
গভীর রাত্রে ঝুম্পার ‘রোমান স্টোরিজ’ শেষ করে আমার মন পৌঁছচ্ছে এক বিহ্বল প্রশ্নে: কেমন সেই লেখার টেবিল, যার বুকে ঝুম্পা লিখতে পেরেছেন ‘দান্তে আলিগিয়েরি’র মতো বিরল গল্প? যে গল্পের দান্তে-তাড়িত সন্ধানী গবেষকের মধ্যে আমি তো পেয়েছি ঝুম্পাকেই! যিনি বলতে পারেন, আমার নিজের কোনও ভাষা নেই। আমার নিজের কোনও দেশ নেই। পৃথিবীর সব দেশ আমার। সব ভাষাও আমার।
৮১.
ঝুম্পা লাহিড়ীর সাম্প্রতিক বই– ‘রোমান স্টোরিজ’, সবে পড়লাম। এই বইও তিনি ইতালীয় ভাষায় লিখেছেন। আমি পড়েছি পেঙ্গুইন প্রকাশিত ইংরেজি অনুবাদে। এবং বলতে বাধ্য হচ্ছি, কিছুটা ভিন্ন স্বাদ গন্ধের ঝুম্পা। তিনি কি বদলেছেন তাঁর লেখার টেবিল? এইটুকু জানি, তিনি ইতালিতে প্রায় তিন বছর কাটিয়ে, ফিরে গিয়েছেন আমেরিকায়। সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন মনের মধ্যে ইতালির স্মৃতি, টান, কুহক। তবে এই প্রসঙ্গে পরে আসছি। আপাতত অন্য একটি খুব জরুরি বিষয়ের ডাকে সাড়া দিচ্ছি।

সম্প্রতি কলকাতায় এক সাক্ষাৎকারে ঝুম্পা বলেছেন, ‘আমার নিজের কোনও ভাষা নেই’। জগৎ ঝাঁকিয়ে দেওয়ার মতো মন্তব্য। কিন্তু কেন এমন বললেন তিনি, যাঁর জন্ম লন্ডনে, বড় হয়ে ওঠা, শিক্ষা-দীক্ষা আমেরিকায়, যাঁর বাবা-মা দু’জনেই কলকাতার বাঙালি, মা উত্তর কলকাতার, বাবা দক্ষিণ।

এবার শুরু করা যাক, ঝুম্পার নাম থেকে।
ঝুম্পার পুরো নাম: নীলাঞ্জনা সুদেষ্ণা ঝুম্পা লাহিড়ী। কিঞ্চিৎ নাম বিভ্রাট, অবশ্যই। হয়তো কেউ রেখেছেন নীলাঞ্জনা, তো কেউ চেয়েছেন সুদেষ্ণা। আর বাড়িতে জিভবন্ধু ঝুম্পা। এই নামগুচ্ছ ধারণ করে আমেরিকায় বড় হওয়া কঠিন কাজ। ঝুম্পার মার্কিন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা বেছে নিলেন সহজ উচ্চারণের ‘ঝুম্পা’। অন্য নামগুলো গেল ঝরে। নিজের নাম-কুণ্ঠার প্রসঙ্গটি নিয়ে চমৎকার লিখেছেন ঝুম্পা: I always felt so embarrassed by my name… You feel like you are causing someone pain by being who you are.

আরও একবার ফিরে যাচ্ছি ঝুম্পার বাবা-মার প্রসঙ্গে। বাবা টালিগঞ্জের অমর লাহিড়ী। মা তপতী (টিয়া) সান্যাল উত্তর কলকাতার। অমর অভিবাসী হয়ে বিলেতে চলে যান ১৯৬৬-তে। তপতী যান পরের বছর। সংসার পাতেন ফিন্সবেরি পার্কে। এঁরা যখন আমেরিকায় চলে যান, তখন ঝুম্পার বয়স তিন। ঝুম্পা জন্মসূত্রে ব্রিটিশ নাগরিক। আর তিনি আমেরিকায় না-জন্মেও আমেরিকার নাগরিক। তিনি একইসঙ্গে ব্রিটিশ এবং আমেরিকান পাসপোর্টের ধারক। তাঁর সমস্ত লেখাপড়া আমেরিকায়। তিনি কি নিজেকে আমেরিকান ভাবেন? জানাচ্ছেন ঝুম্পা: I wasn’t born here, but I might as well have been. কিন্তু মা তপতী চাইলেন, তাঁর সন্তানেরা বাংলা ভাষা জানুক এবং বড় হোক বাঙালির ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধ মনে রেখে।

এবার দেখা যাক, ঝুম্পা কতদূর আমেরিকান, শিক্ষা-দীক্ষায়। তিনি বড় হয়েছেন রোড আইল্যান্ডের কিংস্টন-এ। কেন-না তাঁর বাবা অমর তখন রোড আইল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিয়ান। এই প্রসঙ্গে কারও কারও মনে পড়তে পারে, ঝুম্পার ‘ইন্টারপ্রেটার অফ ম্যালাডিজ’ বইয়ের শেষ কাহিনি– ‘দ্য থার্ড অ্যান্ড ফাইনাল কন্টিনেন্ট’-এর নায়ককে।
ঝুম্পার লেখা বারবার তাঁকে নিয়ে গিয়েছে আত্মসন্ধানে, তাঁর নিজের জীবন ও পরিচয়ের গভীরে। তাঁর লেখার টেবিল বারবার তাঁর সামনে তুলে ধরেছে একটি প্রশ্ন: কে তুমি আসলে? ঝুম্পা নিজে বলছেন: I felt intense pressure to be two things, loyal to the old world and fluent in the new.

নতুন পৃথিবীর শিক্ষা-দীক্ষা, ধ্যানধারণায় কতটা অনর্গল ঝুম্পা?
একদিকে ভারতীয় সংস্কৃতি, অন্যদিকে আমেরিকান কালচার, দোটানার মধ্যে বড় হলেন ঝুম্পা। কমবয়সে কষ্ট পেয়েছেন এই বৈপরীত্যের মধ্যে। কিন্তু যত বড় হয়েছেন এই দু’টি বিপরীত স্রোতকে ধারণ করতে শিখেছেন এবং পেরেছেন তাঁর যাপনে এবং প্রকাশে সেই ধারণ নিয়ে আসতে, হয়ে উঠতে পেরেছেন ইন্ডিয়ান-আমেরিকান। খুঁজে পেয়েছেন জীবন সার্থক করে তোলার নতুন মাত্রা।

১৯৮৯ সাল। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্নার্ড কলেজের গ্রাজুয়েট হলেন ঝুম্পা, ইংরেজি সাহিত্যে। বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ইংরেজি-তে এমএ এবং পিএইচডি।
২০০১ সাল। ঝুম্পা বিয়ে করলেন আলবার্তো ভৌরভোলাস-বুশ নামের এক গ্রিক-গুয়াতেমালান আমেরিকান জার্নালিস্টকে। হিন্দু মতে বিয়ে করলেন কলকাতায়। সেই বিয়েতে আমি আমন্ত্রিত ছিলাম না। কিন্তু তখন যে কাগজে কাজ করি, সেই কাগজের সম্পাদক চেয়েছিলেন, আমি যেন সেই বিয়ে কভার করি!
তখনও শুরু হয়নি ডিজিটাল ক্যামেরার যুগ। সেই কাগজের সম্পাদক আমন্ত্রিত ছিলেন ঝুম্পার বিয়েতে। তাঁরই হাত দিয়ে ঝুম্পার বিয়ের ছবি পৌঁছে যায় সংবাদপত্রের দফতরে। এবং আমি ঝুম্পার বিয়ে দেখি পাশের এক নির্মীয়মান অন্ধকার বহুতল বাড়ির ছাদ থেকে!

এবার বলি ঝুম্পা যাকে হিন্দু বিয়ের মন্ত্র পড়ে মালাবদল করে বিয়ে করলেন সেই গ্রিক-গুয়াতেমালান আমেরিকান সাংবাদিক সাহেবটির কথা। তিনি তখন বিশ্ববিখ্যাত ল্যাতিন আমেরিকান ‘টাইম’-এর সহকারি সম্পাদক। এখন তিনি ওই পত্রিকার সিনিয়র এডিটর। তবু এখনও কি ঝুম্পাকে তাঁর লেখার টেবিল প্রশ্ন করতে পারে, কে তুমি? কী তোমার সঠিক পরিচয়? তোমার মধ্যে কি এখনও আছে দ্বন্দ্ব? শেষ হয়নি কি তোমার আত্মসন্ধান?

এই প্রসঙ্গে আমার মনে পড়ছে, ঝুম্পার ‘দ্য নেমসেক’ উপন্যাসের গোগলকে। নিজের নাম নিয়ে গোগোলের মধ্যেও আছে ঝুম্পার কুণ্ঠা ও দ্বন্দ্ব। গোগল ক্রমশ বুঝতে পারে, তার নাম কীভাবে তৈরি করছে তার আত্মপরিচয়ের জটিলতা ও সমস্যা।

এইবার গভীর রাত্রে ঝুম্পার ‘রোমান স্টোরিজ’ শেষ করে আমার মন পৌঁছচ্ছে এক বিহ্বল প্রশ্নে: কেমন সেই লেখার টেবিল, যার বুকে ঝুম্পা লিখতে পেরেছেন ‘দান্তে আলিগিয়েরি’র মতো বিরল গল্প? যে গল্পের দান্তে-তাড়িত সন্ধানী গবেষকের মধ্যে আমি তো পেয়েছি ঝুম্পাকেই! যিনি বলতে পারেন, আমার নিজের কোনও ভাষা নেই। আমার নিজের কোনও দেশ নেই। পৃথিবীর সব দেশ আমার। সব ভাষাও আমার। অথচ কোনও ভাষার শেষ পর্যন্ত পৌঁছতে পারব না আমি। তাই শেষ হবে না আমার অনুসন্ধান। কারই বা হয়!
…………………….. পড়ুন কাঠখোদাই-এর অন্যান্য পর্ব ……………………
পর্ব ৮০: সাহসী প্রেমের চিঠি লেখা শিখিয়েছিল যে বাঙালি যুগল
পর্ব ৭৯: সুরানিলয়ের টেবিল থেকেই জন্ম নিয়েছিল উপন্যাসের ভাবনা
পর্ব ৭৮: একবিন্দু আত্মকরুণা নেই অঞ্জনের আত্মজীবনীতে
পর্ব ৭৭: অ্যানির ‘দ্য ইয়ার্স’ শেখায় অন্তহীন ইরোটিসিজম-ই জীবনের পরমপ্রাপ্তি
পর্ব ৭৬: জয় গোস্বামীর সাজেশনে মুগ্ধতা জাগাল ‘সিম্পল প্যাশন’
পর্ব ৭৫: যে নারীর শেষপাতা পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি লেখক
পর্ব ৭৪: সেই তরুণীর জন্য বেঁচে আছে বোকা মনকেমন!
পর্ব ৭৩: কাফকার ভয়-ধরানো প্রেমপত্র!
পর্ব ৭২: থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনা, কলকাতা বইমেলায় শ্রেষ্ঠাংশে তবে রবীন্দ্র-ওকাম্পো?
পর্ব ৭১: একশো বছরের নৈরাজ্য ও একটি লেখার টেবিল
পর্ব ৭০: আত্মজীবনী নয়, মার্গারেটের ব্রতভ্রষ্ট স্মৃতিকথা
পর্ব ৬৯: রুশদির ‘দ্য ইলেভেনথ আওয়ার’ শেষ প্রহরের, অনিবার্য অন্তিমের দ্যোতক
পর্ব ৬৮: মাংসও টেবিলের কাছে ঋণী
পর্ব ৬৭: ভ্রমণ-সাহিত্যকে লাজলো নিয়ে গেছেন নতুন পারমিতায়
পর্ব ৬৬: নরম পায়রার জন্ম
পর্ব ৬৫: যে বইয়ের যে কোনও পাতাই প্রথম পাতা
পর্ব ৬৪: খেলা শেষ করার জন্য শেষ শব্দ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন জেফ্রি আর্চার
পর্ব ৬৩: সহজ ভাষার ম্যাজিক ও অবিকল্প মুরাকামি
পর্ব ৬২: জীবন তিক্ত এবং আশা করা ভুল, এই দর্শনই বিশ্বাস করেন ক্রাজনাহরকাই
পর্ব ৬১: লন্ডনে ফিরে এলেন অস্কার ওয়াইল্ড!
পর্ব ৬০: পাপ ও পুণ্যের যৌথ মাস্টারপিস
পর্ব ৫৯: মাতৃভক্তির দেশে, মাকে ছেড়ে যাওয়ার আত্মকথন
পর্ব ৫৮: চিঠিহীন এই যুগের শ্রেষ্ঠ প্রণয়লিপি
পর্ব ৫৭: লেখার টেবিল কি জানে, কবিতা কার দান– শয়তান না ঈশ্বরের?
পর্ব ৫৬: প্রেমের নিশ্চিত বধ্যভূমি বিয়ে, বার্ট্রান্ড রাসেলের লেখার টেবিল জানে সেই নির্মম সত্য
পর্ব ৫৫: জুলিয়া রবার্টসকে হিন্দুধর্মে দীক্ষা দিয়েছিল একটি বই, একটি সিনেমা
পর্ব ৫৪: আপনার লেখার টেবিল নেই কেন মানিকদা?
পর্ব ৫৩: পুরুষরা যে কতদূর অপদার্থ, ড্রেসিং টেবিলের দেখানো পথে মেয়েরা প্রমাণ করে দেবে
পর্ব ৫২: একটাও অরিজিনাল গল্প লেখেননি শেক্সপিয়র!
পর্ব ৫১: প্রমথ-ইন্দিরার মতো প্রেমের চিঠি-চালাচালি কি আজও হয়?
পর্ব ৫০: হাজার হাজার বছর আগের পুরুষের ভিক্ষা এখনও থামেনি
পর্ব ৪৯: কুকথার রাজনীতিতে অমরত্বের স্বাদ পেয়েছেন জর্জ অরওয়েল
পর্ব ৪৮: টেবিলই ওকাম্পোর স্মৃতি, আত্মজীবনীর ছেঁড়া আদর
পর্ব ৪৭: শেষ বলে কিছু কি থাকতে পারে যদি না থাকে শুরু?
পর্ব ৪৬: যে টেবিলে দেবদূত আসে না, আসে শিল্পের অপূর্ব শয়তান
পর্ব ৪৫: ফ্রেডরিক ফোরসাইথকে ফকির থেকে রাজা করেছিল অপরাধের পৃথিবী
পর্ব ৪৪: আম-বাঙালি যেভাবে আমকে বোঝে, দুই আমেরিকান লেখিকা সেভাবেই বুঝতে চেয়েছেন
পর্ব ৪৩: দু’পায়ে দু’রকম জুতো পরে মা দৌড়ে বেরিয়ে গেল, ইবতিসম্-এর উপন্যাসের শুরু এমনই আকস্মিক
পর্ব ৪২: অন্ধকার ভারতে যে সিঁড়িটেবিলের সান্নিধ্যে রামমোহন রায় মুক্তিসূর্য দেখেছিলেন
পর্ব ৪১: বানু মুশতাকের টেবিল ল্যাম্পটির আলো পড়েছে মুসলমান মেয়েদের একাকিত্বের হৃদয়ে
পর্ব ৪০: গোয়েটের ভালোবাসার চিঠিই বাড়িয়ে দিয়েছিল ইউরোপের সুইসাইড প্রবণতা
পর্ব ৩৯: লেখার টেবিল বাঙালির লাজ ভেঙে পর্নোগ্রাফিও লিখিয়েছে
পর্ব ৩৮: বঙ্গীয় সমাজে বোভেয়ার ‘সেকেন্ড সেক্স’-এর ভাবনার বিচ্ছুরণ কতটুকু?
পর্ব ৩৭: ভক্তদের স্তাবকতাই পাশ্চাত্যে রবীন্দ্র-কীর্তি স্থায়ী হতে দেয়নি, মনে করতেন নীরদচন্দ্র চৌধুরী
পর্ব ৩৬: একাকিত্বের নিঃসঙ্গ জলসাঘরে মারিও ভার্গাস লোসা যেন ছবি বিশ্বাস!
পর্ব ৩৫: জীবনের বাইশ গজে যে নারী শচীনের পরম প্রাপ্তি
পর্ব ৩৪: যা যা লেখোনি আত্মজীবনীতেও, এইবার লেখো, রাস্কিন বন্ডকে বলেছিল লেখার টেবিল
পর্ব ৩৩: ফিওনার সেই লেখার টেবিল মুছে দিয়েছিল মেয়েদের যৌনতা উপভোগের লজ্জারেখা
পর্ব ৩২: বাঙালি নয়, আন্তর্জাতিক বাঙালির সংজ্ঞায় স্পিভাক এসে পড়বেনই
পর্ব ৩১: প্রতিভাপাগল একটি বই, যাকে দিনলিপি বলে সামান্য করব না
পর্ব ৩০: পতিতালয়ের সেই লেখার টেবিল জাগিয়ে তুলেছিল ইসাবেলের হৃদয়-চেতনা
পর্ব ২৯: পাথরে প্রাণ আনে যে টেবিলের স্পর্শ
পর্ব ২৮: নিজের টেবিলকে কটাক্ষ করি, কেন অ্যানে মাইকেলসের মতো লিখতে পারি না?
পর্ব ২৭: নারীর রাগ-মোচনের কৌশল জানে মিলান কুন্দেরার লেখার টেবিল!
পর্ব ২৬: ভালোবাসা প্রকাশের সমস্ত শব্দ পেরিয়ে গিয়েছিল এলিয়টের লেখার টেবিল
পর্ব ২৫: যে টেবিলে জন্ম নেয় নগ্নতা আর যৌনতার নতুন আলো
পর্ব ২৪: প্রেমের কবিতার ভূত জন ডানকে ধরেছিল তাঁর উন্মাদ টেবিলে, মোমবাতির আলোয়
পর্ব ২৩: যে টেবিল আসলে বৈদগ্ধ আর অশ্লীলতার আব্রুহীন আঁতুড়ঘর!
পর্ব ২২: মহাবিশ্বের রহস্য নেমে এসেছিল যে টেবিলে
পর্ব ২১: গাছ আমাদের পূর্বপুরুষ, লেখার টেবিল বলেছিল হোসে সারামাগোকে
পর্ব ২০: টেবিলের কথায় নিজের ‘হত্যার মঞ্চে’ ফিরেছিলেন সলমন রুশদি
পর্ব ১৯: প্রতিভা প্রশ্রয় দেয় অপরাধকে, দস্তয়েভস্কিকে শেখায় তাঁর লেখার টেবিল
পর্ব ১৮: বিবেকানন্দের মনের কথা বুঝতে পারে যে টেবিল
পর্ব ১৭: ‘গীতাঞ্জলি’ হয়ে উঠুক উভপ্রার্থনা ও উভকামনার গান, অঁদ্রে জিদকে বলেছিল তাঁর টেবিল
পর্ব ১৬: যে লেখার টেবিল ম্যাকিয়াভেলিকে নিয়ে গেছে শয়তানির অতল গভীরে
পর্ব ১৫: যে অপরাধবোধ লেখার টেবিলে টেনে এনেছিল শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে
পর্ব ১৪: লেখার টেবিল গিলে নিচ্ছে ভার্জিনিয়া উলফের লেখা ও ভাবনা, বাঁচার একমাত্র উপায় আত্মহত্যা
পর্ব ১৩: হ্যামনেট ‘হ্যামলেট’ হয়ে বেঁচে থাকবে অনন্তকাল, জানে সেই লেখার টেবিল
পর্ব ১২: রবীন্দ্রনাথের লেখার টেবিল চিনতে চায় না তাঁর আঁকার টেবিলকে
পর্ব ১১: আর কোনও কাঠের টেবিলের গায়ে ফুটে উঠেছে কি এমন মৃত্যুর ছবি?
পর্ব ১০: অন্ধ বিনোদবিহারীর জীবনে টেবিলের দান অন্ধকারের নতুন রূপ ও বন্ধুত্ব
পর্ব ৯: বুড়ো টেবিল কিয়ের্কেগার্দকে দিয়েছিল নারীর মন জয়ের চাবিকাঠি
পর্ব ৮: অন্ধকারই হয়ে উঠলো মিল্টনের লেখার টেবিল
পর্ব ৭: কুন্দেরার টেবিলে বসে কুন্দেরাকে চিঠি
পর্ব ৬: মানব-মানবীর যৌন সম্পর্কের দাগ লেগে রয়েছে কুন্দেরার লেখার টেবিলে
পর্ব ৫: বিয়ের ও আত্মহত্যার চিঠি– রবীন্দ্রনাথকে যা দান করেছিল লেখার টেবিল
পর্ব ৪: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের টেবিল আর তারাপদ রায়ের খাট, দুই-ই ছিল থইথই বইভরা
পর্ব ৩: টেবিলের গায়ে খোদাই-করা এক মৃত্যুহীন প্রেমের কবিতা
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved