Robbar

বহুরূপে সম্মুখে তোমার

Published by: Robbar Digital
  • Posted:May 28, 2026 8:46 pm
  • Updated:May 28, 2026 8:46 pm  

সাত দিনের ‘সিরিজ সাজ’-এ প্রথমে থাকত কালী কৃষ্ণ দুর্গা ইত্যাদি দেবতা চরিত্র। রাম-লক্ষ্মণ বা বীর হনুমান অবশ্যই থাকত। মাঝে ক্লাসিক কাব্য-কেন্দ্রিক মহীরাবণ বা কালকেতু। সামাজিক সাজে রঘুডাকাত কিংবা হঠাৎবাবু। আর মুখোশের সাজ থাকত ভয়ংকর নররাক্ষস। বহুরূপীদের জনপ্রিয় ভূমিকা ছিল শিব চরিত্র উপস্থাপনে। মহাদেব জটাজুটধারী। পরনে বাঘছাল। মাথায় টিনের অর্ধবৃত্তাকার চাঁদ। লম্বা গোঁফ, হাতে গাঁজার কলকে। তার মধ্যে জ্বলন্ত বিড়ি। এক মুখ ধোঁয়া করে ছড়া বলতে বলতে রাস্তা হাঁটে।

প্রচ্ছদের আলোকচিত্র: রাজাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়

স্বপনকুমার ঠাকুর

৩৪.

একসময় গ্রাম বাংলায় আমন ধান ওঠার মরশুম মানে বিনোদনের ১৬ আনা। বাঁদর-নাচ, ভালুক-নাচ থেকে শুরু করে জাদুখেলা দেখানো, পটের গান, হাত-ম্যাজিক আর বহুরূপীর সমাগম। গমগম করে উঠত শান্ত পল্লি।

রংচটা টিনের বাক্স, স্ত্রী-পুত্র নিয়ে হাজির হতেন লাভপুর বর্ধমানের আখড়া গ্রামের বহুরূপীরা। পাঠশালার প্রাঙ্গণের এক কোণে তৈরি হত অস্থায়ী কুঁড়েঘর। পুরুষানুক্রমে গ্রাম ধরা থাকত। মোটামুটি ১০টি গ্রাম এক একজনের ভাগে। বহুরূপী দেখানো হত সাতদিন ধরে। শেষদিনে সাজ দেখিয়ে চাল ধান আলু নগদ টাকাপয়সা তুলে, সেই গ্রাম থেকে ডেরা তুলতেন।

এখন ছবিটা বদলে গিয়েছে। বহুরূপীর সাবেকি পেশা অনেকে পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন। দু’-একজন বহুরূপী সাজ দেখালেও আহামরি তেমন কিছু নয়। ট্রেনে কিংবা মেলায় অথবা গ্রামে কদাচিৎ দেখা যায়। অভিনয় সেখানে গৌণ। মানুষও আর আগের মতো বহুরূপী সম্পর্কে আগ্রহী নন। ফলত একদিনের সাজ দেখিয়ে যে যা দেন, তাতেই বহুরূপী সন্তুষ্ট থাকেন।

বহুরূপী, আলোকচিত্র: রাজাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়

আরেক ধরনের বহুরূপী আছেন, তাঁদের সঙ্গে জাতিগত বা বৃত্তিগত কোনও বিষয় নেই। মূলত শখের বহুরূপী। পূর্বে যাত্রাশিল্পী বা লেটো আলকাপের শিল্পীরাই শখের বহুরূপীর অন্তর্গত। বলাবাহুল্য, নাগরিক বৃত্তে এঁরা ভালো পরিচিতি পেয়েছেন। প্রস্তুত আলোচনায় তাঁদের কথা বলা হয়নি। সুতরাং, বাংলার বহুরূপীরা মূলত তিন শ্রেণিতে বিভক্ত– জাত বা পেশাজীবী বহুরূপী, ভিক্ষুক বহুরূপী এবং শখের বহুরূপী।

জাত বহুরূপীরা মূলত যাযাবর বেদিয়া বা পাকমারা সম্প্রদায়ের অন্তর্গত। এরা অরণ্যজীবী, প্রকৃতির সন্তান। মূলত যাযাবর জনগোষ্ঠী। পাখি-শিকার করা এদের অন্যতম জীবিকা ছিল। যেখানে বনাঞ্চল থাকত, সেখানেই ডেরা বাঁধত। যেমন পূর্ব বর্ধমানের আখড়া গ্রামের বহুরূপীরা আঠেরো শতকের প্রথম দিকে মুর্শিদাবাদ থেকে গঙ্গা-তীরবর্তী কাটোয়া দাঁইহাট অঞ্চলে বাসা বাঁধে। কালক্রমে অরণ্য ধ্বংস হলে, যাযাবর বৃত্তি পরিত্যাগ করে স্থায়ীভাবে ডেরা বাঁধে আখড়া গ্রামের উত্তর দিকে; পাশাপাশি বহুরূপী প্রদর্শনকে বৃত্তি হিসেবে তারা গ্রহণ করে। এরা দেবী চণ্ডীর ভক্ত, নিজেদের কালকেতুর বংশধর বলেও দাবি করে থাকে। এই জাত বহুরূপীরাই সাত দিন ধরে সাজ দেখাতেন। সেই ধারাটি আজ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

আখড়া গ্রামের প্রায় ৩৫ ঘর পাকমারা গোষ্ঠীর সকলেই প্রায় একসময় বহুরূপী শিল্পের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কালক্রমে তারা মধুসংগ্রহ, চাষবাস, ছোটখাট ব্যবসা বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। সত্রাজিৎ গোস্বামী রচিত ‘বাংলার বহুরূপী প্রসঙ্গ’ গ্রন্থটি থেকে জানা যায়, ১৯৮৮ সালে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে প্রথম বহুরূপী রাজ্য সম্মেলনে বর্ধমান জেলার যে ২১ জন বহুরূপী প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন– তাঁদের অধিকাংশ হলেন আখড়া গ্রামের বহুরূপী শিল্পী। ২০১১ সালের ক্ষেত্রসমীক্ষায় দেখা গেছে, আখড়া গ্রামে এই পেশাটির সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন– তাদের সংখ্যা কমে মাত্র ৭ জন। ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা আরও কমেছে।

কালীর সাজ। আলোকচিত্র: অর্ঘ্য চট্টোপাধ্যায়

জাতিগত বা পেশাগত বহুরূপীরা মূলত তিন ধরনের চরিত্র রূপায়ন করেন। দেবদেবী চরিত্র; যেমন– কালী, দুর্গা, তারা, শিব, কৃষ্ণ, মনসা ইত্যাদি। কাব্যিক বা লোকায়ত চরিত্র; যেমন– রাবণ, রাম, লক্ষ্মণ, সীতা, মহীরাবণ, নন্দঘোষ, নররাক্ষস ইত্যাদি। সামাজিক চরিত্র; যেমন– রঘুডাকাত, হঠাৎবাবু, তারাসুন্দরী, বিড়লা ডাকু, পাগল ইত্যাদি। এছাড়া একক সাজ হিসেবে অনেকেই বাঘ, হনুমান, ময়ূর ইত্যাদি পশুপাখি সাজেন।

জাত বহুরূপীদের মেকআপ অতি সাধারণ। প্রধান উপকরণ হলো বিসি পাওডার, মিনা অর্থাৎ লাল, পিউলি অর্থাৎ হলুদ, ময়ূরকণ্ঠী অর্থাৎ নীলরং, এছাড়া ভুষোকালি, সোনালি রূপালি রং-সহ নানা ধরনের অভ্র ব্যবহার করেন। অনেক সময় ক্রেপচুল ও পরচুলা লাগে। পৌরাণিক চরিত্রগুলির পোশাকের জন্য রয়াল ড্রেস, জং আবজু ইত্যাদি কিনে আনেন মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের গোরাবাজার থেকে।

বহুরূপীরা মূলত সকালের দিকে সাজেন। সাজ প্রধানত দু’ ধরনের। সাধারণ ও মুখোশের সাজ। মুখোশের সাজ হলে গ্রামে পরিচিত কোনও বাড়িতে গিয়ে পোশাক-আশাক পরেন। সাজসজ্জায় বা বহুরূপীর কাজে বাড়ির মেয়েদের কোনও ভূমিকা নেই। বহুরূপীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাজ প্রদর্শন। একাধিক চরিত্র শুধুমাত্র সাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সংলাপ থাকে না। যেমন কালী সাজতে হলে সংলাপ বলার সুযোগ নেই। নকল জিভ বের করে থাকতে হয়। তবে ভাব-ভঙ্গিতে তিনি দক্ষ শিল্পী।

ভাব-ভঙ্গিতে দক্ষ শিল্পী, আলোকচিত্র: অয়ন মণ্ডল

বহুরূপীর আগমন ঘটে নাটকীয়ভাবে, অতর্কিতে। ফলে নাটকীয় চমক আরেকটি বৈশিষ্ট্য। বহুরূপীর অধিকাংশ দর্শক গ্রামীণ। সেই কারণে বাড়ি বাড়ি তাকে সাজ দেখাতে হয়। সংক্ষিপ্ত সময়ে সাজ প্রদর্শন, সংলাপ, ছড়ার গান, নাটকীয়তা সৃজন ইত্যাদির মাধ্যমে তিনি জমিয়ে তোলেন গেরস্থ বাড়ির অঙ্গন।

বহুরূপী দেখাতে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝির ফলে অনেকসময় শিল্পীরা আক্রান্ত হন। যেমন শরৎচন্দ্রের ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের শ্রীনাথ বহুরূপী বাঘের সাজ দেখাতে গিয়ে প্রভূত বিড়ম্বনার শিকার হয়েছিলেন। ঋত্বিক ঘটকের ‘সুবর্ণরেখা’ ছবিতেও বহুরূপীকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছিল।

বহুরূপীরা বলেন, এটাই বহুরূপী শিল্পের ক্লাইম্যাক্স।

সাত দিনের ‘সিরিজ সাজ’-এ প্রথমে থাকত কালী কৃষ্ণ দুর্গা ইত্যাদি দেবতা চরিত্র। রাম-লক্ষ্মণ বা বীর হনুমান অবশ্যই থাকত। মাঝে ক্লাসিক কাব্য-কেন্দ্রিক মহীরাবণ বা কালকেতু। সামাজিক সাজে রঘুডাকাত কিংবা হঠাৎবাবু। আর মুখোশের সাজ থাকত ভয়ংকর নররাক্ষস। বহুরূপীদের জনপ্রিয় ভূমিকা ছিল শিব চরিত্র উপস্থাপনে।

বহুরূপীর কিশোর শিব, আলোকচিত্র: রাজাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়

মহাদেব জটাজুটধারী। পরনে বাঘছাল। মাথায় টিনের অর্ধবৃত্তাকার চাঁদ। লম্বা গোঁফ, হাতে গাঁজার কলকে। তার মধ্যে জ্বলন্ত বিড়ি। এক মুখ ধোঁয়া করে ছড়া বলতে বলতে রাস্তা হাঁটে। পিছনে দল বেঁধে ছেলেরা যায়। বাড়ি গিয়ে বলে–

ব্যোম ব্যোম কেদার
গাঁজা খাও দেদার।
যে খায়না গাঁজার গুলি
তাকে কি আমি মানুষ বলি
যে বলে গাঁজা বহুত আচ্ছা
বেঁচে থাক তার আণ্ডা বাচ্ছা।।

আরেক ধরনের শিবের সাজ বহুরূপীরা দেখান। সেখানে ডুগডুগি বাজিয়ে ছড়ার গান করেন। গানের সঙ্গে নাচও ছিল চমৎকার।

ব্যোম ব্যোম ব্যোম ভোলা।
নিয়ে এসেছি সিদ্ধি ঝোলা
যে দেবে চাল মুড়ি
তার হবে বিরাট ভুঁড়ি
যে দেবে অনেক অর্থ
তার হবে পরমার্থ।।

শেষ দিনে নন্দ ঘোষ কিংবা গয়লানী সেজে চাল ফেরি তুলতেন। মেয়েলি কণ্ঠে বলতেন–

দই লেবে গো দই
আমি যে সে মেয়ে লই।
আছি ভালো কাপড় কালো
মাঝে দু দিন বাদল গেলো
এক প চেলে তিন প গম
খিচাক দোম খিচাক দোম।।

রামায়ণের বহুরূপীরা, আলোকচিত্র: রাজাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়

‘বহুরূপী’ শিল্প হিসাবে মূলত একক অভিনয়ের লোক-অভিকরণ শিল্প-আঙ্গিকের প্রাচীন শাখা। বহুরূপীরা বলেন ‘রূপের ব্যবসা’। তবে শুধু রূপ ধরা নয়, অভিনয়ও অন্যতম উপাদান। যেখানে কথা থাকে না, সেখানে আঙ্গিক, অভিনয় দেখাতে হয়। এক্ষেত্রে কালী চরিত্রে রূপদান দ্রষ্টব্য।

এইচ এস রিজলে সাহেব লিখেছেন– ‘Bahurupia, a mimic, an actor, a person assuming various characters and disguises.’ [Tribes and Castes of Bengal, Vol-1, p. 152, 1891] তবে সবসময় বহুরূপী যে একজন থাকেন তা নয়, দু’জনেও সাজ দেখাতে আসেন।

বহুরূপী এক ধরনের লোকনাট্য আঙ্গিক। কিন্তু কবে থেকে এই শিল্পের জন্ম সে ইতিহাস অন্ধকারাচ্ছান্ন। এই জাতিগত পেশা ঠিক কাদের ছিল– সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য কিছু পাওয়া যায় না। বৌদ্ধ-জাতকের একাধিক কাহিনি থেকে নট, ভোজবাজিশিল্পী, বাঁশবাজি ইত্যাদি লোকশিল্প ও লোকশিল্পীদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। যেমন চিত্তসম্ভূত জাতকে চণ্ডালদের বাঁশবাজির কথা আছে। দুর্বচ জাতকে সুতীক্ষ্ণ তরোবারি গিলে নেওয়ার ভোজবাজির কথা জানা যায়। আবার তিত্তির জাতকে এমন এক ভবঘুরে বা যাযাবর লোকের কথা আছে, যার বণিক সাজার কথা জানতে পারা যায়।

 

বহুরূপী রবি, আলোকচিত্র: সাত্ত্বিক পাল

ভ্রমিল কলিঙ্গ দেশে করিয়া বহন
বণিকের পণ্যভাণ্ড, নিজেই আবার
সাজিয়া বণিক গেল দেশ দেশান্তরে…।
মিশিয়া নটের দলে কিছু দিন তরে
দেখাইল দণ্ডযুদ্ধ দর্শক সমাজে।
আবার ব্যাধের সঙ্গে মিলিত হইয়া
ধরিল বনের পশু বিস্তারি বাগুরা।।

[জাতক ৪৩৮, ঈশানচন্দ্র ঘোষ অনূদিত]

এখানে একাধিক পেশার কথা বলা হয়েছে– সাজ দেখানো, নটের দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া, আবার ব্যাধের জীবিকা গ্রহণ করা। সাজ প্রদর্শন বা নটের দলে দণ্ডযুদ্ধ দেখানো বহুরূপী বৃত্তির পূর্বাভাস নিঃসন্দেহে। সুতরাং অনুমান করা যায় বহুরূপী সুপ্রাচীন লোকবৃত্তি ও লোককলা।

বাংলা ভাষায় ‘বহুরূপী’ শব্দটি অর্বাচীন হলেও ‘বহুরূপীনি’ শব্দটি সুপ্রাচীন। জৈনসাহিত্যে [The Jaina Iconography, B. C. Bhattacharya, p. 102] ‘বহুরূপীনি’ নামে এক দেবীর সন্ধান পাওয়া যায়। ইনি সর্পবাহনা, চতুর্ভুজা– যাঁর হাতে রয়েছে অক্ষমালা, ফল, ত্রিশূল এবং বরদমুদ্রা। বহুরূপীনি আসলে জৈন যক্ষিণী দেবী। যক্ষিণী প্রাক-বৈদিক সংস্কৃতির উত্তরাধিকারী।

জৈন যক্ষিণী দেবী বহুরূপীনি

বহুরূপীনির সঙ্গে বহুরূপীর যদি কোনও যোগ থাকে, তাহলে নিঃসন্দেহে দেবীর পুজোয় হয়তো বহুরূপীদের কোনও ভূমিকা ছিল। লোকসংস্কৃতির অনেক বিষয়– ছৌ নাচ, গম্ভীরা ইত্যাদির উত্থান পর্বে দেবতা-ভাবনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল।

সুতরাং এমন হতেই পারে, আদিতে হয়তো বহুরূপীদের সঙ্গে বহুরূপীনি দেবীর কোনও যোগ ছিল। 

…………. পড়ুন ঠাকুরদার ঝুলি অন্যান্য পর্ব ………….

পর্ব ৩২: তালবাহার

পর্ব ৩১: পোড়ামাটির শিল্পকে জনপ্রিয় করেছে কাঁঠালিয়ার শিল্পীরা

পর্ব ৩০: মৎস্য দেবতা মৎস্য ভোগ

পর্ব ২৯: কুবের পুজোর আচার থেকেই সোনা কেনা হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়

পর্ব ২৮: বৈশাখ বিষ্ণুর প্রিয়, পুরাণের শ্রেষ্ঠ মাস?

পর্ব ২৭: গর্জন থেকেই গাজন

পর্ব ২৬: অসুরদের ফসল বলেই কি আখ বলিপ্রদত্ত?

পর্ব ২৫: যুদ্ধবাজ নয়, বাঙালির রাম করুণরসের

পর্ব ২৪: অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ নিয়ে কৃষ্ণচন্দ্র-নবকৃষ্ণের মামলা লন্ডন অবধি গড়িয়েছিল

পর্ব ২৩: কিম্ভূত-কিমাকার মূর্তির নাম কেন ‘কাকতাড়ুয়া’?

পর্ব ২২: দেড় ফুটের ল্যাংচাভোগ ছাড়া রং খেলেন না মদনমোহন

পর্ব ২১: মায়া মমতায় গড়া বাংলা বিয়ের ছড়া

পর্ব ২০: মাদারি কা খেল

পর্ব ১৯: কোনও পসরাই অবিক্রিত পড়ে থাকে না বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলায়

পর্ব ১৮: সুর নয়, আদিতে সুরার সঙ্গেই অধিক যোগাযোগ ছিল সরস্বতীর

পর্ব ১৭: পৌষপার্বণের সঙ্গে মিশে গেছে টুসু, সোদরব্রত কিংবা কুড়মালি আইখানযাত্রা

পর্ব ১৬: বাংলার মনসা ও চণ্ডীপুজোর ধারা এসে জগৎগৌরীতে মিলেছে

পর্ব ১৫: রাঢ়ের কবিগানের পালায় হিঁদু হলেন চাঁদ মুহম্মদ, কাশীনাথ মুসলিম

পর্ব ১৪: খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধো মন

পর্ব ১৩: বৈদিক যুগের ‘স্থালী’-ই আজকের প্লেট, ‘উখ্য’-ই ফ্রাইং প্যান

পর্ব ১২: লোকখেলার মধ্যে মিশে রয়েছে হাজার বছরের ফেলে আসা জীবনের স্মৃতি

পর্ব ১১: অঘ্রানের নবান্ন মূলত নববর্ষেরই উৎসব ছিল

পর্ব ১০: বারবণিতাদের আরাধনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছিল কাটোয়ার কার্তিক লড়াই

পর্ব ৯: শিশুঘাতক থেকে কেন শিশুরক্ষক দেবতা হয়ে উঠলেন কার্তিক?

পর্ব ৮: তেনাদের পুজো, তেনাদের মেলা-মোচ্ছব

পর্ব ৭: প্রেত মানেই ভূত বা অতীত, কিন্তু সকল প্রেতই ভূত নয়!

পর্ব ৬: কেবল কালী নন, লৌকিক লক্ষ্মী ঠাকরুনও দাঁড়ান স্বামী নারায়ণের বুকে পা রেখেই

পর্ব ৫: মহিষাসুরমর্দিনী নন, কৃষিপ্রধান বাংলায় আদিপূজিতা ছিলেন শস্যদেবী নবপত্রিকা

পর্ব ৪: পুকুরের দেবতা পুকুরের ভূত

পর্ব ৩: পুকুরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে লোককথা আর লোকবিশ্বাস

পর্ব ২: পৌরাণিক হিন্দু ও বৌদ্ধ সাহিত্যে দেবতা অথবা মানুষের বন্ধু হিসেবেই স্থান পেয়েছে কুকুর

পর্ব ১: সেকালের ডাকাতির গপ্প