

চন্দ্রপ্রসাদ শইকীয়াকে আমি প্রথম দেখি নয়ের দশকে। ওই সময়েই মহাভারতের কর্ণকে নিয়ে লেখা তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘মহারথী’ সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পায়, আর তিনি অকাদেমির জেনারেল কাউন্সিল এবং অসমিয়া পরামর্শদাতা সমিতির সদস্য হন।
সে যন্ত্র এক বাক্স বিশেষ, যার মধ্যে ভর্তি পুতুল। বাক্সের ওপরের গর্তে একটা ধাতব মুদ্রা বা ‘মোহর’ ফেললে সেটা গড়াতে গড়াতে নিচে আসত, আর ঘটে চলত একের পর এক ঘটনা, ক্রমান্বয়ে, ওপর থেকে নিচে। শেষে একটা পুতুল বেরিয়ে আসত হাফিজের কবিতা লেখা চিরকুট নিয়ে। সেই আজব যন্ত্রই কাব্য-যন্ত্র।
সমকালীন সমাজ-জীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলি, মজিলপুরের পুতুল-নির্মাণের চরিত্র হয়ে ওঠে। তাদের তুলির টানে বাংলার চিরাচরিত পটচিত্রের ব্রাশ স্ট্রোক খুব সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। পূর্বপুরুষের সেই ধারা এই ২১ শতকেও বজায় রেখেছেন মৃৎশিল্পী শম্ভুনাথ দাস।
মানুষ তার ইতিহাসের জন্মলগ্ন থেকেই কখনও নিজের সীমাবদ্ধতা মানতে পারেনি। সব সীমা অতিক্রম করে সে স্বাধীনতার মুক্ত আকাশে অবাধে উড়তে চেয়েছে। চিরকাল। কারণ, সেটাই তার প্রকৃত স্বভাব।
নন্দলাল চলে যাওয়ায় অসিতকুমার পুনরায় আর্ট কলেজের চাকরি ছেড়ে কলাভবনে যুক্ত হতে চাইলে রবীন্দ্রনাথ খুশি হয়েছেন। নন্দলাল ফিরে গিয়েছিলেন নভেম্বরের শেষে। জানুয়ারির গোড়াতেই রবীন্দ্রনাথের চিঠিতে অসিতকুমারের শান্তিনিকেতনে আসার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
প্রশাসনিক ভবন নয়, বরং এই বাড়ি তৈরি হয়েছিল ‘কোম্পানি কা কেরানি কা বাড়ি’ হিসাবে, তারপর কিছুদিন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এবং শেষে সরকারি কাজকর্মের জন্য ভবনটি ব্যবহৃত হয়। আর স্বাধীন ভারতে এই লাল বাড়িটিই হয়ে উঠল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজ্য শাসনের মূল ভরকেন্দ্র ‘মহাকরণ’, আরেক নাম ‘রাইটার্স বিল্ডিং’।
সারা দেশে এটিই সম্ভবত প্রথম নির্বাচন যার ফলাফল প্রায় পুরোপুরি নির্ধারিত হয়েছে সোশাল মিডিয়ার কৌশলী প্রচারে। চিরাচরিত জনসভা বা প্রচলিত নির্বাচনী প্রচারের মাধ্যমে ওই দ্রুত, স্মার্ট, আধুনিক ও ফলপ্রসূ জনসংযোগের অভিঘাতের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেনি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি।
এই রাজ্য কি আবার নতুন করে ঝুঁকি নেওয়া, উদ্ভাবন এবং শিল্পবান্ধব আত্মবিশ্বাসের ভাষা শিখতে পারবে? যদি পারে, তাহলে হয়তো একদিন সত্যিই বহু প্রবাসী বাঙালির কাছে ‘ফেরা’ শব্দটা শুধুই নস্টালজিয়া হয়ে থাকবে না, বাস্তব সম্ভাবনাও হয়ে উঠবে।
টুটুবাবু চলে গেলেন। মাথার ওপর থেকে ছাতা চলে গেলে, যা হয়, এখন অবস্থা সেরকমই। একলা লাগে ভারি।
সম্প্রতি হিমাচল প্রদেশের পর্যটনের আঁতুর মানালি সোশাল মিডিয়ায় আলোচনার গোলটেবিলে। তবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নয়, বরং তা চর্চায় উঠে এসেছে সেখানকার পাবলিক প্লেসে একটি ফোন চার্জিং সেন্টার, কীভাবে, কয়েক ঘণ্টায় আবর্জনাময় স্পটে পরিণত হল, সেই কারণে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved