্দি ভার্সন, বাবা, আশাজিকে দিয়ে গাইয়েছিলেন।

→

আপামর জনতার ভিড়ে তিনি শুধু ‘আশা’

আজ, এই মুহূর্তে, মনে হয়– তিনি মৃত্যুকে পেরিয়ে গেছেন অনেক আগেই। আজ নয়, অনেক আগেই তাঁর অমর জীবন শুরু হয়েছিল– যখন প্রথম কোনও রাতজাগা মানুষ একলা বসে তাঁর গান শুনে বলেছিল– ‘এ গানটা আমার।’

→

সলিল চৌধুরীর সুর বাতিল করতে চেয়েছিলেন রাজ কাপুর!

একটা প্রাইভেট স্ক্রিনিংয়ে ডাকা হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রির সমস্ত তাবড় তাবড় মানুষজনকে। ‘মধুমতী’ ছবি সবাই দেখলেন। দেখার পরে সবাই সবার ভালোলাগা তাঁদের মতো করে বলছিলেন। হঠাৎ বিমল রায়কে ডেকে রাজ কাপুর বললেন, ‘এই গানগুলো চলবে না।’

→

শ্যামল গাঙ্গুলির দেখা একেকটা বাজার আসলে একেকখানা উপন্যাস

এ এক অন্য অনন্য গ্রন্থ। পড়তে পড়তে কেবলই মনে হয়, বাজার শুধু কেনা-বেচার জায়গা নয়। বাজার একজন জবরদস্ত হেডমাস্টার। আপনাকে মানুষ চেনায়। রুচি শেখায়। মানুষে মানুষে সম্পর্ক বোঝায়। সহানুভূতিশীল করে তোলে।

→

স্বাধীনতা সংগ্রামের উত্তাল কলকাতায় এক ফেরিওয়ালার থেকে বাঁশি বানানোর পাঠ নিয়েছিলেন পান্নালাল ঘোষ

‘বসন্ত বাহার’ (১৯৫৬) সিনেমা ভীমসেন যোশির প্রথম (সম্ভবত শেষও) সিনে-প্লেব‌্যাক হিসেবে বিখ‌্যাত হয়ে আছে বটে, কিন্তু অনেকেরই অজানা– এই সিনেমার একেকটা গানে যতটুকু বাঁশি শোনা যায়, সেই সবই পণ্ডিত পান্নালাল ঘোষের পুনরুত্থান কাব্য।

→