Rañjana Bandyopadhyaya on Milan Kundera। Robbar
Robbar
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুরানিলয়ের টেবিল থেকেই জন্ম নিয়েছিল উপন্যাসের ভাবনা

উত্তর-আধুনিক ইউরোপিয়ান উপন্যাসের ইতিহাসে এই উপন্যাস নিঃসন্দেহে একটা সরণিফলক। জগৎ-বিখ্যাত উপন্যাস। যার লেখক এক বর্ণময় ভাবমূর্তির এবং বিশ্বব্যাপী প্রসিদ্ধির নির্বাসিত নিঃসঙ্গ মানুষ। আরও একটু বলি, তার লেখার টেবিলের রং ছিল কালো। আর তিনি ছিলেন প্যারিসবাসী। ভালোবেসে ছিলেন এই পরবাসের নিজবাস! তাঁর ভাবনার টেবিল ছিল বাড়ির কাছেই এক সুরানিলয়ে।

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ২১:১৮   
Facebook WhatsApp Messenger

৭৯.

এই পর্বে কী লিখব, কীভাবে লিখব– এই দুটো জায়গাতেই, লেখার টেবিল বলল, আচমকা স্টিয়ারিং ঘোরাতে। যাতে পাঠকদের ঝটকা লাগে। লেখার টেবিলের আদেশ পালন করলাম:

‘পেট্রার্ক, তোমার এই নত হয়ে পুজো করার প্রবণতা সংশোধন করা গেল না!’ পেট্রার্কের কথা থামিয়ে বলল বোকাচিও, ‘আমি এখন বেশ কল্পনা করতে পারছি, কীভাবে এই মেয়েগুলো একটা কবিতার ক্লাব তৈরি করে তোমাকে তাদের অ্যাপোলো বানিয়ে স্তব গান করছে। কোনও কিছু কিন্তু কোনওদিনই আমাকে ওই মেয়েগুলোর কাছে নিয়ে যেতে পারবে না। মনে রেখো, মেয়ে কবি মাত্রেই দ্বিগুণ মেয়েমানুষ। সুতরাং, আমার মতো নারীবিদ্বেষী পুরুষের পক্ষে কোনও মেয়ে-কবি সত্যিই বড্ড বেশি অসহনীয়!’

গোয়েটে এতক্ষণ চুপ করেছিল। এবার মুখ খুলতেই হল, ‘বোকাচিও, নিজের নারীবিদ্বেষ এইভাবে বারবার ঘোষণার মধ্যে কীসের অহংকার?’
‘অহংকারের কারণ, নারীবিদ্বেষী পুরুষরাই শ্রেষ্ঠ মানব।’

চারধারে কবি-শ্রোতারা এই কথায় প্যাঁক দিতে শুরু করল। বোকাচিও প্যাঁক খেয়ে গলা চড়াল: “নারীবিদ্বেষীরা মোটেই ঘেন্না করে না মেয়েদের। তারা যেটা পছন্দ করে না, সেটা হল নারীত্ব, ফেমিনিনিটি। পুরুষরা আদিকাল থেকে দু’ভাগে বিভক্ত। একদল নারীর পূজারি। তারাই ‘কবি’ নামে সমাজে পরিচিত। আর একভাগ পুরুষরা ‘নারীবিরোধী’ বলে পরিচিত। ইংরেজিতে যাদের ‘misogynists’ বলা হয়। তবে আমার মনে হয়, তাদের ‘gynophobes’ বলাটাই আরও সঠিক হত। যারা নারীর পূজারি-পুরুষ, মানে যারা কবি-পুরুষ, তাদের মধ্যে বেশ কয়েকটা মেয়েলি ব্যাপার আছে। যেমন আবেগ, অনুভব, ঘরকন্না, সংসারের প্রতি টান, ভেতরে একটা ‘মা মা’ ভাব, যেন সন্তান ধারণ করতে পারলে বেশ হত, মেয়েদের মতো এই পুরুষদের আবার হিস্টিরিয়াও হয়! কিন্তু আমরা যারা নারীবিদ্বেষী, তারা আবার এইসব মেয়েলিপনা দেখলে শিউরে উঠি। নারীর পূজারিরা নারীর মধ্যে নারীত্বের এইসব চিহ্নকে ভালোবাসে। কিন্তু নারীবিদ্বেষীরা নারীত্বের চেয়ে নারীকে বেশি সহনীয় মনে করে। ভুলে যেও না, একমাত্র নারীবিদ্বেষী পুরুষের সঙ্গেই মেয়েমানুষ সুখী হতে পারে। তোমাদের মতো নারীপূজারি ন্যাকাদের কাছে কোনও মেয়েমানুষ কোনওকালে সুখ পায়নি।”

এই কথায় প্রতিবাদের ঝড় উঠল:

‘পূজারি কিংবা কবিরাই নারীর একঘেয়ে যাপনে আনতে পারে নাটক। আনতে পারে আবেগ, তাড়না, রোদন, দুশ্চিন্তা, অশান্তি। কিন্তু নেভার এনি প্লেজর। আমি একসময় একজনকে জানতাম। সেই লোকটা তার স্ত্রীকে পুজো করত। তারপর সে অন্য একজনকে পুজো করতে শুরু করল। সে কিন্তু এতদিন যাকে পুজো করেছে, সেই মেয়েকে অপমান করতে চাইল না, তার লুকোনো জীবনে এক রক্ষিতাকে নিয়ে এসে। আবার অন্য মেয়েটিকে রক্ষিতা করে পুষে তাকেও অপমান করতে চায়নি সে। সুতরাং, সে বউকে সব কথা খুলে বলল। এবং এই অবস্থায় আর কী করা উচিত, বউয়ের কাছেই জানতে চাইল। কিন্তু বউটা স্বামীর কথা শুনে অসুস্থ হয়ে গেল। আর লোকটা সারাক্ষণ কাঁদতে লাগল। আর তার রক্ষিতার কাছে ব্যাপারটা ক্রমে অসহনীয় হয়ে উঠল। সে একদিন লোকটাকে বলল, ‘আর পারছি না, চললুম।’ এই কথা শোনামাত্র লোকটা রাস্তায় নিজেকে ছুড়ে দিল চলন্ত গাড়ির সামনে। গাড়ির ড্রাইভার কিন্তু ব্রেক মেরে গাড়ি থামিয়ে লোকটার প্রাণ বাঁচাল। আর লোকটাকে ৫০ ক্রাউন জরিমানা দিতে হল রাস্তায় ট্রাফিক আটকানোর জন্য।’ এই গালগল্প শুনে ভার্লেন চিৎকার করে উঠল, ‘বোকাচিও মিথ্যে বলছে!’

বোকাচিও এই অপবাদ সহজে মেনে নেবে কেন? ভার্লেন কিছু কবিতা লিখেছে বটে। কিন্তু আমি বোকাচিও! সে গলা চড়িয়ে এবার বলে, ‘আরে, পেট্রার্ক আগেও বলেছে এই পচা গল্প। এবার বলো, তোমার সোনালি চুলের বউটা কি সত্যি কি তোমার কাছে এই প্রাপ্তির যোগ্য যে, তুমি একটা উন্মাদ মাগিকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে?’

উত্তরে পেট্রার্ক: ‘এই বোকাচিও, আমার বউ তুলে কথা বলবি না। কতটুকু জানিস আমার বউকে? আমার বউ আমার বন্ধু। বন্ধুর কাছে কিছু লুকোই না। যা করি বন্ধুকে বলে করি।’

উত্তরে বোকাচিও: ‘আমি নারীপূজারিদের বিষয়ে তো এই কথাটাই বলেছি। তারা যা করে বউকে বলে করে। বলে করাটা নারীপূজারিদের রিফ্লেক্স! ইট ইজ দ্য রিফ্লেক্স অফ এভরি ওর্শিপার! নারীপূজারিদের বিষয়ে আমার শেষ কথাটা হল এই: নারীপূজারিরা অথবা কবিরা, তারাই শিকার হয় উন্মাদ নারীদের, কেননা এই নারীরা জানে তাদের সব উন্মাদনা এই পুরুষগুলো মেনে নেবে। কখনও সপাটে চড় মারবে না। এই পূজারিগুলো মেয়েদের সামনে অস্ত্রহীন অসহায়। কেননা এই সব পুরুষ তখনও মায়ের আঁচলের ছায়ায়। প্রত্যেক মহিলার মধ্যে এই পুরুষরা দেখতে পায়, মায়ের কাছ থেকে কিছু আদেশ নিয়ে আসা দূত। সুতরাং, সেই আদেশ তারা পালন করে। আসল কথাটা হল, তাদের মায়ের স্কার্ট তাদের মাথার ওপরে আকাশের মতো ছড়িয়ে আছে। কবিদের বলছি, তোমাদের মাথার ওপরে যে বস্তুটি বিছিয়ে আছে, যেটাকে তোমরা আকাশ ভাবছ, ওটা আকাশ নয়। ওটা তোমাদের মায়ের স্কার্ট। বিপুল বিশাল স্কার্ট। তোমরা সবাই বেঁচে আছ তোমাদের মায়ের স্কার্টের তলায়!’

এতক্ষণ যতটা লিখেছি, সবটা অনুবাদ। প্রায় আক্ষরিক অনুবাদ। এই কলামে ৭৯তম লেখাটিকে এইভাবে দলছাড়া করতে ইচ্ছে করল। ঠিক এই রকম কোনও লেখা লিখিনি এই কলামে।

zoom
মিলান কুন্দেরা

উত্তর-আধুনিক ইউরোপিয়ান উপন্যাসের ইতিহাসে এই উপন্যাস নিঃসন্দেহে একটা সরণিফলক। জগৎ-বিখ্যাত উপন্যাস। যার লেখক এক বর্ণময় ভাবমূর্তির এবং বিশ্বব্যাপী প্রসিদ্ধির নির্বাসিত নিঃসঙ্গ মানুষ। আরও একটু বলি, তার লেখার টেবিলের রং ছিল কালো। আর তিনি ছিলেন প্যারিসবাসী। ভালোবেসে ছিলেন এই পরবাসের নিজবাস! তাঁর ভাবনার টেবিল ছিল বাড়ির কাছেই এক সুরানিলয়ে। সেই একা টেবিলে আজও জ্বলছে আলতো আলোর টেবিল-ল্যাম্প! দেড় বছর আগে প্যারিসে গিয়ে সেই টেবিলের পাশে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম নিবিড় স্মরণে। হয়তো সেই টেবিলে বসেই ভেবে ছিলেন, এই উপন্যাসের ভাবনা।

এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন, আমি কোন অনন্য লেখকের কথা লিখলাম এবং অনুবাদ করলাম তাঁর কোন অতুল উপন্যাস থেকে। যাঁরা এই সহজ কাজটুকু এখনও নাগালে পেলেন না, তাঁদের অপেক্ষা করতেই হবে পরের সপ্তাহ পর্যন্ত। পরের লেখায় এই লেখকের এই নাম না-করা উপন্যাসের সূত্র ধরেই চলে যাব অন্য লেখক, ভিন্ন লেখায়।

…………………….. পড়ুন কাঠখোদাই-এর অন্যান্য পর্ব  ……………………

পর্ব ৭৮: একবিন্দু আত্মকরুণা নেই অঞ্জনের আত্মজীবনীতে

পর্ব ৭৭: অ্যানির ‘দ্য ইয়ার্স’ শেখায় অন্তহীন ইরোটিসিজম-ই জীবনের পরমপ্রাপ্তি

পর্ব ৭৬: জয় গোস্বামীর সাজেশনে মুগ্ধতা জাগাল ‘সিম্পল প্যাশন’

পর্ব ৭৫: যে নারীর শেষপাতা পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি লেখক

পর্ব ৭৪: সেই তরুণীর জন্য বেঁচে আছে বোকা মনকেমন!

পর্ব ৭৩: কাফকার ভয়-ধরানো প্রেমপত্র!

পর্ব ৭২: থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনা, কলকাতা বইমেলায় শ্রেষ্ঠাংশে তবে রবীন্দ্র-ওকাম্পো?

পর্ব ৭১: একশো বছরের নৈরাজ্য ও একটি লেখার টেবিল

পর্ব ৭০: আত্মজীবনী নয়, মার্গারেটের ব্রতভ্রষ্ট স্মৃতিকথা

পর্ব ৬৯: রুশদির ‘দ্য ইলেভেনথ আওয়ার’ শেষ প্রহরের, অনিবার্য অন্তিমের দ্যোতক

পর্ব ৬৮: মাংসও টেবিলের কাছে ঋণী

পর্ব ৬৭: ভ্রমণ-সাহিত্যকে লাজলো নিয়ে গেছেন নতুন পারমিতায়

পর্ব ৬৬: নরম পায়রার জন্ম

পর্ব ৬৫: যে বইয়ের যে কোনও পাতাই প্রথম পাতা  

পর্ব ৬৪: খেলা শেষ করার জন্য শেষ শব্দ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন জেফ্রি আর্চার

পর্ব ৬৩: সহজ ভাষার ম্যাজিক ও অবিকল্প মুরাকামি

পর্ব ৬২: জীবন তিক্ত এবং আশা করা ভুল, এই দর্শনই বিশ্বাস করেন ক্রাজনাহরকাই

পর্ব ৬১: লন্ডনে ফিরে এলেন অস্কার ওয়াইল্ড!

পর্ব ৬০: পাপ ও পুণ্যের যৌথ মাস্টারপিস

পর্ব ৫৯: মাতৃভক্তির দেশে, মাকে ছেড়ে যাওয়ার আত্মকথন

পর্ব ৫৮: চিঠিহীন এই যুগের শ্রেষ্ঠ প্রণয়লিপি

পর্ব ৫৭: লেখার টেবিল কি জানে, কবিতা কার দান– শয়তান না ঈশ্বরের?

পর্ব ৫৬: প্রেমের নিশ্চিত বধ্যভূমি বিয়ে, বার্ট্রান্ড রাসেলের লেখার টেবিল জানে সেই নির্মম সত্য

পর্ব ৫৫: জুলিয়া রবার্টসকে হিন্দুধর্মে দীক্ষা দিয়েছিল একটি বই, একটি সিনেমা

পর্ব ৫৪: আপনার লেখার টেবিল নেই কেন মানিকদা?

পর্ব ৫৩: পুরুষরা যে কতদূর অপদার্থ, ড্রেসিং টেবিলের দেখানো পথে মেয়েরা প্রমাণ করে দেবে

পর্ব ৫২: একটাও অরিজিনাল গল্প লেখেননি শেক্সপিয়র!

পর্ব ৫১: প্রমথ-ইন্দিরার মতো প্রেমের চিঠি-চালাচালি কি আজও হয়?

পর্ব ৫০: হাজার হাজার বছর আগের পুরুষের ভিক্ষা এখনও থামেনি

পর্ব ৪৯: কুকথার রাজনীতিতে অমরত্বের স্বাদ পেয়েছেন জর্জ অরওয়েল 

পর্ব ৪৮: টেবিলই ওকাম্পোর স্মৃতি, আত্মজীবনীর ছেঁড়া আদর

পর্ব ৪৭: শেষ বলে কিছু কি থাকতে পারে যদি না থাকে শুরু?

পর্ব ৪৬: যে টেবিলে দেবদূত আসে না, আসে শিল্পের অপূর্ব শয়তান

পর্ব ৪৫: ফ্রেডরিক ফোরসাইথকে ফকির থেকে রাজা করেছিল অপরাধের পৃথিবী

পর্ব ৪৪: আম-বাঙালি যেভাবে আমকে বোঝে, দুই আমেরিকান লেখিকা সেভাবেই বুঝতে চেয়েছেন

পর্ব ৪৩: দু’পায়ে দু’রকম জুতো পরে মা দৌড়ে বেরিয়ে গেল, ইবতিসম্‌-এর উপন্যাসের শুরু এমনই আকস্মিক

পর্ব ৪২: অন্ধকার ভারতে যে সিঁড়িটেবিলের সান্নিধ্যে রামমোহন রায় মুক্তিসূর্য দেখেছিলেন

পর্ব ৪১: বানু মুশতাকের টেবিল ল্যাম্পটির আলো পড়েছে মুসলমান মেয়েদের একাকিত্বের হৃদয়ে

পর্ব ৪০: গোয়েটের ভালোবাসার চিঠিই বাড়িয়ে দিয়েছিল ইউরোপের সুইসাইড প্রবণতা

পর্ব ৩৯: লেখার টেবিল বাঙালির লাজ ভেঙে পর্নোগ্রাফিও লিখিয়েছে

পর্ব ৩৮: বঙ্গীয় সমাজে বোভেয়ার ‘সেকেন্ড সেক্স’-এর ভাবনার বিচ্ছুরণ কতটুকু?

পর্ব ৩৭: ভক্তদের স্তাবকতাই পাশ্চাত্যে রবীন্দ্র-কীর্তি স্থায়ী হতে দেয়নি, মনে করতেন নীরদচন্দ্র চৌধুরী

পর্ব ৩৬: একাকিত্বের নিঃসঙ্গ জলসাঘরে মারিও ভার্গাস লোসা যেন ছবি বিশ্বাস!

পর্ব ৩৫: জীবনের বাইশ গজে যে নারী শচীনের পরম প্রাপ্তি

পর্ব ৩৪: যা যা লেখোনি আত্মজীবনীতেও, এইবার লেখো, রাস্কিন বন্ডকে বলেছিল লেখার টেবিল

পর্ব ৩৩: ফিওনার সেই লেখার টেবিল মুছে দিয়েছিল মেয়েদের যৌনতা উপভোগের লজ্জারেখা

পর্ব ৩২: বাঙালি নয়, আন্তর্জাতিক বাঙালির সংজ্ঞায় স্পিভাক এসে পড়বেনই

পর্ব ৩১: প্রতিভাপাগল একটি বই, যাকে দিনলিপি বলে সামান্য করব না

পর্ব ৩০: পতিতালয়ের সেই লেখার টেবিল জাগিয়ে তুলেছিল ইসাবেলের হৃদয়-চেতনা

পর্ব ২৯: পাথরে প্রাণ আনে যে টেবিলের স্পর্শ

পর্ব ২৮: নিজের টেবিলকে কটাক্ষ করি, কেন অ্যানে মাইকেলসের মতো লিখতে পারি না?

পর্ব ২৭: নারীর রাগ-মোচনের কৌশল জানে মিলান কুন্দেরার লেখার টেবিল!

পর্ব ২৬: ভালোবাসা প্রকাশের সমস্ত শব্দ পেরিয়ে গিয়েছিল এলিয়টের লেখার টেবিল

পর্ব ২৫: যে টেবিলে জন্ম নেয় নগ্নতা আর যৌনতার নতুন আলো

পর্ব ২৪: প্রেমের কবিতার ভূত জন ডানকে ধরেছিল তাঁর উন্মাদ টেবিলে, মোমবাতির আলোয়

পর্ব ২৩: যে টেবিল আসলে বৈদগ্ধ আর অশ্লীলতার আব্রুহীন আঁতুড়ঘর!

পর্ব ২২: মহাবিশ্বের রহস্য নেমে এসেছিল যে টেবিলে

পর্ব ২১: গাছ আমাদের পূর্বপুরুষ, লেখার টেবিল বলেছিল হোসে সারামাগোকে

পর্ব ২০: টেবিলের কথায় নিজের ‘হত্যার মঞ্চে’ ফিরেছিলেন সলমন রুশদি

পর্ব ১৯: প্রতিভা প্রশ্রয় দেয় অপরাধকে, দস্তয়েভস্কিকে শেখায় তাঁর লেখার টেবিল

পর্ব ১৮: বিবেকানন্দের মনের কথা বুঝতে পারে যে টেবিল

পর্ব ১৭: ‘গীতাঞ্জলি’ হয়ে উঠুক উভপ্রার্থনা ও উভকামনার গান, অঁদ্রে জিদকে বলেছিল তাঁর টেবিল

পর্ব ১৬: যে লেখার টেবিল ম্যাকিয়াভেলিকে নিয়ে গেছে শয়তানির অতল গভীরে

পর্ব ১৫: যে অপরাধবোধ লেখার টেবিলে টেনে এনেছিল শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে

পর্ব ১৪: লেখার টেবিল গিলে নিচ্ছে ভার্জিনিয়া উলফের লেখা ও ভাবনা, বাঁচার একমাত্র উপায় আত্মহত্যা

পর্ব ১৩: হ্যামনেট ‘হ্যামলেট’ হয়ে বেঁচে থাকবে অনন্তকাল, জানে সেই লেখার টেবিল

পর্ব ১২: রবীন্দ্রনাথের লেখার টেবিল চিনতে চায় না তাঁর আঁকার টেবিলকে

পর্ব ১১: আর কোনও কাঠের টেবিলের গায়ে ফুটে উঠেছে কি এমন মৃত্যুর ছবি?

পর্ব ১০: অন্ধ বিনোদবিহারীর জীবনে টেবিলের দান অন্ধকারের নতুন রূপ ও বন্ধুত্ব

পর্ব ৯: বুড়ো টেবিল কিয়ের্কেগার্দকে দিয়েছিল নারীর মন জয়ের চাবিকাঠি

পর্ব ৮: অন্ধকারই হয়ে উঠলো মিল্টনের লেখার টেবিল

পর্ব ৭: কুন্দেরার টেবিলে বসে কুন্দেরাকে চিঠি

পর্ব ৬: মানব-মানবীর যৌন সম্পর্কের দাগ লেগে রয়েছে কুন্দেরার লেখার টেবিলে

পর্ব ৫: বিয়ের ও আত্মহত্যার চিঠি– রবীন্দ্রনাথকে যা দান করেছিল লেখার টেবিল

পর্ব ৪: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের টেবিল আর তারাপদ রায়ের খাট, দুই-ই ছিল থইথই বইভরা

পর্ব ৩: টেবিলের গায়ে খোদাই-করা এক মৃত্যুহীন প্রেমের কবিতা

পর্ব ২: লেখার টেবিল ভয় দেখিয়েছিল টি এস এলিয়টকে

পর্ব ১: একটি দুর্গ ও অনেক দিনের পুরনো নির্জন এক টেবিল

Francesco Petrarca Giovanni Boccaccio Johann Wolfgang von Goethe Milan Kundera Paris Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar

Share this article on