


বাঁকুড়ার কেঞ্জেকুড়া কিংবা পুখুরিয়ার মড়গড়ীসিনি অথবা পূর্ব বর্ধমানের কাঁকসার মুড়ির মেলা বিখ্যাত। মকর সংক্রান্তির পর মাঘমাসে মুড়ির মেলার টানে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ। নদীর চড়ায় কিংবা পুকুরের পাড়ে বসে বন্ধুবান্ধব একসঙ্গে মুড়ি ভোজনে বসে যান। এক ধামা মুড়ির সঙ্গে নানা ধরনের তেলেভাজা, হরেক কিসিমের কলাইসিদ্ধ পিঁয়াজ টমেটো কাঁচা লঙ্কা আর জাবড়িয়ে সরষের তেলে পরিপাটি করে হালকা জলের ছিটেন মেরে মুড়ি খাওয়ার গণতান্ত্রিক দৃশ্য এক কথায় লা জবাব!
৪৩.
কাটোয়া খাই-খাই লোকাল। ভিড়ে চিঁড়েচ্যাপ্টা অবস্থা। এরই মধ্যে নানা ধরনের খাবারের চলন্ত বাজার। চা-বিস্কুট। মদনকটকটি, চানাচুর লজেন্স ডালমুট বাদামের রকমারি প্যাকেট। ডালপুড়ি শিঙাড়া ঘুগনির সুরেলা ডাক। খাস-পান্তুয়া থেকে ক্ষীরমোহন, কাঁচাগোল্লা, কালাকাঁদে সজ্জিত কাঁসার বগি। মরসুমি ফলের ঝাঁকা। ছোলামটর সেদ্ধ থেকে ডিমসেদ্ধর উষ্ণ তরিবত।
আর আছে ‘ঝালঝালিয়া’ মুড়ি।
থরে থরে নান্দনিকভাবে সাজানো হরেক কিসিমের লোভনীয় কৌটো। স্টিলের মগে মুড়ির সঙ্গে সরষের তেল চানাচুর আচার আমসি আর নানা প্রকার কুচোর মাখামাখির স্বর্গীয় আওয়াজে তৈরি অর্ধচন্দ্রাকৃতি নারকেল-শোভিত ঝালমুড়ির ঠোঙা।

স্বাদে-গন্ধে লা-জবাব! শুধু কাটোয়া লোকাল নয়। ঝালমুড়ির জনপ্রিয়তা অবশ্য সব লাইনেই সমান।
দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির গ্রামেগঞ্জে সকালসন্ধে জলখাবার হিসেবে মুড়ির কোনও জুড়ি নেই। সঙ্গে চপ, ছোলাসেদ্ধ, কুমড়োর ছক্কা, আলুরদম। পিঁয়াজের ঝালুটি। আর কয়েকটা হরি মরিচের রগরানি। ফাগুন-চোতমাসে লাল লঙ্কাযোগে গোটা মুসুরিসেদ্ধর সঙ্গে মুড়িমাখানি অমৃতকথা।
আর চাই কী! এক জামবাটি মুড়ি কয়েক মিনিটেই সাবাড়।
তবে লোকখাদ্য হিসেবে মুড়ি বরাবর তথাকথিত ভদ্দরলোকদের কাছে ঠিক অবহেলিত নয়, খানিকটা নাক সিঁটকানো ব্যাপার। লোকপ্রবাদে তার ইঙ্গিত মেলে। যেন বাঁকা কথার বক্রোক্তি। যেমন ‘মুড়ি মিছরির এক দড়’ কিংবা ‘চাল থাকতে মুড়ির কদর/ বরের ঘরে পিসির আদর’।
মুড়ির লোকপ্রিয়তার সন্ধান পাচ্ছি কবিকঙ্কন মুকুন্দ চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডে, সই ফুল্লরা বিমলা প্রসঙ্গে–
আঁচল ভরিআ সই দিল খই মুড়ি।
চাপিআ বসিল দোঁহে চৌখণ্ডি পিঁড়ি।।

প্রাচীনকালে অবশ্য মুড়ির নাম ছিল ‘হুড়ুম’। হুড়ুম একপ্রকার শস্যদানা হলেও শব্দটির প্রকৃত অর্থ হল হালকা ফাঁপা ভাজা চাল বা চিঁড়ে। খেতে গেলেই দাঁতের চাপে মুড়মুড় করে আওয়াজ বের হয়।
মুড়মুড় করে ধ্বনি বেরয় বলেই সম্ভবত নামকরণটি হয়েছিল ‘মুড়ি’। কৃষ্ণদাস কবিরাজ চৈতন্যচরিতামৃত কাব্যে লিখেছেন, ‘চিড়া হুড়ুম সন্দেশ সকল’। অবশ্য ‘মুড়ি’ এবং ‘মুড়িবেচুনি’ শব্দদু’টি ‘গোপীচন্দ্রের গান’ কাব্যেও পাওয়া যায়। হুগলি জেলার জিরাটে ধর্মরাজ পুজো উপলক্ষে যে চিড়ামুড়ির মেলাটি হয়, তার লোকায়ত নাম ‘হুড়ুমভাজার মেলা’।
রাঢ়বঙ্গে মুড়ি শুধু লোকপ্রিয় নয়, দেবপ্রিয়। দেবদেবীর নৈবেদ্যে মুড়ি অন্যতম আইটেম। ঘরের মেয়ে দুর্গা। অনেক বনেদিবাড়ির দেবীপুজোর অর্ঘ্য হিসাবে ভাজাপোড়ার সঙ্গে দেওয়া হয় ঘরে ভাজা হলুদ মুড়ি। প্রাচীন কালীপুজোয় কড়কড়ে ভাজা অর্থাৎ চালভাজা মুড়ি অন্যতম উপাদান। ইতুর ভোগে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মুড়কির সঙ্গে মুড়ি দেন ভক্তরা। মুড়ির নাড়ু শোভা পায় কার্তিক কিংবা গোপালের হাতে। কাটোয়া অঞ্চলে সরষের তেলমাখানো মুড়ির ভোগ পান বিকিহাটের কানাই-বলাই বিগ্রহ।

মুড়ির সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে বুড়ির কথা। লোকপ্রবাদে বলে, ‘পেটের গণ্ডগোলে মুড়ি আর বাড়ির গণ্ডগোলে বুড়ি’। বুড়িদের নৈশাহারে মুড়িগুঁড়োই ছিল প্রধান।
এহ বাহ্য! প্রবাদের মূলে রয়েছে: মুড়ি ভাজার বিষয়ে বুড়ির জুড়ি মেলানো দায়। রবীন্দ্রনাথের সহজপাঠের পদ্যে রয়েছে তারই ঝলক।
ঢেঁকি পেতে ধান ভানে বুড়ি।
খোলা পেতে ভাজে খই মুড়ি।।
গ্রামীণ পরিসরে একসময় মুড়ি ভাজার একচেটিয়া পেশা ছিল মধ্যবয়স্কা মহিলা বা বুড়িদের। এদের নাম ছিল বাচাভানুনি বা মুড়িভাজুনি। তাঁরা খোলা প্রতি মজুরি এবং বছরে একটি নতুন বস্ত্র পেতেন। মাণিকরাম গাঙ্গুলির ধর্মমঙ্গল কাব্যে এই ধরনের ভাজন বুড়ির সাক্ষাৎ মেলে অতর্কিতে।
হেনকালে তথাকারে আইল ভাজন বুড়ি।
পৃষ্ঠেতে প্রলয় কুব্জ মাথা যেন ঝুড়ি।।
মুন্সি প্রেমচন্দের ‘বিধ্বংস’ গল্পেও ভুনগিবুড়িকে ভোলা যায় না। তারও পেশা ছিল মুড়ি ভাজা।

‘শুনুরে’ বা বয়স্কা মহিলারা এক কথায় দক্ষ মুড়িশিল্পী। নানা ধরনের মুড়ি ভাজাতে তাঁরা ওস্তাদ। এর মধ্যে দু’টি শ্রেণি প্রধান– সাদা মুড়ি ও হলুদ মুড়ি। হলুদ মুড়ির পরিচিতি ‘চালভাজা’। এই মুড়ি সাধারণত উৎসবে বিয়ে-থা উপলক্ষে ভাজা হত। চালভাজার চাল প্রধানত দেড়ভাপা চালের সঙ্গে হলুদ মাখানো। সঙ্গে কুসুমফুলের বীজ, ছোলা চানা বাদাম মটরভাজার নকশিকাঁথা। এর সঙ্গে গোটা শুকনো লঙ্কা জিড়ে ইত্যাদির ভাজা মশলার সঙ্গে সরষের তেলের মিশ্রণে চালভাজা অনবদ্য আইটেম। রাঢ় বাংলার জামাই আপ্যায়নের অন্যতম অঙ্গ এই চালভাজা।
আরেক ধরনের চালভাজা থাকে, তা হল আলুনি চালভাজা; এরই নাম প্রকৃতপক্ষে হুড়ুমভাজা। কড়কড়ে মূলত একভাপা খুদের অস্ফুট মুড়ি। কড়কড়ে লাগে বিভিন্ন দেবদেবীর পুজোয়।
সব ধানের মুড়ি ভালো হয় না। আউশ চালের মুড়ি খেতে সুস্বাদু তবে শক্ত। আমনধানের মধ্যে কনকচূড়, কলমা, স্বর্ণললাট মুড়ির ধান হিসেবে জনপ্রিয়। এইসব ধান থেকে চাল করাও কম ফৈজতের কাম ছিল না। প্রথমে ঝাড়াই-বাছাই করে একভাপার পর ঠান্ডা জলে ২৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে আবার তাকে দোভাপা করতে হবে। এরপর শুকিয়ে নিয়ে চাল তৈরির কর্মকাণ্ড।
মুড়ি ভাজতে হলে দু’ ধরনের মাটির খোলা বা খাপুড়ি লাগে। আর লাগে টিনের টুকুই। চাল লবণাক্ত করে টুকুইতে ভরে জলে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে নাড়া খোলায় হাতা টেনে গরম করার পালা। পরে ছাঁকা খোলায় নারকেলের কাঠির গুচ্ছ, যা ‘কুঁচি কাঠি’ নামে পরিচিত, তা দিয়ে নাড়া। গরম বালিতে চাল দিয়ে মুড়িভাজা একরকমের দৈনন্দিন কর্ম। বাঁশের চালুনিতে চেলে মুড়ির টিনে সংরক্ষিত হত।

বাঁকুড়ার কেঞ্জেকুড়া কিংবা পুখুরিয়ার মড়গড়ীসিনি অথবা পূর্ব বর্ধমানের কাঁকসার মুড়ির মেলা বিখ্যাত। মকর সংক্রান্তির পর মাঘমাসে মুড়ির মেলার টানে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ। নদীর চড়ায় কিংবা পুকুরের পাড়ে বসে বন্ধুবান্ধব একসঙ্গে মুড়ি ভোজনে বসে যান।
এক ধামা মুড়ির সঙ্গে নানা ধরনের তেলেভাজা, হরেক কিসিমের কলাইসিদ্ধ পিঁয়াজ টমেটো কাঁচা লঙ্কা আর জাবড়িয়ে সরষের তেলে পরিপাটি করে হালকা জলের ছিটেন মেরে মুড়ি খাওয়ার গণতান্ত্রিক দৃশ্য এক কথায় লা জবাব!
মুড়ি খাবার তরিবতও কম নেই। সাদা মুড়িতে সামান্য জলের ছিটা মেশালে সে মুড়ির নাম তখন ম্যা-ভিজে মুড়ি। নতুন আখের গুড়ের ফেনা মাখানো মুড়ির সঙ্গে ঘি মাখালে আবার অন্য এক বিচিত্র স্বাদ। পরিমাণে বেশি হলে ভিজিয়ে খাওয়া।
ভেজানো মুড়ি নিয়ে লোকগল্পটিও রাঢ় অঞ্চলে জনপ্রিয়। গাঁ-বাংলায় তখন বেলা দশটা। বাড়ির মানুষজন, মাঠের রাখাল, মুনিশ মুড়ি খেতে বসেছে। মুড়িতে জল পড়েছে। আওয়াজ উঠছে সোঁ সোঁ করে। আকাশপথে তখন নারদ যাচ্ছিলেন ঢেঁকিতে চেপে। আচম্বিতে সম্মিলিত সোঁ-ধ্বনির আওয়াজ শুনে তিনি ভড়কে গেলেন। পরে ইষ্টদেবতার কাছে প্রকৃত সংবাদ শুনে ধাতস্থ হলেন নারদ।
–নারায়ণ! নারায়ণ! মুড়ি নিয়ে কী কাণ্ড রে বাবা!

সাদা মুড়ির সঙ্গে ‘রোয়া’ অর্থাৎ ঝালযুক্ত সাদা পিঁয়াজ-সহ মাখানো চপের কম্বিনিশেন অনবদ্য। গঙ্গার ঘাটে-ঘাটে এমন ছবি আকছার দেখা যায় এখনও। লোকসাহিত্য জুড়ে মুড়ির আদর ও কদর বিস্ময়কর। ভাদুগানে, ভাঁজোর ছড়ায়, টুসুর গানে গানে মুড়ির জয়জয়কার।
ঝিঙেশালের ফুলকো মুড়ি গুড়ের লাড়ু চাই।
ফুল বাতাসা খাবে ভাদু আর যে কিছু নাই।।
লোকগানেও বলা হয়েছে–
কাঁচের গেলাসে পাকা মদ লো
সাদা মুড়িতে আলুর চপ লো।
মুড়ি নিয়ে কবিতা লিখেছিলেন উনিশ শতকের কবি নিবারণচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ভোজনপুরাণ কাব্যে মুড়িমাহাত্ম্য কবিতায় লিখেছেন,
ভূজা কুলে তুমি উচ্চ,
চাল চিড়া ভাজা তুচ্ছ,
হুড়ুম গুটায় পুচ্ছ,
গুড়ুম আক্কেল।
পরশি তোমার অঙ্গে
সরিষার তেল।।
ইদানীং শিক্ষিত বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ঘটেছে। বাঙালি ক্রমশ নানা প্রাদেশিক বিদেশি খাবারের দিকে ঝুঁকছেন। ফলার বিদায় নিয়েছে। ব্রেকফাস্টের তালিকায় পরিবর্তন এসেছে। রুটি, পরোটা, লুচি তো আছেই, সঙ্গে চাউমিন এগরোল কাটলেট ইত্যাদি ফাস্টফুডের রকমারি ডিস। সরকারি বেসরকারি খাদ্যমেলাতেও জনপ্রিয় হচ্ছে নানা ধরনের দেশি-বিদেশি খাবার।

কিন্তু আম-গ্রামবাংলায় মুড়িকে ঠেকায় কে!
তবে গাঁ-গঞ্জে ঘরোয়া মুড়িভাজা লুপ্তপ্রায়। অধিকাংশ মুড়ি মেশিনে ভাজা। সঙ্গে বিষাক্ত রাসায়নিকের চোখরাঙানি। লুপ্তপ্রায় হচ্ছে কুম্ভকারদের তৈরি খোলা খাপুড়ি আর সাবেকি কর্মকারদের টিনের তৈরি নান্দনিক টুকুই।
টুকুই শুধু মুড়ির চাল থেকে জল ঝরাবার বস্তু নয়। একসময় টুকুই ছিল চাষি গেরস্থ তথা মুনিষদের মুড়ি খাবার পাত্র। শিবের গাজনে নরমুণ্ড নিয়ে কলকেপাতা সন্ন্যাসীরা গান করেন,
ও সাজলে–
কাল তুমি খেয়েছিলে টুকুইভরা মুড়ি।
আজ তোমার মুণ্ডু যায় ধুলোয় গড়াগড়ি।।
…………. পড়ুন ঠাকুরদার ঝুলির অন্যান্য পর্ব ………….
পর্ব ৪২: মাহেশের রথের সারথি
পর্ব ৪১: জগন্নাথের শবরযোগ
পর্ব ৪০: ভিটের ভাস্কর্য
পর্ব ৩৯: হারানো নদীপথ, হারানো জলরেখা
পর্ব ৩৮: বর্ষামঙ্গল
পর্ব ৩৭: তরুর ঠাকুরঘর
পর্ব ৩৬: জাল রাজার রাজনীতি
পর্ব ৩৫: ঢেঁকি মোটেই অকম্মার নয়
পর্ব ৩৪: বহুরূপে সম্মুখে তোমার
পর্ব ৩৩: আলকাপ: বিরল মায়ার স্মৃতিচিহ্ন
পর্ব ৩২: তালবাহার
পর্ব ৩১: পোড়ামাটির শিল্পকে জনপ্রিয় করেছে কাঁঠালিয়ার শিল্পীরা
পর্ব ৩০: মৎস্য দেবতা মৎস্য ভোগ
পর্ব ২৯: কুবের পুজোর আচার থেকেই সোনা কেনা হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়
পর্ব ২৮: বৈশাখ বিষ্ণুর প্রিয়, পুরাণের শ্রেষ্ঠ মাস?
পর্ব ২৭: গর্জন থেকেই গাজন
পর্ব ২৬: অসুরদের ফসল বলেই কি আখ বলিপ্রদত্ত?
পর্ব ২৫: যুদ্ধবাজ নয়, বাঙালির রাম করুণরসের
পর্ব ২৪: অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ নিয়ে কৃষ্ণচন্দ্র-নবকৃষ্ণের মামলা লন্ডন অবধি গড়িয়েছিল
পর্ব ২৩: কিম্ভূত-কিমাকার মূর্তির নাম কেন ‘কাকতাড়ুয়া’?
পর্ব ২২: দেড় ফুটের ল্যাংচাভোগ ছাড়া রং খেলেন না মদনমোহন
পর্ব ২১: মায়া মমতায় গড়া বাংলা বিয়ের ছড়া
পর্ব ২০: মাদারি কা খেল
পর্ব ১৯: কোনও পসরাই অবিক্রিত পড়ে থাকে না বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলায়
পর্ব ১৮: সুর নয়, আদিতে সুরার সঙ্গেই অধিক যোগাযোগ ছিল সরস্বতীর
পর্ব ১৭: পৌষপার্বণের সঙ্গে মিশে গেছে টুসু, সোদরব্রত কিংবা কুড়মালি আইখানযাত্রা
পর্ব ১৬: বাংলার মনসা ও চণ্ডীপুজোর ধারা এসে জগৎগৌরীতে মিলেছে
পর্ব ১৫: রাঢ়ের কবিগানের পালায় হিঁদু হলেন চাঁদ মুহম্মদ, কাশীনাথ মুসলিম
পর্ব ১৪: খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধো মন
পর্ব ১৩: বৈদিক যুগের ‘স্থালী’-ই আজকের প্লেট, ‘উখ্য’-ই ফ্রাইং প্যান
পর্ব ১২: লোকখেলার মধ্যে মিশে রয়েছে হাজার বছরের ফেলে আসা জীবনের স্মৃতি
পর্ব ১১: অঘ্রানের নবান্ন মূলত নববর্ষেরই উৎসব ছিল
পর্ব ১০: বারবণিতাদের আরাধনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছিল কাটোয়ার কার্তিক লড়াই
পর্ব ৯: শিশুঘাতক থেকে কেন শিশুরক্ষক দেবতা হয়ে উঠলেন কার্তিক?
পর্ব ৮: তেনাদের পুজো, তেনাদের মেলা-মোচ্ছব
পর্ব ৭: প্রেত মানেই ভূত বা অতীত, কিন্তু সকল প্রেতই ভূত নয়!
পর্ব ৬: কেবল কালী নন, লৌকিক লক্ষ্মী ঠাকরুনও দাঁড়ান স্বামী নারায়ণের বুকে পা রেখেই
পর্ব ৫: মহিষাসুরমর্দিনী নন, কৃষিপ্রধান বাংলায় আদিপূজিতা ছিলেন শস্যদেবী নবপত্রিকা
পর্ব ৪: পুকুরের দেবতা পুকুরের ভূত
পর্ব ৩: পুকুরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে লোককথা আর লোকবিশ্বাস
পর্ব ২: পৌরাণিক হিন্দু ও বৌদ্ধ সাহিত্যে দেবতা অথবা মানুষের বন্ধু হিসেবেই স্থান পেয়েছে কুকুর
পর্ব ১: সেকালের ডাকাতির গপ্প
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved