


আমাদের জীবনে একঘেয়েমির অবদান প্রসঙ্গে, একটি ব্রিলিয়ান্ট বাক্য লিখেছেন রাসেল, তাঁর ‘বোর্ডম অ্যান্ড এক্সাইটমেন্ট’ প্রবন্ধে: “Boredom is a ‘fruitful’ pause!” কিন্তু সমস্ত একঘেয়েমিকে কি নিয়ে যাওয়া যায় নতুন ভাবনা, সৃজনের সার্থকতায়? না, তা যায় না। সেই যন্ত্রণাও একা ভোগ করেছি, কতবার। কিয়ার্কেগার্ড সেই যন্ত্রণাকে বর্ণনা করেছেন মাত্র তিনটি শব্দে: ‘orgasm without release.’ সময়কে থামিয়ে দিয়েছে এই বর্ণনা ও ব্যাখ্যা। কবে বলে গিয়েছেন। আজও আধুনিক।
৯৫.
আমার বয়স তখন বছর বিশ। ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র। কিন্তু দর্শনের বই পড়তেও খুব ভালো লাগে। সেই সময়ে আমার মন গেল বিগড়ে! কিছুতেই যায় না, যায় না মনের ভার। কিছুই ভালো লাগছে না। জীবন একঘেয়ে। অশেষ বোর্ডম, সীমাহীন একঘেয়েমি। এছাড়া জীবন আর কিছু নয়।
সেই সময়ে দর্শনের ব্রিলিয়ান্ট অধ্যাপক বিশ্বনাথ সেন, আমার চেয়ে খুব-জোর বছর পনেরোর বড়, সবসময় হাসিখুশি, খুব ভালোবাসতেন আমাকে। সকাল হলেই ওর বাড়িতে চলে আসতাম। দুই বন্ধুর মতো আমরা চা-টোস্ট খেতাম একসঙ্গে। আর বিশ্বনাথ সেন আমার টোস্টের দু’পাশে মাখন মাখিয়ে দিতেন। পলসন বাটার। “স্যর, আপনি আমার টোস্টের দু’পাশে মাখন দেন কেন? উত্তরে বলেছিলেন, জীবন দেয় না, তাই!”

স্যরকে একদিন বললাম আমার মনের সমস্যার কথা। কিচ্ছু ভালো লাগে না স্যর, লাইফ ইজ এনোরমাসলি, রিলেন্টলেসলি বোরিং! আমার কথা শুনে স্যর আমার দিকে কিছুক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর বললেন, ‘বালক, তুমি তো ভাগ্যবান (স্যর মাঝেমধ্যে আমার চুল সস্নেহে ঘেঁটে দিয়ে, আমাকে বালক সম্বোধন করতেন)! তুমি না জেনে পৃথিবীর এক আধুনিক সংস্কৃতির মধ্যে ঢুকে পড়েছ। একঘেয়েমির সংস্কৃতি।’
একঘেয়েমির সংস্কৃতি! আমি বিস্মিত। এই কারণেই তো স্যরকে এত ভালোবাসি। কত যে নতুন কথা শুনি তাঁর মুখে। নতুন চোখে পৃথিবী ও জীবনকে দেখতে শিখি।
স্যর চেয়ার থেকে উঠে পিছনে প্রাচীন কাচের ঝাপসা রত্ন-ভাণ্ডারটি খুললেন। আর এক ছোঁয়ে বের করে আনলেন একটা বই। ড্যানিশ দার্শনিক কিয়ার্কেগার্ডের ‘আইদার/অর: আ ফ্রাগমেন্ট অফ লাইফ’। বললেন, ‘একঘেয়েমির দর্শনের ওপর এরচেয়ে ভালো লেখা আর কেউ লেখেননি।’ আমি বললাম, কেন? বার্ট্রান্ড রাসেলের ‘বোর্ডম অ্যান্ড এক্সাইটমেন্ট’ লেখাটা? স্যর তখুনি বললেন, ‘ওটা শিশুর মতো ভালো। কিয়ার্কেগার্ড আমাদের প্রথম সচেতন করলেন, যে একঘেয়েমি আমাদের সংস্কৃতির অঙ্গ, আমাদের অস্তিত্ববাদের উৎসে জীবনের একঘেয়েমি, বেঁচে থাকার অর্থহীনতা যেখান থেকে উঠে আসছে। সমস্যা হল, একঘেয়েমি আমাদের আধুনিক জীবনবোধে মিশে আছে। আবার আমরা সেটা থেকে মুক্তিও চাইছি। কিয়ার্কেগার্ড কী লিখেছেন শোনো: How dreadful boredom is, how dreadfully boring is life! I know no stronger expression, no truer one, I lie prostrate, inert, the only thing I see is emptiness, the only thing I live on is emptiness, the only thing I move is emptiness. I do not even suffer pain. Pain itself has lost its refreshment for me. মনের কোন অবস্থায় যন্ত্রণাকে রিফ্রেশমেন্ট বলা যায়, ভাবতে পারো? মনের এই অবস্থাটা কিন্তু আধুনিক সংস্কৃতির অঙ্গ! যাই কিছু আমি স্পর্শ করে সরাচ্ছি, নাড়াচ্ছি, তাও শূন্যতা, এম্পটিনেস!’

সে অন্য কলকাতা! অন্য মাস্টারমশাই! শিক্ষার অন্য বাতাবরণ। বিশ্বনাথবাবুর কণ্ঠস্বর ভেসে এল ধূসর পুরনো ১৯৬১-র কোনও এক সকালবেলা থেকে, যার গায়ে এখনও লেগে আছে বিলিতি পলসন মাখনের গন্ধ।
একঘেয়েমি এমন একটা বিষয়, যা আজও পুরোনো হয়নি। কোনওদিন হবেও না। শুধু জীবনের দীর্ঘপথ পেরতে পেরতে, বেঁচে থাকাকে হাড়ে হাড়ে বুঝতে বুঝতে, আমি একঘেয়েমিকে ভালোবাসতে শিখেছি। আমি শুঁড়িখানায় একা হতে শিখেছি। আমি একটি-দু’টি ভাবনা নিয়ে চুপ করে তাদের খুঁড়তে খুঁড়তে আনন্দ পেতে শিখেছি এমন একটা সময়ে, যখন চারপাশে অজস্র পঙ্গু মন একঘেয়েমি থেকে পালিয়ে পতঙ্গের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ছে সেলফোনের সর্বনাশে!

কোথায় ১৯৬১ আর আমার বিশ বছর বয়সের একঘেয়েমি! আর কোথায় ২০২৬-এর আমি আর আমার এই শেষ জীবনের ‘active idleness’-এর একঘেয়েমি। অ্যাক্টিভ আইডিলনেস, এই অপূর্ব শব্দবন্ধ কিন্ত আমার কৃপণ লেখার টেবিল আমাকে দেয়নি। ধার করেছি কিয়ার্কেগার্ডের লেখা থেকে: যে লেখায় তিনি আধুনিক অস্তিত্ববাদের মূলে যে একঘেয়েমির বোধ, তার এই অনন্য সংজ্ঞাটি রেখে গিয়েছেন:
‘Do nothing with nobody all alone by yourself.’ একঘেয়েমি কাটাতে কারও সঙ্গ করার প্রয়োজন নেই। ‘Do nothing with nobody.’ আহা, ব্যাকরণের মাথার ওপর দিয়ে এইভাবে ছক্কা হাঁকিয়েছে কিয়ার্কেগার্ডের অমর বাক্য! আমার লেখার টেবিল কেন এমন একটি বাক্য আমাকে আজও দিল না? যে বেপরোয়া বাক্য সপাটে বলছে, মনে রেখো, সবাই ‘নো-বডি’। নো-বডিদের সঙ্গে নো-কাজে সময় নষ্ট করে ‘boredom’ থেকে পালানো যায় না। নিজের মধ্যে ডুব দিতে শেখো। ভাবতে শেখো। অবচেতন মনের কাছে প্রার্থী হতে শেখো। দেখবে ধীরে ধীরে তুমি অন্য মানুষ হয়ে উঠছ।

এই প্রসঙ্গে, অর্থাৎ, আমাদের জীবনে একঘেয়েমির অবদান প্রসঙ্গে, একটি ব্রিলিয়ান্ট বাক্য লিখেছেন রাসেল, তাঁর ‘বোর্ডম অ্যান্ড এক্সাইটমেন্ট’ প্রবন্ধে: “Boredom is a ‘fruitful’ pause!” কিন্তু সমস্ত একঘেয়েমিকে কি নিয়ে যাওয়া যায় নতুন ভাবনা, সৃজনের সার্থকতায়? না, তা যায় না। সেই যন্ত্রণাও একা ভোগ করেছি, কতবার। কিয়ার্কেগার্ড সেই যন্ত্রণাকে বর্ণনা করেছেন মাত্র তিনটি শব্দে: ‘orgasm without release.’ সময়কে থামিয়ে দিয়েছে এই বর্ণনা ও ব্যাখ্যা। কবে বলে গিয়েছেন। আজও আধুনিক।

মুশকিল হল, আমি অন্যদের মতো সাজিয়ে-গুছিয়ে লিখতে পারি না। আমি লিখি ফ্রি ফ্লো-স্টাইলে। যেভাবে আমার মন চলে, স্মৃতি বলে, মনন নির্দেশ দেয়, ঠিক সেইভাবে। আমার মুক্তপ্রবাহ স্টাইল আমাকে নিয়ে এসেছে আকস্মিক কার্ল ইউং-এ। সেই কবে কোন কালে স্বয়ং ইউং, উত্তর-ফয়েড মানস-ঈশ্বর, একঘেয়েমি নিয়ে বলে গিয়েছেন বেদবাক্য, মনে পড়ে গেল। না লিখে থাকতে পারছি না। কেমন সেই লেখার টেবিল, যে টেবিলে লেখা যায় এই অনুভূত সত্য: ‘Boredom is essential.’ জীবনে যদি না-গ্রহণ করতে পার একঘেয়েমি, কোনওদিন তুমি পাবে না তোমার মগ্নচৈতন্যের অপূর্ব অবদান। যে-অবদান তোমার জীবনকে সার্থক ও সম্পূর্ণ করবে।

ইউং-এর এই উক্তির পাশাপাশি আমার আরও একবার মনে পড়ে যাচ্ছে অধ্যাপক বিশ্বনাথ সেনের কণ্ঠে রাসেলের উক্তি: ‘Certain good things are not possible except where there is a certain degree of monotony.’
এরপর রাসেলের এই বজ্রপাত: একঘেয়েমি সহ্য করতে না-পারলে আমরা ক্রমে হয়ে যাব লিলিপুট: ‘A generation that cannot endure boredom will be a generation of little men.’
আমার নস্টালজিয়ায়, আমার স্মরণবেদনায়, প্রিয় অধ্যাপকের কণ্ঠে উচ্চারিত উদ্ধৃতির সঙ্গে মিশে আছে দু’-পিঠে মাখন লাগানো পাউরুটির সুবাস, সব না-পাওয়ার দুঃখ ভুলিয়ে। জীবন আমাকে ছিন্নভিন্ন করেছে। তোলপাড় করে উড়িয়ে দিয়েছে চেনা সাংসারিক জীবনের পরিচিত পথ। তবু, একা মগ্ন মনোটোনাস জীবনের ডুবসাঁতার! আহা! সেটাই আমার মৃত্যুকে করে তুলবে সোনালি।
…………………….. পড়ুন কাঠখোদাই-এর অন্যান্য পর্ব ……………………
পর্ব ৯৪: অমৃতা চেয়েছিলেন, তাঁর পরিচয় তাঁর শরীরকে পেরিয়ে যাক
পর্ব ৯৩: নষ্ট নেগেটিভ ফেলতেন না, ব্যর্থতাও সঙ্গে থাক
পর্ব ৯২: টেবিলই মধুসূদনের নেমেসিস, আত্মদহনের আয়না
পর্ব ৯১: সমর্পণ নয়, ব্যাড গার্লের প্রতিস্পর্ধা
পর্ব ৮৯: রঙে রসে অফুরান রবি বর্মার তুলির টান
পর্ব ৮৮: ন্যুড মডেলই মাতিসের ভাবনার টেবিল
পর্ব ৮৭: চণ্ডীমঙ্গল না পড়লে সে কীসের বাঙালি!
পর্ব ৮৬: সাধারণের জীবন রাজনীতির বিষয়, শিখিয়েছে মনুর সংহিতা
পর্ব ৮৫: চিঠির মোড়কে নষ্ট প্রেমের গোপন অভিসার
পর্ব ৮৪: চা নয়, চায়ের বই যখন প্রেমের অনুঘটক
পর্ব ৮৩: আধ্যাত্মিক বিরহ দিয়ে গড়া প্রেমের মহাকাব্য
পর্ব ৮২: এক মৃত্যুহীন ক্লাসিক কিংবা যৌনতার সহজপাঠ
পর্ব ৮১: দেশহীন, ভাষাহীন ঝুম্পা
পর্ব ৮০: সাহসী প্রেমের চিঠি লেখা শিখিয়েছিল যে বাঙালি যুগল
পর্ব ৭৯: সুরানিলয়ের টেবিল থেকেই জন্ম নিয়েছিল উপন্যাসের ভাবনা
পর্ব ৭৮: একবিন্দু আত্মকরুণা নেই অঞ্জনের আত্মজীবনীতে
পর্ব ৭৭: অ্যানির ‘দ্য ইয়ার্স’ শেখায় অন্তহীন ইরোটিসিজম-ই জীবনের পরমপ্রাপ্তি
পর্ব ৭৬: জয় গোস্বামীর সাজেশনে মুগ্ধতা জাগাল ‘সিম্পল প্যাশন’
পর্ব ৭৫: যে নারীর শেষপাতা পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি লেখক
পর্ব ৭৪: সেই তরুণীর জন্য বেঁচে আছে বোকা মনকেমন!
পর্ব ৭৩: কাফকার ভয়-ধরানো প্রেমপত্র!
পর্ব ৭২: থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনা, কলকাতা বইমেলায় শ্রেষ্ঠাংশে তবে রবীন্দ্র-ওকাম্পো?
পর্ব ৭১: একশো বছরের নৈরাজ্য ও একটি লেখার টেবিল
পর্ব ৭০: আত্মজীবনী নয়, মার্গারেটের ব্রতভ্রষ্ট স্মৃতিকথা
পর্ব ৬৯: রুশদির ‘দ্য ইলেভেনথ আওয়ার’ শেষ প্রহরের, অনিবার্য অন্তিমের দ্যোতক
পর্ব ৬৮: মাংসও টেবিলের কাছে ঋণী
পর্ব ৬৭: ভ্রমণ-সাহিত্যকে লাজলো নিয়ে গেছেন নতুন পারমিতায়
পর্ব ৬৬: নরম পায়রার জন্ম
পর্ব ৬৫: যে বইয়ের যে কোনও পাতাই প্রথম পাতা
পর্ব ৬৪: খেলা শেষ করার জন্য শেষ শব্দ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন জেফ্রি আর্চার
পর্ব ৬৩: সহজ ভাষার ম্যাজিক ও অবিকল্প মুরাকামি
পর্ব ৬২: জীবন তিক্ত এবং আশা করা ভুল, এই দর্শনই বিশ্বাস করেন ক্রাজনাহরকাই
পর্ব ৬১: লন্ডনে ফিরে এলেন অস্কার ওয়াইল্ড!
পর্ব ৬০: পাপ ও পুণ্যের যৌথ মাস্টারপিস
পর্ব ৫৯: মাতৃভক্তির দেশে, মাকে ছেড়ে যাওয়ার আত্মকথন
পর্ব ৫৮: চিঠিহীন এই যুগের শ্রেষ্ঠ প্রণয়লিপি
পর্ব ৫৭: লেখার টেবিল কি জানে, কবিতা কার দান– শয়তান না ঈশ্বরের?
পর্ব ৫৬: প্রেমের নিশ্চিত বধ্যভূমি বিয়ে, বার্ট্রান্ড রাসেলের লেখার টেবিল জানে সেই নির্মম সত্য
পর্ব ৫৫: জুলিয়া রবার্টসকে হিন্দুধর্মে দীক্ষা দিয়েছিল একটি বই, একটি সিনেমা
পর্ব ৫৪: আপনার লেখার টেবিল নেই কেন মানিকদা?
পর্ব ৫৩: পুরুষরা যে কতদূর অপদার্থ, ড্রেসিং টেবিলের দেখানো পথে মেয়েরা প্রমাণ করে দেবে
পর্ব ৫২: একটাও অরিজিনাল গল্প লেখেননি শেক্সপিয়র!
পর্ব ৫১: প্রমথ-ইন্দিরার মতো প্রেমের চিঠি-চালাচালি কি আজও হয়?
পর্ব ৫০: হাজার হাজার বছর আগের পুরুষের ভিক্ষা এখনও থামেনি
পর্ব ৪৯: কুকথার রাজনীতিতে অমরত্বের স্বাদ পেয়েছেন জর্জ অরওয়েল
পর্ব ৪৮: টেবিলই ওকাম্পোর স্মৃতি, আত্মজীবনীর ছেঁড়া আদর
পর্ব ৪৭: শেষ বলে কিছু কি থাকতে পারে যদি না থাকে শুরু?
পর্ব ৪৬: যে টেবিলে দেবদূত আসে না, আসে শিল্পের অপূর্ব শয়তান
পর্ব ৪৫: ফ্রেডরিক ফোরসাইথকে ফকির থেকে রাজা করেছিল অপরাধের পৃথিবী
পর্ব ৪৪: আম-বাঙালি যেভাবে আমকে বোঝে, দুই আমেরিকান লেখিকা সেভাবেই বুঝতে চেয়েছেন
পর্ব ৪৩: দু’পায়ে দু’রকম জুতো পরে মা দৌড়ে বেরিয়ে গেল, ইবতিসম্-এর উপন্যাসের শুরু এমনই আকস্মিক
পর্ব ৪২: অন্ধকার ভারতে যে সিঁড়িটেবিলের সান্নিধ্যে রামমোহন রায় মুক্তিসূর্য দেখেছিলেন
পর্ব ৪১: বানু মুশতাকের টেবিল ল্যাম্পটির আলো পড়েছে মুসলমান মেয়েদের একাকিত্বের হৃদয়ে
পর্ব ৪০: গোয়েটের ভালোবাসার চিঠিই বাড়িয়ে দিয়েছিল ইউরোপের সুইসাইড প্রবণতা
পর্ব ৩৯: লেখার টেবিল বাঙালির লাজ ভেঙে পর্নোগ্রাফিও লিখিয়েছে
পর্ব ৩৮: বঙ্গীয় সমাজে বোভেয়ার ‘সেকেন্ড সেক্স’-এর ভাবনার বিচ্ছুরণ কতটুকু?
পর্ব ৩৭: ভক্তদের স্তাবকতাই পাশ্চাত্যে রবীন্দ্র-কীর্তি স্থায়ী হতে দেয়নি, মনে করতেন নীরদচন্দ্র চৌধুরী
পর্ব ৩৬: একাকিত্বের নিঃসঙ্গ জলসাঘরে মারিও ভার্গাস লোসা যেন ছবি বিশ্বাস!
পর্ব ৩৫: জীবনের বাইশ গজে যে নারী শচীনের পরম প্রাপ্তি
পর্ব ৩৪: যা যা লেখোনি আত্মজীবনীতেও, এইবার লেখো, রাস্কিন বন্ডকে বলেছিল লেখার টেবিল
পর্ব ৩৩: ফিওনার সেই লেখার টেবিল মুছে দিয়েছিল মেয়েদের যৌনতা উপভোগের লজ্জারেখা
পর্ব ৩২: বাঙালি নয়, আন্তর্জাতিক বাঙালির সংজ্ঞায় স্পিভাক এসে পড়বেনই
পর্ব ৩১: প্রতিভাপাগল একটি বই, যাকে দিনলিপি বলে সামান্য করব না
পর্ব ৩০: পতিতালয়ের সেই লেখার টেবিল জাগিয়ে তুলেছিল ইসাবেলের হৃদয়-চেতনা
পর্ব ২৯: পাথরে প্রাণ আনে যে টেবিলের স্পর্শ
পর্ব ২৮: নিজের টেবিলকে কটাক্ষ করি, কেন অ্যানে মাইকেলসের মতো লিখতে পারি না?
পর্ব ২৭: নারীর রাগ-মোচনের কৌশল জানে মিলান কুন্দেরার লেখার টেবিল!
পর্ব ২৬: ভালোবাসা প্রকাশের সমস্ত শব্দ পেরিয়ে গিয়েছিল এলিয়টের লেখার টেবিল
পর্ব ২৫: যে টেবিলে জন্ম নেয় নগ্নতা আর যৌনতার নতুন আলো
পর্ব ২৪: প্রেমের কবিতার ভূত জন ডানকে ধরেছিল তাঁর উন্মাদ টেবিলে, মোমবাতির আলোয়
পর্ব ২৩: যে টেবিল আসলে বৈদগ্ধ আর অশ্লীলতার আব্রুহীন আঁতুড়ঘর!
পর্ব ২২: মহাবিশ্বের রহস্য নেমে এসেছিল যে টেবিলে
পর্ব ২১: গাছ আমাদের পূর্বপুরুষ, লেখার টেবিল বলেছিল হোসে সারামাগোকে
পর্ব ২০: টেবিলের কথায় নিজের ‘হত্যার মঞ্চে’ ফিরেছিলেন সলমন রুশদি
পর্ব ১৯: প্রতিভা প্রশ্রয় দেয় অপরাধকে, দস্তয়েভস্কিকে শেখায় তাঁর লেখার টেবিল
পর্ব ১৮: বিবেকানন্দের মনের কথা বুঝতে পারে যে টেবিল
পর্ব ১৭: ‘গীতাঞ্জলি’ হয়ে উঠুক উভপ্রার্থনা ও উভকামনার গান, অঁদ্রে জিদকে বলেছিল তাঁর টেবিল
পর্ব ১৬: যে লেখার টেবিল ম্যাকিয়াভেলিকে নিয়ে গেছে শয়তানির অতল গভীরে
পর্ব ১৫: যে অপরাধবোধ লেখার টেবিলে টেনে এনেছিল শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে
পর্ব ১৪: লেখার টেবিল গিলে নিচ্ছে ভার্জিনিয়া উলফের লেখা ও ভাবনা, বাঁচার একমাত্র উপায় আত্মহত্যা
পর্ব ১৩: হ্যামনেট ‘হ্যামলেট’ হয়ে বেঁচে থাকবে অনন্তকাল, জানে সেই লেখার টেবিল
পর্ব ১২: রবীন্দ্রনাথের লেখার টেবিল চিনতে চায় না তাঁর আঁকার টেবিলকে
পর্ব ১১: আর কোনও কাঠের টেবিলের গায়ে ফুটে উঠেছে কি এমন মৃত্যুর ছবি?
পর্ব ১০: অন্ধ বিনোদবিহারীর জীবনে টেবিলের দান অন্ধকারের নতুন রূপ ও বন্ধুত্ব
পর্ব ৯: বুড়ো টেবিল কিয়ের্কেগার্দকে দিয়েছিল নারীর মন জয়ের চাবিকাঠি
পর্ব ৮: অন্ধকারই হয়ে উঠলো মিল্টনের লেখার টেবিল
পর্ব ৭: কুন্দেরার টেবিলে বসে কুন্দেরাকে চিঠি
পর্ব ৬: মানব-মানবীর যৌন সম্পর্কের দাগ লেগে রয়েছে কুন্দেরার লেখার টেবিলে
পর্ব ৫: বিয়ের ও আত্মহত্যার চিঠি– রবীন্দ্রনাথকে যা দান করেছিল লেখার টেবিল
পর্ব ৪: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের টেবিল আর তারাপদ রায়ের খাট, দুই-ই ছিল থইথই বইভরা
পর্ব ৩: টেবিলের গায়ে খোদাই-করা এক মৃত্যুহীন প্রেমের কবিতা
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved