Robbar

দানবিক ওডিসি মানবিক নোলান

নোলানের দুয়ারে দর্শক অতিথি, তিনি জানেন না তিনি যা পরিবেশন করছেন, তা থেকে দর্শক কী গ্রহণ করবে? কোনটাকে বড় করে দেখবে? হিংসাকে না আত্মোপলব্ধিকে? সমস্তরকম সম্ভাবনা সত্ত্বেও তিনি আতিথেয়তায় কোনও ত্রুটি কিন্তু রাখেননি।

→

ভালোবাসা সবচেয়ে বড় ম্যাজিক

জে কে রাউলিং কিংবা তাঁর সৃষ্ট শুভশক্তির মশালধারী শিশু হ্যারি– বড় হয়ে উঠতে উঠতে বারবার দেখায় জীবনে ভালোবাসার থেকে বড় জাদু আর কিছু হতে পারে না। মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ যদি করতেই হয় তবে শুধুমাত্র তা ভালোবাসার জন্য করা যেতে পারে।

→

স্মৃতি ও সংকটের জটিল ক্যালাইডোস্কোপ

যতই ‘কার্পে ডিয়েম’ বলা হোক, বর্তমানকে আসলে নির্মাণ করে মানুষের অতীত অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা। মোদিয়ানোর সারা জীবনের সাহিত্য যেন তাঁর এই বক্তব্যকেই বাস্তবায়িত করতে করতে এগিয়েছে। উপন্যাসের পর উপন্যাসে তিনি হাতড়ে গিয়েছেন পূর্বস্মৃতি, অতীতের গর্ভ থেকে তুলে আনতে চেয়েছেন জীবনের অর্থ।

→

ফেরার বইয়ের ফেরার গল্প

বই ধার নেয় বহু লোকে, কিন্তু ফেরত? বইয়ের পলাতক পর্ব নিয়ে বহু কথা হয়েছে। কিন্তু বই ফেরতের বিশ্বজোড়া গপ্পগাছা? এই যে, রইল।

→

সমলিঙ্গ কবিতার নিভৃত দেশ

কুইয়ার কবিতা আলাদা করে যে সংকলিত হয়েছে এবং হচ্ছে– তা সাহিত্য-সংকলক এবং প্রকাশকদের কাছে চূড়ান্ত লজ্জার। পৃথিবীর সমস্ত নারী এবং পুরুষ কবিদের লেখা যেভাবে সংকলিত হয়ে থাকে, সেই সংকলনগুলিতেই ভিন্ন কোনও লিঙ্গপরিচয়ের নিরিখে নয়, শুধুমাত্র কবি পরিচয়ে প্রান্তিক যৌনতার কবিদের কবিতা অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।

→

মাটি পৃথিবীর অলৌকিক বাগান

এক নারী যে একটি বটগাছের মতো পুরুষসঙ্গী চাইছে জীবনে, সেই নারীকে দেখতে যদি হয় পুরুষসুলভ? সেই নারীসত্তা যদি লুকিয়ে থাকে কোনও পুরুষদেহে– তবে কি তার এই চাহিদা, এই ইচ্ছে, এই নিরাপত্তা ও প্রেমের প্রত্যাশাকে দেখা হবে ‘পাপ’ হিসেবে? তাকে বিতাড়িত করা হবে ‘ছায়াসুনিবিড়, শান্তির নীড়’ প্রেম-উদ্যান থেকে?

→

তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা?

বিভিন্ন সত্তার উপস্থিতির মধ্যে থেকেও আডা নিজের কণ্ঠস্বর খুঁজে পেয়েছে। আডার শরীর হয়ে উঠেছে এক স্রোতস্বিনী নদী। নিরন্তর বয়ে চলা স্বাদু জলধারা। অন্য জগৎ থেকে বিভিন্ন সত্তারা স্রোতের মতো প্রবেশ করেছে আডার মনুষ্যসত্তায়। সে সেইসব আত্মাদের সঙ্গে ক্রমাগত লড়াই করে গেলেও কাউকেই ফিরিয়ে দেয়নি।

→

সমকাম, মাতৃত্ব ও ভালোবাসার কয়েদখানা

যেখানে অধিকাংশ সমকামী সম্পর্কের ক্ষেত্রে চরিত্রদের লড়াই করতে দেখা যায় সম্পর্কটির বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গে, সেখানে সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতাকে ছপিয়ে Eva Baltasar-এর এই উপন্যাসে উঠে এসেছে একটি সমলিঙ্গ সম্পর্কের অন্তর্দ্বন্দ্ব।

→

স্বাধীনতার রঙিন গালিচা

১৯৭৭ সালের আফগানিস্তান। ১৯৭৬ সালেই সমকামী সম্পর্ককে নৈতিকতা বিরোধী বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমন উত্তাল সময়কে সামনে রেখে, প্রান্তিক যৌনতা বিষয়ে এমন সুস্পষ্ট এবং সামাজিক-রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর ও বিপজ্জনক সাহিত্য এর আগে কোনও আফগান সাহিত্যিককে সৃষ্টি করতে দেখা যায়নি।

→

আমাকে ডাকো তোমার নামে

এই প্রেমকাহিনি যতটা বিরহের, ততটাই মিলনের, যতটা যন্ত্রণার, ততটাই আনন্দের, যেমন একাকিত্বের, তেমনই পূর্ণতার। এখানে সমকামিতা বড় কথা নয়, বড় কথা হল দু’টি মানুষের অন্তরাত্মার নিবিড় যোগাযোগ। তাই প্রেম, এখানে, তার সমস্ত পূর্ণতা ও ব্যর্থতা নিয়ে হয়ে উঠেছে এক অপূর্ব কবিতা।

→