Robbar

Shantiniketan

কলাভবন শুরুর নেপথ্যে এক দরদি শিক্ষক

কলাভবন তো আর হঠাৎ করে গড়ে ওঠেনি, ধীর গতিতে এক-পা এক-পা করে এগিয়েছে। আমরা জানি, রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত ‘বিশ্বভারতী’র অন্যতম প্রধান অঙ্গের নাম ‘কলাভবন’। তার পুরো চেহারা গড়ে উঠেছে ধীরে ধীরে। ভেবে দেখলে, তার সূচনা কি ব্রহ্মচর্যাশ্রমের অন্তরে নিহিত ছিল না?

→

মনের মানুষের সন্ধানেই রানী চন্দের শিল্পনীড় রচনা

পিতৃহারা রানী ও তার দিদি অন্নপূর্ণাকে শান্তিনিকেতনে নিয়ে আসবার ভাবনা রবীন্দ্রনাথের। অন্নপূর্ণা গেলেন গান শিখতে আর রানী ছবির মধ্যে খুঁজে পেলেন প্রাণ। তারপর কত বসন্তে, শরতে শান্তিনিকেতনের সঙ্গে মিতালি। রবীন্দ্রনাথ তাঁর মন বেঁধে দিলেন অন্তহীন আনন্দের সুরে, নন্দলাল বসু শেখালেন সেই আনন্দের রং নানা মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে।

→

বাবার সঙ্গে শেষদিন

আজ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুদিন। এই শহরের রাখালের মৃত্যুদিন। যে রাখাল, কলকাতায় নয়, প্রয়াত হয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে। স্মৃতিশক্তি-র এই লেখাটি সেই শেষদিনের শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে। বসন্তের সমস্ত রং নিয়ে যিনি চলে গিয়েছিলেন ১৯৯৫ সালের, ২৩ মার্চ। শেষদিনের সে অভিজ্ঞতা, লিখেছেন তাঁর কন্যা।

→

অ-এ অন্ধকার, আ-এ আলো

অরুণিমা চৌধুরী শিল্পী। তাঁর ছবির বিষয় নারী ও প্রকৃতি। ছবি আঁকেন মূলত প্রাকৃতিক রঙে। দীর্ঘদিন ধরে ফুল-ফল-পাতা থেকে তৈরি রং নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করে চলেছেন। ৭৫ পেরিয়েও শিখে চলেছেন নিত্যনতুন মিডিয়াম। তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে উঠে এল বিকাশ ভট্টাচার্য, কে জি সুব্রহ্মণ্যম থেকে সমরেশ বসু, প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্যদের কথা। উঠে এলেন রবীন্দ্রনাথ, পৃথিবীর ভবিষ্যৎ ও আশঙ্কার কথা। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিশেষ এই সাক্ষাৎকার।

→

মেলায় পাবেন শ্রেষ্ঠ শত্রুর জন্য উপহারের বই!

শনিবারের বারবেলায়, নিশ্চিতভাবেই বহু বাঙালিই পরস্পরের পাদুকায় পদাঘাত করেছেন, নেহাত বইমেলার সঙ্গে সংস্কৃতির একটা ঘাঁতঘোঁত আছে, বাস-ট্রাম-মেট্রো-ট্রেন হলে একটা এসপার-ওসপার হয়ে যেত নিশ্চিত! তবে মেলাতেও খাস বাংলায়, সাংস্কৃতিক পদ্ধতিতে খিস্তি করার বেশ কিছু উপায় আছে। সত্রাজিৎ গোস্বামীর ‘অকথ্য শব্দের অভিধান’, অভ্র বসুর ‘বাংলা স্ল্যাং: সমীক্ষা ও অভিধান’, কিন্নর রায়ের ‘খিস্তোলজি’র মতো বই অনায়াসে শত্রুপক্ষকে গিফট করে বলুন, ‘সব আপনারই জন্য!’

→

আমি যখন সৃষ্টি করছি না তখনও কিন্তু সৃষ্টির কাজ চলছে, বলেছিলেন শর্বরী রায়চৌধুরী

শর্বরী রায়চোধুরীর বলেছিলেন, ‘কেউ কেউ আমার কিছু কাজ দেখে বলেছেন যে, ওই কাজ চোখের সামনে রেখে ব্যাকগ্রাউন্ডে মিউজিক বাজতে থাকলে একটা সিংক্রোনাইজেশন হয়।’

→

দক্ষতার যান্ত্রিকতা নয়, প্রেম এবং উপলব্ধির আলোই অর্ঘ্য সেনের গান

রবীন্দ্রনাথের বলা ‘চিরদিন আমি পথের নেশায় পাথেয় করেছি হেলা’ তাঁর জীবনেও সত্যি। গান নিয়ে পথ চলেছেন, পাথেয় নিয়ে কোনওদিন ভাবেননি। মনে করতেন, রবীন্দ্রনাথ যে-কথা বলছেন গানে, সে যেন আমারও বলার কথা, মনের কথা– এই ভাবনা নিয়ে গাইলে তবেই সে-গান শ্রোতাকে স্পর্শ করবে।

→

মৃত্যুর পর মহাশ্বেতা দেবীর নামে সেগুনচারা রোপণ করেছিল পুরুলিয়ার মানুষ

১৯৮৩-’৮৪ সাল নাগাদ সম্ভবত মহাশ্বেতাদি পুরুলিয়া যান খেড়িয়া শবরদের হাল-হকিকত জানতে। বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে সেই যে গেলেন, আজীবন সেখানকার আদিবাসী মানুষদের সঙ্গে জুড়ে রইলেন ঘনিষ্ঠভাবে।

→

শোষণ মুক্তির পথ সত্যেন সেন দেখিয়েছিলেন তাঁর গানযাপনে

গত শতকের আটের দশকের সূচনায় শান্তিনিকেতনের গুরুপল্লীতে এক পৌষসন্ধ্যায় নির্বাপিত হল নিভৃত বিপ্লবী সত্যেন সেনের প্রাণপ্রদীপ। কিছু নিকট আত্মীয়স্বজন ছাড়া শান্তিনিকেতনে তাঁর আট বছর অবস্থানের কথা জানবার চেষ্টা করেননি কেউ। অথচ উভয় বঙ্গের কমিউনিস্ট আন্দোলনের, কৃষক আন্দোলনের অন্যতম রূপকার ছিলেন এই অকৃতদার মানুষটি।

→

একালের পৌষ‘মেল্লা’

এবারের পৌষমেলা। কীরকম গেল? সঙ্গে বহু ছবি। মেলার চরিত্র কি এমনই ছিল? নাকি বদলে গিয়েছে একেবারে? পৌষের অন্য মেলার থেকে এই মেলা কি আলাদা কিছু?

→