Robbar

অ্যানির ‘দ্য ইয়ার্স’ শেখায় অন্তহীন ইরোটিসিজম-ই জীবনের পরমপ্রাপ্তি

Published by: Robbar Digital
  • Posted:January 20, 2026 9:03 pm
  • Updated:January 20, 2026 10:02 pm  

এই বই আমি পড়ি ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারিতে। আবার পড়লাম, আরও যেন প্রগাঢ় মন্থনে, ‘সিম্পল প্যাশন’-এর আলোয় ও প্রেক্ষিতে। এবং এই দু’টি বই যে, পরস্পরের পরিপূরক, দুটো বই পিঠোপিঠি পড়লে সেই পাঠ হবে আরশির সামনে আরশি, অনন্তে প্রতিফলিত, সন্দেহ নেই। তাই এবার বিষয়, অ্যানির ‘দ্য ইয়ার্স’ অ্যানির ‘সিম্পল প্যাশন’ প্রকাশিত হয় ১৯৯১-তে। অ্যানি তখন ৫১। তাঁর ‘দ্য ইয়ার্স’ বাজারে এল ১৭ বছর পরে, ২০০৮-এ। অ্যানি তখন ৬৮। এই বই ইংরেজি অনুবাদে সারা বিশ্বে ছড়াল ২০১৭-তে।

রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

৭৭.

গত সপ্তায় নোবেল-জয়ী ফরাসি লেখক অ্যানি এরনোর ‘সিম্পল প্যাশন’ নিয়ে লিখে, সেই লেখার মধ্যে মিশিয়ে দিয়েছিলাম অ্যানির লেখার টেবিলের মনোবীক্ষণের কিছু সংকেত। ‘সিম্পল প্যাশন’ পড়তে পড়তে আমার মনে বারবার ফিরে এসেছে অ্যানির আর একটি বই: ‘দ্য ইয়ার্স’।

নোবেল-জয়ী ফরাসি লেখক অ্যানি এরনো

এই বই আমি পড়ি ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারিতে। আবার পড়লাম, আরও যেন প্রগাঢ় মন্থনে, ‘সিম্পল প্যাশন’-এর আলোয় ও প্রেক্ষিতে। এবং এই দু’টি বই যে, পরস্পরের পরিপূরক, দুটো বই পিঠোপিঠি পড়লে সেই পাঠ হবে আরশির সামনে আরশি, অনন্তে প্রতিফলিত, সন্দেহ নেই। তাই এবার বিষয়, অ্যানির ‘দ্য ইয়ার্স’।

অ্যানির ‘সিম্পল প্যাশন’ প্রকাশিত হয় ১৯৯১-তে। অ্যানি তখন ৫১। তাঁর ‘দ্য ইয়ার্স’ বাজারে এল ১৭ বছর পরে, ২০০৮-এ। অ্যানি তখন ৬৮। এই বই ইংরেজি অনুবাদে সারা বিশ্বে ছড়াল ২০১৭-তে। অ্যানি ৭৭। অ্যানি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন পাঁচ বছর পরে, ১৯২২- এ। তিনি ৮২।

অ্যানি জন্মে ছিলেন ১৯৪০-এর ফ্রান্সে। তাঁর চোখের সামনে কীভাবে পৃথিবী বদলেছে, তিনি জানিয়েছেন আত্মজৈবনিক উপন্যাস ‘দ্য ইয়ার্স’- এ সংক্ষিপ্ত, অব্যর্থ বর্ণনায়। সযত্ন আদরে আলমারিতে তুলে রাখার মতো লেখা:
More than ever, people relied upon the acquisition of things to build better lives. According to their means, they exchanged the cold – fueled stove for a gas cooker, the oilcloth – covered wooden table for Formica – topped, the 4 CV for a Dauphine. The old – fashioned safety razor and cast- iron steam iron were replaced with electrical equivalents, metal utensils with plastic. The most enviable and expensive object was the automobile, synonymous with freedom, a total mastery of space and, in a certain way, the world. To learn to drive and get your license was considered a victory, hailed by friends and family as when you passed the brevet at the end of ninth grade.

এইখানে থেমে যান অ্যানি এরনো। আসল পরিবর্তন, সেই কথাটা লিখবেন কি? লিখতে তো হবেই। কিন্ত কী ভাষায়? কেমন ইঙ্গিতে?

তাঁর মন মেঘলা। মেরুন লিপস্টিকে উজ্জ্বল ঠোঁটে টান দেন সিগারেটে। ধোঁয়া নামিয়ে দেন বুকে। কয়েক সেকেন্ড ধরে রেখে নাক দিয়ে মুক্ত করেন বুকের ধোঁয়া। গ্লাসে বরফের ওপর ঢালেন প্রিয় সিঙ্গেল মল্ট হুইস্কি। এক চুমুকে অনেকটা নামিয়ে দেন। যেন তাঁর গভীর বিভাজিকা দিয়ে বয়ে গেল আগুনের নদী, মনে হয় অ্যানির। বয়সের সঙ্গে শিথিল হয়েছে বুক। কিন্তু বিভাজিকা এখনও ভালোবাসে আগুনে পুড়তে। অ্যানি তাকান টেবিলটার দিকে। আর আবার ঘটে সেই ম্যাজিক। টেবিলের ইচ্ছে ঝাঁপিয়ে পড়ে অ্যানির সমস্ত মন-প্রাণ-শরীর উন্মত্ত করে: We, who had undergone kitchen – table abortions. নিজের মুক্ত, স্বাধীন, পরোয়াহীন সেক্স-জীবনের কথা এইভাবে জানিয়েছেন অ্যানি।

আমাদের মনে পড়বেই তাঁর ‘সিম্পল প্যাশন’ উপন্যাসে আত্মজীবনীমূলক এই লেখা: The man walked up to the woman. The woman’s genitals clearly visible, then the man’s penis, fully erect, sliding into the woman’s vagina, for a long time this coming and going of the two sex organs, then the cock reappeared , in the man’s hand, the sperm spilling on the woman’s belly.

নারীর আসল মুক্তি তো তার যৌন স্বাধীনতা। সেই স্বাধীনতা এল দু’টি মূল কারণে। এক, গর্ভনিরোধক পিল। দুই, কন্ডোম। বেআইনি ভ্রূণমোচন বা গর্ভপাত ক্রমশ হয়ে উঠতে লাগল উন্নত মানের। এই বিশেষ পরিবর্তন ও নারী স্বাধীনতার এই নতুন পরিসরের কথাটি, নিজের জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে, অলংকারহীন ভাষায় এইভাবে জানালেন অ্যানি:

আমরা যারা রান্নাঘরের টেবিলে শুয়ে গর্ভপাত ঘটিয়েছি, মোচন করিয়েছি অবৈধ ভ্রূণ অবৈধভাবে, স্বাধীন হয়েছি বিয়ে ভেঙে বেরিয়ে আসার বদনাম ও সামাজিক কটাক্ষ মাথায় নিয়ে, সেই আমরাই কি নই এক অসামান্য সামাজিক পরিবর্তন ও বিপ্লবের প্রথম বর্তিকা? নারী-স্বাধীনতার একটা বড় দিক, বুড়িয়ে না যাওয়া। শরীরের বয়েস তো বাড়বেই। কিন্তু মনের বয়স বাড়বে কেন? মনের যৌবন ধরে রাখার সহজ উপায় হল, কম বয়সের প্রেমিক পাকড়ে রাখা। লিখব কি এসব কথা? অ্যানি তাকান টেবিলের দিকে। টেবিলের ইচ্ছে মিশে যায় তাঁর বাসনায়:
We wore jeans, leggings, and T- shirts like girls of fifteen. Like them we said, ‘my boyfriend’ when referring to our regular lover. As we aged we ceased to have an age. The sweetness of youth washed over us. The present swelled and carried us back to our twenties. Compared to our mothers, strained and perspiring throughout menopause, we felt as if we had outsmarted time. Young women dreamed of binding a man to themselves; those over fifty, who’ d had all that already, didn’t want it anymore.

আমরা জিনস, লেগিংস, টি-শার্ট পরতে শুরু করলাম, ঠিক যেমন সাজে ১৫ বছরের মেয়েরা। বাচ্চা মেয়েদের মতো আমরাও আমাদের নিত্যদিনের লাভারদের বলতে শুরু করলাম, ‘আমার বয়ফ্রেন্ড’। বয়স যত বাড়ছে, ততই বয়স একেবারে বেপাত্তা হতে লাগল। যৌবনের মাধুরী যেন ভাসিয়ে নিয়ে গেল। বর্তমানের জোয়ার আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে গেল বিশ বছর বয়সে। আমাদের তুলনায় আমাদের মায়েদের জীবন ছিল, কী শোচনীয় কষ্টের! তাদের ঋতুবন্ধের সমস্ত সময়টা কেটেছিল সংসারের কাজে ক্লান্ত হতে হতে আর অনাদরে ঘামতে ঘামতে। আমরা সময়ের থেকে বেশি স্মার্ট। বয়সকে পরাজিত করেছি। কম বয়সের মেয়েরা বোকা। তারা স্বপ্ন দেখে একটা পুরুষকে নিজেদের জীবনে ধরে রাখার। ওই সব আমাদের কবে সারা হয়ে গেছে। হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছি। আর চাই না ওই জীবন।

এই ছবিটা দেখুন, আমার ছবি। নিচে লেখা, ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২। ছবিটা আমার বাড়ির বাগানে তোলা। ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে হাসছি, বিয়ে-ভাঙা স্বাধীনতার হাসি।
I radiate a kind of contained abandon, or fulfillment. The photo was taken in the garden below the house where I lived alone with a cat, a year- and – a – half – old female. Ten years before I lived there with my husband. My husband is far away now, remarried with a new child. When I shop for groceries, I no longer need a trolley. A basket is enough. The incessant concern for others, material and moral, which characterized marriage and family life, has faded.

যৌবনে অ্যানি এরনো

এই বিয়ে-স্বাধীন, সংসারের ঝামেলা-মুক্ত নারীর বয়স ৪০ থেকে ৫৫-র মধ্যে। সে নিজের সম্বন্ধে বলছে: কর্মজীবনের কিছু বাধ্যতামূলক কাজের বাইরে আমি আমার জীবন, আমার ইচ্ছেমতো উপভোগ করছি। নিজের পছন্দের সিনেমা দেখি। নিজের ভালো লাগে, এমন বই পড়ি। পছন্দের জায়গায় বেড়াতে যাই। যা খুশি তাই করি। জবাবদিহির ঝক্কি নেই।

তাকে কেমন দেখতে হয়েছে, এই মধ্য-বয়েসে ? তার মুখেই শুনুন:
Once in a while she looks at herself in the bathroom mirror. A delicate torso, small breasts, very slender waist, slightly rounded belly. The thighs are heavy, with a bulge above the knees. The sex is clearly visible, now that the hair is more sparse. Near the groin, two blue streaks, traces of stretch marks from her pregnancies.

কখনও কখনও সেই নারী উলঙ্গ হয়ে বাথরুমের আয়নায় নিজেকে নিরীক্ষণ করে। হাত-পা ছাড়া বাকি দেহটা অনেক কৃশ হয়ে গিয়েছে। স্তন তাদের আকার হারিয়ে ছোট হয়ে গিয়েছে। কোমর শুকিয়ে ক্ষুদ্রাকার। পেট একটু বেশি গোল। ভারী হয়েছে উরু। হাঁটুর ওপরটা ফোলা ফোলা। যৌনাঙ্গ স্পষ্ট। কেননা বয়সে পাতলা হয়েছে ওখানের চুল। কুঁচকির কাছে নীল রঙের দুটি দাগ। দু’বার গর্ভধারণের চিহ্ন।

এই নারীর ক্যান্সার হয়। কেমোথেরাপি তার শরীরের সব চুল ঝরিয়ে দেয় । উপন্যাসের শেষে এই নারী খবর পায়, তার ছেলের সঙ্গিনী গর্ভবতী। “A baby was growing in the womb of her eldest son’s partner.” এ তো আনন্দের খবর! বিয়ের বাইরে বাচ্চা কোনও সমস্যাই নয় ইউরোপে। বিয়ে বড্ড সেকেলে। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়:
The ultrasound revealed a girl. This replacement of herself in the world, with no delay, profoundly disturbed her.

তাদের পরিবারে একটি নতুন মেয়ে আসছে। যার সবকিছু ঝলমলে নতুন। তার হবে এক মাথা চুল। আর সেই মেয়ে এই মরণাপন্ন নারীকে সরিয়ে দেবে তার মৃত্যুর আগেই। কেউ তাকে মনে রাখবে না। বোধ করবে না তার অভাব। এই ভাবনা ওই নারীর শেষজীবন ভরিয়ে দিল আকস্মিক যন্ত্রণায়।

কিন্তু অ্যানি তাঁর উপন্যাসের শেষে লিখেছেন এই ক’টি লাইন:
In the period between the confirmation of a birth and her own possible death, she met a younger man, who attracted her with her gentleness and his penchant for everything that makes one dream, books, music, films. This miraculous coincidence gave her a chance to triumph over death through love and eroticism, and continued later as an affair in separate residences.

এই উপন্যাসের শেষে কিন্তু নেই কোনও মৃত্যু ও বিদায়। কেননা কোনও জীবন কখনও শেষ হয় না। অ্যানি এরনো বিশ্বাস করেন, প্রতিটি জীবনের অন্তহীনতায়। আর বিশ্বাস করেন, জীবনের পরম প্রাপ্তি ‘eroticism’: যৌন উদ্দীপনা এবং রাগমোচনের সেই বহু ঈপ্সিত শীর্ষ সেকেন্ড! ঈশ্বরঝলক!

…………………….. পড়ুন কাঠখোদাই-এর অন্যান্য পর্ব  ……………………

পর্ব ৭৬: জয় গোস্বামীর সাজেশনে মুগ্ধতা জাগাল ‘সিম্পল প্যাশন’

পর্ব ৭৫: যে নারীর শেষপাতা পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি লেখক

পর্ব ৭৪: সেই তরুণীর জন্য বেঁচে আছে বোকা মনকেমন!

পর্ব ৭৩: কাফকার ভয়-ধরানো প্রেমপত্র!

পর্ব ৭২: থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনা, কলকাতা বইমেলায় শ্রেষ্ঠাংশে তবে রবীন্দ্র-ওকাম্পো?

পর্ব ৭১: একশো বছরের নৈরাজ্য ও একটি লেখার টেবিল

পর্ব ৭০: আত্মজীবনী নয়, মার্গারেটের ব্রতভ্রষ্ট স্মৃতিকথা

পর্ব ৬৯: রুশদির ‘দ্য ইলেভেনথ আওয়ার’ শেষ প্রহরের, অনিবার্য অন্তিমের দ্যোতক

পর্ব ৬৮: মাংসও টেবিলের কাছে ঋণী

পর্ব ৬৭: ভ্রমণ-সাহিত্যকে লাজলো নিয়ে গেছেন নতুন পারমিতায়

পর্ব ৬৬: নরম পায়রার জন্ম

পর্ব ৬৫: যে বইয়ের যে কোনও পাতাই প্রথম পাতা  

পর্ব ৬৪: খেলা শেষ করার জন্য শেষ শব্দ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন জেফ্রি আর্চার

পর্ব ৬৩: সহজ ভাষার ম্যাজিক ও অবিকল্প মুরাকামি

পর্ব ৬২: জীবন তিক্ত এবং আশা করা ভুল, এই দর্শনই বিশ্বাস করেন ক্রাজনাহরকাই

পর্ব ৬১: লন্ডনে ফিরে এলেন অস্কার ওয়াইল্ড!

পর্ব ৬০: পাপ ও পুণ্যের যৌথ মাস্টারপিস

পর্ব ৫৯: মাতৃভক্তির দেশে, মাকে ছেড়ে যাওয়ার আত্মকথন

পর্ব ৫৮: চিঠিহীন এই যুগের শ্রেষ্ঠ প্রণয়লিপি

পর্ব ৫৭: লেখার টেবিল কি জানে, কবিতা কার দান– শয়তান না ঈশ্বরের?

পর্ব ৫৬: প্রেমের নিশ্চিত বধ্যভূমি বিয়ে, বার্ট্রান্ড রাসেলের লেখার টেবিল জানে সেই নির্মম সত্য

পর্ব ৫৫: জুলিয়া রবার্টসকে হিন্দুধর্মে দীক্ষা দিয়েছিল একটি বই, একটি সিনেমা

পর্ব ৫৪: আপনার লেখার টেবিল নেই কেন মানিকদা?

পর্ব ৫৩: পুরুষরা যে কতদূর অপদার্থ, ড্রেসিং টেবিলের দেখানো পথে মেয়েরা প্রমাণ করে দেবে

পর্ব ৫২: একটাও অরিজিনাল গল্প লেখেননি শেক্সপিয়র!

পর্ব ৫১: প্রমথ-ইন্দিরার মতো প্রেমের চিঠি-চালাচালি কি আজও হয়?

পর্ব ৫০: হাজার হাজার বছর আগের পুরুষের ভিক্ষা এখনও থামেনি

পর্ব ৪৯: কুকথার রাজনীতিতে অমরত্বের স্বাদ পেয়েছেন জর্জ অরওয়েল 

পর্ব ৪৮: টেবিলই ওকাম্পোর স্মৃতি, আত্মজীবনীর ছেঁড়া আদর

পর্ব ৪৭: শেষ বলে কিছু কি থাকতে পারে যদি না থাকে শুরু?

পর্ব ৪৬: যে টেবিলে দেবদূত আসে না, আসে শিল্পের অপূর্ব শয়তান

পর্ব ৪৫: ফ্রেডরিক ফোরসাইথকে ফকির থেকে রাজা করেছিল অপরাধের পৃথিবী

পর্ব ৪৪: আম-বাঙালি যেভাবে আমকে বোঝে, দুই আমেরিকান লেখিকা সেভাবেই বুঝতে চেয়েছেন

পর্ব ৪৩: দু’পায়ে দু’রকম জুতো পরে মা দৌড়ে বেরিয়ে গেল, ইবতিসম্‌-এর উপন্যাসের শুরু এমনই আকস্মিক

পর্ব ৪২: অন্ধকার ভারতে যে সিঁড়িটেবিলের সান্নিধ্যে রামমোহন রায় মুক্তিসূর্য দেখেছিলেন

পর্ব ৪১: বানু মুশতাকের টেবিল ল্যাম্পটির আলো পড়েছে মুসলমান মেয়েদের একাকিত্বের হৃদয়ে

পর্ব ৪০: গোয়েটের ভালোবাসার চিঠিই বাড়িয়ে দিয়েছিল ইউরোপের সুইসাইড প্রবণতা

পর্ব ৩৯: লেখার টেবিল বাঙালির লাজ ভেঙে পর্নোগ্রাফিও লিখিয়েছে

পর্ব ৩৮: বঙ্গীয় সমাজে বোভেয়ার ‘সেকেন্ড সেক্স’-এর ভাবনার বিচ্ছুরণ কতটুকু?

পর্ব ৩৭: ভক্তদের স্তাবকতাই পাশ্চাত্যে রবীন্দ্র-কীর্তি স্থায়ী হতে দেয়নি, মনে করতেন নীরদচন্দ্র চৌধুরী

পর্ব ৩৬: একাকিত্বের নিঃসঙ্গ জলসাঘরে মারিও ভার্গাস লোসা যেন ছবি বিশ্বাস!

পর্ব ৩৫: জীবনের বাইশ গজে যে নারী শচীনের পরম প্রাপ্তি

পর্ব ৩৪: যা যা লেখোনি আত্মজীবনীতেও, এইবার লেখো, রাস্কিন বন্ডকে বলেছিল লেখার টেবিল

পর্ব ৩৩: ফিওনার সেই লেখার টেবিল মুছে দিয়েছিল মেয়েদের যৌনতা উপভোগের লজ্জারেখা

পর্ব ৩২: বাঙালি নয়, আন্তর্জাতিক বাঙালির সংজ্ঞায় স্পিভাক এসে পড়বেনই

পর্ব ৩১: প্রতিভাপাগল একটি বই, যাকে দিনলিপি বলে সামান্য করব না

পর্ব ৩০: পতিতালয়ের সেই লেখার টেবিল জাগিয়ে তুলেছিল ইসাবেলের হৃদয়-চেতনা

পর্ব ২৯: পাথরে প্রাণ আনে যে টেবিলের স্পর্শ

পর্ব ২৮: নিজের টেবিলকে কটাক্ষ করি, কেন অ্যানে মাইকেলসের মতো লিখতে পারি না?

পর্ব ২৭: নারীর রাগ-মোচনের কৌশল জানে মিলান কুন্দেরার লেখার টেবিল!

পর্ব ২৬: ভালোবাসা প্রকাশের সমস্ত শব্দ পেরিয়ে গিয়েছিল এলিয়টের লেখার টেবিল

পর্ব ২৫: যে টেবিলে জন্ম নেয় নগ্নতা আর যৌনতার নতুন আলো

পর্ব ২৪: প্রেমের কবিতার ভূত জন ডানকে ধরেছিল তাঁর উন্মাদ টেবিলে, মোমবাতির আলোয়

পর্ব ২৩: যে টেবিল আসলে বৈদগ্ধ আর অশ্লীলতার আব্রুহীন আঁতুড়ঘর!

পর্ব ২২: মহাবিশ্বের রহস্য নেমে এসেছিল যে টেবিলে

পর্ব ২১: গাছ আমাদের পূর্বপুরুষ, লেখার টেবিল বলেছিল হোসে সারামাগোকে

পর্ব ২০: টেবিলের কথায় নিজের ‘হত্যার মঞ্চে’ ফিরেছিলেন সলমন রুশদি

পর্ব ১৯: প্রতিভা প্রশ্রয় দেয় অপরাধকে, দস্তয়েভস্কিকে শেখায় তাঁর লেখার টেবিল

পর্ব ১৮: বিবেকানন্দের মনের কথা বুঝতে পারে যে টেবিল

পর্ব ১৭: ‘গীতাঞ্জলি’ হয়ে উঠুক উভপ্রার্থনা ও উভকামনার গান, অঁদ্রে জিদকে বলেছিল তাঁর টেবিল

পর্ব ১৬: যে লেখার টেবিল ম্যাকিয়াভেলিকে নিয়ে গেছে শয়তানির অতল গভীরে

পর্ব ১৫: যে অপরাধবোধ লেখার টেবিলে টেনে এনেছিল শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে

পর্ব ১৪: লেখার টেবিল গিলে নিচ্ছে ভার্জিনিয়া উলফের লেখা ও ভাবনা, বাঁচার একমাত্র উপায় আত্মহত্যা

পর্ব ১৩: হ্যামনেট ‘হ্যামলেট’ হয়ে বেঁচে থাকবে অনন্তকাল, জানে সেই লেখার টেবিল

পর্ব ১২: রবীন্দ্রনাথের লেখার টেবিল চিনতে চায় না তাঁর আঁকার টেবিলকে

পর্ব ১১: আর কোনও কাঠের টেবিলের গায়ে ফুটে উঠেছে কি এমন মৃত্যুর ছবি?

পর্ব ১০: অন্ধ বিনোদবিহারীর জীবনে টেবিলের দান অন্ধকারের নতুন রূপ ও বন্ধুত্ব

পর্ব ৯: বুড়ো টেবিল কিয়ের্কেগার্দকে দিয়েছিল নারীর মন জয়ের চাবিকাঠি

পর্ব ৮: অন্ধকারই হয়ে উঠলো মিল্টনের লেখার টেবিল

পর্ব ৭: কুন্দেরার টেবিলে বসে কুন্দেরাকে চিঠি

পর্ব ৬: মানব-মানবীর যৌন সম্পর্কের দাগ লেগে রয়েছে কুন্দেরার লেখার টেবিলে

পর্ব ৫: বিয়ের ও আত্মহত্যার চিঠি– রবীন্দ্রনাথকে যা দান করেছিল লেখার টেবিল

পর্ব ৪: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের টেবিল আর তারাপদ রায়ের খাট, দুই-ই ছিল থইথই বইভরা

পর্ব ৩: টেবিলের গায়ে খোদাই-করা এক মৃত্যুহীন প্রেমের কবিতা

পর্ব ২: লেখার টেবিল ভয় দেখিয়েছিল টি এস এলিয়টকে

পর্ব ১: একটি দুর্গ ও অনেক দিনের পুরনো নির্জন এক টেবিল