

নন্দলাল চলে যাওয়ায় অসিতকুমার পুনরায় আর্ট কলেজের চাকরি ছেড়ে কলাভবনে যুক্ত হতে চাইলে রবীন্দ্রনাথ খুশি হয়েছেন। নন্দলাল ফিরে গিয়েছিলেন নভেম্বরের শেষে। জানুয়ারির গোড়াতেই রবীন্দ্রনাথের চিঠিতে অসিতকুমারের শান্তিনিকেতনে আসার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
প্রশাসনিক ভবন নয়, বরং এই বাড়ি তৈরি হয়েছিল ‘কোম্পানি কা কেরানি কা বাড়ি’ হিসাবে, তারপর কিছুদিন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এবং শেষে সরকারি কাজকর্মের জন্য ভবনটি ব্যবহৃত হয়। আর স্বাধীন ভারতে এই লাল বাড়িটিই হয়ে উঠল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজ্য শাসনের মূল ভরকেন্দ্র ‘মহাকরণ’, আরেক নাম ‘রাইটার্স বিল্ডিং’।
সারা দেশে এটিই সম্ভবত প্রথম নির্বাচন যার ফলাফল প্রায় পুরোপুরি নির্ধারিত হয়েছে সোশাল মিডিয়ার কৌশলী প্রচারে। চিরাচরিত জনসভা বা প্রচলিত নির্বাচনী প্রচারের মাধ্যমে ওই দ্রুত, স্মার্ট, আধুনিক ও ফলপ্রসূ জনসংযোগের অভিঘাতের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেনি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি।
এই রাজ্য কি আবার নতুন করে ঝুঁকি নেওয়া, উদ্ভাবন এবং শিল্পবান্ধব আত্মবিশ্বাসের ভাষা শিখতে পারবে? যদি পারে, তাহলে হয়তো একদিন সত্যিই বহু প্রবাসী বাঙালির কাছে ‘ফেরা’ শব্দটা শুধুই নস্টালজিয়া হয়ে থাকবে না, বাস্তব সম্ভাবনাও হয়ে উঠবে।
টুটুবাবু চলে গেলেন। মাথার ওপর থেকে ছাতা চলে গেলে, যা হয়, এখন অবস্থা সেরকমই। একলা লাগে ভারি।
সম্প্রতি হিমাচল প্রদেশের পর্যটনের আঁতুর মানালি সোশাল মিডিয়ায় আলোচনার গোলটেবিলে। তবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নয়, বরং তা চর্চায় উঠে এসেছে সেখানকার পাবলিক প্লেসে একটি ফোন চার্জিং সেন্টার, কীভাবে, কয়েক ঘণ্টায় আবর্জনাময় স্পটে পরিণত হল, সেই কারণে।
‘শূন্য থেকে শুরু’। স্বপনসাধন বোসের (টুটু বোস) ৭৫ বছরের জন্মদিনে প্রকাশিত হয়েছিল এই বই। কীরকম ছিল তাঁর বড় হয়ে ওঠা? তাঁর বাল্যকাল? শিক্ষাজীবন? লিখেছিলেন এই বইয়ের ‘সহজপাঠ’ অংশে। তাঁর প্রয়াণ-আবহে রইল সে লেখার টুকরো পুনর্মুদ্রণ।
নিবিড় আঁধারে আপনি আমাকে দিয়েছিলেন নির্ভয়নিলয়। এবং হাত ধরে এই প্রতিশ্রুতি, ছেড়ে যাবেন না। আমি জানি ছেড়ে আপনি যাননি। আমিও যাইনি আপনাকে ছেড়ে। দেখা হবে। হয়তো তাড়াতাড়ি। জীবন তৈরি করে আলোকবর্ষের দূরত্ব। মৃত্যু আমাদের প্রত্যেককে মুহূর্তে করে আত্মীয়। টুটু বোসের প্রয়াণে বিশেষ স্মরণলেখ।
তালপাতার স্মৃতি। আজও আমাদের লোকসংস্কৃতিতে তালপাতার লেখা প্রথাটি টিকে আছে। নবজাতকের জন্মের ষেটেরার দিনে তালপাতায় দুর্গানাম লিখে শিশুর মাথায় গোড়ায় রাখা হয়। বিশ্বাস হল, এই দিন বিধাতাপুরুষ নবজাতকের বিধিলিপি রচনা করবেন ঐ তালপাতাতেই।
হঠাৎ পেচ্ছাপ কেন? তাহলে বলি। অ্যামাজনের বিভিন্ন ওয়্যার-হাউসে কর্মরত যে-সমস্ত শ্রমিক, যারা এ-সমাজে উৎপাদন-ক্ষম, প্রত্যেককে দেওয়া হয়েছে ছোট একটি বোতল। বাথরুম ব্রেক বলে আর কিছু নেই। যদি পেচ্ছাপ পায়, সেরে নিতে হবে বোতলেই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved