মাছের স্বাদ ভালো লাগাকে ঘিরে আর্থসামাজিক নানান সমীকরণ নিত্যদিন তৈরি হয়। সময়ের নিয়মে সেইসব সমীকরণ হারিয়েও যায়। তবে মাছেদের মধ্যে বরাবর উঁচু জাত আর নিচু জাতের ভাগাভাগি ছিল। মঙ্গলকাব্যের কালেও ছিল, একালেও আছে।

বাহুমূলে সুরভিত ডিওডরেন্ট, চোখে পাশনে চশমা আর কালীঘাট পটের বাবুর মতো হাতে ফুল ছিল ফ্যাশানের স্টেটমেন্ট। ছবি আঁকা শিখতে আসা অর্ধেন্দুপ্রসাদ নিজেই হয়ে উঠেছিলেন এক চলমান পটচিত্র। খানিক রসিকতার সুরে বললে, এ প্রায় পরশুরামের সেই লালিমা পাল (পুং)-এর জীবন্ত সংস্করণ।

দে’জ থেকে এমন একজনের লেখা প্রকাশিত হয়েছে যাঁকে গোটা ভারত একডাকে চেনে– তিনি এক এবং অদ্বিতীয় গুলজারজি। গুলজারজি বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন মানুষ। তিনি একাধারে কবি, লেখক, গীতিকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং সংলাপ লেখক। গুলজারজির ‘পান্তাভাতে’ আর তাঁর কবিতার বই ‘প্লুটো’র শেখ সদর নইমের করা বাংলা অনুবাদ– দুটোই প্রকাশিত হয়েছিল ২০১৭-র আগস্টে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved