


শুঁড়ো ভাস্কর্য মানে হাতির মুখ-সহ শুঁড় দিয়ে পরদল থেকে শেষের ধারির কাঠ আটকানো। এটি মূলত খুঁটি থেকে নির্গত হয়। প্রায় দেড়ফুট ব্যবধান থাকে। অধিকাংশ শিল্পীরা খুঁটি থেকে কাঠ, যা ব্রাকেটের মতো চালের শেষ প্রান্ত আটকানো থাকে, তাতে হাতির শুঁড় ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেক স্থলে খুঁটি থেকে পিছনের ও সামনের দেড়ফুট কাঠ দিয়ে শুঁড়ো ভাস্কর্যে নতুনত্ব নিয়ে এসেছেন স্বতন্ত্র ফলক ব্যবহার করে।
৪০.
বাঙালিদের বাড়ি আর গুজরাটিদের ব্যবসা। এক্কেবারে রক্তের জিনিস। বাঙালির ‘নিশীথের নীড়’, ‘একান্ত আপন’, ‘দিনান্তে’, ‘ঘুমের দেশ’, ‘সুখী গৃহকোণ’ বলতে নিজের বাড়িটুকু। রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন–
বহুদিন মনে ছিল আশা
ধরণীর এক কোণে
রহিব আপন-মনে;
ধন নয়, মান নয়,
একটুকু বাসা
করেছিনু আশা।
কিন্তু বাসাবাড়ি যতই ভালোবাসা হোক না কেন, গাঁয়ের মানুষের কাছে সেটি আবার অনিকেত। নেই মাটির টান। শিকড়ের খোঁজ। ওই চাকরি-বাকরি করার জন্য কোনওরকমে শহরে থাকার ‘পায়রার খোপ’ আর কী!

তার চাই খাসা বাংলাবাড়ি। চাতাল বা ব্যালকনি কিংবা অলিন্দ বা বারান্দা-যুক্ত। চৌরি মাটির বাড়ি। খোড়ো ছাউনি। কাঠের কাজের বাহারি অলংকরণ। রঙিন। চিত্রিত।
অবশ্য এই দাওয়া বা বারান্দাতেই যত দেখনদারি। এমন বাড়ি গ্রামবাংলার ধনী মানুষের ছিল অহংকার, আভিজাত্য, গর্বের। অন্তত স্বাধীনতার আগে পর্যন্ত। খরচ হত বিস্তর।
নামে বাংলাবাড়ি হলেও আসলে বৈঠকখানা বা বটুকখানা। হুঁকো গড়গড়ার ধূম্রজালে শোভিত ইয়ার-দোস্তদের ঠেক। কালোয়াতি গানের বাসর। প্রৌঢ় পুরুষদের সান্ধ্য বিশ্রাম্ভালাপের আসর।
দক্ষিণ দুয়ারী। প্রশস্ত অঙ্গন। সামনে পুকুর। গাছপালার আলোছায়ার লুকোচুরি।। দাওয়া উঁচু অন্তত পাঁচ ফুট। পৈঠা সংযুক্ত। অর্ধবৃত্তাকার চালের গঠন। দু’ প্রান্তে চালের কোণ এক্কেবারে নিচের দিকে, সূচিমুখ। মোটা খড়ের ছাউনি। চালের মাথায় খড়ের কুম্ভ ও ঝালর। ছাঁটামোয় রঙিন কাবারি বেতের জ্যামিতি। বারান্দায় ঈর্ষণীয় কাঠের কাজ। অনুপম চালচিত্র।

দেওয়াল খরোটি বা উলুটি অথবা পাটুটি যুক্ত। রিলিফের ঐতিহ্য। বাঘ সিংহ। জোড়া টিয়াপাখি। কুলুঙ্গি। বাতায়নের উপরে অর্ধবৃত্তকার রৈখিক জালি। দরজার মাথায় দেব-গজাননের প্রতিকৃতি। চার চালের আয়তাকার চৌরীবাড়ি হলেও বারান্দার চাল ধনুকাকৃতি।

লোকশিল্পীদের ভাষায়, বাঁকানো রাগ বা উলট-লা অর্থাৎ ওলটানো নৌকাকৃতি বা খাটালের চাল। হস্তিপৃষ্ঠ সদৃশ চালের সঙ্গে পার্থক্য আছে বিলক্ষণ। বাংলাবাড়ির আসল খ্যাতি আসলে দারুভাস্কর্য ও নান্দনিক অলংকার– যার অধিকাংশই বারান্দা জুড়ে থাকত।
বাংলার দারু তক্ষণ শিল্পের বিচিত্র বিস্ময়, ছুতোরদের কারিগরি দক্ষতা যে কত উচ্চমানের ছিল তা সাবেকি ঘরের দারুভাস্কর্য ও চালের গঠন দেখলেই বোঝা যায়। চার চালের চৌরী ঘরের দক্ষিণ দিকের চালটিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে হত, কেননা এই চালের সাপোর্ট দেওয়াল ছিল না। দু’ পাশের দু’ হাত করে দেওয়াল বা পাখা বাড়িয়ে চালের ভার রক্ষা করা হত। এটাই সাধারণ নিয়ম। তার উপর ছিল খুঁটির জোর।
বিষয়টি বুঝতে গেলে কয়েকটি পারিভাষিক শব্দার্থ জেনে নিতে হবে।

বারান্দার চালে ব্যবহার করা হতো খুঁটি সরদল, পরদল, ধারি, তীর সাঙা, শুঁড়ো সলা ইত্যদি। নৌকা বা রাগের চাল সামনের দিকে ধনুকাকৃতি। কার্নিশ অনেকটা নিচের দিকে হবে এটাই স্বাভাবিক। সম্মুখের চালের প্রান্তে ছাঁচ অংশে একটা বেড়া থাকে। নাম ছিল ‘বেড়া সামলোন’।
সামনের কাঠের বেড়া বা কাঠকে বাঁকানো রাগের জন্য কয়েকটা টুকরোতে বিভাজিত করা হত। একে বলা হয় খাটাল। রাউন্ড খাটাল পাঁচ সাত কিংবা নয় খাটালের চাল। খাটাল যত বেশি হবে চাল তত উঁচু হবে এবং পাল্লা দিয়ে চাল রাউন্ড হবে।
আবার চাল যত উঁচু হবে তত বেশি সাঙা লাগবে। অলংকরণও বেশি হবে। বিষয়টি সহজ করে বোঝানো খুবই কঠিন। তবু চেষ্টা করে দেখাই যাক না।

বারান্দার দেওয়ালের গা থেকে খুঁটির সঙ্গে যে আড়াআড়ি কাঠ তাকে বলে ‘সাঙা’। দেওয়ালের গায়ে প্রায় এক ফুট গর্ত করে শালকাঠের সাঙা পরানো হয়। জোড়া জোড়া সাঙা দেখেছি। চার বা ছয় খুঁটি থাকলে আটটা বা বারোটা সাঙা লাগত। পাল্লা দিয়ে খুঁটির উপরে কাষ্ঠদণ্ড বসিয়ে উঁচু করতে হত। কাষ্ঠখণ্ডকে বলা হয় ‘তীর’। তীর বসিয়ে চালের ভারসাম্য রক্ষা করা হত।
খুঁটির মাথায় প্রথমে থাকে প্রায় আট থেকে দশ ইঞ্চি কাঠের আড়া একেই বলে সরদল। সাঙা সরদলে সংযোগ করা হত। সাঙার সঙ্গে সরদলের সংযোগকে আরও দৃঢ় করার জন্য কোণে লাগানো হত ‘কোণাচি’। কোণাচিতে নানা ধরনের ভাস্কর্য থাকে। একে বলা হয় কৌণিক ভাস্কর্য।

খুঁটির বাইরে চালের যে রাগ গঠিত হত চওড়া কাঠের প্লেট দিয়ে, তাকে বলা হয় পরদল। সাঙা খুঁটির সঙ্গে শেষ প্রান্তের পরদল আঁটা হত কাঠের অলংকৃত হুক দিয়ে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হুক হাতির শুঁড়ের মতো হত বলে এর অপর নাম ছিল শুঁড়ো ভাঁওড়ানো ঘর।

তীর যুক্ত হত পরদলে। কেননা বারান্দায় অন্তত তিন থাকি পরদল থাকত। পরদলের রাগ আনার জন্য টকরো কাঠের যে জোড় দেওয়া হত, তার বিভিন্ন নাম আছে– কামতাই জোড় (গুঁজি দেওয়া), ঠেলা জোড়, গৌরীজোড় (খাঁজকাটা) ইত্যাদি।
বারান্দার ভাস্কর্যকে কয়েকটি পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে।
১. সাধারণ ভাস্কর্য– এগুলি ধারি পরদলে খোদিত হয়।
২. কৌণিক ভাস্কর্য (কোণাচিতে এই ভাস্কর্য থাকে)
৩. সরদল ভাস্কর্য (সরদলের উপরে খোদিত হয়)
৪. সাঙা ভাস্কর্য (সাঙার উপরে খোদিত হয়)
৫. তীর ভাস্কর্য (তীর সংলগ্ন ভাস্কর্য)
৬. শুঁড়ো ভাস্কর্য (চাল ধরে রাখার ব্রাকেট ভাস্কর্য)
সাধারণ ভাস্কর্য বলতে ফুল ফল লতাপাতার অলংকরণ। এই দারুভাস্কর্য দেখা যায় ধারির কাঠে, পরদলে এবং সাঙায়। তবে ফুলকারি নকশা বেশিরভাগ ব্যবহৃত হয়েছে মুসলমান চৌরীবাড়িতে। সেখানে অন্যান্য ফুলের সঙ্গে গোলাপ ফুলের ব্যবহার বেশি। হিন্দু স্থাপত্যে সাধারণত পদ্মফুলের মোটিফ ব্যবহৃত হত, যা এখনও প্রাচীন বাড়িগুলিতে দেখা যায়।

কৌণিক ভাস্কর্যগুলি দেখার মতো। মনে রাখতে হবে এই কৌণিক দারুভাস্কর্য টেরাকোটা মন্দির-শিল্পে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছিল। কেননা চার চালার টেরাকোটা মন্দিরগুলি বাংলার চৌরীবাড়িগুলিকে অনুসরণ করেই তৈরি করা হত। যেমন মুর্শিদাবাদের বড় নগর মন্দিরে কৌণিক ভাস্কর্য হিসাবে আজও নজর কাড়ে সিংহমানব, কিন্নর-কিন্নরী, মকরবাহিনী গঙ্গা ইত্যাদি, ইটণ্ডডার মন্দিরে কার্নিশের নিচে দু’টি অসাধারণ কৌণিক ভাস্কর্য দেখি– একটি হনুমান ও সূর্য, অপরটি সুপার্শ্বের।
দারুভাস্কর্যের ক্ষেত্রে কৌণিক ভাস্কর্যে একদিকে যেমন ফুলকারি নকশা অলংকরণ দেখা যায়, অপরদিকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিচিত্র ভাস্কর্যের খোদাই দেখা যায়, যেমন– যোদ্ধা নারীমূর্তি (এরুয়ার বর্ধমান), পাখাওয়ালা ভাসমান পরী, ময়ূরের সাপ ধরা (গাঁফুলিয়া বর্ধমান), দুই নারীর হাত ধরাধরি করে নাচ এবং বীণাবাদিকা (গাঁফুলিয়া) ঢোলক বাজানো হনুমান (ইটা ও গাফুলিয়া) সুন্দরী সুবেশা নারী ইত্যাদি।
সরদলের মধ্যে যেখানে চালে ঠেকনো দেওয়ার জন্য তীরের ব্যবহার করা হত, সেখানে মাঝখানে ছোট আকৃতির কাঠ ব্যবহার করে তার উপরে তীর বসানো হত। তীরগুলিকে স্থানীয়ভাবে বলা হত ‘ঘটি’। ঘটি বসানোর দু’ পাশে সাধারণত জোড়া বা স্বতন্ত্র দু’টি দারুভাস্কর্য ব্যবহৃত হত। যেমন– জোড়া হাতি, জোড়া ঘোড়া, জোড়া সিংহ, লতাপাতা ফুলফলের ভাস্কর্য ইত্যাদি।

স্বতন্ত্র ফলক হিসাবে দেখা যায় একদিকে গাই বাছুর, অন্যদিকে উদ্ধত ঘোড়াকে সাহেবের পোষ মানানো, ষাঁড়ের কলাগাছ খাওয়া ইত্যাদি।
শুঁড়ো ভাস্কর্য মানে হাতির মুখ-সহ শুঁড় দিয়ে পরদল থেকে শেষের ধারির কাঠ আটকানো। এটি মূলত খুঁটি থেকে নির্গত হয়। প্রায় দেড়ফুট ব্যবধান থাকে। অধিকাংশ শিল্পীরা খুঁটি থেকে কাঠ, যা ব্রাকেটের মতো চালের শেষ প্রান্ত আটকানো থাকে, তাতে হাতির শুঁড় ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেক স্থলে খুঁটি থেকে পিছনের ও সামনের দেড়ফুট কাঠ দিয়ে শুঁড়ো ভাস্কর্যে নতুনত্ব নিয়ে এসেছেন স্বতন্ত্র ফলক ব্যবহার করে।
স্বতন্ত্র ফলকগুলির মধ্যে অন্যতম হল জমিদার বা ধনাঢ্য ব্যক্তির গড়গড়ায় ধূমপান (নাসিগ্রাম), ঘোড়ার উপর সিংহের আক্রমণ, হনুমানের কলা খাওয়া, ঘোড়ার পিঠে ঘোড়সওয়ার, নারী যোগব্যায়াম, বীণাবাদক তাকিয়ায় ঠেস দেওয়া শিবের মূর্তি ইত্যাদি।

খুঁটি থাম বা ‘খাম্বা’ নামে পরিচিত মূলত জাম বা কাঁঠালকাঠের হত বলে শোনা যায়। চণ্ডীমণ্ডপ বা চৌরীবাড়ির খুঁটি কখনও একক কখনও জোড়ায় জোড়ায় বসানো হত। খুঁটির তিনটি অংশ– মাথা, স্থাপত্যের পরিভাষায় যাকে বলে ‘ক্যাপিটেল’, দেহ অংশ এবং পা বা ‘পেডাস্টাল’। খুঁটির মাথা গোলাকার অথবা বর্গাকার, কিছুটা স্ফীত। গোলাকার অংশে পদ্মফুলের নকশা থাকে। কোথাও আবার খুঁটির মাথায় বর্গাকার কাঠ বসিয়ে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়।
কোথাও আবার দু’ দিকে কিছু ভলিউট স্থাপত্যের আদলে প্রসারিত করা হয়। স্থানীয়ভাবে একসময় জনপ্রিয় এই অংশের নাম ছিল ‘কুমড়ি’, মানে কুমরো বা কুম্ভের মতো গোলাকার। খুঁটি কখনও গোলাকার কখনও চারকোনা যুক্ত। নিচের অংশে থাকে শিল্পীদের ভাষায় ‘ঘটির অলংকরণ’।
বাংলাবাড়ি থেকে ইউরোপীয় বাংলো আসেনি। সেটি কুঁড়েঘর বা দোচালার আইডিয়া থেকে কপি করা। আসলে বাংলাবাড়ি থেকেই আটচালা যুক্ত মাটির দেবালয় চণ্ডীমণ্ডপ গড়ে উঠেছিল। গড়ে উঠেছিল ইসলামিক মৃৎস্থাপত্য দেহলিজ বা দলিজখানা।

ক্রমশ কালের করাল গ্রাসে হারিয়ে গিয়েছে সেসব বনেদি মৃৎস্থাপত্য। রেখে গিয়েছে তার স্মৃতি-স্বাক্ষর। যেমন বাংলাবাড়ির বারান্দার চালের বৈশিষ্ট্যটুকু অর্থাৎ অর্ধবৃত্তাকৃতি দু’ প্রান্তের কোনও সমন্বিত একচালি দুর্গা-প্রতিমার পৃষ্ঠপট বিন্যাস।
সেই চালির নামও ‘বাংলাচাল’।
…………. পড়ুন ঠাকুরদার ঝুলির অন্যান্য পর্ব ………….
পর্ব ৩৯: হারানো নদীপথ, হারানো জলরেখা
পর্ব ৩৮: বর্ষামঙ্গল
পর্ব ৩৭: তরুর ঠাকুরঘর
পর্ব ৩৬: জাল রাজার রাজনীতি
পর্ব ৩৫: ঢেঁকি মোটেই অকম্মার নয়
পর্ব ৩৪: বহুরূপে সম্মুখে তোমার
পর্ব ৩৩: আলকাপ: বিরল মায়ার স্মৃতিচিহ্ন
পর্ব ৩২: তালবাহার
পর্ব ৩১: পোড়ামাটির শিল্পকে জনপ্রিয় করেছে কাঁঠালিয়ার শিল্পীরা
পর্ব ৩০: মৎস্য দেবতা মৎস্য ভোগ
পর্ব ২৯: কুবের পুজোর আচার থেকেই সোনা কেনা হয় অক্ষয় তৃতীয়ায়
পর্ব ২৮: বৈশাখ বিষ্ণুর প্রিয়, পুরাণের শ্রেষ্ঠ মাস?
পর্ব ২৭: গর্জন থেকেই গাজন
পর্ব ২৬: অসুরদের ফসল বলেই কি আখ বলিপ্রদত্ত?
পর্ব ২৫: যুদ্ধবাজ নয়, বাঙালির রাম করুণরসের
পর্ব ২৪: অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ নিয়ে কৃষ্ণচন্দ্র-নবকৃষ্ণের মামলা লন্ডন অবধি গড়িয়েছিল
পর্ব ২৩: কিম্ভূত-কিমাকার মূর্তির নাম কেন ‘কাকতাড়ুয়া’?
পর্ব ২২: দেড় ফুটের ল্যাংচাভোগ ছাড়া রং খেলেন না মদনমোহন
পর্ব ২১: মায়া মমতায় গড়া বাংলা বিয়ের ছড়া
পর্ব ২০: মাদারি কা খেল
পর্ব ১৯: কোনও পসরাই অবিক্রিত পড়ে থাকে না বৈরাগ্যতলার ভাঙামেলায়
পর্ব ১৮: সুর নয়, আদিতে সুরার সঙ্গেই অধিক যোগাযোগ ছিল সরস্বতীর
পর্ব ১৭: পৌষপার্বণের সঙ্গে মিশে গেছে টুসু, সোদরব্রত কিংবা কুড়মালি আইখানযাত্রা
পর্ব ১৬: বাংলার মনসা ও চণ্ডীপুজোর ধারা এসে জগৎগৌরীতে মিলেছে
পর্ব ১৫: রাঢ়ের কবিগানের পালায় হিঁদু হলেন চাঁদ মুহম্মদ, কাশীনাথ মুসলিম
পর্ব ১৪: খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধো মন
পর্ব ১৩: বৈদিক যুগের ‘স্থালী’-ই আজকের প্লেট, ‘উখ্য’-ই ফ্রাইং প্যান
পর্ব ১২: লোকখেলার মধ্যে মিশে রয়েছে হাজার বছরের ফেলে আসা জীবনের স্মৃতি
পর্ব ১১: অঘ্রানের নবান্ন মূলত নববর্ষেরই উৎসব ছিল
পর্ব ১০: বারবণিতাদের আরাধনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছিল কাটোয়ার কার্তিক লড়াই
পর্ব ৯: শিশুঘাতক থেকে কেন শিশুরক্ষক দেবতা হয়ে উঠলেন কার্তিক?
পর্ব ৮: তেনাদের পুজো, তেনাদের মেলা-মোচ্ছব
পর্ব ৭: প্রেত মানেই ভূত বা অতীত, কিন্তু সকল প্রেতই ভূত নয়!
পর্ব ৬: কেবল কালী নন, লৌকিক লক্ষ্মী ঠাকরুনও দাঁড়ান স্বামী নারায়ণের বুকে পা রেখেই
পর্ব ৫: মহিষাসুরমর্দিনী নন, কৃষিপ্রধান বাংলায় আদিপূজিতা ছিলেন শস্যদেবী নবপত্রিকা
পর্ব ৪: পুকুরের দেবতা পুকুরের ভূত
পর্ব ৩: পুকুরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে লোককথা আর লোকবিশ্বাস
পর্ব ২: পৌরাণিক হিন্দু ও বৌদ্ধ সাহিত্যে দেবতা অথবা মানুষের বন্ধু হিসেবেই স্থান পেয়েছে কুকুর
পর্ব ১: সেকালের ডাকাতির গপ্প
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved