Robbar

pratima ghosh

অপ্রকাশিত প্রতিমা ঘোষ

প্রকাশক এলেন এক রাত্রে, বইটি নিতে। জানা গেল, কল্যাণ রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি ওরা, যিনি অনুবাদক। শঙ্খ-র কথা হল যে এ বই তো কল্যাণের। ওকে তো জানাতেই হবে। শঙ্খকে করতে হল যোগাযোগ অপর্ণা সেনের সহায়তায়, কল্যাণ এত অল্প সময়ে আর কি করবে এতদূর থেকে, অন্তত ‘নতুন’ সংস্করণের ভূমিকা লিখবে।

→

উদাসী স্মৃতির পথে পথে

আজ মনে হয়, বড় ভাগ্যবান ছিলাম আমরা, এঁদের কাছে পেয়েছি। কিন্তু সময়টা যেন ঝড়ের বেগে পেরিয়ে এসেছি। হুশ করে কোথায় চলে গেলেন সবাই! এই বিধ্বস্ত সময়ে দাঁড়িয়ে মনে হয়– এইসব উদাসী স্মৃতিরাই একক অবলম্বন।

→

প্রতিমাদির প্রথম বই

বইটা প্রথম ২-৩ দিনে তেমন কিছু বিক্রি হল না। সম্ভবত মলাটের কারণে নেড়চেড়ে অনেকেই দেখলেন। একটু মনখারাপ হয়নি বললে মিথ্যে বলা হবে। তবে গুরুদেব প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য বলে দিয়েছেন, শুধু সেই বই করবে যাতে তুমি বিশ্বাস করো। বিক্রি হলে ভালো, না-হলে তুমি তো বিশ্বাস করো।

→

আমার প্রতিমা দর্শন

গদ্যভাষা স্বতন্ত্র, প্রকাশ এবং পরিবেশনায় প্রতিমাদি একেবারেই ভিন্নধর্মী। শঙ্খ ঘোষ চরিত্র হিসেবে বারবার উপস্থিত আছেন বটে, তবে রচনাকল্পে নেই! বিশেষত কবিদের নিয়ে আলোচনায়। নির্ভার কিন্তু গভীর, অনুভবে ভাবুক অথচ বিশ্লেষণে প্রখর।

→

চলব আমি নিজের আলো ধরে

আমার মা, প্রতিমা ঘোষ, বিদুষী, অধ্যাপক, লেখক, সুন্দরী, সুভাষিণী, সুহাসিনী, শান্ত, ধৈর্যশীলা, আর কবি অধ্যাপক শঙ্খ ঘোষের ২০ বছর বয়স থেকে বান্ধবী এবং ২৪ বছর বয়স থেকে অর্ধাঙ্গিনী। এই প্রত্যেকটি বিষয় নিয়ে অনেক অনেক কথা লেখা সম্ভব। কিন্তু আজ মনে হল, আমার মা কি সেই সময়ের নিরিখে ঠিক ঠিক ‘আধুনিকা’? প্রগতিশীল?

→

আড়ালের প্রতিমা

যে-আড়ালের কথা শঙ্খ ঘোষ ‘নিঃশব্দের তর্জনী’তে লিখেছে, সেই আড়ালেরই আরেকটা অসম্ভব উদাহরণ হয়ে, একই বাড়িতে, প্রতিমা ঘোষ বেঁচেছিলেন।

→

পাখির ডাকে নয়, ঘুম ভাঙত ভোরের প্রথম টুং-টাং শব্দে

ট্রামের মতোই আমাদেরও একটা আশ্চর্য ‘তাড়াহুড়ো বর্জিত নিয়মবিধি পালনে’র আরাম ছিল মনে হয়। এখন সব অন্যরকম।

→