culture associated with extinct rivers of bengal | Robbar
Robbar
  • ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হারানো নদীপথ, হারানো জলরেখা

বিপ্রদাসের মনসামঙ্গলকাব্য থেকে শিবানদীর কথা জানা যায়। শিবানদীর অস্তিত্ব বিপন্ন। বালুটিয়া-সংলগ্ন বহড়ান গ্রামের জনশূন্য মৌজায় দেখা যায় পার্শ্ববর্তী গ্রাম গঙ্গাটিকুরী থেকে ক্ষীণ জলধারা বহড়ান গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। উত্তর দিক থেকে আরেকটি জলধারা বহড়ানের মধ্যে প্রবেশ করে মিলিত জলধারাটি বহড়ান থেকে সুজাপুরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই নদীকে বহড়ানবাসীরা আজও বলে থাকেন শিবাই নদী। 

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৬, ১৮:২২   
Facebook WhatsApp Messenger

৩৯.

বঙ্গ তথা ভারতীয় সভ্যতা-সংস্কৃতির শরীরে নদ-নদী যেন শিরা-উপশিরা। নদীর তীরে তীরে গড়ে উঠেছে নগর। ছায়া সুনিবিড় ছোট-ছোট পল্লি। নদী আমাদের চোখে শুধু জীবন-স্বরূপা, অন্নদায়িনী জননী নন। চৈতন্য প্রদায়িনী দেবী।

‘আমাদের জীবনের নদী মৃত্যুর সমুদ্রে মিশিয়াছে।’ মানুষের জীবন প্রবাহের তুলনা প্রসঙ্গে আসে নদীর গতিপথ। কত বাঁক, চড়াই-উতরাই। আমাদের মতোই নদীর শৈশব, উদ্দাম যৌবন আসে। আসে জরা বার্ধক্য। অনিবার্য মৃত্যু।

কত নদী যে লুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কত নদী যে শুকিয়ে গিয়েছে, তার হিসেব আছে মহাকালের খাতায়। ইতিহাসের বিস্মৃত পাতায় পাতায়। 

zoom
বাংলার হারানো নদীতীর, শিল্পী: গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

নদী শুধু মরুপথে ধারা হারায় না, সবুজ সংরাগের আশ্লেষেও মৃত্যুকে বরণ করে। কবি প্রেমেন্দ্র মিত্র ভৌগোলিক কবিতায় লিখেছেন,

‘দিগন্ত বিস্তৃত স্বপ্ন আছে বটে সমতল সবুজ খেতের
কত উগ্র নদী সেই স্বপনেতে গেল মজে হেজে;
একা পদ্মা মরে মাথা কুটে।’

আবার অসংখ্য নদনদীর অকালমৃত্যু ঘটে চলেছে আমাদের লোভ-লালসা অপরিণামদর্শিতার কুটিল ছোবলে।

বাঁকুড়া শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চলেছে গন্ধেশ্বরী নদী। কিন্তু বর্তমানে নোংরা আবর্জনা-পূর্ণ দুর্গন্ধেশ্বরীতে পরিণত হয়েছে!

বর্ধমানের খড়ে নদীকে কে বলবে খরস্রোতা?

zoom
আবর্জনাপূর্ণ গন্ধেশ্বরী নদী

জরাজীর্ণ বৃদ্ধার মতো বয়ে চলেছে অবহেলার আবিল সংকীর্ণ পথরেখায়। খড়ের ভগ্নীসমা আরেক প্রাচীন স্রোতস্বতী– ফড়ে। ঘনঘোর বর্ষায় আজও মঙ্গলকোটের মাঠে মাঠে সে আত্মপ্রকাশের পথ খুঁজে বেড়ায়। 

বেহুলানদী অসুস্থ; মৃত্যুর প্রহর গোনা শয্যাশায়ী রুগি। অথচ এই নদী যে কত বিশাল ছিল তা সতেরো শতকের কবি ক্ষেমানন্দের মনসামঙ্গল কাব্য পড়লেই জানা যায়। বেহুলা স্বর্গে পৌঁছনোর পর থেকে নদী বেহুলাও যেন স্বর্গগতপ্রায়!

বিশাল প্রবাহমালায় একদা বয়ে যেত বর্ধমানকে বিদীর্ণ করে প্রাচীন বল্লুকা নদী। এখানেই গড়ে উঠেছিল ধর্মরাজের আদিপাট। ধর্মসংস্কৃতির গঙ্গা হলেও বর্তমানে বিলুপ্তপ্রায় সর্পিল সলিলরেখা।

একইভাবে বর্ধমানের বিস্তীর্ণ জনপদ থেকে হারিয়ে গিয়েছে জৈন স্মৃতি-সংসক্ত নদী ঋজুপালিকা। রেখে গিয়েছে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য মূর্তি-ভাস্কর্য; শেষ বিদায়ের স্মারক– কৈলাসপুরের শৃগালমুখী দুর্গা কিংবা জৈন সর্বতোভদ্র প্রতিমার প্রত্ন-স্মৃতি।

zoom
শৃগালমুখী দুর্গা, ছবি: শ্যামার্পণম

কত নদী হারিয়ে ফেলেছে তার গতিধারা। খাল-বিল-পুকুরে পরিণত হয়েছে এককালের উদ্দাম তরুণী তটিনী। নামেই তার স্মৃতি; নৈপুকুর নেপুকুরে লুকিয়ে আছে তাদের প্রাণভোমরা। রাঢ়-বাংলার প্রাচীন জনপদগুলির সীমান্তে শীর্ণরেখায় কত যে কাঁদর আছে, তার হিসেব নেই।

অথচ এসব কাঁদর মানেই পুরাতত্ত্বের ভাণ্ডার। মূর্তি-ভাস্কর্য থেকে শুরু করে প্রস্তরযুগের বিচিত্র সেল্ট। কাঁদর মানেই অতীতের উদ্দাম স্রোতস্বিনীর জলজ ফসিলের গর্ভ। 

zoom
কাঁদরের গর্ভ থেকে প্রাপ্ত প্রাগৈতিহাসিক সেল্ট

ছোট্ট সুতোর মতো বর্ষায় তারা জেগে ওঠে। আবার ঘুমিয়ে যায় প্রান্তরের সবুজ বিছানায়।

গঙ্গা নদীর দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য সপ্তধারা ও সাগরাভিমুখে শতমুখী। তাৎপর্যপূর্ণভাবে গঙ্গার দু’টি বৈশিষ্ট্যই পশ্চিমবঙ্গে একসময় দৃশ্যমান হত। তবে শতমুখী যেমন অনেকাংশে লুপ্ত তেমনই সপ্তাধারাও বিলুপ্ত হয়ে গেছে কালান্তরে। সুপ্রসিদ্ধ গঙ্গাস্তোত্রে বলা হয়েছে,

‘সপ্তধারা শতমুখী সগরান্বয়তারিণী।
মুনিসেব্যা মুনিসুতা জহ্নুজানুপ্রভেদিনী॥’

গাঙ্গেয় সপ্তধারার লোককাহিনিতে জুড়ে আছে অতীতের কণ্টকনগর বা একালের শহর কাটোয়ার নাম। 

চৈতন্যজীবনীকার জয়ানন্দ চৈতন্যমঙ্গলকাব্যে কাটোয়ার গঙ্গার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে লিখেছেন–

‘ধন্য ধন্য কাটোয়া নগরী
কেশবভারতী যথা।
মহাভাগবত দ্বিজ শত শত
সপ্তধারা নদী যথা।।’

জয়ানন্দের মতে, শহর কাটোয়া থেকে গঙ্গা সাতটি ধারায় সাগরসঙ্গমে অগ্রসর হয়েছিল। গঙ্গার এই সপ্তধারার অস্তিত্ব ছিল বলেই প্রাচীনকাল থেকে কাটোয়া ‘গুপ্ত বারাণসী’ নামে আখ্যায়িত হয়েছিল। কিংবদন্তি অনুসারে, রাজা বিক্রমাদিত্য সপ্তধারায় গঙ্গাস্নান করতেন। জয়ানন্দ লিখেছেন–

‘মধ্যে কাটোয়া গুপ্ত বারাণসী
নৃত্য নবরত সঙ্গা।’ (সন্ন্যাস খণ্ড ২)

কাটোয়ার শ্মশানঘাটের কাছে আজও গঙ্গার স্বতন্ত্র খাত দেখা যায়। যদিও খাতটি ক্রমশ বুজিয়ে ঘরবাড়ি করা হয়েছে। খাতের গায়েই দেখা যায় জমিদারি বাঁধের শাসন।

zoom
আদিগঙ্গা, কালীঘাট, ১৮৬০

কাটোয়া শহরের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত প্রায় ১০ কিমি দূরবর্তী গ্রাম– দেপাড়া, টিকরখাঁজি, সুদপুর, ঘোড়ানাশ, মুস্থল প্রভৃতি জনপদে কোথাও পুকুর, নালা, কাঁদর ইত্যাদি গঙ্গানামের সঙ্গে যুক্ত; যেমন ঘোড়ানাশ গ্রামে গঙ্গানালা, সুদপুর গ্রামে গঙ্গাসায়র প্রভৃতি খালবিল নামের অস্তিত্ব আছে।

দৃশ্যত গঙ্গার কোনও অস্তিত্ব না-থাকলেও বর্তমানে এই সমস্ত গ্রামে আজও গঙ্গাপুজো হয়। যেমন কাটোয়া থানার গ্রাম দে-পাড়ার গ্রাম্যদেবী গঙ্গা। বার্ষিক পুজো হয় জাঁক করে। টিকরখাঁজি গ্রামেও গঙ্গাপুজো হয়।

একদা নদীর সঙ্গে গ্রামগুলি যুক্ত ছিল বলে গ্রাম-নামকরণের প্রত্যয়টি এসেছে নদী-সম্পর্কিত শব্দ থেকে। ‘খাঁজি’ শব্দটির অর্থ নদীর বাঁকে গ্রাম। এই নামে গ্রামও রয়েছে– টিকরখাঁজি, গোঁপখাঁজি বা গলখাঁজি ইত্যাদি।

দাঁইহাট শহরের উত্তর দিকে গঙ্গার পরিত্যক্ত খাতটি অধিকাংশই ক্ষেতজমিতে পরিণত। বাকি অংশ দীর্ঘ বিলে পরিণত। দাঁইহাটের ভিতরে গঙ্গার একটি শাখা বাঘটিকরার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নসিপুর, নলাহাটি, পাইকপাড়া, জগদানন্দপুর, আমডাঙা, মুস্থল হয়ে ব্রহ্মাণী নদীতে মিশেছিল। গুগল ম্যাপে বিচ্ছিন্ন পুকুরগুলির অবস্থান দেখলে এর সত্যতা বোঝা যায়।

গঙ্গার এই শাখাখাতটি দাঁইহাট ও দেওয়ানগঞ্জকে বিচ্ছিন্ন করেছিল। উনিশ শতকের শেষের দিকেও যে শাখানদীর অস্তিত্ব ছিল– তার উল্লেখ রয়েছে সরকারি প্রতিবেদনে। ‘…by a sudden bend of the deep channel of the river towards the town’ (Sanitary commissioner for Bengal for the year 1873, p. 12) 

zoom
পাহাড়ি মিনিয়েচারে সপ্তমাতৃকা

বিচ্ছিন্ন খাতটিকে এখনও লোকে ‘সপুলা মপুলা’ নদী বলে থাকেন।

গঙ্গার সপ্তধারার সঙ্গে এতদ অঞ্চলের সপ্তমাতৃকা উপাসনার যোগটি দেখা যায়। সপ্তমাতৃকারা ছিলেন নদীর অধিষ্ঠাত্রী দেবী। ঋকবেদের ৯.১০২.৪ শ্লোকে সপ্তনদীর প্রতিনিধি হিসাবে সপ্তমাতৃকার কথা আছে।

কাটোয়া অঞ্চলে তাৎপর্যপূর্ণভাবে সপ্তমাতৃকার দু’টি নদীর কথা জানতে পারি বিভিন্ন উৎস থেকে– ইন্দ্রাণী এবং কৌমারী। তৃতীয় নদীটি এখনও প্রবাহিত হচ্ছে ‘ব্রহ্মাণী’ নামে।

ইন্দ্রাণী নদীর অস্তিত্ব আর নেই। প্রাক্-চৈতন্যযুগের কবি বিপ্রদাসের মনসামঙ্গলকাব্যে ইন্দ্রাণী নদীর উল্লেখ দেখা যায়।

‘ইন্দ্রাণী বাহিয়া নদিয়ায় উপনীত।
আম্বুয়া বাহিয়া গিয়া চাপাএ বুহিত।।’

zoom
পটচিত্রে ব্রহ্মাণী মাতৃকা

সপ্তমাতৃকার আরেক মাতৃকা কৌমারী। ইনি কুমার কার্তিকেয়র শক্তি রূপে পরিচিত। আবার দেবী দুর্গার অপর নাম কৌমারী। তৈত্তিরীয় আরণ্যকে দেবী দুর্গা বা দুর্গীর সঙ্গে ‘কাত্যায়নী’ এবং ‘কন্যাকুমারী’ নাম দু’টি আছে।

‘কাত্যায়নায় বিদ্মহে কন্যাকুমারীং ধীমহি
তন্নো দুর্গিঃ প্রচোদয়াৎ।।’

কৌমারী নদী বলতে অগ্রদ্বীপের গঙ্গা থেকে শাখা বেরিয়ে এসে দক্ষিণমুখী হয়ে কাটোয়া ব্যান্ডেল রেললাইনের সাহেবতলা হল্ট স্টেশনের নিচ দিয়ে পরশুরামপুর, কুমরি প্রভৃতি জনপদের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষপর্যন্ত কুমরির বিলে পরিণত হয়েছে।

নদীটি এখন ক্ষীণ কলেবর। জল উপচে পড়া নালা রূপে দেখা যায় শুধুমাত্র বর্ষাকালে। রেললাইন প্রতিষ্ঠার পর থেকে নদীটির অপমৃত্যু হয়েছে। 

কুমরির বিলের কাছেই কুমরি গ্রাম অবস্থিত। শব্দটি ‘কৌমারী’ শব্দের অপভ্রংশ। কুমরি গ্রামে পূর্বে পূজিত হত অষ্টভুজা পাল পর্বের মহিষমর্দিনী প্রস্তরমূর্তি। দেবী সম্ভবত ‘কৌমারী’ নামেই পূজিত হতেন। কোনও এক সময় থেকে এই মূর্তি অগ্রদ্বীপের সন্নিকটে অবস্থিত কালিকাপুর গ্রামে কালী হিসাবে পূজিত হচ্ছেন। কুমরির বিলে দেবীর উদ্দেশে আজও পুজো হয় মাঘ মাসের মাকুরী সপ্তমী তিথিতে।

zoom
কৌমারী নদী থেকে প্রাপ্ত মহিষাসুরমর্দিনী বিগ্রহ

বল্লাল সেনের নৈহাটি তাম্রশাসন থেকে সিঙ্গটিয়া নামে নদীর কথা জানা যায়। এই নদীর তীরে অবস্থিত প্রাচীন বাল্লহিট্টা বা আধুনিক বালুটে গ্রাম। গ্রামটিকে দান করা হয়েছিল রাজমাতা বিলাসদেবীর হেমাশ্বদান যজ্ঞের পৌরোহিত্য করার জন্য ও বাসুদেব শর্মণকে। সেই নদী বর্তমানে ক্ষুদ্র কাঁদরে পরিণত হয়েছে।

বিপ্রদাসের মনসামঙ্গলকাব্য থেকে শিবানদীর কথা জানা যায়। শিবানদীর অস্তিত্ব বিপন্ন। বালুটিয়া-সংলগ্ন বহড়ান গ্রামের জনশূন্য মৌজায় দেখা যায় পার্শ্ববর্তী গ্রাম গঙ্গাটিকুরী থেকে ক্ষীণ জলধারা বহড়ান গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। উত্তর দিক থেকে আরেকটি জলধারা বহড়ানের মধ্যে প্রবেশ করে মিলিত জলধারাটি বহড়ান থেকে সুজাপুরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই নদীকে বহড়ানবাসীরা আজও বলে থাকেন শিবাই নদী। 

শিবাই নদী যে বিপ্রদাসের মনসামঙ্গল কাব্যে উল্লিখিত ‘শিবানদী’ সে-বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

নৈহাটির ‘মাসির সাঁকো’ শিবানদীর ওপর তৈরি হয়েছিল। সুলতানি আমলে পাঁচ ফোঁকর-যুক্ত সাঁকোটি থেকে উক্ত নদীর বিশালতা উপলব্ধি করা যায়, তেমনই পূর্ব-পশ্চিমে সড়কপথের সন্ধান পাওয়া যায়। মাসির সাঁকো অতীতের স্মৃতি নিয়ে আজও দৃশ্যমান নৈহাটির মাঠে।

zoom
মাসির সাঁকো, ছবি: সম্পর্ক মণ্ডল

হারিয়ে গিয়েছে কত কত নদী! হারিয়ে গিয়েছে তার ইতিহাস। নদনদীর বিলুপ্তপ্রায় তালিকাটিও অশেষ বলাই ভালো। মুমূর্ষু নদনদী নিয়ে সরকার উদাসীন। উদাসীন আমরাও। 

বালি-মাফিয়ারা নদীর গর্ভ থেকে দেদার বালি তুলছে প্রকাশ্য দিবালোকে। গড়ে উঠছে চোরাবালির মৃত্যু-ফাঁদ। নদী বুজিয়ে তৈরি হচ্ছে জমি-কারখানা। নদীর বুকে প্রতিনিয়ত জমে উঠছে শহুরে জঞ্জাল। কারও কোনও হেলদোল নেই!

তবু আশার কথা, পরিবেশপ্রেমীরা আন্দোলন করে যাচ্ছেন। ক্ষীণকণ্ঠ হলেও বারবার শোনাচ্ছেন অশনি সংকেতের কথা। 

নদীকে নদীর মতো থাকতে দিন, প্লিজ! 

…………. পড়ুন ঠাকুরদার ঝুলি অন্যান্য পর্ব ………….

পর্ব ৩৮: বর্ষামঙ্গল

পর্ব ৩৭: তরুর ঠাকুরঘর

পর্ব ৩৬: জাল রাজার রাজনীতি

পর্ব ৩৫: ঢেঁকি মোটেই অকম্মার নয়

পর্ব ৩৪: বহুরূপে সম্মুখে তোমার

পর্ব ৩৩: আলকাপ: বিরল মায়ার স্মৃতিচিহ্ন

পর্ব ৩২: তালবাহার

পর্ব ৩১: পোড়ামাটির শিল্পকে জনপ্রিয় করেছে কাঁঠালিয়ার শিল্পীরা

পর্ব ৩০: মৎস্য দেবতা মৎস্য ভোগ

পর্ব ২৯: কুবের পুজোর আচার থেকেই সোনা কেনা হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়

পর্ব ২৮: বৈশাখ বিষ্ণুর প্রিয়, পুরাণের শ্রেষ্ঠ মাস?

পর্ব ২৭: গর্জন থেকেই গাজন

পর্ব ২৬: অসুরদের ফসল বলেই কি আখ বলিপ্রদত্ত?

পর্ব ২৫: যুদ্ধবাজ নয়, বাঙালির রাম করুণরসের

পর্ব ২৪: অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ নিয়ে কৃষ্ণচন্দ্র-নবকৃষ্ণের মামলা লন্ডন অবধি গড়িয়েছিল

পর্ব ২৩: কিম্ভূত-কিমাকার মূর্তির নাম কেন ‘কাকতাড়ুয়া’?

পর্ব ২২: দেড় ফুটের ল্যাংচাভোগ ছাড়া রং খেলেন না মদনমোহন

পর্ব ২১: মায়া মমতায় গড়া বাংলা বিয়ের ছড়া

পর্ব ২০: মাদারি কা খেল

পর্ব ১৯: কোনও পসরাই অবিক্রিত পড়ে থাকে না বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলায়

পর্ব ১৮: সুর নয়, আদিতে সুরার সঙ্গেই অধিক যোগাযোগ ছিল সরস্বতীর

পর্ব ১৭: পৌষপার্বণের সঙ্গে মিশে গেছে টুসু, সোদরব্রত কিংবা কুড়মালি আইখানযাত্রা

পর্ব ১৬: বাংলার মনসা ও চণ্ডীপুজোর ধারা এসে জগৎগৌরীতে মিলেছে

পর্ব ১৫: রাঢ়ের কবিগানের পালায় হিঁদু হলেন চাঁদ মুহম্মদ, কাশীনাথ মুসলিম

পর্ব ১৪: খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধো মন

পর্ব ১৩: বৈদিক যুগের ‘স্থালী’-ই আজকের প্লেট, ‘উখ্য’-ই ফ্রাইং প্যান

পর্ব ১২: লোকখেলার মধ্যে মিশে রয়েছে হাজার বছরের ফেলে আসা জীবনের স্মৃতি

পর্ব ১১: অঘ্রানের নবান্ন মূলত নববর্ষেরই উৎসব ছিল

পর্ব ১০: বারবণিতাদের আরাধনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছিল কাটোয়ার কার্তিক লড়াই

পর্ব ৯: শিশুঘাতক থেকে কেন শিশুরক্ষক দেবতা হয়ে উঠলেন কার্তিক?

পর্ব ৮: তেনাদের পুজো, তেনাদের মেলা-মোচ্ছব

পর্ব ৭: প্রেত মানেই ভূত বা অতীত, কিন্তু সকল প্রেতই ভূত নয়!

পর্ব ৬: কেবল কালী নন, লৌকিক লক্ষ্মী ঠাকরুনও দাঁড়ান স্বামী নারায়ণের বুকে পা রেখেই

পর্ব ৫: মহিষাসুরমর্দিনী নন, কৃষিপ্রধান বাংলায় আদিপূজিতা ছিলেন শস্যদেবী নবপত্রিকা

পর্ব ৪: পুকুরের দেবতা পুকুরের ভূত

পর্ব ৩: পুকুরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে লোককথা আর লোকবিশ্বাস

পর্ব ২: পৌরাণিক হিন্দু ও বৌদ্ধ সাহিত্যে দেবতা অথবা মানুষের বন্ধু হিসেবেই স্থান পেয়েছে কুকুর

পর্ব ১: সেকালের ডাকাতির গপ্প

Extinct River ganges Manasa Mangal Kavya Rig-Veda River rivers of bengal Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar

Share this article on