
যাঁরা এখনও তেমনভাবে পড়েননি জেন অস্টেন, তাঁরা অন্তত চেখে দেখবেন এই ২৫০ বছরের প্রাচীন আধুনিকতা। আর ভাববেন, কেমন ছিল তাঁর লেখার টেবিল? সত্যিই কি সেই যুগে জেনের ছিল কোনও আলাদা লেখার টেবিল? ভাবনার ঘর? রুম অফ ওয়ান’স ওন? নিশ্চয় না। তবু লিখেছিলেন এই নিদারুণ শৈল্পিক সত্য: আমি জানি না ঠিক কোন সময়ে লেখাটা তৈরি হয়। কোনও নির্ধারিত ঘণ্টা, স্থান, শব্দের অবয়বে কি নিহিত থাকে লেখার ভিত?
৭৪.
সেই তরুণী ১৬ ডিসেম্বর তাঁর ২৫০-তম জন্মদিন পেরলেন। আমার একেবারে তরুণ জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন সেই সুন্দরী। আজও ছেড়ে যাননি। আমি তাঁকে ধরে রেখেছি তাঁর প্রেমের লেখার জন্যে। কলেজে তখনও ভর্তি হইনি। স্কুল ফাইনালের রেজাল্ট বেরক, তবে তো কলেজ। তখন প্রথমে আইএ। তারপর বিএ। আমি অবিশ্যি এমএ-এর সময়েও কলেজের অনন্য লাইব্রেরি ব্যবহার করেছি আমার অশেষ শিক্ষকদের সৌজন্যে। আবার সেই কলেজেই ১৬ বছর পড়িয়েছি। তাই পড়ুয়া সুবাস আজও যাপন থেকে ঝরে গেল না। আজও আমি রোজ হঠাৎ হঠাৎ মনে মনে কলেজ যাই। না গিয়ে পারি না।
আমি ১৬। সম্ভবত ডিসেম্বর। আমার জ্বর। লেপ-চাপা দিয়ে শুয়ে শ্যামপুকুরের পুরনো বাড়িতে কোনও একটা বইয়ে ডুবে আছি। বাবা কাজ থেকে ফিরে আমার হাতে দুটো সেকেন্ড-হ্যান্ড বই দিল। দুটো বই! জেন অস্টেন-এর লেখা। এই লেখিকার নাম শুনেছি। কিন্তু তাঁর লেখা কোনও বই পড়িনি। এইটুকু জানি, জেন অস্টেন রিজেন্সি ইংল্যান্ডের রাইটার। আর রিজেন্সি ইংল্যান্ড বলতে বুঝি ১৭৯৫ থেকে ১৮৩৭-এর ইংল্যান্ড। ১৮৩৭ সালে ভিক্টোরিয়া বসলেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সিংহাসনে। শুরু হল ভিক্টোরিয়ান যুগ। চলে গেল জর্জিয়ান কাল।

১৮১৭ সালে মাত্র ৪২ বছর বয়সে মারা যান অস্টেন। তিনি ভিক্টোরিয়ান নন। জর্জিয়ান। এই প্রথম তাঁর দুটো উপন্যাস এক সঙ্গে হাতে পেলাম। ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ এবং ‘সেন্স অ্যান্ড সেনসেবিলিটি’। আমি কী খুশি! মা হলে জড়িয়ে ধরে আদর করতাম। বাবাকে কোনওদিন জড়িয়ে ধরিনি।

১৬ বছরের আমি প্রথম জেন অস্টেনের প্রেমের উপন্যাস হাতে পেয়ে খুশি তো বটেই। কিন্তু একইসঙ্গে বিহ্বল। কোনটা আগে পড়ব? ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ তো ভীষণ নামকরা বই। দাদু এবং বাবা দু’জনের মুখেই শুনেছি, এ গল্প নাকি বড় হয়ে আমাকে পড়তেই হবে। যাক, এতদিনে বড় হলাম তাহলে, বাবার হাত থেকে বইটা পেয়েই মনে হল। কিন্তু যে বই তখুনি খুলেই পড়তে শুরু করলাম, সেটা ‘সেন্স অ্যান্ড সেনসিবিলিটি’। বইয়ের ওপেনিং লাইনটা আমাকে হ্যাঁচকা টানে হুড়মুড় করে নিয়ে গেল গল্পটায়। আমার জ্বর আর আমি মহানন্দে একসঙ্গে লেপের মধ্যে, জম্পেশ হলাম গল্পে:
সাসেক্স-এর নর্ল্যান্ড পার্ক। শাখাপ্রশাখায় ছড়িয়ে থাকা ড্যাশউড পরিবার এখানে বহুদিন বসবাস করছে। কিন্তু এবার তাদের অন্যত্র যেতে হবে। তারা বাড়ি খুঁজছে। কিন্তু মনের মতো বাড়ি পাওয়া কি সহজ?
গল্প যত এগচ্ছে, মনে হচ্ছে ‘সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি’-এর বিষয় বুঝি বাসাবদলের সমস্যা। কিন্তু এরপর চলে এল অনেকগুলো স্তর। এল ড্যাশউড পরিবারের বিস্তৃত গল্প। এল বিভিন্ন চরিত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে এই পরিবারের সমস্যা। এল এই পরিবারের অতীতের কাহিনি, বিদীর্ণ বেদনা, প্রচেষ্টা, সাফল্য, ব্যর্থতা। এবং এই গল্পের কেন্দ্রে ক্রমশ ব্যাপকভাবে চলে এল ড্যাশউড পরিবারের দুই বোন, এলিনোর (Elinor) এবং ম্যারিয়েন (Marianne)-এর প্রণয়জীবন!
এলিনোর এই প্রণয়কথার সেন্স অর্থাৎ, যুক্তিবাদী দৃষ্টিকোণ। আর ম্যারিয়েন শুধু তাড়না আর আবেগ। এবং অনেক শরীর! ১৬ বছরের আমি অন্তত তাই ভাবলাম। পুরো দেখতে পেলাম ম্যারিয়েনের সব খাঁজ ওঠানামা। এবং প্রেমে পড়লাম ম্যারিয়েনের। আমার ১৬ বছরের শরীরে যে আনচান ঘটেছিল সেটার বিষদে যাচ্ছি না। কারণ, ঠিক সেই সময়ে গল্পের মধ্যে ঢুকে পড়ল এডওয়ার্ড ফেরাস তার গোপন জীবনের রহস্য নিয়ে।
ততক্ষণে বাবা, মা নিজেদের ঘরে শুয়ে পড়েছে। আমার আলাদা ঘর। মা থার্মোমিটার দেখে, ওষুধ গিলিয়ে, মাথার কাছে টেবিল ল্যাম্প জ্বেলে, ঘরের আলো নিভিয়ে, তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়তে বলে, চলে গিয়েছে। সেই রাতও ঠিক আজকের রাতের মতো। শীতের রাত। ঘরের আলো এখন নিভিয়ে দিয়েছি। আজকাল মোবাইলে লেপের তলায় শুয়ে শুয়ে লিখি। তবে এখন তো পাপ করার মতো বড় হয়েছি। আর পৃথিবীতে কাউকে জবাবদিহির বালাই নেই। তাই পান এবং লেখা আমার শীতের বিছানায় সাবলীল সহবাসে, ‘অ্যাজ আই অ্যাম রাইটিং দিস্ কপি অন মাই টাইনি ফোন’।
ডাক্তার বলেছে, ‘আমার একটা বারণ অন্তত শুনবেন। ঘরের সব আলো নিভিয়ে মোবাইল ফোনে লিখবেন না।’ তাই শিয়রে জ্বালিয়ে রেখেছি টেবিল ল্যাম্প। মাকে মনে পড়ছে। মা প্রতিরাতে মাথার কাছে টেবিল ল্যাম্প জ্বালিয়ে বলত, ‘বেশি রাত করিসনি।’ আপনারাই বলুন, আমার বয়সি কোনও ছেলের মা কি বেঁচে থাকতে পারে? তবু বেঁচে আছে বোকা মনকেমন!
মনকেমনের সুতো পৌঁছে দিল আমাকে অন্য এক অব্যর্থ জেন অস্টেন এবং আমার এক বহু বছর আগের ব্যক্তিগত বেদনায়।
তখন আরও অনেকটা বড় হয়ে উঠেছি। বিয়ে করেছি। এবং বিবাহিত হয়েও তুমুল প্রেমে পড়েছি এক অবিবাহিত তরুণীর। সেও আমাকে খুব ভালোবাসে। এই সময়ে পড়লাম অস্টেনের ‘পারসুয়েশন’ উপন্যাস। পড়েছেন? যদি না পড়ে থাকেন প্লিজ পড়ুন। বেশ ডার্ক। অতি ভালো। আঁকড়ে থাকবে আপনাকে। নতুন করে প্রেমে পড়াবে।

আমি তখন আমার নতুন প্রণয়কে রোজ চিঠি লিখি। একটি চিঠিতে চুরি করে লিখেছিলাম, তুমি আমার হৃদয়ে রচনা করে চলেছ ছিদ্র। সেই ছিদ্রের এক পাশে আমার দহন। অন্য পাশে, আমার আশা। আমি শুধু তোমাকে, তোমাকেই ভালোবাসি। অস্টেন তাঁর ‘পারসুয়েশন’ উপন্যাসে লিখেছেন, ‘You pierce my soul. I am half agony, half hope. I have loved none but you.’ এই চুরি কাজে লাগেনি, এ-কথা বলতে পারব না। সেই মেয়ে আমার হয়েছিল। কিন্তু কিছু ‘আমার হওয়া’ হারিয়েও যায়। জেন অস্টেনের উপন্যাস আমাকে ক্রমশ বোঝাল, সেই হারিয়ে যাওয়ার মধ্যেই থেকে যায় আসল পাওয়া!
জীবনের যত প্রান্তে আসছি, তত একটি সত্যের সঙ্গে শক্ত হচ্ছে গাঁটছড়া! সেই সত্যিটা হল: ‘I declare after all there is no enjoyment like reading! How much sooner one tires of anything than of a book!’ এই দু’টি পরম উচ্চারণ অস্টেনের এমন এক যুগে, যখন এদেশের মেয়েদের মতো পুরুষশাসিত সমাজে বিলেতের মেয়েদেরও লেখাপড়া ছিল পদে পদে বিঘ্নিত। মনে রাখতে হবে, অস্টেন তাঁর প্রথম উপন্যাস লেখেন ‘বাই আ লেডি’ রহস্যের আড়াল থেকে! সেই সময়ে তাঁর প্রথম উপন্যাসে তিনি দেখাতে পেরেছিলেন এই দুঃসাহস:
‘The more I know of the world, the more I am convinced that I shall never see a man whom I can really love. I require so much.’ যত জানছি এই জগতটাকে, ততই দৃঢ় হচ্ছি এই বিশ্বাসে যে, আমার কোনওদিন দেখা হবে না এমন এক পুরুষের সঙ্গে, যাকে আমি সত্যিই ভালোবাসতে পারব। আমার যে প্রয়োজন একটু নয়, অনেক!

ভাবতে পারেন প্রায় ২৫০ বছর আগের এক ইংরেজ মেয়ে লিখতে পেরেছিলেন এই দুর্ধর্ষ লাইন: ‘None of us want to be in calm waters all our lives.’ আমার কেউ চাই না সারাজীবন নিথর জলে ভাসতে। ভাবতে পারেন, সেই কোন পুরনো যুগের এক মেয়ে চেয়েছিলেন– তরঙ্গ, অস্থিরতা, ঝঞ্ঝা! আমার তরুণ বয়সকে মাতিয়ে ছিলেন তিনি! এখনও জীবনপ্রান্তে সেই তরুণী আমার অনিরুদ্ধ অভিযান! তাঁর ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ উপন্যাসে তিনিই লিখতে পেরেছিলেন এই চিরকালীন উক্তি! ভাবতে চেষ্টা করুন, ১৬ বছর বয়সে এই লাইনটি আমার প্রথম পড়ার উত্তেজনা: It is universally acknowledged that a single man in possession of a good fortune must be in want of a wife.
ঠিক যেন রবিন হুডের শর। চাঁদমারির মধ্যবিন্দুতে।
এবার একটা কথা দিতে হবে। প্রতিশ্রুত হোন, যাঁরা এখনও তেমনভাবে পড়েননি জেন অস্টেন, তাঁরা অন্তত চেখে দেখবেন এই ২৫০ বছরের প্রাচীন আধুনিকতা। আর ভাববেন, কেমন ছিল তাঁর লেখার টেবিল? সত্যিই কি সেই যুগে জেনের ছিল কোনও আলাদা লেখার টেবিল? ভাবনার ঘর? রুম অফ ওয়ান’স ওন? নিশ্চয়ই না। তবু লিখেছিলেন এই নিদারুণ শৈল্পিক সত্য: আমি জানি না ঠিক কোন সময়ে লেখাটা তৈরি হয়। কোনও নির্ধারিত ঘণ্টা, স্থান, শব্দের অবয়বে কি নিহিত থাকে লেখার ভিত? ‘I cannot fix on the hour, or the spot, or the look of the words, which laid the foundation.’
এতভাবে লোভ দেখানো সত্ত্বেও কি আপনারা ডুব দেবেন অস্টেনে? যদি একান্তই না পড়তে চান, বইয়ে যদি অ্যালার্জি, যেমন অনেকেরই আছে এবং তাদের সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে, তাহলে অন্তত আমার অদম্য প্রিয় নায়ক হু গ্রান্ট এবং নায়িকা এমা থম্পসন অভিনীত ‘সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি’ দেখুন আজ সন্ধ্যায়, দু’জনে বা একা, বাড়ির টিভিতে ড্রাই রেড ওয়াইনে চুমুক দিতে দিতে। অনন্য পিরিয়ড পিস। ভালো লাগবেই।

অনেকের মনে একটাই প্রশ্ন এখন, হয়তো: জেন অস্টেন বিয়ে করেননি? না, বিয়ে করেননি। সেই সময় ৪১ বছর পর্যন্ত বেঁচে এক প্রোজ্জ্বল সুন্দরী ইংরেজ মেয়ে থাকলেন অবিবাহিত, এ তো অসম্ভব ঘটনা! কিন্তু জেন অস্টেন এমন যোগ্যপুরুষ খুঁজে পাননি, যাকে বিয়ে করার পরেও তিনি লেখকের স্বাধীন ভাবনার জীবন চালিয়ে যেতে পারবেন।
একদিকে বিবাহিত জীবন। অন্যদিকে বইজীবন। বেছে নিয়েছিলেন শেষেরটাই। তবে ধীময়ী প্রিয়দর্শিনীর জীবনে পুরুষ আসবে না, সম্ভব? টম লেফ্রয় নামের এক যুবকের সঙ্গে ফ্লার্ট করেছিলেন অবশ্যই। তারপর হ্যারিস-বিগউইদার নামের আরও এক যুবক এল জেনের জীবনে। তার সঙ্গে দীর্ঘ প্রেমপর্ব চলল। সেই যুবক এক সন্ধেবেলা দিল বিয়ের প্রস্তাব। হ্যাঁ বললেন জেন! পরের দিন সকালেই জেনের ‘না’ সেই যুবককে।
বিয়ে মানেই তো ছেলেপিলে। লেখার চাহিদা মেটাবেন? না সংসারের? আচমকাই Hodgkin’s Lymphoma নামের এক ক্যানসার দেখা দিল জেনের শরীরে। তাঁর শরীর শেষ হল ১৮১৭-র ১৮ জুলাই। শেষ হয়নি তাঁর বেঁচে থাকা।
…………………….. পড়ুন কাঠখোদাই-এর অন্যান্য পর্ব ……………………
পর্ব ৭৩: কাফকার ভয়-ধরানো প্রেমপত্র!
পর্ব ৭২: থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনা, কলকাতা বইমেলায় শ্রেষ্ঠাংশে তবে রবীন্দ্র-ওকাম্পো?
পর্ব ৭১: একশো বছরের নৈরাজ্য ও একটি লেখার টেবিল
পর্ব ৭০: আত্মজীবনী নয়, মার্গারেটের ব্রতভ্রষ্ট স্মৃতিকথা
পর্ব ৬৯: রুশদির ‘দ্য ইলেভেনথ আওয়ার’ শেষ প্রহরের, অনিবার্য অন্তিমের দ্যোতক
পর্ব ৬৮: মাংসও টেবিলের কাছে ঋণী
পর্ব ৬৭: ভ্রমণ-সাহিত্যকে লাজলো নিয়ে গেছেন নতুন পারমিতায়
পর্ব ৬৬: নরম পায়রার জন্ম
পর্ব ৬৫: যে বইয়ের যে কোনও পাতাই প্রথম পাতা
পর্ব ৬৪: খেলা শেষ করার জন্য শেষ শব্দ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন জেফ্রি আর্চার
পর্ব ৬৩: সহজ ভাষার ম্যাজিক ও অবিকল্প মুরাকামি
পর্ব ৬২: জীবন তিক্ত এবং আশা করা ভুল, এই দর্শনই বিশ্বাস করেন ক্রাজনাহরকাই
পর্ব ৬১: লন্ডনে ফিরে এলেন অস্কার ওয়াইল্ড!
পর্ব ৬০: পাপ ও পুণ্যের যৌথ মাস্টারপিস
পর্ব ৫৯: মাতৃভক্তির দেশে, মাকে ছেড়ে যাওয়ার আত্মকথন
পর্ব ৫৮: চিঠিহীন এই যুগের শ্রেষ্ঠ প্রণয়লিপি
পর্ব ৫৭: লেখার টেবিল কি জানে, কবিতা কার দান– শয়তান না ঈশ্বরের?
পর্ব ৫৬: প্রেমের নিশ্চিত বধ্যভূমি বিয়ে, বার্ট্রান্ড রাসেলের লেখার টেবিল জানে সেই নির্মম সত্য
পর্ব ৫৫: জুলিয়া রবার্টসকে হিন্দুধর্মে দীক্ষা দিয়েছিল একটি বই, একটি সিনেমা
পর্ব ৫৪: আপনার লেখার টেবিল নেই কেন মানিকদা?
পর্ব ৫৩: পুরুষরা যে কতদূর অপদার্থ, ড্রেসিং টেবিলের দেখানো পথে মেয়েরা প্রমাণ করে দেবে
পর্ব ৫২: একটাও অরিজিনাল গল্প লেখেননি শেক্সপিয়র!
পর্ব ৫১: প্রমথ-ইন্দিরার মতো প্রেমের চিঠি-চালাচালি কি আজও হয়?
পর্ব ৫০: হাজার হাজার বছর আগের পুরুষের ভিক্ষা এখনও থামেনি
পর্ব ৪৯: কুকথার রাজনীতিতে অমরত্বের স্বাদ পেয়েছেন জর্জ অরওয়েল
পর্ব ৪৮: টেবিলই ওকাম্পোর স্মৃতি, আত্মজীবনীর ছেঁড়া আদর
পর্ব ৪৭: শেষ বলে কিছু কি থাকতে পারে যদি না থাকে শুরু?
পর্ব ৪৬: যে টেবিলে দেবদূত আসে না, আসে শিল্পের অপূর্ব শয়তান
পর্ব ৪৫: ফ্রেডরিক ফোরসাইথকে ফকির থেকে রাজা করেছিল অপরাধের পৃথিবী
পর্ব ৪৪: আম-বাঙালি যেভাবে আমকে বোঝে, দুই আমেরিকান লেখিকা সেভাবেই বুঝতে চেয়েছেন
পর্ব ৪৩: দু’পায়ে দু’রকম জুতো পরে মা দৌড়ে বেরিয়ে গেল, ইবতিসম্-এর উপন্যাসের শুরু এমনই আকস্মিক
পর্ব ৪২: অন্ধকার ভারতে যে সিঁড়িটেবিলের সান্নিধ্যে রামমোহন রায় মুক্তিসূর্য দেখেছিলেন
পর্ব ৪১: বানু মুশতাকের টেবিল ল্যাম্পটির আলো পড়েছে মুসলমান মেয়েদের একাকিত্বের হৃদয়ে
পর্ব ৪০: গোয়েটের ভালোবাসার চিঠিই বাড়িয়ে দিয়েছিল ইউরোপের সুইসাইড প্রবণতা
পর্ব ৩৯: লেখার টেবিল বাঙালির লাজ ভেঙে পর্নোগ্রাফিও লিখিয়েছে
পর্ব ৩৮: বঙ্গীয় সমাজে বোভেয়ার ‘সেকেন্ড সেক্স’-এর ভাবনার বিচ্ছুরণ কতটুকু?
পর্ব ৩৭: ভক্তদের স্তাবকতাই পাশ্চাত্যে রবীন্দ্র-কীর্তি স্থায়ী হতে দেয়নি, মনে করতেন নীরদচন্দ্র চৌধুরী
পর্ব ৩৬: একাকিত্বের নিঃসঙ্গ জলসাঘরে মারিও ভার্গাস লোসা যেন ছবি বিশ্বাস!
পর্ব ৩৫: জীবনের বাইশ গজে যে নারী শচীনের পরম প্রাপ্তি
পর্ব ৩৪: যা যা লেখোনি আত্মজীবনীতেও, এইবার লেখো, রাস্কিন বন্ডকে বলেছিল লেখার টেবিল
পর্ব ৩৩: ফিওনার সেই লেখার টেবিল মুছে দিয়েছিল মেয়েদের যৌনতা উপভোগের লজ্জারেখা
পর্ব ৩২: বাঙালি নয়, আন্তর্জাতিক বাঙালির সংজ্ঞায় স্পিভাক এসে পড়বেনই
পর্ব ৩১: প্রতিভাপাগল একটি বই, যাকে দিনলিপি বলে সামান্য করব না
পর্ব ৩০: পতিতালয়ের সেই লেখার টেবিল জাগিয়ে তুলেছিল ইসাবেলের হৃদয়-চেতনা
পর্ব ২৯: পাথরে প্রাণ আনে যে টেবিলের স্পর্শ
পর্ব ২৮: নিজের টেবিলকে কটাক্ষ করি, কেন অ্যানে মাইকেলসের মতো লিখতে পারি না?
পর্ব ২৭: নারীর রাগ-মোচনের কৌশল জানে মিলান কুন্দেরার লেখার টেবিল!
পর্ব ২৬: ভালোবাসা প্রকাশের সমস্ত শব্দ পেরিয়ে গিয়েছিল এলিয়টের লেখার টেবিল
পর্ব ২৫: যে টেবিলে জন্ম নেয় নগ্নতা আর যৌনতার নতুন আলো
পর্ব ২৪: প্রেমের কবিতার ভূত জন ডানকে ধরেছিল তাঁর উন্মাদ টেবিলে, মোমবাতির আলোয়
পর্ব ২৩: যে টেবিল আসলে বৈদগ্ধ আর অশ্লীলতার আব্রুহীন আঁতুড়ঘর!
পর্ব ২২: মহাবিশ্বের রহস্য নেমে এসেছিল যে টেবিলে
পর্ব ২১: গাছ আমাদের পূর্বপুরুষ, লেখার টেবিল বলেছিল হোসে সারামাগোকে
পর্ব ২০: টেবিলের কথায় নিজের ‘হত্যার মঞ্চে’ ফিরেছিলেন সলমন রুশদি
পর্ব ১৯: প্রতিভা প্রশ্রয় দেয় অপরাধকে, দস্তয়েভস্কিকে শেখায় তাঁর লেখার টেবিল
পর্ব ১৮: বিবেকানন্দের মনের কথা বুঝতে পারে যে টেবিল
পর্ব ১৭: ‘গীতাঞ্জলি’ হয়ে উঠুক উভপ্রার্থনা ও উভকামনার গান, অঁদ্রে জিদকে বলেছিল তাঁর টেবিল
পর্ব ১৬: যে লেখার টেবিল ম্যাকিয়াভেলিকে নিয়ে গেছে শয়তানির অতল গভীরে
পর্ব ১৫: যে অপরাধবোধ লেখার টেবিলে টেনে এনেছিল শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে
পর্ব ১৪: লেখার টেবিল গিলে নিচ্ছে ভার্জিনিয়া উলফের লেখা ও ভাবনা, বাঁচার একমাত্র উপায় আত্মহত্যা
পর্ব ১৩: হ্যামনেট ‘হ্যামলেট’ হয়ে বেঁচে থাকবে অনন্তকাল, জানে সেই লেখার টেবিল
পর্ব ১২: রবীন্দ্রনাথের লেখার টেবিল চিনতে চায় না তাঁর আঁকার টেবিলকে
পর্ব ১১: আর কোনও কাঠের টেবিলের গায়ে ফুটে উঠেছে কি এমন মৃত্যুর ছবি?
পর্ব ১০: অন্ধ বিনোদবিহারীর জীবনে টেবিলের দান অন্ধকারের নতুন রূপ ও বন্ধুত্ব
পর্ব ৯: বুড়ো টেবিল কিয়ের্কেগার্দকে দিয়েছিল নারীর মন জয়ের চাবিকাঠি
পর্ব ৮: অন্ধকারই হয়ে উঠলো মিল্টনের লেখার টেবিল
পর্ব ৭: কুন্দেরার টেবিলে বসে কুন্দেরাকে চিঠি
পর্ব ৬: মানব-মানবীর যৌন সম্পর্কের দাগ লেগে রয়েছে কুন্দেরার লেখার টেবিলে
পর্ব ৫: বিয়ের ও আত্মহত্যার চিঠি– রবীন্দ্রনাথকে যা দান করেছিল লেখার টেবিল
পর্ব ৪: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের টেবিল আর তারাপদ রায়ের খাট, দুই-ই ছিল থইথই বইভরা
পর্ব ৩: টেবিলের গায়ে খোদাই-করা এক মৃত্যুহীন প্রেমের কবিতা
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved