


রাস্কিন কিন্তু তাঁর ৯২-তেও ধরে রেখেছেন তাঁর গদ্যের সিম্পল বিউটি, সরল মাধুরী। কী অপূর্ব অকৃপণ তাঁর লেখার টেবিল! আজও কী নিরন্তর অবদানে তাঁর প্রমা ও প্রতিভা। এতটুকু টোল পড়েনি। এতটুকু মরচে ধরেনি। তাঁর ঘরের জানলায় আকাশের গায়ে ঢেউ তুলছে হিমালয়। জানলার তলায় ঘনিয়ে আছে হিমালয়ের অরণ্য। বাতাসে বনফুলের গন্ধ।
৯৬.
মে মাসের একটা মস্ত বড় খবর, ১৯ মে, তাঁর ৯২তম জন্মদিনে, প্রকাশিত হয়েছে ‘পাফিন বুকস’ থেকে রাস্কিন বন্ড-এর নতুন বই ‘অল-টাইম ফেভারিট ফ্রেন্ডশিপ স্টোরিজ’। ৯২ বছর বয়সে নতুন সৃজন! পৃথিবীর ক’জন সাহিত্যিক ঘটাতে পেরেছেন এই মিরাকেল? উনি তো হাতে লেখেন। টাইপরাইটার বর্জন করেছেন অনেক দিন। ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে যাননি। ৯২ বছর বয়সে হাত কাঁপে। সুতরাং, প্রার্থী হয়েছেন অন্যের হাতের লেখার কাছে।

তাঁর জন্মদিনে প্রকাশিত বইয়ের সবটাই তিনি মুখে বলেছেন! তবু যেখানেই চোখ রাখবেন, ২৩০ পাতার এই বই মণিমুক্তো ছড়িয়েছে কী সহজতায়! কী প্রাণহরা বহতায়! রাস্কিনের মুখের ভাষায় অকৃত্রিম ঝিলিক তুলে, হৃদয়ের পাল বাতাসে মেলে, কী তরতর করে এগিয়ে চলেছে বিচিত্র বন্ধুতা আর ভালোবাসার গল্প! এবং প্রতিটি গল্পের নির্যাসে বাস্তব জীবনের সত্য। প্রতিটি কাহিনির শিকড় চলে গিয়েছে লেখকের অন্তর জীবনের ফ্ল্যাশব্যাকে। তাঁর স্মৃতি ও মনকেমনের আশ্রয়ে কত বছর ধরে তিনি বয়ে বেড়িয়েছেন এই সব আশ্চর্য বন্ধুতা, মোহময় সখ্য! ৯২ বছরের জন্মদিনে সারা ভারত-জুড়ে তাঁর পাঠকদের তিনি দিয়ে গেলেন এমন এক ভালবাসার বই, যার বড় প্রয়োজন ছিল এই হিংসা, বিদ্বেষ, যুদ্ধ, নাশ ও খুনোখুনির পরিবহে।
বর্ণময়, হার্দিক সম্পর্কের বিচিত্র অবয়ব নিয়ে এমন সব সরল বুননে লেখা একটির পর একটি কাহিনি, শুরু করলে যারা তোড়ে টেনে নিয়ে যায়! এবং আসল কথা, রাস্কিন কিন্তু তাঁর ৯২-তেও ধরে রেখেছেন তাঁর গদ্যের সিম্পল বিউটি, সরল মাধুরী। কী অপূর্ব অকৃপণ তাঁর লেখার টেবিল! আজও কী নিরন্তর অবদানে তাঁর প্রমা ও প্রতিভা। এতটুকু টোল পড়েনি। এতটুকু মরচে ধরেনি। তাঁর ঘরের জানলায় আকাশের গায়ে ঢেউ তুলছে হিমালয়। জানলার তলায় ঘনিয়ে আছে হিমালয়ের অরণ্য। বাতাসে বনফুলের গন্ধ।

মনে আছে, তাজবেঙ্গলের লাউঞ্জে আমার সঙ্গে গল্প করতে করতে বলেছিলেন, কলকাতায় এলে মিস করি আমার বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে চলা ছোট্ট পাহাড়ি নদীর জলের শব্দ। আমার ধারণা, ওই ছোট্ট নদীর চলার শব্দ এমন টাটকা রেখেছে রাস্কিন বন্ড-কে। গত জন্মদিনের ছবিতে দেখলাম, অনেক রোগা হয়ে গিয়েছেন তিনি। তা হোক। এখনও তিনি কানায় কানায় প্রাণময়, বাঙ্ময়!
পার্ক স্ট্রিটের অক্সফোর্ড বইবিপণিকে বলে রেখেছিলাম, রাস্কিন বন্ডের ‘অল-টাইম ফেভারিট ফ্রেন্ডশিপ স্টোরিজ’ কলকাতায় এলেই যেন জানান। খবর পেতেই ছুটলাম। এবং বইটা হাতে নিয়েই মুগ্ধ আমি: ‘হোয়াট আ হ্যান্ডসাম বুক!’ আর্ট পেপারে ছাপা। পাতায় পাতায় ছবি! ছবি এঁকেছেন ডেভিড ইয়ামবেম।
মণিপুরের তরতাজা তরুণ এবং ইতিমধ্যেই বিখ্যাত ইলাস্ট্রেটর ডেভিড। তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করার মতো ছবি এঁকেছেন শিল্পী। এমন অসামান্য অলংকরণ বাড়িয়েছে এই বইয়ের আকর্ষণ ও মজা। বিশেষ করে ছোটরা খুব মজা পাবে। আর আমার মধ্যে যে-বালক এখনও বেঁচে আছে, সে তো বইটা কিনেই চলে গেল অক্সফোর্ডের দোতলায়। সে একটা টেবিলে বসল এক পট সোনালি দার্জিলিং আর কলকাতার সেরা ফ্রুটকেক নিয়ে। আর প্রথমেই মুগ্ধ নিবিড় হয়ে দেখতে লাগল ডেভিডের অলংকরণ।

একটা ছবিতে গাছের তলায় একটা ছোট্ট বেবিকে কুড়িয়ে পাচ্ছে বালক রাস্কিন। আর একটা ছবিতে সে একলা রাতে অন্ধকার ঘরে ভাবছে তার বিছানায় উঠে এল বুঝি আদিম সরীসৃপ আতঙ্ক। বইটার শেষ ছবি রাস্কিনের লেখা একটি কবিতার সঙ্গে: ডান্সিং নাইটে বন্ধুর সঙ্গে বালক রাস্কিন। এরপর শুরু করলাম পড়তে:
It has been a lonely winter for a twelve-year old boy. I hadn’t really gotten over my father’s untimely death two years previously, nor had I as yet reconciled myself to my mother’s marriage to the Punjabi gentleman who dealt in second-hand cars. The three-month winter break over, I was almost happy to return to my boarding school in Simla…
এতটা পড়লে অনেকের মনে হতে পারে, রাস্কিনের আত্মজীবনী ‘লোন ফক্স ডান্সিং’-এ ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন না তো তিনি? একেবারেই সেটা নয়। তবু ৯২ বছর বয়সে যে-দুঃখ তাঁর মনে এখনও লেগে আছে, সেই কথাটি একটি মাত্র বাক্যে তিনি আমাদের না-জানিয়েও পারেননি: আমার মায়ের বিয়েটা আমি তখনও মেনে নিতে পারিনি। আমার মা আমার ব্রিটিশ বাবার সঙ্গে বিয়ে ভেঙে, এক পাঞ্জাবি ভদ্রলোককে বিয়ে করল, যার ব্যবসা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ির।

রাস্কিনের বাবা কাজ করতেন ব্রিটিশ এয়ারফোর্সে। এই লেখার শুরুতেই রাস্কিন লিখছেন: আমার মা যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল, তখনও আমি ভুলতে পারিনি আমার বাবার অকালমৃত্যুর শোক ও কষ্ট।
অন্য একটা লেখায় বাবাকে পরম বন্ধুর মতো মিস করছে বালক রাস্কিন। বাবা হাসপাতালে। একটা ভয় তাকে গিলে খাচ্ছে নিঃসঙ্গ দুঃস্বপ্নের রাতে:
I sat on the bed and longed for my father to come home. A mosquito passed close by me and sang in my ear. Half heartedly, I clutched at it and missed and it disappeared behind the dressingtable. That mosquito, I reasoned, gave the malaria to my father. And now it was trying to give it to me!

ঝড়বৃষ্টি, বজ্রপাতের ভয়ংকর রাত। তারপর বজ্রবিদ্যুৎ থামল। বৃষ্টি ফিকে হয়ে গেল। একা ঘরে বালক রাস্কিন। মা চলে গিয়েছে অন্য একজনকে বিয়ে করে। বাবা হাসপাতালে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত। তিনি মারাও যাবেন এই অসুখে।
I began to wish I had stayed with the neighbours. The darkness worried me – silent and close – silent, as if in suspense. Once a bat flew flat against the window, falling to the ground outside; once an owl hooted. Sometimes a dog barked. And I tautened as a jackal howled hideously in the jungle behind the bungalow. But nothing could break the overall stillness, the night’ s silence… Only a dry puff of wind… It rustled in the trees and put me in mind of a snake slithering over dry leaves and twigs. I remembered a tale I had been told not long ago, of a sleeping boy who had been bitten by a cobra. I would not, could not, sleep. I longed for my father… The shutters rattled, the doors creaked. It was a night for ghosts. Ghosts! God, why did I have to think of them? My God! There standing by the bedroom door… My father! My father dead from the malaria, and come to see me!
এই হলেন রাস্কিন বন্ড, ‘অ্যাট হিজ সিমপ্লেস্ট বেস্ট’!

আমি চায়ে চুমুক দিই। সংক্ষিপ্ত কামড় বসাই ফ্রুটকেকে। তারপর অক্সফোর্ডের দোতলা থেকে পার্ক স্ট্রিটে দৃষ্টি হানি। শুরু হয়েছে সবে সন্ধের হেডলাইট জ্বালা ট্র্যাফিক-স্রোত। এই মুহূর্তে কিন্তু বন্ধুত্বের গল্প আমাকে বেশি টানছে। আমি চোখ ফেরাই রাস্তা থেকে বইয়ে। হঠাৎ একটা ছবি ভেসে ওঠে চোখের সামনে। রাস্কিন বন্ড তাঁর লেখার টেবিলে। তাঁর ঘরের জানলায় ডুবসূর্যের আলোয় রাঙা হিমালয়। তাঁর কণ্ঠে আমি শুনতে পাচ্ছি:
In that last year at prep school in Simla, there were four of us who were close friends – Bimal, whose home was in Bombay; Riaz who came from Lahore ; Bran, who hailed from Vellore ; and your narrator, who lived wherever his father (then in the Air Force) was posted.
সেদিন রোববার। বিকেলবেলা। চার বন্ধু বেড়াতে বেরিয়েছে। স্কুলের নিচে পাহাড়ের ধারে ওরা বেড়াচ্ছে। এমন সময় ঘটল এই ঘটনা:
Scrambling about among the rocks and thorny bushes below the school, I almost fell over a small bundle lying in the shade of a young spruce tree. On taking closer look, I discovered that the bundle was really a baby, wrapped up in a tattered, old blanket. ‘A baby’s been left here !’ ‘Who would leave a baby on the hillside?’ asked Bimal to know one in particular.
‘Someone who doesn’t want it’, said Bran. ‘And hope some good people would come along and keep it’, added Riaz…
‘Well, we’ ll just have to adopt it’, said Bimal.
‘We can’t adopt a baby’, protested Bran.
‘Why not ? ‘
‘We have to be married.’
তারপর কী হয়? আর বলছি না। তবে এই ফ্রেন্ডশিপ-এর গল্প আরও অনেক দূর গড়ায়।

এই বই এক আশ্চর্য মাস্টারপিস। কত রকমের চরিত্র। কত বিচিত্র ঘটনা। কত ঈর্ষা। কত ঝগড়া এবং ভুল বোঝা। তবু সব কিছুর মধ্যে দিয়ে চলেছে কিছু বিশেষ বন্ধুতার বন্ধন। সব বন্ধুত্ব যে চিরকালের, তা তো নয়। তবু থেকে যায় স্মৃতি, মনকেমন, বেদনা। আবার কোনও কোনও বন্ধু বহু বছরের ব্যবধানের পরে ফিরে আসে জীবনে। এবং সুতোটা তুলে নেয় সেখানে, ঠিক যেখানে ছেড়ে গিয়েছিল। কী সহজে সার বার্তাটি পৌঁছে দিয়েছেন রাস্কিন বন্ড:
Time and distance don’t affect genuine friendships. Somi, the boy who played Holi with me in the pages of The Room on the Roof, all of seventy-five years ago, was a real boy, a friend who left India when he was eighteen and who returned only two or three years ago, grey-bearded and slightly stooped, turning up on my verandah steps just as he did as a boy, – as lively and affectionate and as joyful as ever – the perfect example of a friendship that defies the passage of the years.
কী ডেডলি গদ্য! কী খোদাই করা ভাবনা! বন্ধুত্বের কী অমোঘ সংজ্ঞা! এবং সমস্তটা কী স্বাভাবিক সহজপাঠ চলনে!
একটাই প্রশ্ন: কোনও কোনও লেখার টেবিলের অবদানে কি মিশে থাকে না নিরন্তর লাজুক নেপথ্যচারিতা? দানের দাগ থাকে না কোথাও?
…………………….. পড়ুন কাঠখোদাই-এর অন্যান্য পর্ব ……………………
পর্ব ৯৫: একঘেয়েমি যখন মগ্নজীবনের ডুবসাঁতার
পর্ব ৯৪: অমৃতা চেয়েছিলেন, তাঁর পরিচয় তাঁর শরীরকে পেরিয়ে যাক
পর্ব ৯৩: নষ্ট নেগেটিভ ফেলতেন না, ব্যর্থতাও সঙ্গে থাক
পর্ব ৯২: টেবিলই মধুসূদনের নেমেসিস, আত্মদহনের আয়না
পর্ব ৯১: সমর্পণ নয়, ব্যাড গার্লের প্রতিস্পর্ধা
পর্ব ৮৯: রঙে রসে অফুরান রবি বর্মার তুলির টান
পর্ব ৮৮: ন্যুড মডেলই মাতিসের ভাবনার টেবিল
পর্ব ৮৭: চণ্ডীমঙ্গল না পড়লে সে কীসের বাঙালি!
পর্ব ৮৬: সাধারণের জীবন রাজনীতির বিষয়, শিখিয়েছে মনুর সংহিতা
পর্ব ৮৫: চিঠির মোড়কে নষ্ট প্রেমের গোপন অভিসার
পর্ব ৮৪: চা নয়, চায়ের বই যখন প্রেমের অনুঘটক
পর্ব ৮৩: আধ্যাত্মিক বিরহ দিয়ে গড়া প্রেমের মহাকাব্য
পর্ব ৮২: এক মৃত্যুহীন ক্লাসিক কিংবা যৌনতার সহজপাঠ
পর্ব ৮১: দেশহীন, ভাষাহীন ঝুম্পা
পর্ব ৮০: সাহসী প্রেমের চিঠি লেখা শিখিয়েছিল যে বাঙালি যুগল
পর্ব ৭৯: সুরানিলয়ের টেবিল থেকেই জন্ম নিয়েছিল উপন্যাসের ভাবনা
পর্ব ৭৮: একবিন্দু আত্মকরুণা নেই অঞ্জনের আত্মজীবনীতে
পর্ব ৭৭: অ্যানির ‘দ্য ইয়ার্স’ শেখায় অন্তহীন ইরোটিসিজম-ই জীবনের পরমপ্রাপ্তি
পর্ব ৭৬: জয় গোস্বামীর সাজেশনে মুগ্ধতা জাগাল ‘সিম্পল প্যাশন’
পর্ব ৭৫: যে নারীর শেষপাতা পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি লেখক
পর্ব ৭৪: সেই তরুণীর জন্য বেঁচে আছে বোকা মনকেমন!
পর্ব ৭৩: কাফকার ভয়-ধরানো প্রেমপত্র!
পর্ব ৭২: থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনা, কলকাতা বইমেলায় শ্রেষ্ঠাংশে তবে রবীন্দ্র-ওকাম্পো?
পর্ব ৭১: একশো বছরের নৈরাজ্য ও একটি লেখার টেবিল
পর্ব ৭০: আত্মজীবনী নয়, মার্গারেটের ব্রতভ্রষ্ট স্মৃতিকথা
পর্ব ৬৯: রুশদির ‘দ্য ইলেভেনথ আওয়ার’ শেষ প্রহরের, অনিবার্য অন্তিমের দ্যোতক
পর্ব ৬৮: মাংসও টেবিলের কাছে ঋণী
পর্ব ৬৭: ভ্রমণ-সাহিত্যকে লাজলো নিয়ে গেছেন নতুন পারমিতায়
পর্ব ৬৬: নরম পায়রার জন্ম
পর্ব ৬৫: যে বইয়ের যে কোনও পাতাই প্রথম পাতা
পর্ব ৬৪: খেলা শেষ করার জন্য শেষ শব্দ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন জেফ্রি আর্চার
পর্ব ৬৩: সহজ ভাষার ম্যাজিক ও অবিকল্প মুরাকামি
পর্ব ৬২: জীবন তিক্ত এবং আশা করা ভুল, এই দর্শনই বিশ্বাস করেন ক্রাজনাহরকাই
পর্ব ৬১: লন্ডনে ফিরে এলেন অস্কার ওয়াইল্ড!
পর্ব ৬০: পাপ ও পুণ্যের যৌথ মাস্টারপিস
পর্ব ৫৯: মাতৃভক্তির দেশে, মাকে ছেড়ে যাওয়ার আত্মকথন
পর্ব ৫৮: চিঠিহীন এই যুগের শ্রেষ্ঠ প্রণয়লিপি
পর্ব ৫৭: লেখার টেবিল কি জানে, কবিতা কার দান– শয়তান না ঈশ্বরের?
পর্ব ৫৬: প্রেমের নিশ্চিত বধ্যভূমি বিয়ে, বার্ট্রান্ড রাসেলের লেখার টেবিল জানে সেই নির্মম সত্য
পর্ব ৫৫: জুলিয়া রবার্টসকে হিন্দুধর্মে দীক্ষা দিয়েছিল একটি বই, একটি সিনেমা
পর্ব ৫৪: আপনার লেখার টেবিল নেই কেন মানিকদা?
পর্ব ৫৩: পুরুষরা যে কতদূর অপদার্থ, ড্রেসিং টেবিলের দেখানো পথে মেয়েরা প্রমাণ করে দেবে
পর্ব ৫২: একটাও অরিজিনাল গল্প লেখেননি শেক্সপিয়র!
পর্ব ৫১: প্রমথ-ইন্দিরার মতো প্রেমের চিঠি-চালাচালি কি আজও হয়?
পর্ব ৫০: হাজার হাজার বছর আগের পুরুষের ভিক্ষা এখনও থামেনি
পর্ব ৪৯: কুকথার রাজনীতিতে অমরত্বের স্বাদ পেয়েছেন জর্জ অরওয়েল
পর্ব ৪৮: টেবিলই ওকাম্পোর স্মৃতি, আত্মজীবনীর ছেঁড়া আদর
পর্ব ৪৭: শেষ বলে কিছু কি থাকতে পারে যদি না থাকে শুরু?
পর্ব ৪৬: যে টেবিলে দেবদূত আসে না, আসে শিল্পের অপূর্ব শয়তান
পর্ব ৪৫: ফ্রেডরিক ফোরসাইথকে ফকির থেকে রাজা করেছিল অপরাধের পৃথিবী
পর্ব ৪৪: আম-বাঙালি যেভাবে আমকে বোঝে, দুই আমেরিকান লেখিকা সেভাবেই বুঝতে চেয়েছেন
পর্ব ৪৩: দু’পায়ে দু’রকম জুতো পরে মা দৌড়ে বেরিয়ে গেল, ইবতিসম্-এর উপন্যাসের শুরু এমনই আকস্মিক
পর্ব ৪২: অন্ধকার ভারতে যে সিঁড়িটেবিলের সান্নিধ্যে রামমোহন রায় মুক্তিসূর্য দেখেছিলেন
পর্ব ৪১: বানু মুশতাকের টেবিল ল্যাম্পটির আলো পড়েছে মুসলমান মেয়েদের একাকিত্বের হৃদয়ে
পর্ব ৪০: গোয়েটের ভালোবাসার চিঠিই বাড়িয়ে দিয়েছিল ইউরোপের সুইসাইড প্রবণতা
পর্ব ৩৯: লেখার টেবিল বাঙালির লাজ ভেঙে পর্নোগ্রাফিও লিখিয়েছে
পর্ব ৩৮: বঙ্গীয় সমাজে বোভেয়ার ‘সেকেন্ড সেক্স’-এর ভাবনার বিচ্ছুরণ কতটুকু?
পর্ব ৩৭: ভক্তদের স্তাবকতাই পাশ্চাত্যে রবীন্দ্র-কীর্তি স্থায়ী হতে দেয়নি, মনে করতেন নীরদচন্দ্র চৌধুরী
পর্ব ৩৬: একাকিত্বের নিঃসঙ্গ জলসাঘরে মারিও ভার্গাস লোসা যেন ছবি বিশ্বাস!
পর্ব ৩৫: জীবনের বাইশ গজে যে নারী শচীনের পরম প্রাপ্তি
পর্ব ৩৪: যা যা লেখোনি আত্মজীবনীতেও, এইবার লেখো, রাস্কিন বন্ডকে বলেছিল লেখার টেবিল
পর্ব ৩৩: ফিওনার সেই লেখার টেবিল মুছে দিয়েছিল মেয়েদের যৌনতা উপভোগের লজ্জারেখা
পর্ব ৩২: বাঙালি নয়, আন্তর্জাতিক বাঙালির সংজ্ঞায় স্পিভাক এসে পড়বেনই
পর্ব ৩১: প্রতিভাপাগল একটি বই, যাকে দিনলিপি বলে সামান্য করব না
পর্ব ৩০: পতিতালয়ের সেই লেখার টেবিল জাগিয়ে তুলেছিল ইসাবেলের হৃদয়-চেতনা
পর্ব ২৯: পাথরে প্রাণ আনে যে টেবিলের স্পর্শ
পর্ব ২৮: নিজের টেবিলকে কটাক্ষ করি, কেন অ্যানে মাইকেলসের মতো লিখতে পারি না?
পর্ব ২৭: নারীর রাগ-মোচনের কৌশল জানে মিলান কুন্দেরার লেখার টেবিল!
পর্ব ২৬: ভালোবাসা প্রকাশের সমস্ত শব্দ পেরিয়ে গিয়েছিল এলিয়টের লেখার টেবিল
পর্ব ২৫: যে টেবিলে জন্ম নেয় নগ্নতা আর যৌনতার নতুন আলো
পর্ব ২৪: প্রেমের কবিতার ভূত জন ডানকে ধরেছিল তাঁর উন্মাদ টেবিলে, মোমবাতির আলোয়
পর্ব ২৩: যে টেবিল আসলে বৈদগ্ধ আর অশ্লীলতার আব্রুহীন আঁতুড়ঘর!
পর্ব ২২: মহাবিশ্বের রহস্য নেমে এসেছিল যে টেবিলে
পর্ব ২১: গাছ আমাদের পূর্বপুরুষ, লেখার টেবিল বলেছিল হোসে সারামাগোকে
পর্ব ২০: টেবিলের কথায় নিজের ‘হত্যার মঞ্চে’ ফিরেছিলেন সলমন রুশদি
পর্ব ১৯: প্রতিভা প্রশ্রয় দেয় অপরাধকে, দস্তয়েভস্কিকে শেখায় তাঁর লেখার টেবিল
পর্ব ১৮: বিবেকানন্দের মনের কথা বুঝতে পারে যে টেবিল
পর্ব ১৭: ‘গীতাঞ্জলি’ হয়ে উঠুক উভপ্রার্থনা ও উভকামনার গান, অঁদ্রে জিদকে বলেছিল তাঁর টেবিল
পর্ব ১৬: যে লেখার টেবিল ম্যাকিয়াভেলিকে নিয়ে গেছে শয়তানির অতল গভীরে
পর্ব ১৫: যে অপরাধবোধ লেখার টেবিলে টেনে এনেছিল শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে
পর্ব ১৪: লেখার টেবিল গিলে নিচ্ছে ভার্জিনিয়া উলফের লেখা ও ভাবনা, বাঁচার একমাত্র উপায় আত্মহত্যা
পর্ব ১৩: হ্যামনেট ‘হ্যামলেট’ হয়ে বেঁচে থাকবে অনন্তকাল, জানে সেই লেখার টেবিল
পর্ব ১২: রবীন্দ্রনাথের লেখার টেবিল চিনতে চায় না তাঁর আঁকার টেবিলকে
পর্ব ১১: আর কোনও কাঠের টেবিলের গায়ে ফুটে উঠেছে কি এমন মৃত্যুর ছবি?
পর্ব ১০: অন্ধ বিনোদবিহারীর জীবনে টেবিলের দান অন্ধকারের নতুন রূপ ও বন্ধুত্ব
পর্ব ৯: বুড়ো টেবিল কিয়ের্কেগার্দকে দিয়েছিল নারীর মন জয়ের চাবিকাঠি
পর্ব ৮: অন্ধকারই হয়ে উঠলো মিল্টনের লেখার টেবিল
পর্ব ৭: কুন্দেরার টেবিলে বসে কুন্দেরাকে চিঠি
পর্ব ৬: মানব-মানবীর যৌন সম্পর্কের দাগ লেগে রয়েছে কুন্দেরার লেখার টেবিলে
পর্ব ৫: বিয়ের ও আত্মহত্যার চিঠি– রবীন্দ্রনাথকে যা দান করেছিল লেখার টেবিল
পর্ব ৪: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের টেবিল আর তারাপদ রায়ের খাট, দুই-ই ছিল থইথই বইভরা
পর্ব ৩: টেবিলের গায়ে খোদাই-করা এক মৃত্যুহীন প্রেমের কবিতা
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved