Robbar

অবাধ্য মেয়েটাকেই ভালোবাসতে চেয়েছি চিরকাল

ছয়ের দশকের সময় থেকে ভারতীয় নারীসমাজও নিজস্ব স্বর ফিরে পাচ্ছিল। মহানগরের আরতি চাকরি করতে বেরল, পরিবারের শত ভ্রূকুটি সত্ত্বেও। এক নব্যনারী প্রজন্মের উত্থান ঘটল, ঠাকুরঘর পেরিয়ে যারা পাবে বসল হাতে সিগারেট নিয়ে। স্বরবদলের এই সন্ধিক্ষণে আশা নতুনভাবে উঠে এলেন। বেলবটম নারীর হাতিয়ার হল, আশার গান।

→

যুদ্ধের ধংসস্তূপে আলো জ্বেলে রাখে শিল্প

একটি ঘোড়া। যেন ধারালো বর্ষার আঘাতে আহত। ঘোড়ার মাথার নিচে মাটিতে এক সৈনিক। এক হাতে ভাঙা অস্ত্র। গের্নিকায় বোমা পড়ার পরে পৃথিবী জুড়ে হাজার মানুষের প্রতিবাদী মিছিল, কাগজে কাগজে রিপোর্টিংয়ের চেয়ে একটি ছবিই যেন সারা পৃথিবীর যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষ, জীবজন্তু ও ভাঙাচোরা বাড়ি ঘরের অস্তিত্বকে জীবন্ত করে তুলেছিল।

→

ইনি আমার মাসি, আর আমি এনার দিদি!

দেওয়াল ঘেঁষে একটা টেবিল আর সামনে ফুটপাথে গোটা দুই-তিন যেমন-তেমন বেঞ্চি। বসে চায়ের গেলাসটা হাতে নিয়েছি, হঠাৎ কোথা থেকে উদয় হল ছোট্ট এক মেয়ে। পায়ে চটি, সুন্দর ফ্রক। মাথায় উমরোঝুমরো চুল।

→

ওধারে এক আগন্তুক

আমার মনটাও একটা সুবৃহৎ আয়না। মনের ভিতরে যেন ওই আয়নার ওধারের জগৎটা রয়েছে। অথবা, ঠিক উল্টোটা। আমার মনের ভেতরে যা আছে, সেটাই আসল জগৎ। বাইরের জগৎটা আসলে ওই ভিতরের জগতেরই প্রতিবিম্ব।

→

কিছু আশা রয়ে গেল

‘যে গান তোমায় আমি শোনাতে চেয়েছি বারেবার’, এত দরদ দিয়ে গাওয়া গানটা, কে বলবে এই ভদ্রমহিলাই ফিসফিস করে ‘রাত আকেলি হ্যায়’ বলতে বলতে আচমকা বাঘের কামড়ের মতো ‘চুপ কিউ রহিয়ে’-তে পৌঁছে গিয়েছিলেন। মাইকেল হোল্ডিং-কে ‘হুইসপারিং ডেথ’ বলা হত, আশাকেও বোধহয় এক্ষেত্রে তাই বলা উচিত।

→

হে AI প্রেম, হে নৈঃশব্দ্য

এআই প্রেমিকার জন্য বিশ্বে প্রথম আত্মহত্যা! একাকী সেই যুবককে উসকানি দিয়েছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রেমিকাটি, যুবকের দেওয়া নাম ‘জিয়া’। অন্যদিকে এআই প্ল্যাটফর্মের নির্মাতারা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে, পারফিউমে স্নাত হয়ে জানাচ্ছেন, আমাদের কোনও দোষ নেই।

→

এই বঙ্গে যা যা চাই!

বহিরাগত বলে মনে হচ্ছে যাদের, তাদের আমরা বের করে দিচ্ছি না। উদারভাবে গ্রহণ করছি। তাদের ক্যাম্পের নিভৃতিতে রেখে পুণ্য করার সুযোগ দিচ্ছি। দেশের জন্য পুণ্য, দশের জন্য পুণ্য।

→

নির্বাকের রূপদক্ষ শিল্পী

চ্যাপলিন শব্দের বিড়ম্বনাকে মূকাভিনয়েরই একটা এক্সটেনশন বানিয়ে ফেলেন, হিঙ্কলের ভাষার মর্মার্থ অভিধানের মুখাপেক্ষী থাকে না। টুথব্রাশ গোঁফে তা দিয়ে চ্যাপলিন বলতে চান, ‘একঘেয়ে লাগল নাকি?’

→

মনের মানুষের সন্ধানেই রানী চন্দের শিল্পনীড় রচনা

পিতৃহারা রানী ও তার দিদি অন্নপূর্ণাকে শান্তিনিকেতনে নিয়ে আসবার ভাবনা রবীন্দ্রনাথের। অন্নপূর্ণা গেলেন গান শিখতে আর রানী ছবির মধ্যে খুঁজে পেলেন প্রাণ। তারপর কত বসন্তে, শরতে শান্তিনিকেতনের সঙ্গে মিতালি। রবীন্দ্রনাথ তাঁর মন বেঁধে দিলেন অন্তহীন আনন্দের সুরে, নন্দলাল বসু শেখালেন সেই আনন্দের রং নানা মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে।

→

বহু জনতার মাঝে অপূর্ব একা

বাংলা নববর্ষের অব্যবহিত পরে ইংরেজি ১৬ এপ্রিল বিকেলের দিকে দেহাবসান ঘটে আচার্য নন্দলাল বসুর। আচার্যের মৃত্যুশয্যার পাশে সুধীরা দেবীকে দেখা যায়নি। ঘরের দুয়ার তিনি রুদ্ধ করে রেখেছিলেন। এমনকী, মৃত্যুর পরেও সে দ্বার খোলেনি। ছাত্রছাত্রী আর আশ্রমিকেরা ঘিরে ছিল আচার্যের পুষ্পশোভিত দেহ।

→