


হোটেলের ঘরে দুটো আলাদা খাট। বললাম একটাতে রাতে ঘুমিয়ে সকালবেলা বাড়ি যেতে। মধুবীর পানীয়ের গ্লাসে শেষ চুমুক দিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, ‘আমাকে নিয়ে চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। ইম্ফল শহরে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর যত লোক আছে, তাদের অর্ধেক আমার ছাত্র আর আন্ডারগ্রাউন্ড গ্রুপের যত সদস্য আছে তার অর্ধেক আমার ছাত্র। আমার কোনও ভয় নেই।’ পুরনো স্কুটারের ম্লান আলোকে সম্বল যুযুধান দুই ছাত্রগোষ্ঠীর মাঝ দিয়ে চলে গেলেন।
৫.
মণিপুরের উত্তরে নাগাল্যান্ড, দক্ষিণে মিজোরাম, পূর্বে মায়ানমার আর পশ্চিমে অসম। প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদে-সুবাদে মণিপুর তার মতো করে চলছিল। রাজ্যের মধ্যে ৩৩টি জনগোষ্ঠীর সঙ্গেও গ্রহণে-বর্জনে মোটামুটি কেটে যাচ্ছিল। ধূসর ও নীল পাহাড়শ্রেণি আর উপত্যকায় সুখ-দুঃখ ও যে-যার নিজস্ব সংস্কৃতি নিয়ে বেঁচেবর্তে ছিল। উন্নয়নের অভাবে জীবিকার সংকট ছিল। চাকরি মিলছিল না আর চাষবাসের তেমন উন্নতি ঘটেনি। বাড়তি টাকা মিলবে বলে নিষিদ্ধ শস্যের চাষ কোনও কোনও অঞ্চলে হত। সীমান্তের গা ঘেঁষা রাজ্য বলে মাদক থেকে অস্ত্রের চোরাচালানও চলত। তবু জনজীবনে তার তেমন প্রভাব পড়েনি। আটের দশকের শুরু থেকে যে আন্দোলন উত্তর-পূর্ব ভারতে শুরু হল, তাতে মণিপুরের অবস্থাও টালমাটাল।
নয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে মণিপুরে যাতায়াত শুরু করি। দেখি রাস্তায় রাস্তায় আধা-সামরিক বাহিনীর গাড়ি যাতায়াত করছে। সন্ধে নামলেই শহর যেন ঘরে ঢুকে যায়। এমনকী মণিপুর শহরের কেন্দ্রেও সন্ধে সাতটার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিতে হয়, কারণ আটটা নাগাদ রেস্তরাঁ বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুতের আলো বারবার চলে যায় আর রাত ১০টার ফেরার আশা থাকে না। হোটেলের ফ্যান ও আলো জেনারেটরে চালু থাকে। মাঝেমাঝেই এক বা একাধিক দিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়। অনুষ্ঠানের দিন ঠিক করেও বদলাতে হয়।
তবে বন্ধ না থাকলে দিনের বেলা সবকিছু স্বাভাবিক বলে মনে হয়। পুলিশ আর সশস্ত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীর লোকজন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেও সাধারণ মানুষ তাদের মতো কাজকর্ম করে। নাকে ও কপালে রসকলি এঁকে মেয়েরা স্কুটার চালিয়ে কর্মস্থলে যায়। বাজারে বিক্রিওয়ালার সঙ্গে ক্রেতা শুটকি মাছ, পোয়াল ছাতু, কচি বাঁশের কুচি, কান-লাল করা লঙ্কা আর কাপড়চোপড়ের দরদাম করে। ‘পুং চলম’ নাচে। ‘পুং’ হল মৃদঙ্গ আর ‘চলম’ হল চলা। খোল বাজিয়ে বৈষ্ণব-নৃত্য। কখনও আবার ঢোল নিয়ে ‘ঢোল চলমে’ মাতে। অস্ত্র নিয়ে প্রাচীন রণনৃত্য থাং তা-তে মাটি থেকে অনেকখানি ওপরে উঠেও যায়। সাহিত্যের অনুষ্ঠান, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে শেষ হচ্ছে গান ও নাচ দিয়ে। নারী ও পুরুষরা পোশাক পরে সে-সব পরিবেশন করছে। এক সময় সংস্কৃতি শব্দের মধ্যে সাহিত্য ছিল, কিন্তু পরে বাংলার মতো কিছু ভাষায় আমরা আলাদা করে নিয়েছি। অন্যদিকে মণিপুর এখনও জুড়ে রেখেছে।

উৎসব মনে হত অন্য কারণেও। দেখতাম, সাহিত্যের অনুষ্ঠানে মণিপুরী নারীরা নিজস্ব পোশাকে ভারি সুন্দর সেজে আসতেন। জিজ্ঞেস করে জেনেছিলাম, মেয়েদের ওপর শরীরের ব্লাউজের মতো পোশাক হল ‘ফুরিত’ আর নিচের লংস্কার্টের মতো অংশটি ‘ফানেক’। ওড়না হল ‘ফিদুপ’। মণিপুরের তাঁতের বুনন, রং আর নকশা খুবই সুন্দর। পুরুষেরা, বিশেষ করে যাঁরা একটু বয়স্ক, ধুতি ও পাঞ্জাবি পরে আসতেন। নারী ও পুরুষদের অনেকেই সে-সঙ্গে ফুলের কলির মতো চন্দনের অলংকরণ করতেন। এটাকেই আমরা ‘রসকলি’ বলি। অর্ধেক বা পুরো দিনের অনুষ্ঠান হলে বক্তা থেকে শ্রোতা সবাই সময় নিয়ে আসতেন। দুপুরের খাবার খেতেন।
কথাসাহিত্যিক সোনামণি সিং, পাণ্ডুলিপি সংগ্রাহক খেলচন্দ্র সিং, সাহিত্যের ইতিহাসকার ঝলজিৎ সিংয়ের মতো বিশিষ্টজনরা সময় হাতে নিয়ে অনুষ্ঠানে আসতেন। বলার পাশাপাশি সবার কথা শুনতেন। দেখেছি কথাসাহিত্যিক বিনোদিনী দেবী, মন্দিরের সিঁড়িতে বেশ বড় একটা থালার একদিক থেকে নিজে খাচ্ছেন আর অন্যদিক থেকে একজন যুবতী কবি খাচ্ছেন। মাথায় নতুন দুধ-সাদা উত্তরীয় বেঁধে ব্রাহ্মণ-ঠাকুর খাবার পরিবেশন করছেন। মণিপুরীদের নিয়ম হল বাড়িতে বা অনুষ্ঠানে রান্না ও পরিবেশনের জন্যে কাউকে ডাকলে নতুন ধুতি ও গা-ঢাকার চাদর দেওয়া।

এই চেহারাটাই সন্ধে নামলে বদলে যায়। গাড়ির টায়ার ফাটলেও মানুষজন দরজায় খিল দেয় আর বাজি ফাটলে রাস্তার মানুষজন গলি পথে ঘরে ফেরে। তেমন এক সময়ে ইম্ফলে গিয়েছি। যতদূর মনে পড়ে, ২০০১ সালের ডিসেম্বর মাস। একটাই মিটিং ছিল আর সেটা অকাদেমি পুরস্কারের বই ও লেখক নির্বাচনের। পুরস্কারের কাজে গেলে গোপনীয়তা রক্ষা প্রয়োজনে হোটেলেই একটা ঘর নেওয়া হত মিটিংয়ের জন্য। চারজন সদস্য নিজেদের মতো চলে আসতেন। সদস্যদের ঘরে পৌঁছে দেওয়া থেকে, চা ইত্যাদি দেওয়ার ব্যবস্থা হোটেলই করত। ফলে খানিক হালকা থাকা যেত।
সেবার নির্বাচনের কাজকর্ম মিটিয়ে বিকেলে হোটেল নির্মলার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। তখনও রোদ আছে বলে ভালোই লাগছে। সূর্য ডোবার আগে যতটুকু প্রাকৃতিক তাপ শরীরে টানা যায়। হোটেলটা বড় রাস্তার ওপরে। ফলে রাস্তায় মানুষজন ভালোই যাতায়াত করছে। গাড়ি, মোটরবাইক, সাইকেল, মাল-বওয়া ঠেলাগাড়ি সবই চলছে। হঠাৎ দেখি, একটা স্কুটার সামনে দিয়ে পেরিয়ে গিয়ে কিছুটা দূরে থেমে গেল! চালক স্কুটার ঘুরিয়ে আমার সামনে আসতে দেখি রাজকুমার মধুবীর সিং। মণিপুরী সাহিত্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কবি। মণিপুরের পাশাপাশি ইংরেজি ভাষাতেও কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর কবিতায় আছে নৈতিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয়ের কথা, আর সেই সঙ্গে ধ্বংসের পূর্বাভাস। কবিতার বইয়ের নাম ‘দ্য শ্যাডো অব ডার্কনেস’ বা অন্ধকারের ছায়া। আর একটি কবিতার বইয়ের নাম ‘রোগীর শূন্য-ঘণ্টার সময়’। প্রকাশ করেছেন ‘টাইম বোম ও অন্যান্য কবিতা’র মতো বইও। কবিতায় লিখেছেন–
‘ভগবানের নামগান করে কোনো লাভ নেই
খুনের সংখ্যায় এখন জোয়ার এসেছে
পাহাড়ের চূড়ায় চূড়ায় জ্বলছে আগুন
দেখছি সব নদীর শরীর গুটিয়ে যাচ্ছে।’

মধুবীর প্রিয় কবি বলে কলকাতা, বনগাঁ আর অন্যান্য জায়গাতেও কবিতা পড়তে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। আমার থেকে বয়সে কিছুটা বড়, কিন্তু বন্ধুর মতো ব্যবহার করতেন। অতিরিক্ত মদ্যপান করতেন আর চরিত্রে ছিলেন বোহেমিয়ান। স্কুটারটি ছিল প্রায় ‘অযান্ত্রিক’ গল্পের গাড়িটির মতো। সেটি মধুবীরের প্রিয় সঙ্গী ছিল।
স্কুটার থেকে নেমে মধুবীর জিজ্ঞেস করলেন, কবে ইম্ফলে এসেছি আর ক’দিন থাকব। বললাম, গতকাল এসেছি আর রাত কাটিয়ে সকালের দিকে কলকাতা ফিরে যাব। মধুবীর জানতে চাইলেন, আমি সন্ধের দিকে ফাঁকা আছি কি না। বললাম, ফাঁকা আছি আর ইচ্ছে করলে আসতে পারেন। মধুবীর খুশি হয়ে চলে গেলেন।
রাত আটটা নাগাদ মধুবীর এলেন। সাধারণ কিছু কথাবার্তার পরে ওঁর একটি কবিতার বই আমাকে উপহার দিলেন। যেটুকু মনে পড়ে চার ফর্মা বা ৬৪ পাতার বই। কবিতার বই ভালো জিনিস, কিন্তু কবি সামনে থাকলে কবির মুখে কবিতা শুনতে বেশি ভালো লাগে। সে-কথা মধুবীরকে বললাম। সেই সঙ্গে কিছু আমিষ খাবারের অর্ডার দিলাম। মধুবীর চায়ের ভক্ত নয় বলে ভিন্ন পানীয়ের ব্যবস্থা করা ছিলই।
মধুবীরের থলেতে নতুন লেখা কিছু কবিতা আর অন্য একটি কবিতার বইও ছিল। বেশ কয়েকটা কবিতাই মধুবীর পড়লেন। কোনও তাড়াহুড়োর ব্যাপার নেই। সভাঘর নয় যে, অনেক শ্রোতার কানে পৌঁছে দিতে গলা তুলতে হবে। তাই গলার স্বর চড়ায় তোলার চেষ্টা করেননি। কবি সম্মেলন নয় যে, বাঁধা সময়ের মতো তাড়াতাড়ি করে শেষ করতে হবে। ফলে নিচু গলায় ধীরে ধীরে পড়ছিলেন। রাত গড়াচ্ছিল। মধুবীরের পড়া একটি কবিতার নাম ছিল ‘খাঁচায় বন্দি পাখির গান’। তার কিছু পঙ্ক্তি ছিল এইরকম–
‘তুমি আর সে সঙ্গে আমিও অনেক আগে মরে গেছি
আমাদের আত্মা আমাদের ছেড়ে চলে গেছে
আমাদের ধমনী দিয়ে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়েছে
আবহাওয়ার ধাক্কায় ছাদ এখন ফুটোফাটা
সে সঙ্গে দেয়াল ধসে পড়ছে
অর্থহীন বাড়ির কঙ্কাল দাঁড়িয়ে
বুড়ো ও দুর্বল হাড়ের খাঁচা
এই হচ্ছে তোমার আর আমার শরীর।
শিকলবাঁধা অন্ধ স্যামসনকে নিয়ে যেমন খেলেছিল
কালো আর বিশাল চোখের মৃত্যুদূতেরা
তাকে ঘিরে ছিল লম্বা অগোছালো চুলের
ফিলিস্টাইন সেনাবাহিনী
তেমনই আমাদের আত্মা নিয়েও খেলছে
হ্যাঁ আমাদেরই আত্মা।’
কিছুটা পরে বলা হয়েছে, এখন সেই সত্যবতীও নেই যে, যমরাজের কাছ থেকে সত্যবানের আত্মা ফিরিয়ে আনতে পারে। কবিতার শেষদিকে শুনি–
‘এখন বরং এই অর্থহীন দেহ
রোদ-বাতাসে ফেলে রাখি
যতক্ষণ না বর্ষা এসে
শরীরকে কাদায় মিশিয়ে দেয়
আত্মাহীন এই শরীরকে রোদে পুড়তে দাও
যতক্ষণ না বর্ষার বৃষ্টি নামে।’

মধুবীরের সঙ্গে গল্প করা, কবিতা শোনা, সামান্য খাওয়া ও পান ইত্যাদি মিলে রাত ১০টা বেজে গেল। হোটেলের জানলা দিয়ে রাস্তার দিকে তাকিয়ে দেখি, কোনও মানুষজন নেই। দোকানপাট অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে! আধা-সামরিক বাহিনীর একটা গাড়ি শব্দ তুলে চলে গেল। দূরে কোথাও বোমা বা গুলির আওয়াজ হল। এমনও হতে পারে যে বাজির আওয়াজ, তবু মনে হল এমন শুনশান রাতে মধুবীরের রাস্তায় নামা ঠিক হবে না । আধা-সামরিক বাহিনী আটকে ছাউনিতে নিয়ে গিয়ে প্রশ্নে জর্জরিত করতে পারে। অন্যদিকে ১৫-১৬টি আন্ডারগ্রাউন্ড গ্রুপের কোনও একটি মধুবীরকে ধরে নিয়ে যেতে পারে।
হোটেলের ঘরে দুটো আলাদা খাট। বললাম একটাতে রাতে ঘুমিয়ে সকালবেলা বাড়ি যেতে। মধুবীর পানীয়ের গ্লাসে শেষ চুমুক দিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, ‘আমাকে নিয়ে চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। ইম্ফল শহরে পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনীর যত লোক আছে, তাদের অর্ধেক আমার ছাত্র আর আন্ডারগ্রাউন্ড গ্রুপের যত সদস্য আছে তার অর্ধেক আমার ছাত্র। আমার কোনও ভয় নেই।’ পুরনো স্কুটারের ম্লান আলোকে সম্বল যুযুধান দুই ছাত্রগোষ্ঠীর মাঝ দিয়ে চলে গেলেন। এর বছর তিনেকের মধ্যে মধুবীর মারা গেলেন! না, দু’-পক্ষের কারও গুলিতে নয়, যতদূর শুনেছি সিরোসিস অফ লিভারে।
রাজকুমার মধুবীরের কবিতায় আঞ্চলিক ও একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক চেতনা কাজ করত। জানি না, মধুবীরের কবিতায় যে বিপর্যয়ের কথা, গন্তব্যহীন যাত্রার অনুষঙ্গ, তাতে কতখানি তাঁর চারপাশ আর কতখানিই-বা বিশ্বের অতীত ও বর্তমান পরিস্থিতি কাজ করেছে। সে আলোচনার সুযোগ এখানে নেই, কিন্তু তাঁর বা তাঁর সময়ের অসহায় অবস্থার কথা, তাঁর কবিতার ভিতর দিয়ে বেশ অনুভব করা যায়। ‘লান্থোকখিনবা মফমসি’ (জায়গাটা পেরতে হবে) নামের একটি কবিতায় লিখছেন যে, পায়ের তলার মাটি মরুভূমির চেয়েও গরম। পায়ে ফোসকা পড়ে গিয়েছে। তবুও হাঁটতে হবে, কারণ এই জায়গাটা ছেড়ে চলে যাওয়া দরকার। কবিতাটির শেষের দিকে পৌঁছে লিখছেন–
‘খুব দ্রুত পেরোতে হবে এই জায়গাটি
শুনতে পাচ্ছি পিতা-পিতামহদের
শিকারের গল্পগাথা
দেখতে পাচ্ছি পুকুরপাড়ে পিতার পূজিত
প্রপিতামহীর পাথরের মূর্তিটি
শুনতে পাচ্ছি কথকের বর্ণিত গল্প
মৈরাং-এর লোককাহিনি
জগতের কত রাজা-মহারাজের জীবনকথা।
আমাকে কেউ দেখছে, আমি দেখতে পাচ্ছি
শুনতেও পাচ্ছি।
আমি আর এক মুহূর্তও থামতে চাই না,
খুব দ্রুত এই জায়গাটা পেরোতে হবে।
পৌঁছতে পারব কি আমার গন্তব্যে?
কী করব পৌঁছে!’
(অনুবাদ: নোংরাকপম রঞ্জিতা সরকার)
…………… মুখুজ্জের লিটফেস্ট-এর অন্যান্য পর্ব ……………
পর্ব ৪। সাহিত্যের মণি-সন্ধান
পর্ব ৩। আমৃত্যু যৌবন-যাপন করে গিয়েছেন যে লেখক
পর্ব ২। মাজুলি দ্বীপ ও তার তিন বাসিন্দা
পর্ব ১। রাজা নয়, টুনটুনির গল্প
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved