

ঠান্ডা খাদ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে উনিশ শতকের শেষভাগে, যখন যান্ত্রিক রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তির আবিষ্কার হয়। এর ফলে কৃত্রিমভাবে আইসক্রিম উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। শিল্পায়নের ফলে আইসক্রিম আর অভিজাতদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না-থেকে চলে আসে সাধারণ মানুষের খাদ্যতালিকায়।
চিন্ময় গুহর সঙ্গে কথোপকথন। শিক্ষা বিষয়ে। পল ফ্রেইরি থেকে পিয়ের কর্নেই– উঠে এসেছে শিক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন তত্ত্ব। সেমিস্টার সিস্টেমের ব্যর্থতা থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ছাত্রদের মূল্যায়ন। কথা বললেন সায়ন ভট্টাচার্য।
সত্যজিতের গল্পে ছেলেবেলার বন্ধুত্বের কথা বারবার ফিরে ফিরে আসে। একদা-নিবিড়ভাবে-আশ্লিষ্ট দুই বন্ধু, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাঁরা স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তিত হয়েছেন।
নাৎসি ক্যাম্পের ড. ফিশারকে তাঁর সহকর্মীরা তাঁর ফার্স্ট নেম ধরেই ডাকতেন। অর্থাৎ, ফ্রিৎস। উনিশ-কুড়ি বছর বয়স থেকেই সত্যজিৎ রায়ের স্মৃতিতে এই ‘ফ্রিৎস’ নামটা গেঁথে গিয়েছিল! দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তিন দশক পরে এই ‘ফ্রিৎস’ নামটা সত্যজিৎ রায় ফিরিয়ে এনেছিলেন নিজের এক ছোটগল্পে।
একতলা বাড়ি একটা, রাজারাজড়ার আমলে তৈরি, ছয়-সাতটা ছোট ছোট ঘর সম্পূর্ণ বই আর বইতে ঠাসা, তেমন ভালো করে ক্লাসিফাই করা নয় বইগুলো। প্রায়শই মলাটছেঁড়া, ধুলোর গন্ধমাখা, হলুদ হয়ে যাওয়া সারি সারি সব জনপরিত্যক্ত অপঠিত বই।
ভাড়াটে ভোটার, মাইগ্রেটেড, ডুপ্লিকেট, সংখ্যালঘু, মৃত, অবৈধ অনুপ্রেশকারী, কতরকমের অ্যালিগেশন! কাল দেখলাম একজন লিখেছেন, প্রচুর মেয়ের নাম বাদ এবারের ভোটে। বোঝো! সংখ্যালঘু আর মহিলাদের কেন যে সরকার এমন যমের মতো ভয় পায়, কে জানে!
সত্যজিৎ রায়ের গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রের প্যাটার্ন একটা জায়গায় অদ্ভুতভাবে প্রায়ক্ষেত্রেই এক যে, তারা একা মানুষ, এবং তাদের নিঃসঙ্গতায় তাদের গ্লানি নেই। তারা নিজেদের, নিজেদের মতো করে আবিষ্কার করে নিতে পারে। এই যে নিজেকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিতে পারা– এ-ও একটা নিজস্ব রুচির পরিচয় দেয়।
যে অধিকার স্বাভাবিক নিয়মে পায় অধিকাংশ জন, সেই অধিকার মেয়েদের আদায় করে নিতে হয়। লড়ে নিতে হয়। যেই লড়াই ঘরে বাইরে সব জায়গায়। সম্মান এবং অধিকার– এই দুইটির আপসহীন প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজন মেয়েদের শ্রমের মর্যাদা।
যে পুরুষ মানুষরা বাঘের হাতে প্রাণ হারান, তাদের স্ত্রীদের স্থানীয়রা ‘বাঘবিধবা’ বলে চিহ্নিত করে। এই বিধবাদের জীবন বিশেষ সুন্দর নয়। প্রায়শই সমাজের খোঁটা শুনতে হয়।
বরাবর কলকাতার শহরতলিতে বাঙালপাড়ায় থাকার সুফলও পেয়েছি। কখনও কোনও কাকিমা, কখনও দিদি প্রথমে লজ্জা লজ্জা মুখ করে, ‘তোমরা খাও? আগে জানলে... আমাদের তো প্রায়ই হয়।’ তারপর একদিন কনফিডেন্টলি একবাটি রান্না করে এনে, ‘আবার যেদিন হবে, দিয়ে যাব’। ব্যস, আমার তো ব্যবস্থা হয়ে গেল!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved