Robbar

ভিটে হারানোর স্মৃতি, সত্তা, ভবিষ্যৎ

এসআইআর কেবল একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়– খুঁচিয়ে তোলা এক হৃদয়বিদীর্ণ করা ক্ষত, যা নিয়ে আসে ভয়ংকর মানসিক ঝড়। মনোবিদরা একে বলবেন, ‘রি-অ্যাকটিভেশন অফ অ্যাটাচমেনট ইনজিওরি’, সম্বন্ধজনিত আঘাতের পুনঃসক্রিয়তা।

→

বাংলা ভাষার থেকে আমি কী পেলাম

এই ভাষা ছাড়া আমি অস্তিত্বহীন। বাংলা ভাষা ছাড়া আমি কিচ্ছু না। যেটুকু কাজ আমি করতে পেরেছি, তা এই ভাষার জন্যই।

→

মায়া মমতায় গড়া বাংলা বিয়ের ছড়া

বিয়ের পদ্য বর ও কনে দুই পক্ষেই ছাপাত। বরের বন্ধুরা আবার আলাদা করে বিয়ের পদ্য পাঠ করে বিলি করত বিবাহসভায়। পদ্য পাঠের সাধারণ নিয়ম ছিল– কনেকে সিঁদুর দান করার পরে অথবা বাসরঘরে যাওয়ার পূর্বে নাপিত ঘোষণা করতেন বিয়ের পদ্য পড়ার পালা।

→

ঋতুপর্ণ, অন্তরমহল আর রবীন্দ্রনাথ

নিজের শরীর, মন আর এই সমাজ নিয়ে নানা প্রশ্ন ছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের। সেইখানে রবীন্দ্রনাথ ছাড়া আর কার হাতই বা ধরবেন তিনি? কিন্তু তার সিনেমায় এসে হাজির হলেন প্রথম রবীন্দ্রনাথ। মধ্যবিত্ত বাঙালির খাটো অনুভব পরিধির রবীন্দ্রনাথ। এই দ্বিধার মূল কোথায় লুকিয়ে আছে, সে প্রশ্ন একা ঋতুপর্ণ-র জন্য নয়, আমাদেরও।

→

নিছক ‘খেলনা’ নয়

একটা বাঁদর ছানা একটি পুতুলকে জড়িয়ে আছে। চোখ ছলছল করছে ছোট্ট বাঁদর ছানার। একবার সে পুতুলটাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত, আবার তাকে জড়িয়ে ধরছে। কখনও পুতুলের হাত ধরে আছে। প্রতিটা দৃশ্য অন্য একটা দৃশ্যের জন্ম দিচ্ছে। প্রতিটা মুহূর্ত, একটা বেঁচে থাকার গল্প বলছে।

→

বাংলা ভাষার থেকে আমি কী পেলাম

একটা সময় এল। একটা চাকরি জুটল। তখনও মাথায় কবিতার ভূত। কয়েক মাস চাকরি করার পর কৃত্তিবাসের একটা সংখ্যা এনে আমার বস বললেন, ‘তুমি যে কবিতা ছাপাচ্ছ বড়?’ ততদিনে টুকটাক এদিক-সেদিক নানা কাগজে, পত্রপত্রিকায় আমার কবিতা ছাপা শুরু হয়েছে। আমি তাঁকে বললাম যে, ‘হ্যাঁ, কবিতা আমি লিখি তো।’ তিনি তখন বললেন, ‘এই পত্রিকায় কাজ করলে অন্য কোথাও লেখা যাবে না।’ পত্রিকাটি ছিল খবরের পত্রিকা। তাঁকে আমি বলেছিলাম, ‘কিন্তু, আমাদের পত্রিকায় তো কবিতা ছাপা হয় না। তাহলে আমি কবিতা কোথায় ছাপাব?’ তিনি তখন বলেছিলেন, ‘এর সহজ উত্তর হল: কবিতা ছাপাবে না, কারণ তুমি এখানে চাকরি করো।’

→

এক মৃত্যুহীন ক্লাসিক কিংবা যৌনতার সহজপাঠ

স্যর রিচার্ড সংস্কৃতে কথা বলতে পারেন। ‘অনঙ্গরঙ্গ’ অনুবাদের সময় তিনি জানতে পারলেন, বাৎস্যায়নের ‘কামসূত্র’-এর কথা। এবং বোম্বাই থেকে জোগাড় করলেন সংস্কৃত কামসূত্রের একটি পুরনো কপি। জয়পুর আর বারাণসী থেকে আরও তিনটি পৃথক পুঁথি জোগাড় করলেন। শুরু হল রিচার্ডের নিপুণ সম্পাদনা এবং অনুবাদ।

→

এক-দু’ পল, তিন-চার পলাশ

এ জগতে পলাশই একমাত্র পুরুষ ফুল! বাকিরা ‘পুষ্প’ বা ‘পুষ্পা’, মানে নারী। হেঁটে বেড়াচ্ছি বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের অনন্ত ল্যান্ডস্কেপে। মাঠা থেকে হাতিপাথার অবধি ছড়ানো এই কিংশুক উপত্যকা যেন ভারত-পাকিস্তান, ইউক্রেন-রাশিয়া, ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন দ্বন্দ্বের নামে লাশের রাজনীতির প্রতিবাদ, ওরফে পলাশ!

→

বাতাসে ধোঁয়ার গন্ধ

একটি তথ্য পেলাম। সত্যতা যাচাই করতে ভয় হয়। কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের একটি ওয়েবসাইট বলছে, ৩০ অক্টোবর ২০২৫ বাতাসের গুণমান অনুসারে বিশ্বের দূষিততম ৪০টি শহরের মধ্যে সবক’টিই ভারতের। রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগর নামক একটি শহরের ক্ষেত্রে এই সূচক ছিল ৮৩০। এই পরিসংখ্যান ভৌতিক হলে সুখ পাব।

→

বাংলা ভাষার থেকে আমি কী পেলাম

বাংলা লেখক হিসেবে আমি অনেক বেশি ‘আমি’। বহু চেষ্টা করে শেখা ইংরেজি এখন আর বলতে বা লিখতে ইচ্ছে করে না। বাংলা ভাষা অনেক বেশি নিজের। সেখানে আমার চলাচলের স্বাধীনতা অনেক বেশি। আর ওই হিন্দি উপত্যকা তো আমার দেশই নয়!

→