মাছের স্বাদ ভালো লাগাকে ঘিরে আর্থসামাজিক নানান সমীকরণ নিত্যদিন তৈরি হয়। সময়ের নিয়মে সেইসব সমীকরণ হারিয়েও যায়। তবে মাছেদের মধ্যে বরাবর উঁচু জাত আর নিচু জাতের ভাগাভাগি ছিল। মঙ্গলকাব্যের কালেও ছিল, একালেও আছে।

বাহুমূলে সুরভিত ডিওডরেন্ট, চোখে পাশনে চশমা আর কালীঘাট পটের বাবুর মতো হাতে ফুল ছিল ফ্যাশানের স্টেটমেন্ট। ছবি আঁকা শিখতে আসা অর্ধেন্দুপ্রসাদ নিজেই হয়ে উঠেছিলেন এক চলমান পটচিত্র। খানিক রসিকতার সুরে বললে, এ প্রায় পরশুরামের সেই লালিমা পাল (পুং)-এর জীবন্ত সংস্করণ।

রাজনারায়ণ বসু নিজেকে ‘হিন্দু-ব্রাহ্ম’ বলে পরিচয় দিতেন। হাসি যেমন যে-কোনও দেওয়াল ভেদ করে মানুষের মন দখল করে নেয়, তেমনই রাজনারায়ণও তাঁর প্রসন্ন-হাস্যময়তায় নিজের আত্মপরিচয়কে বিমিশ্র-বিস্তার দিতে পারতেন। আহা! উনিশ শতকের সেই রাজনারায়ণপন্থা যদি একালের সংকীর্ণ-বাঙালি গ্রহণ করতেন!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved