


বর্ষার রাগ মেঘমল্লার। মেঘমল্লারকে কেন্দ্র করে একাধিক বৈচিত্রময় সাংগীতিক ঘরানা তৈরি হয়েছে। বর্ষার এক-একটি রূপ সেই ঘরানায় ফুটে উঠেছে। যেমন তানসেন গাইতেন মিঞা কি মল্লার, সুরসাধক রামদাস গাইতেন রামদাসী মল্লার, আবার মীরাবাইয়ের ঘরানা মীরাবাই কি মল্লার নামে সুপরিচিত। সুরের সামান্য হেরফের ঘটিয়ে আরও নানা ধরনের মেঘমল্লার পরিবেশিত হয়েছে– গৌরমল্লার, দেশমল্লার, ছায়ামল্লার, নটমল্লার ইত্যাদি।
৩৮.
শেষ জ্যৈষ্ঠ। প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরম। গাছের পাতাটিও নড়ে না। মুরুব্বি চাষি বলে, ‘মিগের বাতের গরম হে!’
জষ্টির সাত আর আষাঢ়ের আট, এই নিয়ে মিগের বাত। অর্থাৎ জষ্টিমাসের ২৩ তারিখ থেকে আষাঢ় মাসের ৭ তারিখ অবধি পক্ষকাল ব্যাপী লোকবাংলায় মিগের রাজত্ব।
মেঘের বিকৃত উচ্চারণ ‘ম্যাগ’ থেকে ‘মিগ’। কেউ কেউ বলেন, ‘মিগ’ আসলে মৃগশিরা নক্ষত্র। কারণ মৃগশিরা নক্ষত্রের তৃতীয় পদ অতিক্রম করে চতুর্থ পদের সূচনায় অম্বুবাচী– জলোৎসব। অর্থাৎ মিগের বাত শেষ হলে অম্বুবাচী পড়ে।
বর্ষামঙ্গলের সূচনা।

জষ্টির শেষ ৭ দিন ‘মুচির-মিগ’। এই সময় তীব্র রোদ, গরমে হাঁসফাস করে চরাচর। মুচি-বাইতিরা ঢাকঢোলের ছাউনির জন্য চামড়া প্রস্তুত করেন। সুতরাং কড়া রোদের প্রয়োজন। মুচির মিগ শেষ হলে চাষির জন্য আসে জলভরা মেঘের এক-আধ পশলা ভারী বর্ষণের সন্দেশ। হাওয়া অফিসের ভাষায় ‘প্রাক বর্ষার বৃষ্টি’।
লোকায়ত নাম ‘চাষার-মিগ’। বঙ্গে নববর্ষার পদধ্বনি।
হঠাৎ একদিন পুবালি হাওয়ায় কালো কালো মেঘ আকাশের মঞ্চ জুড়ে শুরু করে নৃত্য। চারদিক আঁধারে যায় ঢেকে। ‘গুরু গুরু মেঘ গুমরি গুমরি গরজে গগনে গগনে’। ধরণীর বুকে বুকে নেমে আসে বৃষ্টির ধারা। শুরু হয় বাদলা-দিনে পাগলা হাওয়ার মাতলামি!
বাদলের ধারাপাতে কত বিচিত্র ধ্বনিপ্রধান ছন্দের নামতা– ঝমঝম, ঝিমঝিম, টাপুর-টুপুর, ঝিরঝিরে কিংবা ঝরোঝরো উতরোল রোল।
দিগন্তের কোল ঘেঁষে প্রকৃতি বিছিয়ে দেয় বৃষ্টিধোয়া সাদা উত্তরীয়খানি। মাঝেমাঝে স্নিগ্ধ শীতল সান্দ্র বাতাস বয়ে আনে সোঁদা মাটির গন্ধ।
অজস্র ভেকের কলতানে, রিমিঝিমি বর্ষণে, মেঘমল্লারে শুরু বর্ষামঙ্গলের চিরায়ত পালাগান।

বর্ষামঙ্গলের প্রধানত দুই সুর। কৃষকের কর্মব্যস্ততা। একসময় তাদের ওয়ার্কিং আওয়ার ছিল ভোর থেকে সন্ধে। সামান্যতম বিশ্রামের অবকাশও অবলুপ্ত। ভোর চারটে থেকে মাঠে মাঠে লাঙল চষার দৃশ্য। দু’বার লাঙল দিয়ে জমি চষার কাজ। তারপর আলপাট, জমির ঘাই বাঁধা, মই দিয়ে জমির মাটি পরিপাটি করা, বীজমারা, ধানের চারা রোপণ, নিড়েনের কাজ চলত বর্ষাকাল জুড়ে।
বৃষ্টি না হলে নানা ধরনের লোক-অনুষ্ঠান, জাদুবিশ্বাস-মূলক আচার কৃত্যাদিও আছে। এসব নিয়েই তৈরি হয়েছে তাদের যাপন-কেন্দ্রিক লোকসাহিত্য, লোকপ্রবাদ, লোকগান তথা লোকশিল্পের এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার।
সৃষ্টিশীল মানুষ বর্ষাস্নাত রূপসী বাংলার রং-রূপ, সুর বা রসের সজীব অনুভূতি লেখায়, আঁকায় ও সংগীত সাধনায় ফুটিয়ে তোলেন। বর্ষা তাঁদের চিত্তে জাগিয়ে তোলে প্রেম-বিরহের স্মৃতি-বিস্মৃতি। বর্ষাকাল তাঁদের কাছে অবসরের, সৃজনের সুধা নিষিক্ত সময়। বর্ষামঙ্গল তাঁদের শিল্পসাধনায় মহাকাব্যিক মহিমায় উদ্ভাসিত। রবীন্দ্রনাথ এই কারণে লিখেছেন, ‘বর্ষাকাল ঘরে থাকবার কাল, কল্পনা করবার কাল, গল্প শোনবার কাল, ভাইবোনে মিলে খেলা করবার কাল।’ (বর্ষার চিঠি)
শিল্প-সংস্কৃতিও আসলে মনোভূমির কর্ষণজাত সোনার ফসল। সংস্কৃতির অপর নাম কৃষ্টি। কৃষ্টি শব্দটির মূলে রয়েছে কৃষিকাজ অর্থাৎ কৃতকর্ষণ বা চষা। শিল্পীরাও মনচাষা। কবি রামপ্রসাদ সেন এই কারণে লিখেছিলেন,
মনরে কৃষি কাজ জানো না।
এমন মানব-জমিন রইলো পতিত
আবাদ করলে ফলতো সোনা।
বাল্মিকী রামায়ণের কিস্কিন্ধ্যা কাণ্ডের ২৮ সর্গ বর্ষার অপরূপ চিত্রমালায় সমুজ্জ্বল। সেইসঙ্গে সীতা বিরহে ব্যাকুল রামচন্দ্রের রক্তিম হৃদয়-সন্তাপও অনুভব করা যায় পরতে পরতে।
রামচন্দ্র মাল্যবান পর্বতে গিয়ে লক্ষ্মণকে বলেছেন, বর্ষাকাল সমাগত। পর্বততুল্য মেঘে নভোমণ্ডল আবৃত। নববারি পাতে সিক্ত ধরণী যেন সীতার মতো বাষ্পমোচন করছে। গগনমণ্ডল বিদ্যুৎ-পতাকা এবং বলাকামালায় শোভিত। বারিপাতে ভূমি তৃণপূর্ণ। ময়ূরের দল নৃত্যোৎসবে মত্ত।
আদিকবি বর্ষায় স্নাত বনভূমিরও অপূর্ব বর্ণনা দিয়েছেন। বর্ষণমুখর বনে বনে যেন সংগীত হচ্ছে। ভ্রমরের ঝংকার তার মধুর বীণাধ্বনি। ভেকের রব কণ্ঠনিঃসৃত তাল। আর মেঘগর্জন মৃদঙ্গ-নিনাদ।

প্রেম-বিরহ-সৌন্দর্য-সম্ভোগের মহাকবি কালিদাসের অমরসৃষ্টি ‘মেঘদূতম’ শুধু বিরহদীর্ণ গীতিকাব্য নয়, পূর্বমেঘ ও উত্তরমেঘে স্পন্দিত আদ্যান্ত বর্ষাকাব্য। প্রাকৃত পৈঙ্গলের একটি কবিতায় দেখি বর্ষার আগমনে পতি ফিরে আসছেন– এই আনন্দসংবাদে বাতাসে উত্তরীয় ভাসিয়ে দেওয়া নৃত্যরতা রমনীর আনন্দোচ্ছল চিত্রখানি:
সো মহ কন্তা দূর দিগন্তা
পাউস আএ চেলু দুলাএ।।
বৈষ্ণবপদাবলী সাহিত্যে রাধার বর্ষাভিসারের উৎকৃষ্ট পদগুলি নিঃসন্দেহে প্রণয়ের সাধনবেগের কবিতা। পদগুলিতে বর্ষা এসেছে কৃষ্ণপ্রেম তপস্যার বিচিত্র প্রেক্ষিতে। দূরন্ত বর্ষা, ঘন ঘন বজ্রনিপাত, পথ কর্দমাক্ত– এমন জল-রঙের আবহে রাধা, কৃষ্ণের উদ্দেশে অভিসারে ধাবিত হয়েছেন। বিদ্যাপতি, গোবিন্দদাস কবিরাজ, রায়শেখর, জ্ঞানদাস– রাধার বর্ষাভিসারের উৎকৃষ্ট পদ রচনা করেছেন।
ভারতীয় সাহিত্যে বর্ষামঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি নিঃসন্দেহে রবীন্দ্রনাথ। তাঁর লেখা কবিতা, গানে, গল্পে, উপন্যাসে, প্রবন্ধে, চিঠিপত্রে বর্ষার আগমন, স্থিতি, বিদায়চিত্র যেমন অঙ্কিত হয়েছে, তেমনই বর্ষাকে অবলম্বন করে কবি হৃদয়ের ‘শত বরণের ভাব উচ্ছ্বাস’, মানব হৃদয়ের সূক্ষ্ম অনুভূতি, ভাব ও ভাবনা কাব্যরূপ লাভ করেছে।

তাঁর প্রকৃতি পর্যায়ের ২৮৩টি গানের মধ্যে ১২০টি গানই বর্ষা পর্যায়ের। কখনও ঘনঘোর বর্ষায় কবির অন্তরের কথা ব্যক্ত হতে চেয়েছে: ‘এমন দিনে তারে বলা যায়/ এমন ঘন ঘোর বরিষায়।’ ‘বর্ষামঙ্গল’ কবিতায় বর্ষার অপূর্ব চিত্র অঙ্কন করেছেন কবি–
স্নিগ্ধসজল মেঘকজ্জল দিবসে
বিবশ প্রহর অচল অলস আবেশে,
শশীতারাহীনা অন্ধতামসী যামিনী—
কোথা তোরা পুরকামিনী! (কল্পনা)
কবি নজরুল ইসলাম, অক্ষয়কুমার বড়াল, পল্লীকবি জসীমুদ্দিন থেকে শুরু করে আধুনিক কবিরাও বর্ষার রূপচিত্র অঙ্কন করার পাশাপাশি প্রেম-বিরহ-ভালোবাসাকে কাব্যরূপ দান করেছেন।
বর্ষার হাত ধরেই বাংলা কাব্যসাহিত্যে ভেকের কলরব, ময়ূর-ময়ূরীর নৃত্য, কদমফুলের সৌন্দর্য, তমালতরুর স্নিগ্ধতা এবং বাঙালির রসনাবিলাসের অন্যতম উপকরণ ইলিশমাছ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। শুধু সাহিত্যে নয়, মার্গসংগীতেও বর্ষামঙ্গল ধ্বনিত হয়েছে মেঘমল্লার রাগে।
বর্ষার রাগ মেঘমল্লার। মেঘমল্লারকে কেন্দ্র করে একাধিক বৈচিত্রময় সাংগীতিক ঘরানা তৈরি হয়েছে। বর্ষার এক-একটি রূপ সেই ঘরানায় ফুটে উঠেছে। যেমন তানসেন গাইতেন মিঞা কি মল্লার, সুরসাধক রামদাস গাইতেন রামদাসী মল্লার, আবার মীরাবাইয়ের ঘরানা মীরাবাই কি মল্লার নামে সুপরিচিত। সুরের সামান্য হেরফের ঘটিয়ে আরও নানা ধরনের মেঘমল্লার পরিবেশিত হয়েছে– গৌরমল্লার, দেশমল্লার, ছায়ামল্লার, নটমল্লার ইত্যাদি।

বর্ষামঙ্গলকে কেন্দ্র করে কৃষিজীবী তথা পল্লিসংস্কৃতির বৈচিত্রও কোনও অংশে কম নয়। আষাঢ় মাসে ক্ষেতিজমিতে ‘চাষের জল লাগলে’ চাষিরা প্রথম চাষ দিতে দিতে এক ধরনের গান করতেন। একে বলা হত ‘আচোট ভাঙার গান’।
একটা করে গানের লাইন ‘নাঙলা মুনিশ’ বা চাষি ধীর লয়ে গাইত, আর মোষ বা বলদকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ‘বাঁয়ে বাঁয়ে’ বা ‘ডাইনে ডাইনে’ বলে তাল রক্ষা করত।
কেলে ছোঁড়া গো–
কেন বাজাও পোড়া বাঁশি কদমতলায় বসি
ও লয় গো বাঁশি সব্বোনাশি গলায় বেঁধা ফাঁসি।
ও পরানবন্ধু গো–
তুমি বাজাও কেন এমন বাঁশি, ঘরে রইতে লারি গো।
আমি কুল হারা লা লদীর মাঝে কোথায় বাঁধি রশি।।
লাঙলের ফাল এক ফুট মাটির গভীরে চাগার মেরে তুলে দিচ্ছে বৃহৎ ভেজা চ্যাঙর। সেখান থেকে বেরিয়ে আসছে নিদ্রিত গুগলি শামুক কাঁকড়া আরও কত কী! ছড়িয়ে পড়ছে ভুরভুর করে ভেজা মাটির উগ্র সোঁদা গন্ধ।
মাঠে মাঠে নেমে পড়েছে বড় বড় দুধসাদা বক। লাঙলের পিছু পিছু নির্ভয়ে তারা গুগলি শামুক কপাকপ ধরছে আর খাচ্ছে। এরা সেই কবে আশ্বিনের ডাক সংক্রান্তিতে ‘ডাকের জল’ খেয়ে চলে গিয়েছিল শীতঘুমে। এবার তাদের ঘুম ভাঙছে। ক্রমশ বৃষ্টি ভিজিয়ে দেয় চাষিকে। এ বৃষ্টিতে ঠান্ডা নেই, সর্দি নেই। এই বৃষ্টিতে ভেজা যে কত সুখ তা জানে চাষি-রাখাল মুনিশরা।

বর্ষামঙ্গলের এ এক অনবদ্য ছবি!
খনার বচনে, লোকপ্রবাদে, লোকবাগধারায় বর্ষা নিয়ে যুগ-যুগান্তরের কত অভিজ্ঞতা, কত স্মৃতি বা লোক-ইতিহাসের চূর্ণিকা বাঙ্ময় হয়ে উঠেছে।
আষাঢ়ে কাড়ান নামকে
শ্রাবণে কাড়ান ধানকে।
কিংবা
পূর্ণ আষাঢ় দক্ষিণা বায়
সেই বৎসর বান হয়।
কিংবা
ব্যাঙ ডাকে ঘন ঘন
বর্ষা ভালো হবে জেনো।
কিংবা
জ্যৈষ্ঠে শুকো আষাঢ়ে ধারা
শস্যের ভার না সহে ধরা ইত্যাদি।
একাধিক লোকপ্রবাদ রয়েছে– কোদালে কুড়ুলে মেঘ হলে বর্ষা ভালো হয়, পুবে ললপাইছে (মেঘ ঝিলিক মারছে), যত গর্জে তত বর্ষে না ইত্যাদি। বেশ কিছু বাগধারা রয়েছে– বাদুলে পোকা, আষাঢ়ে ছাঁট (প্রায় ন্যাড়া মাথা) আষাঢ়ে গল্প, আষাঢ়ান্ত বেলা ইত্যাদি।
বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম সম্পদ ছড়া। বর্ষাকালের বৃষ্টি কামনার ছড়া আজও মনে পড়ে–
আয় বিষ্টি ঝেঁপে।
ধান দেবো মেপে।।
ধানের ভেতর পোকা।
জামাইবাবু বোকা।।
কখনও কখনও বৃষ্টি থামানোর জন্য ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ছড়া কাটে– ‘নেবুর পাতায় করমচা/ হে বিষ্টি সরে যা’। ছড়াটি বিভূতিভূষণের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসেও ব্যবহৃত হয়েছে।
…………. পড়ুন ঠাকুরদার ঝুলির অন্যান্য পর্ব ………….
পর্ব ৩৭: তরুর ঠাকুরঘর
পর্ব ৩৬: জাল রাজার রাজনীতি
পর্ব ৩৫: ঢেঁকি মোটেই অকম্মার নয়
পর্ব ৩৪: বহুরূপে সম্মুখে তোমার
পর্ব ৩৩: আলকাপ: বিরল মায়ার স্মৃতিচিহ্ন
পর্ব ৩২: তালবাহার
পর্ব ৩১: পোড়ামাটির শিল্পকে জনপ্রিয় করেছে কাঁঠালিয়ার শিল্পীরা
পর্ব ৩০: মৎস্য দেবতা মৎস্য ভোগ
পর্ব ২৯: কুবের পুজোর আচার থেকেই সোনা কেনা হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়
পর্ব ২৮: বৈশাখ বিষ্ণুর প্রিয়, পুরাণের শ্রেষ্ঠ মাস?
পর্ব ২৭: গর্জন থেকেই গাজন
পর্ব ২৬: অসুরদের ফসল বলেই কি আখ বলিপ্রদত্ত?
পর্ব ২৫: যুদ্ধবাজ নয়, বাঙালির রাম করুণরসের
পর্ব ২৪: অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ নিয়ে কৃষ্ণচন্দ্র-নবকৃষ্ণের মামলা লন্ডন অবধি গড়িয়েছিল
পর্ব ২৩: কিম্ভূত-কিমাকার মূর্তির নাম কেন ‘কাকতাড়ুয়া’?
পর্ব ২২: দেড় ফুটের ল্যাংচাভোগ ছাড়া রং খেলেন না মদনমোহন
পর্ব ২১: মায়া মমতায় গড়া বাংলা বিয়ের ছড়া
পর্ব ২০: মাদারি কা খেল
পর্ব ১৯: কোনও পসরাই অবিক্রিত পড়ে থাকে না বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলায়
পর্ব ১৮: সুর নয়, আদিতে সুরার সঙ্গেই অধিক যোগাযোগ ছিল সরস্বতীর
পর্ব ১৭: পৌষপার্বণের সঙ্গে মিশে গেছে টুসু, সোদরব্রত কিংবা কুড়মালি আইখানযাত্রা
পর্ব ১৬: বাংলার মনসা ও চণ্ডীপুজোর ধারা এসে জগৎগৌরীতে মিলেছে
পর্ব ১৫: রাঢ়ের কবিগানের পালায় হিঁদু হলেন চাঁদ মুহম্মদ, কাশীনাথ মুসলিম
পর্ব ১৪: খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধো মন
পর্ব ১৩: বৈদিক যুগের ‘স্থালী’-ই আজকের প্লেট, ‘উখ্য’-ই ফ্রাইং প্যান
পর্ব ১২: লোকখেলার মধ্যে মিশে রয়েছে হাজার বছরের ফেলে আসা জীবনের স্মৃতি
পর্ব ১১: অঘ্রানের নবান্ন মূলত নববর্ষেরই উৎসব ছিল
পর্ব ১০: বারবণিতাদের আরাধনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছিল কাটোয়ার কার্তিক লড়াই
পর্ব ৯: শিশুঘাতক থেকে কেন শিশুরক্ষক দেবতা হয়ে উঠলেন কার্তিক?
পর্ব ৮: তেনাদের পুজো, তেনাদের মেলা-মোচ্ছব
পর্ব ৭: প্রেত মানেই ভূত বা অতীত, কিন্তু সকল প্রেতই ভূত নয়!
পর্ব ৬: কেবল কালী নন, লৌকিক লক্ষ্মী ঠাকরুনও দাঁড়ান স্বামী নারায়ণের বুকে পা রেখেই
পর্ব ৫: মহিষাসুরমর্দিনী নন, কৃষিপ্রধান বাংলায় আদিপূজিতা ছিলেন শস্যদেবী নবপত্রিকা
পর্ব ৪: পুকুরের দেবতা পুকুরের ভূত
পর্ব ৩: পুকুরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে লোককথা আর লোকবিশ্বাস
পর্ব ২: পৌরাণিক হিন্দু ও বৌদ্ধ সাহিত্যে দেবতা অথবা মানুষের বন্ধু হিসেবেই স্থান পেয়েছে কুকুর
পর্ব ১: সেকালের ডাকাতির গপ্প
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved